ফটোব্লগঃজাস্ট সেলোগ্রাফী-০৭(সাইবারজায়া ও গেন্টিং হাইল্যান্ড)

আমার ফটো ব্লগ দেখতে দেখতে নিশ্চয় অনেকে টায়ার্ড। কি করবো, আমি ছিবি তিলতে পছন্দ করি। আপাতত এটাই আমার শেষ ফটো ব্লগ।

মালয়েশিয়া যে কতোটা গুছানো তা তাদের যেকোনো কিছু দেখলেই বুঝা যায়। ওরা নতুন করে একটা শহর তৈরী করতেছে যেখানে সব কিছু ছবির মতো সুন্দর। নাম পুত্রজায়া। আরেকটা সিটি আছে ওদের নাম “সাইবারজায়া”। নামেই বুঝা যায় এখানে সব আইটি অফিস এবং সব ভালো ভালো ইউনিভার্সিটি গুলো। এই শহর টাও দেখার মতো। কিছু ছিবি দিলিম।

শেষের ছবিটা genting এর। যেখানে বিশাল casino আছে। ইস, অনেকগুলা টাকা হারছি সেই রাতে।

১,৬৯৮ বার দেখা হয়েছে

২৮ টি মন্তব্য : “ফটোব্লগঃজাস্ট সেলোগ্রাফী-০৭(সাইবারজায়া ও গেন্টিং হাইল্যান্ড)”

  1. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)
    ইস, অনেকগুলা টাকা হারছি সেই রাতে।

    অনেকগুলো টাকা/ ৫০ (একক রিঙ্গিত!) = একাধিকবার এক্সট্রা সার্ভিস... :-B
    আহারে... 😛


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  2. তানভীর (৯৪-০০)

    আরে! এই তিনটা জায়গাই আমার কমন পড়ছে! 😀

    সাইবারজায়া দেখার মত খুব বেশী একটা কিছু নাই। ওখানে এরিকসনের অফিসটা বাইরে থেকেও সুন্দর, ভিতরেও সুন্দর।

    পুত্রজায়াকে ওদের প্রশাসনিক রাজধানী বলা যায়। সব সরকারী অফিস ওখানেই। চমৎকার সুন্দর, গোছানো শহর। শহরের মাঝ বরাবর সোজা এবং বিশাল একটা রাস্তা আছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটা কমিউনিটি অফিস (সিউর না) থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পর্যন্ত। মাঝে পড়ে সুন্দর, শান্ত একটা লেইক। আমার খুব ভালো লেগেছিল পুত্রজায়া।

    এখানে গেনটিং হাইল্যাণ্ড শেষেরটা ছবিটা খুব একটা পরিষ্কার না। খুব খুব সুন্দর একটা জায়গা। আসলে আমার কাছে বেশী ভালো লেগেছিল কারণ ওখানেই আমি প্রথম মেঘ স্পর্শ করেছিলাম। আমি দাঁড়িয়ে আছি, আর আমার মধ্য দিয়ে মেঘ চলে যাচ্ছে- এই অনুভূতি ঠিক বলে বোঝানো যাবেনা। ওখানকার ক্যাসিনোতে ঢুকেছিলাম বেশ আগ্রহ নিয়ে, কিন্তু খেলার সাহস আমার হয়নি। যারা মালয়েশিয়া যাবেন, তাদের জন্য পরামর্শ রইল গেনটিং হাইল্যান্ড ঘুরে আসার।

    জবাব দিন
  3. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    রবিন ভি ছিবিগিলা ইসলেই সিন্দর :clap: :clap: :clap:


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  4. মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

    মালেশিয়া আসলেই ঘোরাঘুরির জন্য চমৎকার জায়গা। আমি কেএল সেন্টারে FTV এর একটা ফ্যাশান শো দেখেছিলাম। ঐটা ছিল ঝাক্কাস। সাইবারজায়াতে আসলেই বেশি ঘোরাঘুরি করা হয়নি। তবে এরিকসন অফিসটা সত্যিই খুব সুন্দর। পুত্রজায়াতে গিয়ে এক ঠকবাজের হাতে আমার এক ফ্রেন্ড ৫০০$ হারিয়েছিল। সেই ঘটনা আরেকদিন বিস্তারিত বলব। লেখাটা পড়ে মালেশিয়া আবার যাওয়ার ইচ্ছেটা মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।