একটু শুনবেন গল্পটা

আচ্ছা আপনার কি একটু সময় হবে আমাকে দেবার? আমার কাছে একটা গল্প আছে আপনাকে বলার জন্য। গল্পটা আমি একটু খুলে বলতে চাই, “মন খুলে বলা” যাকে বলে। আর এই কাজটা তো এক তরফা জমে না, বুঝতেই পারছেন, তাই আপনাকেও “একটু মন খুলে” শুনতে হবে। তা না হলে তো আমি বলে ঠিক তৃপ্তি পাব না। আর একটা ছোট্ট শর্ত আছে আমার, গল্প শুনে আপনার মন একটু “ক্যামন ক্যামন” করলে আমাকে কিন্তু কিছু বলতে পারবেন না।

গল্পের নায়ক একটি ছোট বাচ্চা, ছেলে বা মেয়ে যে কেউ হতে পারে। তার বাবা-মা অথবা নিকট কেউ, অথবা প্রিয় কোন স্যার, গল্পের শুরুতেই তাকে একটি বোর্ডিং স্কুলে ভর্তি হবার জন্য অনুপ্রানিত করবেন, এবং বাচ্চাটি, যেহেতু সে গল্পের নায়ক, অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে সেই বোর্ডিং স্কুলের ভর্তি পরীক্ষায় টিকে যাবে। এরপর স্কুলের ফরমায়েশ মত এক গাদা জিনিস নিয়ে, একটা নিদির্ষ্ট দিনে, বিকালবেলা বাবা-মা সহ সেই স্কুলে ভর্তি হতে চলে আসবে। দুই তিন ঘন্টা পরেই সে অবশ্য বাবা-মা ছাড়া নিজেকে একদম একা অবস্থায় দেখতে পাবে, যদিও ততক্ষনে তার সংগে আঠার মত জুড়ে গেছে তার থেকে মাত্র একবছরের বড় একজন, একদম আপন বড় ভাইয়ের মত। কি আদরে কি শাসনে। আরও কিছুক্ষন পড়ে সে তারই মত বেশ কয়েকজনকে দেখতে পাবে, গুটি গুটি করে চলছে, চারপাশে ভয় আর বিস্ময় নিয়ে তাকাচ্ছে, এবং অজানা আশংকায় চোখ নামিয়েও নিচ্ছে। পরবর্তীতে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই গল্পের নায়ক বুঝতে পারবে, পৃথিবীর সেরা বন্ধু গুলোকে সে ইতিমধ্যেই চিনে ফেলেছে। এবং আরও বুঝবে, অসাধারন বন্ধু ভাগ্য নিয়েই সে এসেছে পৃথিবীতে, তাই সে ভর্তি হতে পেরেছে এই স্কুলে।

রাতের বেলা তাকে লাইন ধরে যেতে হবে খাবার জন্য, তার চেয়ে আরেকটু বড় একজন তাদের নিয়ে যাবে, নিয়ে যাবে খুব সুন্দর একটা খাবার ঘরে। এখানে সবাই তারা একসাথে খাবে। কাটা চামুচ দিয়ে খেতে হবে দেখে প্রথমে খুব টেনশন হবে তার। অল্পক্ষন পরেই তার টেনশন হয়তবা কেটেও যাবে, কারন তার একটু বড় ভাই, পরম মমতায় শিখিয়ে দেবে কিভাবে খেতে হয়। প্রথম প্রথম খেতে খুব কষ্ট হবে তার, এর পর ধীরে ধীরে একদিন সয়ে যাবে পুরো ব্যাপারটা। রাতে ঘুমানোর আগে বড় ভাইটি তাকে রাতের পোশাক পড়তে বলবে, আর চিঠি লিখতে বলবে বাসায়, গল্পের নায়ক যতই তাতে আপত্তি করুক না কেন। বড়রা মোটেই এটা কানে তুলবে না। বরং একটু বেশি আপত্তি করলে নায়ক তাদের কাছে তীব্র বকুনি খাবে, বুঝবে বাবা-মা আর শিক্ষক ছাড়াও বকা দেবার অনেকগুলো বড় ভাই সে অর্জন করেছে এবং কপাল যদি বেশি খারাপ হয় তার চেয়ে বেশি অন্য কিছুও ঝুটতে পারে। নিজের ইচ্ছেমত রুমের লাইট সে জ্বালিয়ে রাখতে পারবে না এবং একটা নিদির্ষ্ট সময় অবশ্যই তাকে বিছানায় শুতে হবে দেখে সে আরও অবাক হবে। বাবা-মাকে ছাড়া প্রথম একটি রাত সে পুরো অজানা পরিবেশে কাটাবে, রাতে বিছানায় শুয়ে প্রচন্ড কান্না পাবে তার, ইচ্ছে করবে এক ছুটে মায়ের কাছে চলে যেতে।

পরদিন সকালে বাশির প্রচন্ড শব্দে ঘুম ভাঙ্গবে তার, কেউ একজন ভয়ংকর তারস্বরে বাশি বাজাবে আর বলবে “ঘুমাচ্ছ, ঘুমাও, ঘুমাও” কিংবা ওই রকম কিছু একটা, আর কেউ একজন জানালায় শব্দ করবে অবিরাম। এই যন্ত্রনায় কি আর ঘুমানো যায়? ঘুম ঘুম চোখে বড়ভাইয়া যা বলবে তাই সে করবে, এরপর একদৌড়ে যাবে মাঠের দিকে, কারন সবাই তাই করছে। সে দেখবে যারা একটু দেরী করেছে তারা ব্যাঙের মত লাফাতে লাফাতে আর এরচেয়ে যারা বেশী দেরি করেছে তারা ডিগবাজি দিতে দিতে মাঠের দিকে আসছে। এগুলো দেখে হাসি পাবে তার, এবং হাসিটা উড়ে যাবে একটু পড়েই, যখন ও বুঝতে পারবে এটা হাসির ব্যাপার না আসলে, এটা এক ধরনের শাস্তি। আধা ঘন্টা দৌড় বা লেফট-রাইট করার পরে মুক্তি পাবে সে, এরপর গোসল করে একটু বসতে না বসতেই আবার বাশি শুনবে, এবং জানবে এটা নাকি নাস্তা খাওয়ার বাশি। আবার লাইন ধরে সেই খাবার ঘরে যাবে সে। কিছুদিনের মাঝেই বাশিতে বাশিতে তার জীবন বিষময় হয়ে যাবে, ঘুমে তো বটেই, স্বপ্নেও বাশি শুনবে সে।

গল্পের নায়ক নাস্তা খেয়ে এরপর যাবে ক্লাসে, দুটো দলে ভাগ হয়ে ক্লাস করবে তারা। ক্লাসে গিয়ে দেখবে তার জন্য আলাদা ডেক্স আর চেয়ার তৈরী আছে। আবিষ্কার করবে ক্লাসে স্যার আসলে দাড়াতে হয়না। তাদের মধ্য থেকেই অসিম ক্ষমতাবান একজনকে বের করা হবে, যে কিনা ক্লাসে স্যার না থাকলে বন্ধুদের উপর ছড়ি ঘুরানোর ক্ষমতা পাবে। এরপর একে একে আরও অনেক স্যার আসবেন, ম্যাডাম আসবেন, কেউ খুব রসিক, কেউবা গম্ভীর আর কেউ কেউ একদমই সাদামাটা। ক্লাসের মাঝে একটু বিরতি হবে একবার, অনেক দূর হেটে ওই সুন্দর ঘর থেকে দু্ধ খেয়ে আসতে হবে, সংগে বিস্কিট বা নুডুলস। যদিও এক রকম বিস্বাদের দুধ, সে এর আগে কখনও খায়নি এবং স্কুলের বাইরে অন্য কোথাও খাবেও না। এরপর তাকে আবার ক্লাসে যেতে হবে, লাইব্রেরী চিনে নিতে হবে, শিখতে হবে কিভাবে বই ইস্যু করতে হয়। ক্লাসের বই ইস্যু করে নিতে হবে, বাশ পাতার কাভার লাগানো খাতা নিতে হবে, এরপর লাইন ধরে যেতে হবে দুপুরের খাবারের জন্য। দুপুরে খাবার পর একটু ফ্রি টাইম থাকবে, ইচ্ছা করলে নায়ক এসময় ঘুমাতে পারে, অথবা হাউস লাইব্রেরীতে গিয়ে গল্পের বই ইস্যু করে নিতে পারে। হাউস লাইব্রেরীর আশ পাশে গেলে বড় ভাই তাকে নতুন বইয়ের লিষ্ট দিয়ে দেবে হয়ত, এবং বলবে ছুটিতে এগুলো কিনে লাইব্রেরীতে উপহার দিতে।

বিকালে আবার বাশি শুনে নায়ক ঘুম ঘুম চোখে ক্লাসে যাবে, যদিও এটা ক্লাস করার জন্য নয়, বরং ক্লাসে বসে পড়াশুনা করার জন্য। এরপর মাঠে গিয়ে খেলতে হবে তাকে, বড় আনন্দ পাবে সে ওই সময়টাতে। অতপর টি ব্রেকে চা আর প্যাটিস, পিয়াজু খেতে হবে, সাদা পাজামা, পাঞ্জাবী পরে মাগরিবের নামাজ পড়তে হবে। টাইয়ের নট বাধা শিখতে হবে, টাই পড়ে সন্ধ্যার পর আবার ক্লাসে যেতে হবে পড়াশুনা করতে। পড়তে হবে দশটা পর্যন্ত, মাঝখানে রাতের খাবার খেতে হবে। এরপর রাতে একটু টিভি দেখে ঘুম। আর এই ২৪ ঘন্টায় তার জীবনটা একদম বদলে যাবে।

নায়কের দিন গুলো এভাবে টুক টাক করে কেটে যাবে। এর মধ্যে সে হয়ত এক দুইবার অসুস্থ হবে, তার বড় ভাই তাকে নিয়ে যাবে হাসপাতালে, সে বুঝে যাবে মা-বাবা ছাড়া অসুস্থ হলে কেমন লাগে, কারন এই প্রথম সে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, বয়স বারো, এবং মা-বাবা কেউ সেটা জানেন না। আর জেনেও বা লাভ কি, কারন তারা তো আসতে পারবেন না। নায়কের মন খারাপ হবে প্রথমে খুব, কিন্তু অল্প পরেই সে হয়ত ভুলে যাবে সব, কারন সে বেশ আরাম আর যত্নেই থাকবে ওই হাসপাতালে। তার সদ্য বন্ধুদের কেউ কেউ হয়ত তাকে দেখতে আসবে, কারন এর মধ্যেই তার “জানের জান” কিছু বন্ধু হয়ে গেছে।

নায়কের পরিচিত বাড়তে থাকবে আস্তে আস্তে। ওকে নাম ধরে ডাকা শুরু করবে প্রায় সবাই। এর মধ্যে কিছু লোক, খেলা এবং পিটি এর সময়টাতে তার পিছনে আঠার মত লেগে থাকবে। ওরা তাকে লেফট-রাইট করা শিখাবে। একটা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে, ওখানে নায়ক এবং তার বন্ধুদের লেফট-রাইট করতে হবে সবার সামনে।

আরও অনেক কিছু শিখবে নায়ক এর মধ্যে। স্যারেরা হাউসে চেকিং এ আসলে কি করতে হবে, ক্লাসে কিভাবে ঘুমাতে হবে স্যারের চোখ ফাকি দিয়ে, ছবি দেখার সময় কিভাবে এক দৌড়ে ভাল জায়গা দখল নিতে হবে, ডিনারের মেনুতে চাপাতি থাকলে দিনটা কিভাবে কাটাতে হবে, আর স্পেশাল ডিনারের দিন চাপাতির মত কাটালে কি কি ক্ষতি হবে সব সে শিখে ফেলবে একটু একটু করে। মা-বাবার কথা ভেবে মন খারাপ, বয়ঃসন্ধির দুরন্ত পরিবর্তন, একা থাকার অনুভতি, আরও কতকিছু সে উপলদ্ধি করবে প্রথম বারের মত। আর সব কিছুতেই পরম কাছের লোক হিসাবে সে পাবে তার বন্ধুদের। এভাবে একটি বছর পার হয়ে যাবে চোখের পলকে।

এক বছর পরে তার ভুমিকার কিছুটা বদল হবে, তবে এখনও সে নায়কই থাকবে। নতুন আর একজন নায়ক আসবে, তার ভুমিকাটা হবে বড় ভাইয়ের, ঠিক একবছর আগে তার যেমন একজন নায়ক নায়ক বড় ভাই ছিল, সেই রকম। এবার সে শিখাবে কিভাবে টাইয়ের নট বাধতে হয়, কাটা চামুচ ধরতে হয়, কখন কোন পোশাক পড়তে হয়, কিভাবে বড়দের সংগে কথা বলতে হয়, স্যারদের সম্মান করতে হয় এই সব আর কি।

একটা করে বছর যায়, নায়ক একটু একটু করে আরও নায়ক হয়ে উঠে। জীবনের সবকিছুই সে শেখে এইখানে। সব। নখ কাটা থেকে দেশ চালানো, সব। প্রতিবাদী কন্ঠ, ডাব চুরি করা, ফোয়ারার মাছ চুরি করে রান্না, বেয়াদবী করতে পারা, বেয়াদবী করে মাফ চাইতে পারা, কাউকে মাফ করতে পারা, পড়াশুনা করে পত্রিকার শিরোনাম হওয়া, প্রাচীর আর কাটা তার টপকে বাইরে যাওয়া, কাউকে খুব ভালবাসতে পারা, কাউকে খুব ঘৃ্না করতে শেখা, আরও আরও নাম জানা অনেক কিছু শিখবে সে ছয় ছয়টি বছর ধরে। ছয় বছর পড়ে যখন সে স্কুল থেকে বের হবে, তখন সে নিজেকে বয়সের চেয়ে অনেক পরিনত হিসেবে দেখতে পাবে। নিজেকে ছাড়া আর কোন কিছুকে যে ভয় করে না।

পাঠক, আপনার কি নায়কের নামটা জানতে ইচ্ছে করছে?

তার আগে বলুন তো, আপনি কি ক্যাডেট? কি নাম আপনার?

আমার এই গল্পের নায়ক আপনি।

১৯,০৯৪ বার দেখা হয়েছে

১৫৫ টি মন্তব্য : “একটু শুনবেন গল্পটা”

  1. তাইফুর (৯২-৯৮)
    বাশ পাতার কাভার লাগানো খাতা নিতে হবে,
    নখ কাটা থেকে দেশ চালানো
    ছয় বছর পড়ে যখন সে স্কুল থেকে বের হবে, তখন সে নিজেকে বয়সের চেয়ে অনেক পরিনত হিসেবে দেখতে পাবে। নিজেকে ছাড়া আর কোন কিছুকে যে ভয় করে না।

    জীবনে প্রথম আমারে নায়ক বানায়ে কেউ কিছু লিখল। ;;)
    ফয়েজ ভাই কে :boss: চমৎকার উপস্থাপন আর ... ধুর সব কিছুই চমৎকার হইছে ... সব চমৎকারের জন্য :salute:


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  2. তানভীর (৯৪-০০)
    ছয় বছর পড়ে যখন সে স্কুল থেকে বের হবে, তখন সে নিজেকে বয়সের চেয়ে অনেক পরিনত হিসেবে দেখতে পাবে। নিজেকে ছাড়া আর কোন কিছুকে যে ভয় করে না।

    ফয়েজ ভাই, নির্দ্বিধায় এই লেখাটা আমার প্রিয় পোস্ট হিসেবে যোগ করে নিলাম।

    অসাধারণ! :salute: :salute: :salute:

    জবাব দিন
  3. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    অসাধারন, অনবদ্য, জটিল


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  4. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    ফয়েজ ভাই,আমার জাস্ট ফ্রেন্ড বৃত্তান্ত সামাল দিতে দিতে একটু কেলান্ত তাই বড় কোন কমেন্ট করলাম না।জটিল হইছে বস!সরাসরি প্রিয়তে।আর এই লেখাটা সিসিবির ইবুকে যোগ করার জন্য আমার ভুট দিলাম।আপনেরে সেলাম!

    জবাব দিন
  5. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    বস্, কী লিখলেন এইটা !
    ক্যামনে লিখলেন !

    লেখাটা দুঃখের কোনো কাহিনি না, কিন্তু তারপরও চোখে পানি আসলো কেনো বুঝতে পারলামনা।

    :salute:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  6. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

    অনেক দিন পরে কিছু পড়ে আনন্দে চোখ ভিজে গেলো বস। আমার পক্ষ থেকে আপনাকে নোবেল এর জন্য মনোনিত করলাম।

    :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss: :boss:

    জবাব দিন
  7. আব্দুল্লাহ্‌-আল-আমীন (৯৮-০৪)

    ......কলেজ থেকে বের হইছি প্রায় ৬ বছর। চাকরী জীবনে কপাল গুণে অনেকেরই প্রথম পোস্টিং হয় বাসার কাছে। আমার বাসার কাছে হয় নি; হল আমার ক্যাডেট কলেজের কাছে।

    ......নিয়মিত কলেজে যেতাম; চান্স পেলেই। এই জন্যেই কলেজের অনেক জুনিয়ররা, যারা আমাকে চেনার কথা না; চিনতে পারে। কলেজে গেলেই নিজের ক্যাডেট জীবনের কথা মনে পড়ত। তাই নিজের মনের খোরাক যোগাতেই যেতাম।

    ......৩ মাস আগে চলে আসলাম অনেক দূরে। এখনও কলেজ কে মনে পড়ে আগের মতই, কিন্তু আর যেতে পারি না। আজ ব্লগে ফয়েজ ভাইয়ের এই লেখাটা পড়ে মনে হল যেন অনেকদিন পর আবার কলেজে আসলাম। ধন্যবাদ ফয়েজ ভাই। আপনাকে :salute:

    ......প্রিয়তে যোগ করলাম আর ৫ তারা দিলাম (যদিও কম হয়ে গেল মনে হয়)

    অফটপিক - গ্রীন হাউজ আপ আপ :thumbup:

    জবাব দিন
  8. তন্ময় (২০০৬-২০১২)

    ছয় বছর পড়ে যখন সে স্কুল থেকে বের হবে, তখন সে নিজেকে বয়সের চেয়ে অনেক পরিনত হিসেবে দেখতে পাবে। নিজেকে ছাড়া আর কোন কিছুকে যে ভয় করে না।

    :salute: :salute: :salute:


    চলো বহুদুর.........

    জবাব দিন
  9. মোর্শেদ (৯৮-০৪প.ক.ক)

    ফয়েজ ভাই এইডা কি হইল? অটগ্রাফ দিমু কারে? এইখানে তো সবাইরেই আপনি নায়ক বানাইয়া দিলেন। আমার অটগ্রাফটা নিব কেডায়? 🙁 🙁 🙁


    মোর্শেদ_(৯৮-০৪)পাবনা ক্যাডেট কলেজ

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।