লাল তিল

বুদ্ধদেব গুহের কোজাগর বইটা পড়ার পর থেকে আমার মনের ভিতর একটা ফ্যান্টাসী কাজ করতো। আমার খুব ইচ্ছা বনের মধ্যে কোনো এক কোজাগরী পূর্নিমার রাতে, নদীর পাড়ে পাথরের উপর আমি কারো সাথে প্রেম করবো যার বুকে একটা লাল তিল থাকবে। কোন এক রাজকন্যার সাথে আমার জীবনের সবচেয়ে রোমান্টিক মুহুর্তটার ব্যাকগ্রাউন্ড হিসাবে এটাই কল্পনা করতাম। অবশেষে ৪/৫ বছর আগে আমি লাল তিলওয়ালা এক কন্যা খুঁজে পেয়েছিলাম। যদিও জীবনে খুব বেশী নারীর বুক দেখা হয়নি কিন্তু হঠাৎ করেই আমি ছিলাম আমি এমন একজনের সাথে যার বুকের মাঝখানে একটা লাল তিল আছে, না না ঠিক মাঝখানে না বাম দিকের ঢিবিটায়। সে একটি গোলাপী শার্ট পড়েছিলো আর উপরের দুটি বোতাম খোলা ছিলো। আর একারনেই আমি লাল তিলটি আবিস্কার করতে পেরেছিলাম।

একদিন বিকেলে, মনে আছে, মেঘ করে এলো। ডিসেম্বর মাস। ক্রিসমাসের কাছাকাছি, আগে কি পরে মনে নেই। আমি আর ইউনিভার্সিটির পর্তুগীজ মেয়ে সুজানা ট্রেন স্টেশনে বসে আছি লন্ডনের ট্রেইন ধরবো বলে। হঠাৎ সমস্ত আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেলো, তারপর ঝড় উঠলো, শুকনো পাতা উড়িয়ে ঘুরিয়ে নাচিয়ে। ঝড়ের পরেই নামলো বৃষ্টি, ফোঁটা ফোঁটা, তারপর না বৃষ্টি, না রোদ, না মেঘ, না আলো- নিতান্তই ব্রিটিশ আবহাওয়া … আমার মনে হলো সব মিলেমিশে কি এক অদ্ভুত অনির্বচনীয় নৈসর্গিক দৃশ্য। সে কথা মনে হলে আজও আমার গায়ে আনন্দের কাঁটা দেয়! চার্লস ডিকেন্সের স্মৃতিময় রচেস্টারের সেই ছোট্ট ট্রেইন স্টেশনে সুজানা আর আমি পাশাপাশি বসে সেই অদৃষ্টপূর্ব দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে ছিলাম।

কয়েকজন বন্ধু মিলে রাতের খাবার শেষে লেইস্টার স্কয়ারে একটা পাবে বসেছিলাম আমরা কিছুক্ষন। এরপর আমরা দুজন সেন্ট্রাল লন্ডন থেকে কেন্টের জিলিংহামের উদ্দেশ্যে রওনা হই। জিলিংহামের ট্রেইন ধরতে হবে ভিক্টোরিয়া থেকে। কিন্তু জিলিংহামের শেষ ট্রেইন আর দশ মিনিটের মধ্যেই ছেঁড়ে যাবে আর আমাদের আন্ডারগ্রাউন্ডে দুইবার ট্রেন বদল করে ভিক্টোরিয়া পৌঁছাতে হবে। সে এই সময় একবার আইসক্রীমের জন্য থামতে চেয়েছিলো কিন্তু আমি তাকে থামতে দেইনি। কিন্তু আমার অবচেতন মন বারবার চাইছিলো ট্রেনটা যেনো মিস হয়ে যায় আর আমরা যদি ট্রেইনটা মিস করতাম তাহলে রাত ১২টা হতে সকাল পর্যন্ত আমাদের স্টেশনেই কাটাতে হতো।

যাই হোক ট্রেইন ছাঁড়ার ঠিক কয়েক মুহুর্ত আগেই কোনোমতে শেষ কম্পার্টমেন্টে পৌঁছে যাই আর ঠিক দিল ওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গের মতই আমি তাকে চলন্ত ট্রেনে টেনে তুলি। কিন্তু ব্যাপারটা আরো রোমান্টিক হতে পারতো। নিজে একজন নন প্র্যাক্টিসিং ক্যাথলিক হলেও সে জানতো একজন প্র্যাক্টিসিং মুসলমান হিসাবে আমি বিয়ের আগে দৈহিক ভালোবাসার ব্যাপারগুলো এড়িয়ে যাবো তাও আমার মনে হচ্ছিলো ওর দুটো ঠোঁট যেনো আমাকে নেয়ার জন্য কাঁপছিলো। আমিও প্রস্তুত ছিলাম ওই দুটি ঠোঁটে ডুবে যাবার জন্যে। কিন্তু কেনো যেনো থেমে গেলাম।

ভিক্টোরিয়া থেকে জিলিংহাম ট্রেনে এক ঘন্টার পথ। আমি একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম আর স্বপ্ন দেখছিলাম। ওর প্রতিটা কথাই অনুরনন তুলছিলো আমার কানে কিন্তু আমি যেনো কিছুই শু্নছিলাম না। আমরা খুব কাছাকাছি বসেছিলাম, চাদের আলোয় বাইরের ছুটন্ত গমের ক্ষেত গুলো খেয়ালই করছিলাম না। আমি তার মুখের সবগুলো লোমকূপ, ছিদ্র দেখতে পারছিলাম। তার মৃদু পারফিউমের গন্ধ আর বাতাসে উড়তে থাকা চুল সব কিছুই ছিলো মাতাল করা। রাত প্রায় একটায় জিলিংহাম এসে পৌঁছাই। এরপরে প্রায় ১৫ মিনিট পাশাপাশি হেঁটে আমি তাকে তার বাসায় পৌঁছে দেই।

জিলিংহামের সুজানার ওই বাসাটার কথা আমার এখনো পরিষ্কার মনে পড়ে। বড় রাস্তা থেকে শর্টকাটের জন্য সরু গলি (এলিওয়ে) দিয়ে ভিতরে যেতে হতো অনেক খানি। সরু মানে ভীষন সরু, তাতে দুজন লোকের পাশাপাশি হাটতে অসুবিধা হতো। সেই গলি দিয়ে গিয়ে বাম দিকে নীল রঙ করা গ্রিলের দরজা ছিলো। ওখান গিয়ে দেখি ওর ফ্ল্যাটমেট ইরানী মেয়ে রোজ আর ব্যাঙ্গালোরের চানার রুম থেকে প্রেম করার ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। বেশ কিছুক্ষন সুজানার হাত ধরে দাঁড়িয়ে থেকে আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বিদায় নেয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারিনি।

DDLJ এর মতো আমরা ট্রেইনটা মিস করলাম না। যদিও তার বুকে লাল তিল ছিলো কিন্তু তার সাথে কোজাগরের মত প্রেম করতে পারলাম না। কোজাগর পড়ার পর থেকেই গত ১২ বছর ধরে আমি এইরকম লাল তিল ওয়ালা একটা মেয়ের অপেক্ষায় ছিলাম। মনে হয়েছিলো ওইদিন এসে গেছে। কিন্তু বাস্তবটা কোজাগর বই কিংবা DDLJ সিনেমার স্বপ্নিল গল্পের চেয়ে অনেকটাই ফ্যাকাশে। কিছু কিছু ঘটনা হয়তো কাকতালীয়ভাবে মিলে যায়। নয়তো জীবনটাই একটা সিনেমা হয়ে যেতো।

———————————————————————————————————————————————–
ধুরর বহুত লিখে ফেলসি… আর পারতেসি না… এই গল্পটার কংকালটাকে ফয়েজ ভাই আর কামরুল কে দিয়ে বলেছিলাম কিছু মাংস লাগিয়ে দিতে। কিন্তু কামরুল বলে ‘আরেকটু বুদ্ধদেব গুহ লাগান’ আর ফজু মল্লিক বলে ‘আররে সিসিবির গল্প হিসাবে ঠিক আছে।’ কিন্তু হঠাৎ করেই বিভিন্ন ইঙ্গিতে তারা আমাকে এই গল্পের নায়ক বানাতে চাইতেছে দেখে নিছকই গল্পটা সিসিবিতে দিয়ে দিলাম আজকে।গল্প ফল্প আমারে দিয়ে হবে না… এইবার সবাই একটা গান শুনেন। গানটা মেঘ পিয়ন জিহাদের জন্য

৯,১০১ বার দেখা হয়েছে

৯২ টি মন্তব্য : “লাল তিল”

  1. তাইফুর (৯২-৯৮)

    ঢিবি সহ তিলের ছবি চাই ...
    তিল কে তাল করতে চাই ...
    আরও অনেক কিছু চাই ...

    (অসাধারণ লেখা বস ... বুদ্ধদেব, চিত্রলেখা দের পর নতুন "গুহ" ... এহসান ভাই)


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  2. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    আগে জিজ্ঞেস করিনি, এটা কি আপনি প্রথমে ইংরেজিতে লিখেছিলেন, পরে অনুবাদ করেছেন ?
    যদি সরাসরি বাংলাতেই লিখে থাকেন তারপরও লেখাটায় একটা অনুবাদ অনুবাদ গন্ধ রয়ে গেছে, বিশেষ করে বাক্যের গঠনে। এতো বুদ্ধদেব পড়েছেন তার কাছ থেকে কিছু ধার করতে পারলেন না?

    যদিও জীবনে খুব বেশী নারীর বুক দেখা হয়নি কিন্তু হঠাৎ করেই আমি ছিলাম আমি এমন একজনের সাথে ছিলাম যার বুকের মাঝখানে একটা লাল তিল আছে, না না ঠিক মাঝখানে না বাম দিকের ঢিবিটায়।
    এই লাইনটায় একটু গড়বড় আছে। চোখে তিলটা ভাসছিলো বুঝি ?

    এটা আপনার জীবনের গল্প না বুঝি? দেখি সিসিবিতে কেউ বিশ্বাস করে কিনা !


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  3. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    ওহহো বলা হয়নি।
    "গল্পের নায়ক" নেহায়েৎ ভাগ্যবান, প্রেম করতে না পারুক, অন্তত লালতিল দেখতে পেরেছিলো।
    আমারতো ঢিবিই দেখা হয়নি ভাল মতো, তিল দেখবো কবে !


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
    • দিহান আহসান

      ভাইয়া চমৎকার হয়েছে। :clap:
      আমিতো ভাবলাম আপনার গল্প। আর ভাবতেছিলাম, ভাবি লিখা পরে কি আপনারে দৌড় লাগাইসে কিনা? 😀

      অফটপিকঃ এ যে দেখি আমাদের হাসেঁর ছানা, কেমন আছ ভাইয়া? বাসায় কখন যাবে?
      কি এক ভয় লাগিয়ে দিয়েছিলে আমাদের? সাবধানে থাকবে।

      জবাব দিন
  4. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    অসাধারন এহসান ভাই :hatsoff: :hatsoff:

    উপ্রে তাইফুর ভাই অনেক কিছু চাইছে... আমি উনার সাথে সম্পুর্ন সহমত 😀


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  5. একটা পরামর্শ চাই---

    সিসিবি তে যদি কোন গল্প দেয়া হয় কল্পনাপ্রসূত যার প্রধান চরিত্র আমি...... তাইলে কি সমস্যা আছে? যেমন এহসান ভাই দাবী করতে চাচ্ছেন। ;;; ;;;

    যদিও আমরা নিশ্চিত যে এইটা তার সত্যিকার অভিজ্ঞতা 😉 😉 😉 😉 😉

    জবাব দিন
  6. এহসান (৮৯-৯৫)

    Fuckistan তো দেখি টি টুয়েন্টিতে ফাটাফাটি শুরু করসে। লর্ডস এর মাঠ নটিংহামের চেয়ে ফাস্ট আছে মানে আজকের ট্র্যাক কম স্পিনিং। আমির পোলাটা দারুন বল করতেসে। দিলশানের বিরুদ্ধে গ্যাম প্ল্যান জটিল হইসে।

    জবাব দিন
    • রাজ্জাক, আমির, আফ্রিদি, গুল এর বোলিং এ কেউ দাঁড়াইতে পারলো না। গুল এখন ১৩ টা...সর্বোচ্চ উইকেট টেকার আপাতত। ১২ তে আছে সাঈদ আজমল, মালিঙ্গা, মেন্ডিস

      জবাব দিন
  7. আজীজ হাসান মুন্না (৯১-৯৭)

    এহসান ভাই,
    বিশেষ করে সামার টাইমে এবং সেটা যদি সকালে অফিস আওয়ারের শুরুতে বা শেষে হয় তাহলে আপনি তো ভালো করেই জানেন লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডে (আর লাল কালারের সেন্ট্রাল লাইন হলে তো কথাই নাই ) চলাচল কতোটা মারাত্নক- আমি মানে ঈমান আমল নিয়ে জিহাদ করার কথা বুঝাইতেছিলাম আর কি 🙂
    যাই হোক আপ্নের ওভারগ্রাউন্ডে লাল তিল দরশন বিষয়ক বাস্তব কাহীনিতে বিয়াপক মজা পাইলাম =))

    অফ টপিক - লেইস্টার স্কয়ারে বেশী যাওয়া ভালা না কিন্তু , খ্রাপ জায়গা 😀

    জবাব দিন
  8. এহসান (৮৯-৯৫)

    বেশ কিছুদিন আগে রায়হান আবীরের একটা কাল্পনিক প্রেমের গল্প পড়ে মনে হয়েছিলো, আমিও লিখি একটা। তারপর অনেকদিন আগে একটা গ্রুপ মেইল খুজে আমার একটা পুরানো লেখা বের করে লিখে ফেললাম। এখন সবার সন্দেহ প্রথম পুরুষে লেখা গল্পের নায়ক নিয়ে... প্রায় সবগুলো মন্তব্য একই রকম তীর মারছে। যদিও ভবিষ্যত গেমস প্রিফেক্ট সাহেব এই কাজটা শুরু করেছে...

    কলেজে থাকতে লালসালু পড়ানোর সময় সৈ.ন.ই বলেছিলো লেখায় লেখকের জীবন দর্শন থাকবে। হে হে হে... ওহে বৎসগন তোমরা ঐটা কিছুই দেখলা না। এটা সত্যি স্থান, কাল গুলো সত্যি কিন্তু পাত্র পাত্রী নকল। আমি ইংল্যান্ডে আছি, তাই এখাঙ্কার জায়গার কথা তুলে ধরছি। আর আজীজ বলসে না 'ঈমানী জিহাদ'। ঐটাই তো এই গল্পের থিম। আমরা যারা এইসব দেশে প্রতিনিয়ত ঈমানী পরীক্ষা দিতেছি, ঐটা বুদ্ধদেবের বন জঙ্গলের ফরেস্ট রেঞ্জার এর চেয়ে অনেক কঠীন কাজ।

    মিয়া বিবি রাজী কিন্তু তার পরেও আমার মতো কাজী এহসান নিতান্তই বোকা*দা। কেনো? নিজেরে ঐ জায়গায় রেখে নিজের মত করে গল্প বানাও সবাই। তুহিনরে জিগায়সিলাম, এই রকম হিরোগিরি না করলেও তো হইতো। আমারে কয় আমার জায়গায় থাকলে আপনিও আগায়া যাইতেন। কি জানি...

    আর বুদ্ধদেব অনেক আগে পড়সি। এখন সুযোগের ও সমেয়ের অভাবে পড়া হয় না। তাই ভাষা জ্ঞানে মরচে ধরেছে। আর বাংলা লেখালেখি তো এই সিসিবিতেই শুরু করসি কত্‌...দিন পর। কোনো কালেই লেখক ছিলাম না। আমার খেলা বিষয়ক লেখায় কেউ সাহিত্য খুজে না, তাই ঐটা লেখা সহজ। সিনেমার ব্লগেও সবাই সিনেমার গল্প কিংবা নায়িকার কথাই খেয়াল করে। আর একারনেই লেখার অনেক থিম মাথায় আসলেও লেখা হয় না। সারাদিন অফিস করে আসার পর ল্যাপটপে গুজে থাকলে বৌও কেমনে কেমনে তাকায়। এনিওয়েই আমি ট্যাগ এ ইচ্ছা করেই সিলেট ছাড়া কিছু লাগাই নাই। কারন ফয়েজ ভাই মত আমিও বিশ্বাস করি মহিব যেখানে গল্প লেখার অলিম্পিক স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে গেছে সেখানে ফয়েজ ভাইরা নাকি আছে সাফ লেভেলে আর আমি আছি আন্তঃভবন প্রতিযোগিতায় 🙂

    জবাব দিন
    • মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

      এহসান ভাই, আপনার অধিকাংশ লেখাই স্পোর্টস রিভিউ বিষয়ে, এখন আপনি যদি হঠাৎ একদিন এই রকম জটিল একটা লেখা দিয়ে দেন, জাতির মনে কনফিউশন জাগতেই পারে। এমনিতেই আপনার বাড্ডে পোস্টে ফয়েজ ভাই লাল তিল বিষয়ক কি জানি ফাঁস করে দেবার হুমকি দিয়েছিলেন।

      যাই হোক বস, আপনার কাছে জাতির দাবি, সপ্তাহে অন্তত দুয়েকটা এই রকম দারুন গল্প দিতেই হবে .........

      জবাব দিন
    • সামি হক (৯০-৯৬)

      এহসান ভাই যা কইছেন সামার এসে গেছে আর ঈমানী পরীক্ষা আরো কঠিন হয়ে উঠছে :(( :(( , মাঝে মাঝে মনে হয় আল্লাহ ক্যান বউরে নিয়ে বের হইছি :(( :(( । আপনার লাল তিল সেইরকম হয়েছে :grr: , আর হাজার হলে ও লাল লিভারপুলের কালার :grr: :grr:

      অ.ট. লিভারপুল কারে কারে কিনবে? হাওয়া কি বুঝেন? ছাড়তেইছে বা কারে কারে?

      জবাব দিন
  9. আজীজ হাসান মুন্না (৯১-৯৭)
    আমরা যারা এইসব দেশে প্রতিনিয়ত ঈমানী পরীক্ষা দিতেছি, ঐটা বুদ্ধদেবের বন জঙ্গলের ফরেস্ট রেঞ্জার এর চেয়ে অনেক কঠীন কাজ।

    সহমত সহমত উরে এক্কেবারে সহমত..প্রতি মুহুরতেই জিহাদ করতেছি সামারে তো মনে হয় ডবল সওয়াব কামাই।

    এহসান ভাই, আমাদের মত যারা সদা সর্বদা ঈমান রক্ষায় ব্যস্ত এই কুটিল প্রবাসে তাদের দুঃখের কথা দেশের দুষ্ট তরুন/বালক (অবিবাহিত বিশেষ করে) যদি বুঝত! 😀

    অফ টপিক ঃ বাইছাব আফনে জো সিলোটী ফুরির লগে ফয়লা ঢং করছায়িন তাই কিতা লন্ডনী আছিল না আম্রিকান ? :grr:

    জবাব দিন
  10. জিহাদ (৯৯-০৫)
    বেশ কিছুদিন আগে রায়হান আবীরের একটা কাল্পনিক প্রেমের গল্প পড়ে মনে হয়েছিলো, আমিও লিখি একটা।

    রায়হান আবীর কোনদিন কোন কাল্পনিক প্রেমের গল্প লিখসে বলে তো মনে পড়েনা। তার সবই তো জীবন থেকে নেওয়া 😀


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
  11. আদনান (১৯৯৪-২০০০)

    এহসান ভাই গল্পটা পড়ে কেন যেন বিফোর সানরাইজ মুভির কথা মনে পড়ল । গল্পটা খুবি সুখপাঠ্য, আমি গুহ সাহেবের বই পড়ে খুব একটা মজা পেতাম না । আপনার লেখা ভাল লেগেছে, সময় করে আমাদের জন্য আরো লিখুন । শুভকামনা ।

    জবাব দিন
  12. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    এহসান, গল্পটা ভালো লেগেছে আমার। খুব সাধারন ভাবে কিছু চিত্র তুলে ধরেছে, এটা আমার প্রিয় ষ্টাইল।

    তোমার সাফল্য কামনা করি, লালতিল নীলতিল, টরেশ, লিভারপুল, স্পেন, এমনি আরবী বেলী ড্যান্সার সহ তোমার পুরো জীবন।


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  13. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)

    আমাদের কি মামু পাইছে যে ভুগোল পড়াইয়া চলে যাবেন। আমি নিশ্চিত যে এটা ১০০% সত্য কাহিনী।

    খুবই সুন্দর একটা লেখা। বুকে কেমন হাহাকার তুলে দিয়ে যায়।

    জবাব দিন
  14. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)
    কারন ফয়েজ ভাই মত আমিও বিশ্বাস করি মহিব যেখানে গল্প লেখার অলিম্পিক স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে গেছে সেখানে ফয়েজ ভাইরা নাকি আছে সাফ লেভেলে আর আমি আছি আন্তঃভবন প্রতিযোগিতায় 🙂

    :khekz: :khekz: :khekz:

    জবাব দিন
  15. আদনান (১৯৯৭-২০০৩)

    আহ কি মুস্কিল... তিলতিল করে গড়ে তোলা একটা তিলের গল্পতে এভাবে অপবাদের তিলক লাগানো ঠিক না...

    ভাই, সত্যি হোক আর বানানো হোক আমার কোনও মাথাব্যথা নাই; কতা হইল সিরাম হইসে!!!

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।