
(গল্পটি পুরানো এবং আগে একটি ব্লগে ছাপানো হয়েছিলো।)
এক
ইন্দিরা রোডের একেবারে মাঝামাঝি দাড়ালে কামাল সাহেবের সুদৃশ্য সিরামিক ইটের চারতলা বাড়িটা নজর কাড়ে। নাগরিক জীবনের শর্ত মেনে বিলডিংএর ভাড়াটিয়া মোট সাতটা পরিবার দৈর্ঘ্যের বিচারে যতটা না নৈকট্যে, নিজেদের মধ্যে সামাজিক সম্পর্কে ঠিক ততটাই দূরত্বে। একেকটা ফçাট যেন একেকটা দ্বীপ। প্রায় প্রতিদিনই দোতলার বাসিন্দা হিয়ার সাথে তারই সমবয়সী চারতলার বাসিন্দা লাবনীর সাথে সিড়িতে উঠানামার পথে দেখা হয়।
এলোমেলো-৫: বাংলা
১.
খুব সম্ভবত ক্লাস নাইনের ঘটনা। আমাদের পছন্দের বাংলার এক ম্যাডাম ক্লাসে এসে আমাদেরকে একটা দরখাস্ত লিখতে বললেন। বিষয়- গ্রামে একটা দাতব্য হাসপাতাল স্থাপনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন । খুব ভালো কথা, আমিও ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে দরখাস্ত লিখতে বসে গেলাম। আমাদের গ্রামেই কেন লোকজনের দাঁতে খুব ব্যথা হয় এবং এই ব্যথা উপশমের জন্য কেন হাসপাতাল স্থাপন করা খুব জরুরী- এই সংক্রান্ত অনেক চাপাবাজী এক পৃষ্ঠার মধ্যে লিখে (দরখাস্ত এক পৃষ্ঠার মধ্যে লেখার নিয়ম ছিল) ম্যাডামের কাছে জমা দিয়ে দিলাম।
অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… বয়েস এবং পেশা পর্ব
অনেক প্রস্তুতি নেয়া সত্ত্বেও ম্যাচটা মিস করলাম। একেবারে ঠিক খেলা শুরু হবার ত্রিশ মিনিট আগে টেরও পেলাম না কখন ঘুমিয়ে পড়েছি। সাড়ে বারোটার পরে ঘুম থেকে উঠে দুরুদুরু বুকে লাইভস্কোরের ওয়েব সাইটটা খুলে দেখি ব্রাজিল জিতেছে। কলেজে থাকতে দেড়টা বিশ্বকাপ পেয়েছিলাম। ৯৪ সালেরটা গোটাটাই কলেজে দেখেছি, ৯৮ সালেরটাতে, সম্ভবত, কোয়ার্টার ফাইনালের সময় আমরা এইচ এস সি পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি চলে যাই। ২০০২ এর সময় বুয়েট বন্ধ থাকার কারনে খেলাগুলো দেখেছিলাম আকিকের বাসায়।
বিস্তারিত»আমাদের মোল্লা স্যার
একটা কথা ছিলো না……সেই ১৯৫৩ সাল থেকে…..তেমনি, সেই কোন সাল থেকে মোল্লা স্যার আমাদের ক্যাডেট কলেজ প্রাঙ্গনকে উনার পদভারে কম্পিত করেছিলেন, তা আমার এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না। তবে আমার মতো আন্ডাবাচ্চা থেকে শুরু করে আন্ডাবাচ্চার বাপ হওয়া পর্যন্ত সব এক্স ক্যাডটরা যে মোল্লা স্যারকে চেনেন, এ ব্যাপারে আমার বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। তিনি আমাদের নুরুজ্জামান মোল্লা স্যার, গণিতের শিক্ষক।
মোল্লা স্যারের যে জিনিসটা সবচেয়ে ইউনিক,
মালায়শিয়ার চিঠি – ০৮
১
ঈদ আসছে আবার। ছেলেবেলায়, সারা বছর অপেক্ষা করে থাকতাম এই দিনটার জন্যে। অনেক মজার একটা দিন, পড়াশুনার বালাই নেই, নেই বকা ঝকা। সারা দিন ইচ্ছেমত ঘুরা আর টিভি দেখা। এখন অনেক বড় হয়ে গেছি, পড়াশুনা আর করা লাগে না, বকা ঝকার দিনও দেখতে দেখতে শেষ হল। তাই হয়তো ঈদ গুলো আর সেই ছেলে বেলার মত রঙ্গিন নেই আজকাল। তার পরেও গত দুই বছর বেশ মিস করেছি ঈদ।
অলিভার স্টোন-এর ‘প্লাটুন’ (১৯৮৬)
ফ্রঁসোয়া ত্রুফো বলেছিলেন, যুদ্ধবিরোধী সিনেমা কখনোই বানানো সম্ভব না, কারণ যুদ্ধ নিয়ে করা সব সিনেমাতেই বীরত্ব ও অ্যাকশন দেখানোর মাধ্যমে এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয় যে যুদ্ধকে বেশ মজার মনে হয়। ত্রুফোর এই কথার চেয়ে বড় সত্য আর নেই। অনেক সিনেমায় যুদ্ধবিরোধী আন্ডারটোন থাকলেও নগ্ন বীরত্ব গাঁথা-টাই মুখ্য হয়ে উঠে। যুদ্ধের জটিল কলাকৌশল, স্নাইপারদের কারিশমা দেখতে তাই আমার কখনোই ভাল লাগে না। অপরদিকে যুদ্ধবিরোধী সিনেমা আমার প্রিয় জঁনরাগুলোর একটি।
বিস্তারিত»সাপ্তাহিক ১০
ক। রোজা শুরু হবার পর থেকে দিনের রুটিন খুব সরল হয়ে গিয়েছে, ভোরে উঠে সেহেরি খাওয়া তারপর আবার ঘুম, ৯টা থেকে ৩টা ক্লাস, তারপর ইফতারের আগ পর্যন্ত টিভি, ইন্টারনেট মাঝে মাঝে ঘুম, ইফতারের পর ডিনারের আগ পর্যন্ত সামান্য আড্ডাবাজি আর সে টিভি/ইন্টারনেট, ডিনারের পর ইন্টারনেট আর মুভি, মুভি দেখতে দেখতেই ঘুম। মাঝে অবশ্য পরীক্ষার জন্য দুদিন এই চক্র ভেঙ্গে গিয়েছিল, তারপর আবার যেমন ছিলে।
বিস্তারিত»ব্যক্তিগত বার্তা প্রেরণের সুবিধা চালু করা হলো
অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে ব্যক্তিগত বার্তা প্রেরণের সুবিধাটিও যোগ করা হলো!
চায়ের দোকানে আড্ডা দেবার পাশাপাশি এখন থেকে সিসিবি সদস্যরা নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগত বার্তা প্রেরণও করতে পারবেন। লগইন করে ড্যাশবোর্ডে প্রবেশের পর দেখতে পাবেন ব্যক্তিগত বার্তা নামে একটি নতুন অপশন যুক্ত হয়েছে। সেখানে বার্তা প্রেরণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় লিংক সন্নিবেশিত আছে। পাশাপাশি ড্যাশবোর্ডেও নতুন বার্তা প্রাপ্তির নোটিফিকেশন প্রদর্শিত হবে।
১। আপনি চাইলে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারিকে একই বার্তা পাঠাতে পারবেন।
বিস্তারিত»আচার ০২৫: বিচিত্রামচা
১।
প্রথম বিশ্ব হোক আর তৃতীয় বিশ্ব- সব বিশ্বের সরকারের অবস্থা একই। চরম রকমের ইনএফিসিয়েন্ট এরা। নিজের বাপ সরকারী চাকুরীজীবি, তারপরও এই কথা বললাম। বলার কারণ অবশ্য যথেষ্টই আছে, বিদেশে পড়তে আসার মাস দুয়েক আগে থেকে শুরু হইছে সরকারী অফিসে অফিসে কাগজপত্রের জন্য ধরনা দেওয়া। কানাডায় আইসাও তার ব্যতয় ঘটে নাই, এই কাগজ সেই কাগজের জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হইছে গত দুইবছর। বাংলাদেশের সরকারী অফিস আর এই খানের সরকারী অফিসের মধ্যে পার্থক্য একটাই,
বিস্তারিত»জরুরী বিজ্ঞপ্তি – ওয়ার্ডপ্রেস ভার্সন আপডেট
সর্বশেষ আপডেট: ওয়ার্ডপ্রেস ভার্সন আপগ্রেড সফল ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে ব্লগ স্টোর রুম সহ কিছু কিছু ফিচার কয়েকদিনের জন্য অচল থাকবে। খুব শিগগিরই নতুন ভার্সনের সাথে কম্প্যাটিবল করে আবার ব্লগে যোগ করে দেয়া হবে। পাশাপাশি কোন অসঙ্গতি কোথাও চোখে পড়লে দয়া করে পোস্টের কমেন্টে রিপোর্ট করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। হ্যাপি ব্লগিং ।
————————————————————————————-
প্রিয় সিসিবিবাসী,
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেট কলেজ
কলেজ থেকে আসার সময় আমার খুব গর্ব হচ্ছিল যে আমি ৬ বছর কলেজে থাকতে পারলাম। একদম ক্রেষ্ট নিয়ে বের হতে পারলাম। B-) কলেজ থেকে আসার পর যখন বাসায় আসলাম তখন প্রথম দিন ভাবলাম যাহ কি মজা আর ভেকেশান থেকে কলেজে যাবার কথা চিন্তা করতে হবেনা।
কিন্তু এই অনুভুতিটা বেশিক্ষণ থাকতে পারলোনা ওইদিন রাতেই ঘুমাতে গিয়ে দেখি ঘুম আর আসেনা যখন ভাবতে লাগলাম আমি আর কমন রুমে গিয়ে আয়েশ করে বসে টিভি দেখতে পারবোনা আমাকে দেখে আর জুনিয়ররা চেয়ার থেকে উঠে জায়গা করে দিবেনা রিমোটটা আমাদের ক্লাসের কারো হাতে তুলে দিবেনা,
আর্জেন্টিনা vs ব্রাজিল
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০১০ এর বাছাই পর্বে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দুই চির প্রতিদ্বন্দী আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিল। শুধু আর্জেন্টিনা ব্রাজিল ম্যাচ বলেই নয়, বিশ্বকাপের মূল পর্বে যাবার হিসাব নিকেশেও আজকের খেলা অতন্ত গুরুত্বপূর্ন, বিশেষ করে আর্জেন্টিনার জন্য।

দক্ষিন আমেরিকা থেকে বাছাই পর্বে শীর্ষে থাকা ১ম চারটি দল সরাসরি মূল পর্বে খেলবে, ৫ম স্থানের দলকে প্লে-অফ খেলতে হবে । ব্রাজিল বর্ত্মানে রয়েছে গ্রুপের শীর্ষে, এ ম্যাচে জিতলে ব্রাজিলের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত হয়ে যাবে,
ভালোবাসার বন্ধুত্ব- ১৪
মা তেরেসার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি
মাদার তেরেসা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম সেরা মানবতাবাদী ও মানবসেবী। গোঁড়া ধর্মীয় মনোভাব এবং রাজনৈতিকি অপোরচুনিজম এর কারণে সমালোচিত হলেও তার অনবদ্য মানবসেবা নিয়ে কেউ সন্দেহ পোষণ করে না।
আলবেনীয় ভাষায় তার নাম: Nënë Tereza, ন্যন্য টেরেজা
মেসিডোনীয় ভাষায়: Агнес Гонџа Бојаџиу (Agnes Gonxhe Bojaxhiu) – আগনেস গঞ্জা বয়াজু
জন্ম – ২৬শে আগস্ট, ১৯১০
মৃত্যু –
পাকিস্তানের জন্য গোলাম আযমের আক্ষেপ ফুরাবে না!
গোলাম আযমের লেখা আত্মজীবনী মাত্রই শেষ করলাম। একটা মানুষকে বোঝার জন্যই কষ্ট করে তিন খন্ড জীবনী পড়া। পড়ে বুঝলাম এই লোকটার মতো অভাগা আসলেই কেউ নেই। বুকে পাকিস্তান নিয়ে বাস করতে বাংলাদেশে। তাই সারা বই জুড়েই পাকিস্তান নিয়ে আক্ষেপ। এটা পড়ে বুঝলাম তার আন্ডা-বাচ্চারাও কি পরিমান মনোকষ্টে থাকে।
আসুন দেখি কি লিখেছেন গোলাম আযম।
১৯৭০ সালের নির্বাচনের সময় অধ্যাপক গোলাম আযম নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় জনগণকে আওয়ামী লীগকে ভোট না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলতেন,