গত সপ্তাহে সিসিবিতে ঢোকার সুযোগ হয়েছে খুব কমই। নানা ব্যাস্ততার মাঝেও চোখ বোলানোর চেষ্টা করেছি কি কি হচ্ছে সিসিবিতে। একটা জিনিস মানতেই হবে, সিসিবিতে প্রানচাঞ্চল্য আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। বেড়েছে নতুন সদস্যের সংখা (সংখ্যা বানানটা ভুলে গেছি। কোনটা ঠিক বুঝতে পারছি না। মাফ চাই, বাংলা চর্চার অভাবের ফল। একই সাথে ধন্যবাদ সিসিবিকে, চর্চার সুযোগটা করে দেবার জন্য)। আমি যখন সদস্য হই তখন খুব সম্ভবত আড়াইশর মত সদস্য ছিল,
বিস্তারিত»একটা ইমেইল আর কিছু আবেগ …
আজকে ফেসবুক এ আমাদের আদনান (৮৯৯-বকক-৯৫-২০০১) আমাদের সবাই কে একটা মেইল করেছে
… সেই মেইল টা বাংলায় অনুবাদ করে আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম ……………
… এখন নভেম্বর মাস চলছে, শীতকাল শুরু হচ্ছে …, কুয়াশা পরতে আরম্ভ হয়েছে বরিশাল ক্যাডেট কলেজে ……
আমাদের সবার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ, ইন্টার হাউস এথলেটিক্স এর প্রাকটিস চলছে, মাঠের ঘাস কাটা প্রায় শেষ।
সকাল বেলা আমরা নতুন বানানো ট্রাকে দৌড়াই,
খেরোখাতা-ব্যক্তিগত জিরো আওয়ার
(ভাই এইগুলা ধুন ফুন লেখা, যিনি পড়ার নিজ গরজে পড়বেন, লেখা পড়ে মেজাজ খারাপ হলে লেখক দায়ী থাকবে না।)
ঈদানিং আমার কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে। কোন কিছুরই সুরটা ঠিক মত লাগছে না।
একটা গল্পের প্লট ঘাই মারছে মনের ভিতর, একটু পর পর, কিন্তু ধরা পরছে না। ব্যাটা ফাজিল কোথাকার।
মন ভালো না থাকলে যা হয়, সব কিছু তিতা তিতা লাগে।
বিস্তারিত»আমার বন্ধু ভাগ্য
এই ব্লগের একটা লেখা নতুন আরো কয়েকটা লেখার উপজীব্য বলেই বোধহয় ব্লগটি মন্ত্রমূগ্ধতায় পুর্ণ। একেকটা লেখা পড়ি আর নিজের অজস্র স্মৃতির মধ্যে ডুবে যাই। অমোঘ এক চক্রে ঘুরপাক খাই, লেখা পড়লেই লিখতে ইচ্ছে হয়। রেডবুকের ‘কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটি’ নীতি আর মাথায়ই থাকে না।
যারা অসাধারণ বন্ধু ভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে আসে, তারাই ক্যাডেট কলেজে উত্তীর্ণ হয় বলে আমার ধারণা। নইলে কি আর সিনিয়র, জুনিয়র,
বিস্তারিত»এখনো কিসু শিখতার্লাম না :(
দেখিতে দেখিতে একুশটা বসন্ত কোন দিক দিয়া আসিয়া কোন দিক দিয়া যেন চলিয়া গেল। মাগার কোন ললনা ছলনা করিয়াও বলিয়া গেলনা আমার জীবনের বাকি বসন্তগুলো আমি তোমার হাত ধরিয়াই পার করিতে চাই। হাহ! বদলে নামে বৃষ্টি। একা একা ভিজি আর আংগুর বাগানের চারপাশে ঘোরাঘুরি করি। এই জীবনে আমারে দিয়া কিসু হৈলোনা। দু:খ ভুলিতে মুখ বইয়ের অন্দরে প্রবেশ করি। যাদের দিয়া হয় এবং হৈতেসে তাদেরকে দেখিয়া যদি তাও কিছু শিখিতে পারি।
বিস্তারিত»অখ্যাতের আত্মকথন
আমি সেই সব মানুষের দলভুক্ত নই যাদের আত্মকথন লোকে সময় নিয়ে পড়ে। তবুও এই অখ্যাতের আত্মকথনের দুঃসাহস পেলাম এই ভেবে যে আমাদের ক্যাডেটদের প্রত্যেকেরই কোন না কোন ঘটনা, কারো না কারো সাথে মিলে যায়ই।
সুসন্তান জন্মদানের গর্বে গর্বিত হবার আনন্দটা উপভোগ করার জন্য আমার বাবাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে অনেকগুলি বছর। তিন মেয়ের পর সর্বকনিষ্ঠ একমাত্র ছেলের প্রতি তার প্রত্যাশা দিগন্ত ছুয়ে যেত। তিনি শুধু গর্বিত হতে চেয়েছিলেন,
বিস্তারিত»ই-বুকঃ- সিসিবি সংকলন..(মহা-আপডেট)
আগামী আটই ডিসেম্বর সিসিবি এর জন্মদিন…
সেই উপলক্ষে আমরা চীন-মৈত্রী সন্মেলন কেন্দ্র কিনে ফেলবো, তারপর সেইখানে বাড্ডে কেক কাটবো। সারা দুনিয়ার সকলের জন্য একটা করে সিসিবি গেঞ্জী বানাবো…
কিন্তু তার আগে একটা ই-বুক। সারা দুনিয়ার সকল ওয়েব সাইটে টাঙ্গানোর জন্য…
শিরোনামের ফুটনোট
খেয়াল করলাম গত অগাস্টে এখানে রেজিস্ট্রেশন করেছি। কিন্তু লেখা হয়নি একটুও। সেটা বেশ অবাক করা কারণ এ কয়মাসে আমার জীবনে একটা উজ্জ্বল অংশ এই লেখালেখি করাটাই। এই সময়ে অনেকটা সিরিয়াস হয়ে গেছি নিজের লেখা নিয়ে, চিন্তা নিয়ে, ভাবনা নিয়ে। সেগুলো এখানে কেন শেয়ার করিনি জানি না। অনেক সময় নজরের আড়ালে থাকলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ জিনিশই খুঁজে পাওয়া যায় না। এখন হঠাৎ করেই মনে হলো ক্যাডেট কলেজ ব্লগেও লেখাগুলো ধীরে ধীরে দিবো।
বিস্তারিত»মাতু রোগ
হোসেন ভাইয়ের এই ব্লগটা দেখে এক কাহিনী মনে পড়ে গেল। তাঁর ব্লগেই কমেন্ট দেয়াটা যুক্তিযুক্ত ছিল, কিন্তু বেশী প্রচারের লোভ মৃত্তিকার তৈরী আমি সামলাইতে পারলাম না।
গ্রোয়েন স্ক্র্যাচিং ডিজিজ (ভালো নাম জানি না 😛 ) ক্যাডেট কলেজে অল্পবিস্তর সবারই হয়। কিন্তু আমাদের ব্যাচে সবার প্রথম হইছিল যার, তার নাম ধরা যাক মধু। ঢুলুঢুলু চোখে জড়িয়ে জড়িয়ে কথা বলত বলে তার নিকনেম ছিল মাতাল।
বিস্তারিত»ছোট ছোট ঘটনা – দুই
এক.
এবারো সময় ক্লাশ সেভেন, স্হান ফজলুল হক হাউস । যান বাঁচানো ফরজ তাই সংগত কারণে ঘটনার নায়কের নাম উল্লেখ করা থেকে বিরত থাকলাম । ক্লাশ সেভেন থেকেই আমাদের জনৈক বন্ধু স্ক্র্যাচিং এ পারদর্শী্ ছিল । আর মাঝে মাঝে স্হান কাল পাত্র ভুলে মনের আনন্দে গীটার বাজাতো । একদিন তখনকার কলেজ গেমস প্রিফেক্টের রুমে তার ডাক পরল । খেলাধূলার কোন একটা ব্যাপারে তাকে নসিহত করা হচ্ছে ।
মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর এ ভুবনে…
হুর সবাই পেতে চায়, কিন্তু কেউ মরতে চায় না…
অনেকদিন আগে কোন এক ব্লগারের ব্লগে পড়েছিলাম কথাটা। আসলেই কেউ মরতে চায় না। হুজুররাও না, সংশয়বাদীরা আরও না। কারণ হুজুরদের তাও হুর পাবার আশা আছে, সংশয়বাদীদের তাও নাই… 🙁
ইদানিং কাম কাইজ নাই। সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় টো টো করি। কানে থাকে হেড ফোন…তা দিয়ে রেডিওতে আরজেদের প্যানপ্যানানি শুনি। কিংবা শুনি ফুয়াদ ফিচারিং কোন গান…
বিস্তারিত»ছোট ছোট ঘটনা – এক
এক.
সময় ক্লাস সেভেন 2য় টার্ম । সোহরাওয়ার্দী হাউসের দোতলার তের নম্বর রুমে নাদান আমরা সবাই থাকি । আমাদের পাশের রুমেই অল্টারনেট সিনিয়রদের রুম । নেমপ্লেট দিয়ে দেয়ালে বারি দিলেই ছুটে যেতে হয় ফাই ফরমাস খাটার জন্য । বন্ধু মাহমুদ হোসেন, আর সবার মত কলেজে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে । ঘটনার শুরু একদিন রাতে আফটার লাইটস আউট সে রুমে এসে দেখে বন্ধু জান্নাতুল ওর বেডে ঘুমিয়ে আছে ।
নতুন বন্ড
ক্যাসিনো রয়াল দেখা শুরু করার সময় চোখ মুখ শক্ত করে বসেছিলাম।
ব্রসন্যানকে রিপ্লেস করছে যেই ব্যাটা, তাকে কিছুতেই ভাল লাগা চলবে না, মোটামুটি এইরকম মারদাঙ্গা টাইপ ছিলো আমার মনোভাব। পিয়ার্স ব্রসন্যানের পরে অনেকেই শ্যন কনারিকে সবচেয়ে মানানসই বন্ড বলে থাকেন। আমার কিন্তু বুড়া কনারিকেই বেশি স্মার্ট লাগে, বন্ড কনারির চেয়ে। তার চেয়ে বরং রজার মুর অনেক বেশি ‘ঠিকাছে’।
তো, সিনেমা শুরুর পর থেকে দেখি আমার মন খানিকটা গলতে শুরু করেছে।
বিস্তারিত»আর্টসফিকশন
বিকেলের প্রেপ।
কোয়াইট আওয়ারের ঘুমটা আসতে আসতে বড় দেরী করেছিল বলেই হয়ত মেজাজটা চড়েই ছিল। হাউজ বেয়ারা আউয়াল ভাইয়ের উপর দিয়ে তাই ছোট্ট একটা ঝড়ও বইয়ে দিয়ে এসেছি। আজ বই নিয়ে বসার প্রশ্নই ওঠে না। একরাশ বিরক্তি নিয়ে একাডেমিক ব্লকের বারান্দায় দাঁড়িয়েই মনটা ভাল হয়ে গেল। বাসন্তি শাড়ী পরে একাডেমিক ব্লকের সামনের বাগানে হাঁটতে হাঁটতে একটা গাঁদা ফুল ছিড়ে খোঁপায় গুজলেন তিনি। শুরু হল আমার বুক ধড়ফড় আর শূণ্যতা’র অনুভূতি।
বিস্তারিত»ঢাকা ১১০০০ কিমি
গত ডিসেম্বর মাসে মিশনে আসার জন্য যেদিন নাম বের হল তারপর দিনই ইন্টারনেট থেকে লাইবেরিয়ার উপর বেশ কয়েক পৃষ্ঠা প্রিন্ট আউট নিয়ে নিলাম। ফেলুদাকে দেখেছিলাম তদন্তের বা পর্যটনের জন্য কোথাও গেলে সেই জায়গা সম্পর্কে বিশদ লেখাপড়া করে নিতেন। এমনও হয়েছে যে যাবার পথে প্লেনে বা ট্রেনে বসেও পড়ছেন। তো আমি ঠিক ফেলুদা না বরং কোথায় যেয়ে নাজিল হতে যাচ্ছি সেই জায়গাটা/দেশটা সম্পর্কে খানিকটা জানাই ছিল উদ্দেশ্য।
বিস্তারিত»