চৈত্রের চরে ইলিশ রঙের বালি
পালহীন নায়ে বৈঠা ঝিমায় থেমে গেছে ভাটিয়ালি
পদ্মা মরছে বোন গঙ্গার কোলে।
দিগন্তে নাচে সোনালী ধানের ঢেউ
সাত বলদের মলন ঘুরছে শক্ত ক্ষুরের পাড়া
উঠোনে লুটানো হেমন্তে ভেজা নাড়া।
চৈত্রের চরে ইলিশ রঙের বালি
পালহীন নায়ে বৈঠা ঝিমায় থেমে গেছে ভাটিয়ালি
পদ্মা মরছে বোন গঙ্গার কোলে।
দিগন্তে নাচে সোনালী ধানের ঢেউ
সাত বলদের মলন ঘুরছে শক্ত ক্ষুরের পাড়া
উঠোনে লুটানো হেমন্তে ভেজা নাড়া।
হাইকু সম্পর্কে নতুন ভাবে কিছু বলতে চাইনা কারন এ সম্পর্কে বোদ্ধা অনেক। তবে একটা কথা বলবো, পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় চমৎকার সব হাইকু রচিত হলেও বাংলা ভাষায় হাইকু হয়নি খুব বেশী। বুদ্ধদেব চ্যাটার্জী তাঁর তিনশো বছরের হাইকু – গ্রন্থের ভূমিকায় প্রথমেই বলেছেন, সুন্দরের প্রকাশ ব্যাপ্তিতে আছে আবার ক্ষুদ্র পরিসরেও আছে।তার পরে তিনি অবশ্য হাইকুর গঠন নিয়ে অন্য প্রসঙ্গ টেনেছেন। যে কথাটা অব্যক্ত রয়ে গেছে তা হলো,
বিস্তারিত»মান্নান ভাই এর বাচ্চা ভয়ংকর…..কাচ্চা ভয়ংকর….. পড়ে আমারও এক বাচ্চার কাহিনী মনে পড়ে গেলো।
তার নাম ছিলো আবীর।সে আমার এক সিসিআর এর ফ্রেন্ডের মামাতো ভাই।আমরা যখন ১১ এ পড়ি তখনকার গল্প।
তো একবার সবাই ঈদের কানাকাটা করতে গেলো।সাথে আবীরও।কিন্তু কিছুক্ষন পরে দেখা গেলো যে তাকে কেউ খুঁজ়ে পাচ্ছে না।শেষে তাকে পাওয়া গেলো এক দোকানে সেখানে সে দোকানীর সাথে বেশ জমিয়ে কথা বলছে।পরে দোকানী যা জানালো তা হলো দোকানে রাখা একটা ছেলে ডলের জিপার খুলে সে বলছে “আঙ্কেল আঙ্কেল এই ভাইয়ের নু*টা কোথায়??”
পরে আর একবার বন্ধুর এক মামার বিয়ে।তো সবাই বউ নিয়ে কথা বলছে।তো আবীর কি মনে করে তারই এক কাজিন(মেয়ে) কে বলে ফেললো “তোমাকে আমি বিয়ে করবো!!!!কিন্তু তোমাকে আগে তুমি কাপড় খুলো তোমাকে দেখি।তুমি অনেক সুন্দর!!”
এইবার কিন্তু আবীর মায়ের কাছে চরম মাইর খাইলো।কিন্তু সে কি আর লাইনে আসে?
সংবাদে ছিলাম দীর্ঘ সময়, ৬ বছর। আমার প্রথম চাকরি। আহমদুল কবির তখন সম্পাদক, আর তার ছেলে মিশু ভাই (আলতামাস কবির) নির্বাহী পরিচালক। জীবনে অনেক বস দেখেছি, তবে আহমদুল কবির একদিক থেকে ব্যতিক্রম। তিনি তর্ক পছন্দ করতেন। যে রিপোর্টার তার সঙ্গে তর্ক করতো, তাকে তিনি বেশি পছন্দ করতেন। জনকণ্ঠের তোয়াব ভাই তো পাল্টা কিছু বললেই বলেন, আমার সঙ্গে তর্ক করবে না। আর আহমদুল কবির সাহেব ভাবতেন,
বিস্তারিত»আমাদের সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্তির ইতিহাস আশা করি সবার মনে আছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানো সরকারের প্রথম ডিজিটাল পদক্ষেপ দেখে বুঝলাম, আমাদের সরকারের তথ্য উপদেষ্টাদের মানের তেমন বেশকম হয় নাই। হাজারটা প্রক্সি সার্ভার আছে, কোটি কোটি ওয়েবসাইট আছে, কয়টা ব্যান করবেন? আইটি একটা জাউরা টেকনোলজি – আপনে কঠিন মাপের এক্সপার্ট দিয়া কোনো কিছু সিকিউর করলেও দেখা যাইবো চাইর আনা সাইজের এক পিচ্চি ঐটা ক্র্যাক কইরা বগল বাজাইতেসে –
বিস্তারিত»একটা সময় ছিল যখন খুব উৎসাহের সাথে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ দেখতাম। ইত্যাদিতে কোন সেলিব্রেটি আসলে তাকে করা কমন প্রশ্ন থাকত ‘আপনার জীবনের এমন কোন ঘটনা বলুন, যা মনে পড়লে আপনি এখনো নিজের অজান্তেই হেসে ফেলেন…’ যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যেত তারা বোরিং কোন ঘটনার কথা বলতেন, তারপরও এটা ঠিক আমাদের সবার জীবনেই এরকম প্রচুর ঘটনা রয়েছে…ক্যাডেটদের সার্বিকভাবে এমন ঘটনা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি থাকার কথা!
বিস্তারিত»বাচ্চাদের সাথে বড়দের বুঝে শুনেই চলা উচিত। বাচ্চাকাচ্চার সাথে কোন অবস্থাতেই টক্কর দেয়া উচিত না। বাচ্চারা তাদের সাথে বিটলামির প্রতিশোধ যে ভয়ংকরভাবে নেয় তা বলাই বাহুল্য। এমন অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই সবারই হয়েছে। আমার অভিজ্ঞতাগুলোই শুনুন তাহলেই বুঝবেন কেন বাচ্চা ভয়ংকর….কাচ্চা ভয়ংকর …. :
আমার ভাগ্নে তামিম এর বয়স ৫ বছর। গত সপ্তাহে তার খৎনা করা হয়েছে। সে ঐ অবস্থায়ই সমানে দৌড়ঝাঁপ করে যাচ্ছে।
আমার ছোটভাই আপাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করল তামিমের খবর।
আমার তখন থার্ড ইয়ার ফাইনাল চলছে । কিসের কি পড়াশোনা, আমি সারাদিন ফুটবল এর নেশায় মত্ত, :awesome: নোকিয়া ফ্যান্টাসি ফুটবলে আমার দলে কে স্ট্রাইকার হবে, আর কাকে গোলরক্ষক রাখব এইসবের হিসেব নিয়েই আমি ব্যস্ত। আমার খাতায় পাতার পর পাতা জুড়ে তাই ফুটবলেরই কথকতা । 😐
সাইফুর আর আমি একই ডিপার্টমেন্টে, আমার বাসায় ভাল লাগে না তাই ওর মেসে যেয়ে পড়ি । ওর আবার অন্য বাতিক,
বিস্তারিত»প্রথমবার যখন ইএসপিএন এর ওয়েবসাইটে কিক অফ এর অ্যাডটা দেখি, ওদের দেয়া ইমেইল অ্যাড্রেসে সাথে সাথেই জানিয়ে দেই যে ওদের এই ফুটবল কুইজ কনটেস্টে অংশগ্রহণ করতে আমি আগ্রহী । পরদিনই এল জবাব, আমার এবং আমার কোনো এক বন্ধুর নাম, ঠিকানা, প্রিমিয়ার লিগে কোন দল সাপোর্ট করি এইসব লিখে পাঠাতে ।
আমি তো তীব্র উত্তেজিত, যেন টাইব্রেকের শেষ পেনাল্টিটা নিচ্ছি । রবিন আর আমার সবকিছু লিখে পাঠিয়ে দিলাম উত্তর ।
বিস্তারিত»কিছু একটা লেখার জন্য হাত নিশপিশ করতেছে অনেকক্ষণ ধরে। কারণ কিছুই না। পরশু থেকে মিডটার্ম পরীক্ষা। আর পরীক্ষা আসলেই পড়াশুনা ছাড়া দুনিয়ার সকল কিছু আমার দুই মিনিটের মধ্যে করে ফেলতে ইচ্ছে করে। তাই ভাব্লাম একটা ব্লগ লিখে ফেলি। দুই মিনিটের বদলে দুই ঘন্টা ধরেই না হয় লিখলাম। ক্ষতি কি। আম্রাআম্রাই তো ;;;
মিনি সাইজের কয়েকটা ঘটনা বলি।
কে.কে স্যার ইলেক্ট্রিক্যালের পোলাপানের ক্লাস নিচ্ছে।
বিস্তারিত»আমি একটি ক্রিকেট ব্যাট, কালের আবর্তনে জীবনের ৩য় বর্ষে পা রেখেছি। শুনতে কম মনে হলেও মানুষের হিসেবে আমি বৃদ্ধ, বলতে গেলে মৃতপ্রায়। জীবনের শেষ মুহুর্তে খেলার স্থান ছেড়ে একটি রুমের কোনায় আমার অবস্থান। শুনেছি মৃত্যুর পূর্বে পুরা জীবনটা মানুষের সামনে ভেসে উঠে। যদিও মানুষ নই কিন্তু আমার পুরা জীবনটাকে আমি আমার চোখের সামনে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, তাহলে কি আমার মত্যু আসন্ন? হয়ত তাই।
ক্রিকেট ব্যাট বলাতে আপনারা আসলে যা ভাবছেন,
বিস্তারিত»গত কয়েকদিনে নিজের সাথে নিজের না জানি কি হয়।
এরপর তীব্র দুঃখবোধ – হায় হায় এটা কি হলো?
এরপর আসলো অভিমান – কেন এমন হলো?
তারপর শুধুই নিস্তব্ধতা ————–
——————-
এরপর ভাবছি……–. একটা হিন্দি সিনেমা দেখলে কেমন হয় !!!!
বিস্তারিত»নিচে একটা লিখা দিলাম। এর স্রষ্টা হিসেবে যার নাম, তিনি খুবই বিখ্যাত। তা না হলে নিজের বলে চালাই দিতে একটা ট্রাই মারতাম। যাই হোক, জাতির কাছে জানতে চাই, এটা কি কবিতা, না গান, না আর কিছু………
“বাড়ির পাশে আরশি নগর, সেথা একঘর পড়শি বসত করে।
আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।
গিরাম বেড়ে অগাধ পানি, নাই কিনারা নাই তরণি পারে
বাঞ্ছা করি দেখবো তারে,
বিপদে যেমন আসল বন্ধু চেনা যায়, ঠিক তেমনই গত কয়েকদিনে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যেভাবে সিসিবির সদস্যরা এগিয়ে এসেছেন, তাতে সিসিবি পরিবারের বন্ধনের জোরও টের পাওয়া যায়। এই শোকের সময়ে আমাদের সাথে আরও অনেক নতুন বন্ধুরা যোগ দিয়েছেন তাদের স্বাগতম জানানোই আমার মূল উদ্দেশ্য।
স্বাগতম।
গত এক সপ্তাহে ৫০০+ সদস্য থেকে এই মাত্র ৭০০ সদস্য পুর্ণ হোল। (চামে দিয়া বামে আমার ক্যাডেট নাম্বারের পুর্তি পালন কইরা লইলাম 😀 )।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমার আগমন খুবই খারাপ সময়ে।এসেছিলাম এক বন্ধুর কাছ থেকে খবর পেয়ে, কিন্তু এসেই দেখি সব খারাপ সংবাদ। লেখার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু এই দুঃসময়ে কি লিখব ভেবে পেলাম না। তাই কিছু কমেন্ট দিয়েই বাংলা লেখাটা প্র্যাকটিস করতে থাকলাম।
বিস্তারিত»