জীবনের জার্নাল – ৯

10933813_10152545555877623_7983992424556605231_n
My Alma Mater, MCC, etched permanently in my heart. The foundation of my education was laid in this building by capable scholars and leaders. This is the front view of the main Academic Building of the then Momenshahi Cadet College, now known as Mirzapur Cadet College.
(Photo credit: Mahbub Shaheed Bhai, Cadet No. 3)

যতই রিক্সা এগোচ্ছিলো, ততই আমার ভেতরে উত্তেজনা বাড়ছিলো।

বিস্তারিত»

ইডি মানে এক্সট্রা ড্রিল

ক্যাডেট কলেজে ক্লাস সেভেনে সাধারণত কেউ এক্সট্রা ড্রিল খায় না। তবুও আমাদের মঈনুল আর সাজেদ যখন এক্সকারশনে গিয়ে কোকের বোতল ঝাঁকিয়ে কোক ছিটানোর অপরাধে ক্লাস সেভেনেই ইডি’র স্বাদ গ্রহণ করল, আমাদের কেউ কেউ ওদের দিকে সহানুভূতির দৃষ্টিতে তাঁকাত আর ভাবত আহারে, ছেলে দুইটার কত কষ্ট হল। কেউ কেউ ভাবত, ক্লাস সেভেনেই ইডি?!! এরা নষ্ট হয়ে গেছে। এরাই একসময় ব্যাচের মান সম্মান ডুবাবে। কলেজের ডিসিপ্লিন নষ্ট করবে।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৮

সাত জুলাই সাতষট্টি, দিনটি ছিলো শুক্রবার, বাংলা ক্যালেন্ডার মোতাবেক ২৩শে আষাঢ়। তখন সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছিলো রোববারে, শুক্রবার ছিলো অর্ধদিবস, জুম্মার নামাযের জন্য বেলা ১২টায় অফিস আদালত ছুটি হয়ে যেতো। আমাকে মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে রেখে আসার জন্য আব্বা ঐ দিনটা ছুটি নিয়েছিলেন। সকাল থেকেই আমর মনটা খুব খারাপ ছিলো। কলেজে যাবার দিন যতই ঘনিয়ে আসছিলো, বাসার সবাই আমার সাথে ততই সদয় আচরণ করা শুরু করেছিলো।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট জীবনের ছোট ছোট কাহিনী নিয়ে স্মৃতিকথাঃ Where Eagles Dare

মানুষের জীবনে নিজের অজান্তেই এমন কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যায়, যার পরিব্যাপ্তি বুঝতে অনেক বছর লেগে যায়। অনেক সময় আবার পুরাটা উপলব্দিও করা যায় না। আমার জীবনেও তেমনি একটা ঘটনা ঘটেছিলো ক্লাস সেভেনে পড়ার সময়। ক্যাডেট কলেজে পড়ব এমনটা কখনো ভাবি নি। আসলে ক্লাস সিক্সয়ের মাঝামাঝি এসে ক্যাডেট কলেজের নাম প্রথম জানতে পারি যখন বাবা ক্যাডেট কলেজের এডমিশন টেষ্টের ফর্ম নিয়ে আসলো। ভর্তি পরীক্ষা আমার কাছে বিষের মত লাগে।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৭

কাজের ছেলেভাইভার পর মেডিকেল টেস্টকে নিছক আনুষ্ঠানিকতা বই অন্য কিছু মনে হয়নি আমার, যদিও সেখানেও প্রায় ২০/২৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন কারণে বাদ পড়েছিলো। শেষ বৈতরণীটি পার হবার পর থেকে মনটা বেশ ফুরফুরে থাকতো। আমারও, বাড়ীর আর সবারও। চূড়ান্ত ভাবে নির্বাচিত হয়েছি, এটা জানার পর আর স্কুলে যাবার তাগিদ অনুভব করতাম না, বাড়ী থেকেও তেমন কোন চাপ ছিলোনা। এই প্রথম জীবন প্রণালীর শক্ত বুনটে কেমন যেন এক ঢিলে ঢালা ভাব অনুভব করতে শুরু করলাম।

বিস্তারিত»

নোভাঃ ঝরা পাতার গল্প

কিছুক্ষণ আগে সাবিনা আপার লেখা পড়লাম। ক্ষোভ, হতাশা আর গোপন রাগ খোঁচা মেরে উঠল, হাত নিতে হল কিবোর্ডে। সময় শুধু এফোঁড়-ওফোঁড় দিয়ে চলে যায়, কিন্তু মানুষ হিসেবে আমাদের সংকীর্ণতা গুলোর কোন বয়স নেই, জেনারেশনের পর জেনারেশনের মাঝে এরা কুৎসিত সেতু বন্ধন গড়ে তোলে। ভুল থেকে কি আমরা আদৌ কিছু শিখি? বিম্পি-আম্লীগ এর ক্ষমতায় থাকার নোংরা লড়াইয়ে আমরা কেন নাক শিটকাই যখন ক্যাডেট কলেজের সামান্য প্রশাসনিক ক্ষমতায় কিছু মানুষ অসামাজিক জীবে পরিণত হয়?

বিস্তারিত»

ফর্ম নামা

A ফর্ম আর B ফর্ম, প্রতিটা ক্লাসেই দুটো করে ছিল। “ফর্ম” শব্দটার সাথে পরিচয় কলেজে গিয়ে, তার আগে তো ক-শাখা, খ-শাখা এই টাইপের জিনিষ ছিল। আমাদের ৫৯৯ থেকে ৬২৩ পর্যন্ত A ফর্ম আর ৬২৪ থেকে ৬৪৮ পর্যন্ত B ফর্ম। সবার জন্যই আলাদা ডেস্ক চেয়ার। দারুন ব্যবস্থা, সবকিছু অবাক হয়ে দেখছি, শিখছি আর মনে রাখার চেষ্টা করছি।

প্রথম দিন ক্লাসে ঢুকার পরে একটু ভয়ে ভয়ে একটা চেয়ারে গিয়ে বসলাম,

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৬

11698536_10205575584401790_8303979122021782112_n
(Mr. M W Pitt, the first Principal of Momenshahi Cadet College – আমার জীবনে দেখা প্রথম ইংরেজ, যার সামনাসামনি বসে জীবনের প্রথম আনুষ্ঠানিক ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। তাঁর হাসিমুখ আমার কিশোর মনে সেদিন স্থায়ীভাবে খচিত হয়ে গিয়েছিলো, সে স্মৃতি আজও সমুজ্জ্বল, আপন আলোকে দীপ্যমান। ফটো ক্রেডিটঃ মাহবুব শহীদ ভাই, ক্যাডেট নং ৩)

দু’দিন বিশ্রাম নেয়ার পর ফের স্কুলে যাওয়া শুরু করলাম।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৫

যেদিন আমার ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষা হবার কথা, ঠিক তার আগের দিন আমার এলো গা ফাটা জ্বর, সাথে প্রচন্ড মাথাব্যথা আর বমি। এর একদিন আগে ভরদুপুরে প্রচন্ড রোদে খেলতে নেমেছিলাম। ঘরে ফিরে গায়ের ঘাম না শুকোতেই তরিঘরি করে গোসল করেছি, এটাই জ্বরের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার এবং আমাকে দোষারোপ করার চেষ্টা চলছিলো। কারণ যাই হোক, আমি চাচ্ছিলাম মাথাব্যথাটা অন্ততঃ দ্রুত কমে যাক, জ্বর থাকলেও থাকুক।

বিস্তারিত»

মণ্ডল থেকে সরকারঃ জেনারেল উবাচ

“দ্যাশের অবস্থা খুব খারাপ। সাবধানে যাও ব্যাটা। বিজয়ী হয়া ফিরি আসো। যদি খারাপ অবস্থা চলতেই থাকে বা আরো অবনতি ঘটে, আয়সো না।ইচ্ছা করলে বিয়া করি ওখানে থাকতে পারো। তুমার মা, ভাই বোনদের লিয়া ভায়বিনা। অরে আমি দেখি রাখব।” কথাগুলো বলছিলেন আনসার বাহিনীর প্লাটুন কমাণ্ডার মতিউর রহমান সরকার।অনেক কষ্টে মানুষ করা প্রথম সন্তানকে যুদ্ধে পাঠানর সময়।

তখন মে মাস, ১৯৭১ সাল।ফুফাতো ভাই রফিক মাসখানেক আগেই ভারতে চলে গেছে।

বিস্তারিত»

১৭ই এপ্রিল, ১৯৮৭ (ফকক)

২৮ বছর অনেক সময়, কিন্তু মনে হচ্ছে এইতো সেদিন। প্রায় ১২ বছর বয়সী একদল কিশোরের যাত্রা শুরু ক্যাডেট কলেজ জীবনের। দিনটা ছিল ১৭ই এপ্রিল, ১৯৮৭ আজ থেকে ঠিক ২৮ বছর আগের একদিন। আমিও ছিলাম তাদের একজন। আমার মেঝ ভাই আমার প্রায় ৬ বছর বড়। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ আমাদের চট্টগ্রামের বাসা থেকে ৭ মাইলের মত দুরে। ১৯৮১ সালে আব্বা বললেন, ভাইয়াকে ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষা দেওয়াবেন।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৪

ভেবেছিলাম, এখান থেকেই চলে যাবো আমার ক্যাডেট কলেজে ভর্তি পরীক্ষার যুদ্ধে অবতীর্ণ হবার কাহিনীতে। কিন্তু না, আমাদের ক্লাসের আরেকজন ছাত্রের ব্যাপারে কিছুই না বলে চলে যাওয়াতে মন কিছুতেই সায় দিচ্ছিল না। আর সেটা আরও প্রবল হলো ক্যাডেট কলেজ ব্লগে ‘জীবনের জার্নাল – ২’ পড়ে করা এক পাঠকের মন্তব্যে। কি করে যে সে বুঝতে পারলো আমার মনের কথাটা কে জানে। সে লিখেছে, “আপনাদের ক্লাসের সবচেয়ে অবহেলিত ছেলেটির কথা জানতে চাই।“

আমিও তার কথাটা একটু বলতে চেয়েছিলাম।

বিস্তারিত»

ফাঁকিবাজি ছবি ব্লগ -পার্ট ৩ ( ক্লাস ১২ এর গল্প)

ফাঁকিবাজি সিরিজের দুইটা পোস্ট দিয়েছিলাম অনেকদিন আগে।  কেন এটাকে আমি ফাঁকিবাজি পোস্ট বলি তার পেছনে একটা কারন আছে। এধরণের পোস্ট লিখতে খুব একটা মাথা খাটাতে হয়না। রেডিমেড ছবি , এরসাথে স্মৃতি থেকে কিছু লিখে দিলেই হয়।  বাড়তি ঝামেলা কম।  এধরণের স্মৃতিচারণা মূলক লেখা লিখতেও আরাম লাগে। হাতে কিছু সময় পরে আছে.. ফেসবুক এর নিউজফিডে ও নতুন কিছু নেই।  তাই ভাবলাম হাবিজাবি কিছু লিখে ফেলি আর কি !

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ৩

এর কিছুদিন পর আমার সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবিটা আব্বা সেই পূরণকৃ্ত ফরমটার উপর আঠা দিয়ে সেঁটে দিয়ে ফরমটা আমাকে পড়তে দিলেন। তখনই প্রথম ক্যাডেট কলেজ কথাটার সাথে পরিচিত হ’লাম। আগে ক্যাডেট কলেজ সম্বন্ধে আমার কোন ধারণা ছিল না. পূরণকৃ্ত ভর্তি ফরমটা পড়ে বুঝলাম, এটা আমার স্কুলের চেয়েও উন্নত মানের কোন প্রতিষ্ঠান হবে। তবে উন্নত নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের কথা ভেবে পুলকিত হবার চেয়ে আমার ভালো লাগার পুরনো স্কুলটিকে ছেড়ে যাবার বেদনাই আমাকে বেশী আচ্ছন্ন করে রাখলো।

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ২

তখন সেন্ট্রাল গভঃ বয়েজ হাই স্কুলের প্রদ্গান শিক্ষক ছিলেন জনাব বজলে কাদের। বেশভূষায় তিনি অত্যন্ত পরিপাটি ছিলেন। দূর থেকে দেখা, তাই এর চেয়ে বেশী আর কিছু মনে নেই, তবে এটুকু বুঝতাম যে স্কুলে এবং স্কুলের বাইরেও তিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। খুবই রাশভারী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। এয়াকুব আলী চৌধুরী স্যার বাংলা পড়াতেন, হোম ওয়ার্ক এর ব্যাপারে বেশ সিরিয়াস ছিলেন। পরে শুনেছি তিনি খিলগাঁও হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর নিয়েছিলেন।

বিস্তারিত»