ধর্মঃ একটি নৃতাত্ত্বিক অধ্যয়ন – ২

বিবর্তনবাদ ও তার শত্রুরা

নৃবিজ্ঞানের অনেক কিছুর মত আদিম মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচারানুষ্ঠানের অধ্যয়নও বিবর্তন তত্ত্বের পরিপ্রেক্ষিতে শুরু হয়েছিল। উনবিংশ শতকে কোন কিছু নিয়মতান্ত্রিকভাবে চিন্তা করা বলতে ঐতিহাসিকভাবে চিন্তা করাকে বোঝাত। প্রাচীন কালের সবচেয়ে মৌলিক গঠনটিকে খুঁজে বের করা এবং যে ধাপগুলোর মাধ্যমে তার ধীর উন্নয়ন ঘটেছে সেগুলোর সন্ধান করাই এক্ষেত্রে মুখ্য। টাইলর, মরগ্যান, ফ্রেজারসহ অনেকেই ডারউইনের বিশ্লেষণমূলক দৈব-প্রকরণ ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের তুলনায় Comte এবং হেগেলের মত ব্যক্তিদের সংশ্লেষণমূলক সামাজিক-ধাপ তত্ত্বগুলোর উপর বেশী কাজ করেছেন।

বিস্তারিত»

নর ও নারী এবং নারীবাদ

নারীবাদে অসংখ্য ধারা বা উপধারা আছে। কিন্তু তিনটি শ্রেণী ভাগ মুখ্য। এগুলো হলো-

১। উদার নারীবাদ (LIBERAL FEMINISM)
২। চরম নারীবাদ (RADICAL FEMINISM)
৩। সমাজতান্ত্রিক নারীবাদ (SOCIALIST AND MARXIST FEMINISM)

উদার নারীবাদ (LIBERAL FEMINISM) রাজনৈতিক এবং আইনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে পুরুষ ও নারীর মধ্যে সমতা বিধান করার কথা বলে। এটি মূলতঃ ব্যক্তি ও বিষয় স্বাতন্ত্র্য ভিত্তিক নারীবাদ। উদার নারীবাদ মূলতঃ নারীদেরকে তাদের সামর্থ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে নারীদের সমানাধিকার অর্জনের কথা বলে।উদারনৈতিক নারীবাদেমন একটি সমাজের কথা বলে,

বিস্তারিত»

ধর্মঃ একটি নৃতাত্ত্বিক অধ্যয়ন – ১

Geertz’র ধ্রুপদী রচনা “Religion as a Cultural System”-এ লেখক ধর্মকে আরও বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গিতে বিশ্লেষণের আহ্বান জানিয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি মূলত ধর্মের সমাজবিজ্ঞানভিত্তিক অধ্যয়নে ব্রিটিশদের সঙ্কীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির দিকে ইঙ্গিত করেছেন। মার্কিন নৃবিজ্ঞানীরা লেখকের এই আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন যার প্রতিফলন পড়েছে তাদের সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোতে। এর পর ১৯৭২ সালের এক প্রবন্ধে Geertz ধর্মের অধ্যয়নে তার ঐতিহাসিক, মনোবিজ্ঞানভিত্তিক, সমাজবিজ্ঞানভিত্তিক এবং শাব্দার্থিক প্রচেষ্টাগুলো তুলে ধরেন। পরিশেষে তিনি বলেন, ধর্মের একটি পূর্ণাঙ্গ তত্ত্বে এই সবগুলো ক্ষেত্রে ধর্ম অধ্যয়নের প্রচেষ্টাগুলোর সমন্বয় থাকবে।

বিস্তারিত»

পুনঃপুনঃ ………………অবশিষ্টাংশ

লেখাটি কিছু সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হল। লেখাটি পজে গ্রন্থের উত্তরভাব।অবশিষ্টাংশ আজ যোগ করা হল।

গ্রন্থ – পজে
লেখক – ব্লেইস পাস্কেল
অনুবাদ/সম্পাদনা – জাভেদ হুসেন
প্রকাশক – বাংলা

মানুষ নিয়মে বাধা থাকে না। নিয়মকে ভেঙ্গে ফেলতে পারে। তারমানে সে যে নিয়মকে ভাঙল সে আসলে কোনো নিয়মই ছিল না। নিয়ম আসলে যার নিয়ম তার পরিচয় বহন করে। তাকে পাল্‌টে না ফেললে নিয়মও ভাঙ্গার কথা না।

বিস্তারিত»

মানুষ

(আলফা ট্যাক্সোনমি, লম্বা লম্বা ল্যাটীন শব্দ, বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে, আগ্রহান্বিত না হলে এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। আমি মনে করি মানুষ হিসেবে মানুষের ট্যাক্সোনমি জানা থাকটা আমাদের উচিত, আর এটা লেখার মাধ্যমে আমারও জিনিষটা আরেকবার ঝালাই হবে, এটাই আমার এই পোস্ট দেওয়ার উদ্দেশ্য।) আমরা কি কখনও ভেবেছি মানুষ কি? মানুষের সংজ্ঞা দিতে হলে বোধহয় দর্শন ছাড়া আমাদের কোন গতি নেই। আসলেই কি তাই? জীববিজ্ঞান কি মানুষ বা অন্য যে কোন অর্গানিজমের কোন সংজ্ঞা দিতে পারে?

বিস্তারিত»

সো লেটস্ স্টার্ট লিভিং এ লাইফ, স্যাল উই?

এই পোস্টে কিছু ডিস্টার্বিং ইমেইজ আছে, ভিউয়ার্স ডিসক্রেইশন ওয়ান্টেড। আমার ২৩ বছরের জীবনে একটি অন্যতম অনুধাবন হল, কাপুরুষ যারা কখনো মাথা তুলে দাড়াতে জানে না তাদের সংখ্যা শোচনীয়ভাবে অতিক্রান্ত ঐসব কাপুরষের সংখ্যা দ্বারা যারা জানেনা মাথা কোথায় নোয়াতে হয়। আমি দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করি অকৃতজ্ঞগতা হচ্ছে সবচেয়ে বড় কৃতঘ্নতা। আমি জানি আমার বেঁচে থাকা এমন একটি ঘটনা যার সম্ভবনা শূণ্যের কাছাকাছি। এটাই প্রমান করে যে আমার এই জীবনধারণ,

বিস্তারিত»

মহাবিশ্বে জেগে ওঠা

সবাইকে আমার বিশাল ধন্যবাদ জানানোর আছে। বিবিসিতে বিডিআর ম্যুটিনির সংবাদ দেখে আমি ইন্টারনেটে বসার শক্তি হারিয়ে ফেলি, কেননা আমি জানতাম এদের মধ্যে কয়েকজনকে আমি চিনব। ব্যক্তিগতভাবে মৃত্যু নিয়ে আমি অভিযোগ করার কিছু পাইনা, মৃত্যু সাম্যবাদী এবং টু স্টুপিড টু ডিসক্রিমিনেইট। আমার অভিযোগ ছিল জীবন নিয়ে। আমার ভাবতে সঙ্কোচ হচ্ছিল সেই মৃতদের জীবিত কাছের মানুষদের কথা, তাদের মা বাবা বন্ধু,সন্তানদের কথা। এ কারণেই আমাকে ইন্টারনেট এ বসতে হয়।

বিস্তারিত»

কেমিষ্ট্রি বিষয়ে জাহিদ ভাইয়ের কিছু মতামত যার সাথে আমি একমত পোষণ করি না

আম্-জনতার জন্যে তোমার প্রবন্ধের আমি একটা বাংলা(!) অনুবাদ করছি। আমরা সবাই মনে করি একটা আমাদের গাড়ির সিডি প্লেয়ারের মধ্যে যে সিডি আছে তাতে গাড়ির ডিজাইন, ইঞ্জিনের কন্সট্রাক্সন, রঙ, হেডলাইটের বাল্বের মডেল এই জাতীয় সমস্ত তথ্য রাখা আছে। প্রয়োজনের সময় গাড়ির সিডি বেরিয়ে আসে এবং বাইরে রাখা একটি কম্পিউটারের মধ্যে প্রবেশ করে। ওই কম্পিউটার তখন সিডির তথ্য অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপাদান, যেমন সিট, ইঞ্জিন ইত্যাদি বানায়।পরে উপাদানগুলো যেহেতু অন্যকোন ভাবে খাপ খাবে না তাই আগের সেই নির্দিষ্ট একটা গাড়ির রুপ ধারন করে।

বিস্তারিত»

আনবিক জীববিদ্যা(molecular biology) প্রসূত বিবর্তনের স্বপক্ষে অকাট্য প্রমান ১:কোডন বায়াস প্রমান করে কমন অ্যানসেসট্রি

এখানে বলা বাহুল্য যে, আমাদের এই আলোচনা বিবর্তনের স্বপক্ষে প্রাপ্ত মিলিয়ন প্রমানের একটি, এবং এই পর্যন্ত পৃথিবীর কোন বৈজ্ঞানিক জার্নালে এমন কোন পেপার প্রকাশিত হয়নি যা বিবর্তনের বিরোধীতা করে।

বিস্তারিত»

স্বপ্নাহতের কথন

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে (আই ইউ টি) অনেক পাকিস্তানী ছাত্র আছে। আমি প্রায়ই হতবাক হয়ে যাই যখন দেখি আমারই পরিচিত কিছু মুখ যখন বিনা সংকোচে তাদের সাথে উর্দুতে কথা বলে। আমার তখন কিছুই বলতে ইচ্ছা করে না। মেরুদণ্ডহীন এক বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়ে যাই আমি।

আমি বুদ্ধিজীবী নই; নই কোন ক্ষুরধার কলাম লেখক। কোন বিষয় নিয়ে যখনই কিছু বলতে যাই কিছুক্ষণ পরই আমার জ্ঞানের জাহাজ যে শূন্য সেটা প্রকাশ হয়ে পড়ে।

বিস্তারিত»

অরুন্ধতি রায়ের সাক্ষাৎকার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা কয়েকজন মিলে একটা পত্রিকা বের করি। শুধুমাত্র জেন্ডার বিষয়ক লেখা নিয়ে সাজানো এই পত্রিকাটির নাম “শব্দ”। আজ শব্দের ২য় সংখ্যা প্রকাশিত হলো। এ সংখ্যায় আমার একটা লেখা ছাপা হয়েছে, মৌলিক কোনো লেখা নয়; অরুন্ধতি রায়ের একটি সাক্ষাৎকারের অনুবাদ। অনুবাদটি হুবুহু তুলে দিলাম।

(সংগঠক ও সংগ্রামী অরুন্ধতি রায়ের আরও একটি পরিচয় হলো তিনি সাহিত্যিক। ১৯৯৭ সালে বুকার বিজয়ের মাধ্যমে নিজের এই পরিচয়টাই তিনি শুধু প্রতিষ্ঠিত করেন নি বরং ‘অচ্ছুৎ’ মানুষের সংগ্রামের কথাও পৌঁছে দিয়েছেন সাধারণের কাছে।

বিস্তারিত»

স্বার্থপরতা

শিরোনাম দেখে মনে করার অবকাশ থাকতে পারে, কিন্তু আসলে এটি কোন গল্প নয়। আমি যে কি লিখতে বসেছি তা নিজেও জানি না(মিথ্যা কথা, আমি জানি)। সিসিবিতে যোগদানের পর ভেবেছিলাম যে অনেক লিখব। সময় গড়াল, দিন গেলো, মাস গেলো, কিন্তু আমার পোস্টের সংখ্যা আর বাড়ল না। আমার চেয়ে অনেক কর্মব্যস্ত, দায়িত্ব পালনকারী মানুষদের দেখি তারা নিয়মিত লেখা দিয়ে যাচ্ছেন, আর আমি ব্যস্ততার অজুহাতে কিছুই লিখছি না।

বিস্তারিত»

শুধুই প্রেম নয়… চাই দেশপ্রেম !

‘প্রেম’-শব্দটাই ম্যাজিকের মত। আর এর আগে যখন ‘দেশ’ শব্দটি জুড়ে দেয়া হয় তখন যে নতুন শব্দের উৎপত্তি হয় -‘দেশপ্রেম’; তা ব্যাপক বিশালতা বক্ষে ধারন করে।

কালে কালে দেশে দেশে সময়ের প্রয়োজনে পৃথিবীর বুকে কাটাকাটি করে এঁকে নেয়া হয়েছে ছিন্ন ভিন্ন ভৌগলিক সীমানা। জাতি-গোত্র-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষ সেই কাল্পনিক রেখা পুঁজি করে চালিয়ে যায় ঠুনকো সভ্যতা।

……আহ! কোথায় তলিয়ে যাচ্ছি। ইদানীং কথা বলতে শুরু করলে খেই রাখতে পারি না।

বিস্তারিত»

হাসিনার বদল, খালেদা অটল !

প্রশ্ন : আপনার বন্ধু কারা?
সম্ভাব্য উত্তর : গণতন্ত্র এবং অসাম্প্রদায়িক শক্তিসহ আওয়ামী লীগের অসংখ্য নেতা-কর্মী যারা বিগত সরকারের সময় নানা অত্যাচার সহ্য করেও আমার এবং আমাদের পক্ষে ছিলেন…
বাস্তব উত্তর : এই বাংলাদেশের জনগণ।
প্রশ্ন : আর আপনার শত্র“?
সম্ভাব্য উত্তর : গত জোট সরকারের সময় যারা দুঃশাসন চালিয়ে দেশ ও জনগণকে জিম্মি করে রেখেছিল। এই দেশের যাবতীয় প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি…

বিস্তারিত»