কেমিষ্ট্রি বিষয়ে জাহিদ ভাইয়ের কিছু মতামত যার সাথে আমি একমত পোষণ করি না

আম্-জনতার জন্যে তোমার প্রবন্ধের আমি একটা বাংলা(!) অনুবাদ করছি। আমরা সবাই মনে করি একটা আমাদের গাড়ির সিডি প্লেয়ারের মধ্যে যে সিডি আছে তাতে গাড়ির ডিজাইন, ইঞ্জিনের কন্সট্রাক্সন, রঙ, হেডলাইটের বাল্বের মডেল এই জাতীয় সমস্ত তথ্য রাখা আছে। প্রয়োজনের সময় গাড়ির সিডি বেরিয়ে আসে এবং বাইরে রাখা একটি কম্পিউটারের মধ্যে প্রবেশ করে। ওই কম্পিউটার তখন সিডির তথ্য অনুযায়ী আলাদা আলাদা উপাদান, যেমন সিট, ইঞ্জিন ইত্যাদি বানায়।পরে উপাদানগুলো যেহেতু অন্যকোন ভাবে খাপ খাবে না তাই আগের সেই নির্দিষ্ট একটা গাড়ির রুপ ধারন করে। এবং নতুন গাড়ির মধ্যেও আগের মত একটা সিডি থাকে যা ভবিষ্যতে আরেকটা নতুন গাড়ীর তৈরী করা যাবে। কোষের ব্যাপার গুলোর সাথে মেলাতে না পারলে খেয়াল করুন…

জাহিদ ভাই যিনি আমার একটি সাম্প্রতিক পোস্টে উপরোক্ত এবং নিন্মোক্ত মন্তব্যগুলি প্রকাশ করেন, কিছু সঙ্গত কারণে উনার এই মতামতের সাথে আমি একমত পোষণ করি না।কারণ দর্শানো পূর্বক আমি নিচে তা আলোচনা করছি-

আমাদের ডি. এন. এ.-তে রাখা আছে আমাদের চোখের রঙ থেকে শুরু করে প্রতিটি তথ্য এবং এটা কাছাকাছি প্যাচানো এক জোড়া স্প্রিং-এর মতো।

আমি মনে করি তথ্য শব্দটির সফল প্রয়োগ এখানে ঘটছে না, কেননা তথ্য কোন বায়লজিকাল টার্ম না, তথ্য যা কিনা একটি অ্যাবসট্রাক্ট জিনিষ মেটেরিয়ল জিনিষ না, এটা নিয়ে বায়োলজি আলোচনা করে না।

প্রতিটি কোষেই ডি. এন. এ. আছে।

রেড ব্লাড সেলে যেহেতু কোন নিজক্লিয়াস নেই, এবং যেহেতু মানুষ ইউক্যারিয়টিক অর্গানিজম যার জেনেটিক মেটেরিয়লের ৯৯% থাকে নিজক্লিয়াসে সীমাবদ্ধ (বাকী ১% মাইটোকন্ড্রিয়াতে) তাই আপনার এই বক্তব্য পুরাপুরি সত্য না।

রাইবোজম, ডি. এন. এ.-এর দুইটা স্প্রিংকে আলাদা করে।

ডি. এন. এ.-এর দুইটা স্ট্র্যান্ড আলাদা করে এনজাইম হিলোকেইস। রাইবোজম একটি সাইটোসমাল টেম্পোরারি আর.এন.এ এবং প্রোটিন কমপ্লেক্স, এবং নিউক্লিয়াস ফসফোলিপিড বাইলেয়ার মেমব্রেইন দ্বারা আবদ্ধ। ক্রমোজম মূলত ডি এন এ এবং প্রোটিন হিস্টোনের কমপ্লেক্স দ্বারা গঠিত ক্রোম্যাটিন তন্তুর কম্প্যাক্ট ফর্ম। ডি এন এ যার একটি স্ট্র্যান্ড অপরটির সাথে হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা আটকানো থাকে, এর ডাবল হেলিক্স স্ট্র্যান্ড আনজিপ করার জন্য এনজাইমেটিক অ্যাকটিভিটি দরকার।এইসব কারণে রাইবোজমের পক্ষে ডি এন এ ডাবল হেলিক্স স্ট্র্যান্ড আলাদা করা সম্ভব না।

রাইবোজম, ডি. এন. এ.-এর দুইটা স্প্রিংকে আলাদা করে আর এই একটা স্প্রিংকে আমরা বলতে পারি আর. এন. এ.. (স্প্রিং শুধু বোঝার সুবিধার জন্যে বলা) ।

ডি এন এ ও আর আর এন এ উভয়েই নিউক্লেয়িক অ্যাসিড হলেও অনেক বড় কিছু পার্থক্য আছে ।ডি এন এর ব্যাকবোন ডিঅক্সিরাইবোস সুগার ফসফেট আর আর এন এ এর রাইফোস সুগার ফসফেট, ডি এন এর একটি নিউক্লিওটাইড থায়ামিন আর এন এ তে অন্য একটি নিউক্লিওটাইড ইউরাসিল বা মেথিলেইটেড থায়ামিন দ্বারা প্রতিস্হাপিত। এইসব কারণে বলা যেতে পারে এনজাইমেটিক অ্যাকটিভিটি ছাড়া অন্য কোন সহজ উপায়ে সরাসরি ডি এন এ আর এন এ তে পরিণত হওয়া অসম্ভব।

(স্প্রিং শুধু বোঝার সুবিধার জন্যে বলা) ।

আমি মনে করি আলফা হেলিক্স যা কি না মলিক্যুলার জিওমেট্রির একটি অন্যতম মোটিফ (যা আমাদের বলে মলিক্যুলের ডাইরেক্সনালিটি,রেসিজ্যুয়ল হা্ইড্রোজেন বন্ডের অবস্হান, এবং প্রতি টার্নের পিচ-লেন্গথ) কে অন্য একটি সম্পুর্ণ অযাচিত শব্দ “স্প্রিং” দ্বারা প্রতিস্হাপন করলে ভুল বোঝাবোঝির সৃষ্টি হতে পারে।

এই আর. এন. এ. কোষের বাইরে বেরিয়ে আসে আর আরেকটি মেকানিজম (আমি নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না) তখন আর. এন. এ.-তে (যা ডি. এন. এ.-এর অংশ ছিল) রাখা তথ্য থেকে বিভিন্ন এমিনো এসিড তৈরী করে।

আর. এন. এ. এর কোষের বাইরে বেরিয়ে আসা সম্ভব না, কারণ কোষ ফসফোলিপিড বাইলেয়ার মেমব্রেইন দ্বারা আবদ্ধ এবং ট্রান্সক্রিপশন সেলুলার মেটাবলিজমের একটি অংশ ইন্টারসেলুলার সিগনালিঙের নয়।

আরেকটি মেকানিজম (আমি নামটা ঠিক মনে করতে পারছি না) তখন আর. এন. এ.-তে (যা ডি. এন. এ.-এর অংশ ছিল) রাখা তথ্য থেকে বিভিন্ন এমিনো এসিড তৈরী করে।

আমরা ইতিমধ্যেই দেখিয়েছি যে আর. এন. এ এর ডি. এন. এ.-এর অংশ থাকা সম্ভব নয়।বস্তুত জিন এক্সপ্রেশন এবং অ্যামাইনো অ্যাসিড সিনথেসিস দুটো ভিন্ন মেটাবলিক পাথওয়ে যাদের ভেতর আপনি যেই প্রেক্ষিতে বলছেন সে ই প্রেক্ষিতে কোন সম্পর্কই নাই। আপনি সম্ভবত ট্রান্সক্রিপশন,ট্রান্সলেশন এবং রাইবোজম,টি আর এন এ কনফ্যুজ করছেন।

এবং বিশ ধরনের এমিনো এসিড-এর আকার এমনভাবে তৈরী হয় যে তারা একটা আয়োজনে (arrangement)-এ এক হতে পারে।

বিশ ধরনের অ্যামাইনো অ্যাসিড না, মূলত একই ধরণের ২০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড (আলফা এল) হবে। আপনার পরবরতী বাক্য “…এমনভাবে তৈরী হয় যে তারা একটা আয়োজনে (arrangement)-এ এক হতে পারে” আমার মতে একটি সুচিন্তিত বৈজ্ঞানিক ভাব প্রকাশ করে না। এখানে আরও একটা বিষয় বলে নেয়া যেতে পারে যে ২০ টি অ্যামাইনো অ্যাসিড-ই সিনথেসিস করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয় কেননা ৮টা অ্যামাইনো অ্যাসিড আবার এসেন্সিয়ল, যেগুলা খাবারের মধ্যে থাকতে হবে কারণ এগুলা সিনথেসিস করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম বানানোর জিনই আমাদের জেনোমে নেই।

এইভাবে এমিনো এসিড থেকে আবার প্রোটিন এবং শেষ পর্যন্ত নতুন কোষ তৈরী হয় এবং এর মধ্যেও ডি. এন. এ. তৈরী হয়, অনেকটা নতুন গাড়ির মত। কত সাধারণ!

আমি বলতে চাই যে অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে প্রোটিন তৈরী হয় না বরং অ্যামাইনো অ্যাসিড দ্বারা প্রোটিন তৈরী হয়। এটা কোন এলিমিনেইশন না বরং অ্যাডিশন রিঅ্যাকশন। আপনার পরবরতী বাক্য- “এইভাবে এমিনো এসিড থেকে আবার প্রোটিন এবং শেষ পর্যন্ত নতুন কোষ তৈরী হয়” যেটা কিনা এখনও অনাবিষ্কৃত একটি মেটাবলিক পাথওয়ে, তাই এর বর্ণনা এতটা সুনিশ্চিতভাবে আমাদের করা উচিত না।

কত সাধারণ

আপনাকে ধন্যবাদ।আশা করি আমার বক্তব্য বিবেচনা করে দেখবেন।

৬,০৬৩ বার দেখা হয়েছে

৬২ টি মন্তব্য : “কেমিষ্ট্রি বিষয়ে জাহিদ ভাইয়ের কিছু মতামত যার সাথে আমি একমত পোষণ করি না”

  1. জাহিদ (১৯৮৯-৯৫)

    DNA: look at this

    RNA

    আমি বলেছিলাম, উদাহরন তা শুধু বুঝানোর জন্যে। প্লীজ আউট অফ কনটেক্সট কোট কর না। গাড়ির উদাহরণটা সাথে দিলে ভাল করতে। আমি কিন্তু কপি-পেস্ট/অনুবাদ করে লিখতে পারতাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে সামগ্রিক ব্যাপারটা বোঝানো। আমি বিশ্বাস করি, এত details লোকজনকে বিভ্রান্ত করে।

    গাড়ির ভিতরের ইনফরমেশন থেকে নতুন গাড়ির তৈরীর সাথে কোষ থেকে কোষের তৈরীর ব্যাখ্যার মিল আছে কিনা বল। তোমার পাটিগনিতের ৫*৩=১১.. এর কাহিনী বুঝলাম না।

    I am still waiting for a reference where you can show the feasibility/viability of Human and cympangee cross-product. তুমি যতদিন এইটা প্রমান করতে না পারবা, দয়া করে আশে-পাশের details নিয়ে লোকজনকে confused করোনা।

    বোর কিন্তু আইন্সটাইনের প্রশ্নের জবাব দিয়েছিল। তুমিও আমার প্রশ্নের জবাব প্রমানসহ দিও। শুধু জবাব দিও না বা আমার কোন সিলেক্টেড অংশ উল্লেখ করে বিভ্রান্ত করো না।

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      আমি বলেছিলাম, উদাহরন তা শুধু বুঝানোর জন্যে।

      আমি মনে করি আপনার কিছু উদাহারণ সঠিক ছিল না।

      প্লীজ আউট অফ কনটেক্সট কোট কর না।

      আপনার দাবী উদাহারণ দ্বারা সমর্থিত হতে হবে।

      গাড়ির উদাহরণটা সাথে দিলে ভাল করতে।

      দিয়েছি।

      আমি বিশ্বাস করি, এত details লোকজনকে বিভ্রান্ত করে।

      আপনার এই বিশ্বাসই আপনার বিজ্ঞানমনস্কতা প্রমান করে না।

      গাড়ির ভিতরের ইনফরমেশন থেকে নতুন গাড়ির তৈরীর সাথে কোষ থেকে কোষের তৈরীর ব্যাখ্যার মিল আছে কিনা বল।

      আছে।

      জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      I am still waiting for a reference where you can show the feasibility/viability of Human and cympangee cross-product.

      এটাকে বলে স্ট্র-ম্যান যেটা কিনা একটা লজিকাল ফ্যালাইসি। এটা কাজ করে এভাবে যে, আমার বক্তব্য a কে গ্রস জেনারালাইস করে আপনি একটা নতুন বক্তব্য a' দাড় করালেন।তারপর আপনি প্রমান করলেন যে a' মিথ্যা এবং দাবী করলেন যে আপনি প্রমান করেছেন যে আমার বক্তব্য a মিথ্যা। আমার বর্ণনা করা জিন এক্সপ্রেশন গ্রস জেনারালাইস করে আপনি যেমন সিদ্ধান্তে পৌছেন যে, "ডি. এন. এ.-এর দুইটা স্প্রিংকে আলাদা করে আর এই একটা স্প্রিংকে আমরা বলতে পারি আর. এন. এ.", "এই আর. এন. এ. কোষের বাইরে বেরিয়ে আসে" ইত্যাদি ইত্যাদি- একইভাবে আমার বক্তব্য "যেহেতু কমন অ্যানসেস্টর থেকে মানুষ ও শিম্পান্জীর লিনিয়েজ আলাদা হওয়ার এক মিলিয়ন বছর পর তাদের x ক্রমোজম আলাদা হয়, সেহেতু এই পুরোটা সময় তাদের মধ্যকার মেয়েরা যাদের অ্যালোসমাল অর্ডার xx, হবে ভায়াবল" জেনারালাইস করে আপনি তেমনি সিদ্ধান্তে পৌছেন "feasibility/viability of Human and cympangee cross-product is positive/negetive" যেটা আমার বক্তব্য না, যেটা কিনা আপনার স্ট্র-ম্যান।

      আপনি এটা স্বপক্ষে রেফরেন্স চেয়েছেন, এ ২০০৫ এ নেইচারে পাবলিশড্ পিয়ার রিভিউড পেইপার http://www.genome.gov/Pages/Research/DIR/Chimp_Analysis.pdf । আপনি এইটা পড়ে না বুঝলে আপনাকে আমি সহযোগীতা করতে রাজী আছি।অথবা এইটা ট্রাই করতে পারেন, এইটা পিয়ার রিভিউড না তবে সহজ http://www.msnbc.msn.com/id/12836649/

      তুমি যতদিন এইটা প্রমান করতে না পারবা, দয়া করে আশে-পাশের details নিয়ে লোকজনকে confused করোনা।

      এখনও আপনার এই দাবী সঠিক নয়।ডিটেইলস্ দিলে কি লোকজন বিভ্রান্ত হয়?

      জবাব দিন
    • কামরুল হাসান (৯৪-০০)

      তাইতো!!
      দেখি জুনা, অর্ণবের সিনিয়র কাউরে দায়িত্ব দে তো, ওরে একটু সিভিল পানি ডিস্পোজ কইরা ফিটফাট কইরা নিয়া আসুক। :grr:


      ---------------------------------------------------------------------------
      বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
      ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

      জবাব দিন
      • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

        বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমি মনে করি ক্যাডেট কলেজের দায়িত্ব শুধু অ্যাইজেনহাওয়ারের মত জেনারেলই নয়- লিঙ্কনের মত রাজনিতীবিদ, আইনস্টাইনের মত বিজ্ঞানী, নিটশের মত দার্শনিক তৈরী করাও। একদল ডিফেন্ড করবে মাতৃভূমি, আর আমরা ডিফেন্ড করি rationalism,free-speech and western value.

        জবাব দিন
        • সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

          এ বিষয়ে আমার একটা পুরনো মন্তব্য আছে। কোন পোস্টে এখন তা মনে করতে পারছি না।

          বিষয়টা এমন, এক সময় ক্যাডেট কলেজ সামরিক-বেসামরিক কর্তা, বড় ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ, চিকিৎসক-প্রকৌশলীর মতো কমন পেশার মানুষ তৈরি করেছে। আর ব্লগে এসে আমি দেখলাম, সাহিত্যিক, কবি, নাট্যকার, শিল্পীসহ সৃজনশীল নানা পেশা, সামাজিক আন্দোলন, পরিবেশবাদী আন্দোলনের মতো বিকল্পচিন্তার যোগ্য মানুষও এখন তৈরি হচ্ছে।

          তোমাকে দেখে এখন আরো দুটো পেশা যোগ করতে ইচ্ছে করছে। দার্শনিক ও বিজ্ঞানীও জন্ম নেবে ক্যাডেটদের মধ্য থেকে। (যেটা তুমি নিজেও মনে করছো।)

          আমরা ডিফেন্ড করি rationalism,free-speech and western value.

          তোমার এই মন্তব্যকে আমি ব্যাখ্যা করবো এভাবে : আমরা সমাজ ও মানুষকে যুক্তির পথে চলতে, গণতন্ত্র -ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য, মানবাধিকার রক্ষা ও নিশ্চিত করতে আপসহীন ভূমিকা নেবো এবং অবশ্যই জাতীয়তাবাদী কূপমন্ডুকতা ও গোয়ার্তুমির বিপরীতে একটা উদার আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গীর প্রসার ঘটাবো। নিজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা ধারণ করেই কারো পক্ষে প্রকৃত আন্তর্জাতিক হওয়া সম্ভব বলে আমি মনে করি।


          "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

          জবাব দিন
  2. জাহিদ (১৯৮৯-৯৫)

    রাইবোজমের ব্যাপারটা উলটা বলেছি। মাথার থেকে লিখলে যা হয়। মুখস্ত বিদ্যা বয়সের সাথে কমতে থাকে। রাইবোজম নিউক্লিক এসিডের ফরমে রাখা জেনেটিক ইনফরমেশন থেকে প্রোটিন তৈরী করে। wikipedia-তে বিস্তারিত আছে।

    http://en.wikipedia.org/wiki/Ribosome

    কিন্তু আমার কোন মেকানিজমের বর্ণনায় ভুল পেলে বলো প্লীজ। আমি water বলি আর পানি বলি, জিনিষটাতো এক।

    জবাব দিন
    • মুহাম্মদ (৯৯-০৫)
      আমি water বলি আর পানি বলি, জিনিষটাতো এক।

      ওয়াটার-পানি, আর ডিএনএ-আরএনএ এই দুইটা ভ্রান্তি কি তুলনার যোগ্য। জাহিদ ভাই আপনের ঐ কমেন্ট পড়ে কিন্তু আমি আসলেই উপকৃত হই নাই। বেশ ধোয়াটে এবং অবাস্তব লাগছিল।
      রাইবোজোম এবং ডিএনএ নিয়ে সুস্পষ্ট ভ্রান্তি ছিল এবং অর্ণব ভাই শেষে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন তাও আপনার লেখায় উঠে আসেনি। আপনি কেবল ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়াটা বর্ণনা করার চেষ্টা করেছেন। অথচ ট্রান্সলেশন ছিল অর্ণব ভাইয়ের লেখার ভূমিকার মত, মূল লেখায় একটা অসাধারণ সিদ্ধান্ত ছিল যেটা জেনেটিক্সে এখন সুপ্রমাণিত।

      আপনার বর্ণনার মূল উদ্দেশ্য বোধহয় ছিল, মানুষকে বলা যে, এত জটিল জিনিস এমনি এমনি হয় নাই। আপনি আবারও বলেছেন, সিডি থেকে তথ্য নিয়ে তো এমনি এমনি গাড়ি হতে পারে না। অথচ এটা খুবই বিভ্রান্তিকর কথা:
      বিবর্তন বা অ্যাবায়োজেনেসিস এমন না যে, তথ্য থেকে হঠাৎ করে মানুষ তৈরী হয়ে গেল। এমনকি কিঠু খাপছাড়া তথ্য থেকে হঠাৎ করে এককোষী প্রাণীও তৈরী হয়নি। এককোষী প্রাণী তৈরী হওয়ার প্রক্রিয়াও অনেক সময়ে অনেক পরিস্থিতির মাধ্যমে হয়েছে। এভাবে হওয়াটা যে সম্ভব তা তো ব্যাখ্যার মাধ্যমেই বোঝা যাচ্ছে। গাড়ির মত স্থূল উদাহরণ দিয়ে সেটাকে অসম্ভব বলাকে আমার কাছে সবচেয়ে বেশী বিভ্রান্তিকর বলে মনে হয়।

      এটা অনেকটা সাধারণ মানুষকে কিছু একটা বুঝ দিয়ে শান্ত করার মত। তাদেরকে সবাই বলে দেয়, বিবর্তন মানে বানর থেকে মানুষ হইছে শুধু না পৃথিবীর সবকিছুই অজৈব পদার্থ থেকে হইছে। তারপরই শুরু হয়ে যায়: আইফেল টাওয়ার, কালি-কলম বা গাড়ির মত উদাহরণ দেয়া। এটাকে অপপ্রচারও কিন্তু বলা যায়।

      জবাব দিন
      • জাহিদ (১৯৮৯-৯৫)

        ওয়াটার-পানি বলতে কিন্তু আমি ডি এন এ-আর এন এ বুঝাই নাই। আমি বুঝিয়াছি আমি আগে বলেছিলাম ক্রমোজম ডি এন এ থেকে আর এন এ করে, যা ভুল। আসলে ক্রমোজম পরের কাজটা করে। জেনেটিক ইনফরমেশন থেকে প্রোটিন তৈরী করে। http://en.wikipedia.org/wiki/Ribosome বিস্তারিত আছে। দেখ আমার বলা বর্ণনার সাথে মিলে কিনা। এমিনো এসিডের কথাও আছে। আমার উদ্দেশ্য ছিল প্রক্রিয়াটা ব্যাখ্যা করা। পরের নামটা আগে বলেছি, কিন্তু প্রসেস কিন্তু তাই। সেই অর্থে বলেছি water-পানি এক। প্লীজ একটা শব্দের ভুল নিয়ে ঘুরপাক খেও না, আলোচনার অনেক কিছু আছে।

        তোমরা কি আমার প্রশ্নের কোন জবাব/রেফারেন্স খুজে পেয়েছ? আমি অধীর অপেক্ষায় আছি।

        আমাকে দুই দিন সময় দেও। লোকের লেখার পেছনে কমেন্টের দিন শেষ। তোমরা প্রচুর কন্টেক্সট ছাড়া কথা বলো। সিডি গাড়ির অংশটা আবার পরে মিলাও।

        আপনি আবারও বলেছেন, সিডি থেকে তথ্য নিয়ে তো এমনি এমনি গাড়ি হতে পারে না।

        কোথায় বলেছি দেখাও।

        জবাব দিন
        • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
          জেনেটিক ইনফরমেশন থেকে প্রোটিন তৈরী করে।

          জেনেটিক ইনফরমেইশন না বলে জেনেটেকিক মেটেরিয়েল বললে বেশী বোধগম্য হয়, কারণ ইনফরমেইশন কোন বায়লজিকাল টার্ম না। তারপরও আপনি যদি ইনফরমেইশন শব্দটি ব্যবহার করতে চান প্রথমে আপনাকে এর সংজ্ঞা দিতে হবে।

          প্লীজ একটা শব্দের ভুল নিয়ে ঘুরপাক খেও না, আলোচনার অনেক কিছু আছে।

          আমি মনে করি শব্দের ভুলই আলোচনার ভুলে পর্যবসিত হতে পারে।

          তোমরা কি আমার প্রশ্নের কোন জবাব/রেফারেন্স খুজে পেয়েছ? আমি অধীর অপেক্ষায় আছি।

          রেফারেন্স পোস্ট করা হয়েছে।

          আমাকে দুই দিন সময় দেও। লোকের লেখার পেছনে কমেন্টের দিন শেষ।

          আপনার এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই, অবশ্যই একটি সিরিয়াস আলোচনার আগে সবার প্রস্তুতি দরকার।আমি আপনার কাছ থেকে এমন পোস্ট চাই যেটা আমাকে আসলেই নাজেহাল করবে।এবং অন্য সবার জন্য যা হবে তথ্যবহুল।

          তোমরা প্রচুর কন্টেক্সট ছাড়া কথা বলো।

          আপনার দাবী উদাহারণ দ্বারা সমর্থিত হতে হবে।

          জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      আমার কোন মেকানিজমের বর্ণনায় ভুল পেলে বলো প্লীজ।

      আপনি একটা জিনিষ বুঝতে চাচ্ছেন না। এই পুরো আর্টিকেলের বক্তব্য একটাই, সেটা হল বিজ্ঞান নিয়ে কথা বলতে হলে আপনাকে বিজ্ঞানের ভাষাতেই কথা বলতে হবে, সাধারণের ভাষায় নয়। বৈজ্ঞানিক ছাড়া অন্য কোন টার্ম দ্বারা বিজ্ঞান বর্ণনা করলে সেটা হবে গ্রস্ জেনারেলাইসেইশন যেটা বিজ্ঞানের প্রতিনিধিত্ব করে না। এইজন্যই ডি এন এ, আলফা হেলিক্স শব্দগুলোর প্রতিশব্দ হতে পারে না আর এন এ বা স্প্রিং। এছাড়াও আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে "strict sense of specification" কননা বিজ্ঞান স্পেসিফিক। এ জন্যই ফিজিসিস্ট অংক করে, কেমিস্ট নোম্যানক্ল্যাচার বানায়, বায়োলজিস্ট ট্যাক্সোনমি বানায়। আপনি যেই টার্ম ব্যবহার করেছেন সেগুলি যদি ভুল হয় তবে কনটেক্সট রিগার্ডলেস আপনার বাক্য ভুল বৈজ্ঞানিক ভাব প্রকাশ করবে। এজন্যই আপনার দাবীগুলো ভুল প্রমানিত হয়েছে।

      জবাব দিন
  3. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    আপনের আগের পোস্টটাকে স্থূল উদাহরণ দিয়ে এমনভাবে ব্যাখ্যা করা যায় যাতে সবাই সেটা বুঝতে পারে। কিন্তু সেটা অনেক সময়ই ত্রটিপূর্ণ হয়ে যায়। সেটা না করে আপনি মূলটা ঠিক রেখেই যেভাবে বুঝিয়েছেন তাতে ভাল হয়েছে।
    কিন্তু জাহিদ ভাই সেটার যে সহজবোধ্য ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা আমার কোন কাজে আসেনি, বরং সেটাতেই বেশী বিভ্রান্ত হয়েছি।

    ডিটেলস কখনও বিভ্রান্ত করে বলে মনে হয় না। ডিটেলস টা ঠিক ভাবে তুলে ধরলেই হল। কিন্তু অতি সংক্ষিপ্ত করতে গিয়েই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। যেমন, সেই মন্তব্যটিতে হয়েছে।

    তবে পোস্টটা বোধহয় একটু বেশী আক্রমনাত্মক হয়ে গেছে। আরেকটু সহনীয় ভাষায় লিখলে বোধহয় ভাল হতো...

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      এই ব্লগের সব পোস্টকে দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে, স্মৃতিচারণমুলক আর তথ্যবহুল বা অ্যাকাডেমিক। খেয়াল করলে দেখবে যে স্মৃতিচারণমুলক পোস্টগুলো গড়ে হিট পাচ্ছে ১০০ - ১৫০, আর তথ্যবহুল পোস্টগুলো গড়ে হিট পাচ্ছে সে তুলনায় অনেক বেশী এবং কমেন্টও পাচ্ছে তুলনামুলকভাবে বেশী। এটা সম্ভবত এই কারণে মানবিক ইন্সটিঙ্কট যেখানে জটিলতা, দুর্বোধ্যতা এড়িয়ে যেতে চায়, ক্যাডেট ইন্সটিঙ্কট সেখানে জটিলতা, দুর্বোধ্যতার দিকে বেশী আকর্ষিত হয়। আমার ৩ দিন পুরনো পোস্টে হিট এবং কমেন্টের সংখ্যা দেখে আমরা এই কনসেনসাসে পৌছাতে পারি। আমার ব্যাপারটা খেয়াল করলে দেখবে যে স্মৃতিচারণমুলক ক্যাজুয়ল পোস্টে আমি সাধারণত অংশগ্রহন করি না। আমার এটা অসঙ্গত হবে না অ্যাকাডেমিক পোস্টের আলোচনায় যদি আমার রেসপন্স অ্যাকাডেমিকই হয়। ক্যাজুয়ল পোস্টে আমি ক্যাজুয়লই থাকব। দুইজন আইনজীবির সন্তান হিসেবে একবার আমি আমার মা-বাবা কে একে অপরের বিরুদ্ধে কর্টে দাড়াতে শুনিছে, সেটা তাদের দাম্পত্য কলহে গড়িয়েছিল বলে মনে পড়ে না।

      জবাব দিন
  4. জিহাদ (৯৯-০৫)
    তবে এই পোস্টটা বোধহয় একটু বেশী আক্রমনাত্মক হয়ে গেছে। আরেকটু সহনীয় ভাষায় লিখলে বোধহয় ভাল হতো…

    সহমত। আর কিছু না বুঝলেও এইটুকু বুঝতে পারসি। ভাইয়া, মাইন্ড কইরেন না। বলার ধরণটা খুব চোখে লাগতেসে। সবাই যদি একটু সহনশীল হয়ে ডিবেটে নামি তাহলে বোধহয় পুরো ব্যাপারটা আরো উপভোগ্য হতো।


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      তোমার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাইয়া। একটা জিনিষ তুমি বুঝতে পারছ না হয়ত, এক্স ক্যাডেট হিসেবে আমাদের মধ্যে যেই আন্ত-সম্পর্ক রয়েছে সেটার প্রমান কিন্তু এই ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমাদের সবার যোগদান। কি লাভই বা আছে বল সেই সুসম্পর্ক যা আমরা ইতিমধ্যেই স্বীকার করে নিয়েছি তাকে জিইয়ে রাখার জন্য অনবরত একে অপরের প্রসংসা করে ব্লগের পর ব্লগ সময়ের পর সময় ভরিয়ে ফেলার মধ্যে। তুমি বা অন্যকেউ কি উপকৃত হত তাতে? যদি একটু খেয়াল কর দেখবে যে, পিয়ার রভিউড জার্নাল আর ব্লগের মধ্যে একটি সম্পর্ক আছে, তা হল কোন জাগাতেই একজন তার রিভিউয়ার পিয়ারের চেহারা দেখে না, তাদের মধ্যে একটা অ্যাকাডেমিক দুরত্ব থাকে, তাদের মধ্যে সম্পর্কও থাকে যেই সম্পর্কটা কিনা অন্যকোন সুত্রপ্রসুত যেমন জারনালে দুই ব্যক্তিরই বিজ্ঞানী হওয়া এবং এই ব্লগে দুই ব্যক্তিরই ক্যাডেট হওয়া ।লক্ষ্য করলে দেখবে যে, এই অ্যাকাডেমিক দুরত্ব একটি কাজই করে তা হল নিশ্চিত করা যে সিদ্ধান্তে পৌছার লক্ষ্যে যেন একে অপরের যুক্তির প্রতি কঠোর ও নির্মম হতে পারে। টলেমির প্রতি কোপার্নিকাসের,আইনস্টাইনের প্রতি বোরের, লিনিয়াসের প্রতি ডারউইনের এই অ্যাকাডেমিক নির্মমতাই কিন্তু আমাদের বিজ্ঞান এবং সভ্যতাকে এক পা এক পা করে সামনে এগিয়ে নিয়েছে, যার মানে এইটা প্রয়োজনীয়। তুমি হয়ত লক্ষ্য করে থাকবে যে আমার এবং জাহিদ ভাইয়ের একে অপরের প্রতি কোন অভিযোগ নেই, আমরা আমাদের প্রফশনাল কোড অফ কন্ডাক্ট ধরে রেখেছি। এখানে আমি তোমাকে পরামর্শ দব তৃতীয় পক্ষ থেকে অভিযোগ উথ্থাপন না করার কেননা তা আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

      জবাব দিন
      • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
        দুই ব্যক্তিরই বিজ্ঞানী হওয়া এবং এই ব্লগে দুই ব্যক্তিরই ক্যাডেট হওয়া

        উপমাটা যথার্থ হলনা। দুইজন বিজ্ঞানীর মাঝে সম্পর্কটা শুধুই প্রফেশনাল, কিন্তু দুইজন ক্যাডেটের বেলায় তা আরো বেশি নয় কি?

        নির্মম সমালোচনা কতোটা নির্মম হতে পারে সে সম্পর্কে যথেষ্ট ধারনা থাকলে অনেকেই এটা মানবে যে, এই ব্যাপারটা সিসিবি'তে টেনে নিয়ে আসা ঠিক না।

        আর এই পোষ্ট তুমি যেটা করলে, একাডেমিক আলোচনা হতে হলে তা আরও কিছু শর্ত পুরণ দাবী করে। যেমন, জাহিদ ভাইয়ের প্রশ্নের টু-দ্য-পয়েন্ট উত্তর দেওয়া। আশা করি, এই বিষয়টা দেখবে।


        There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

        জবাব দিন
        • জুবায়ের (১৯৯৯-২০০৫)

          সমালোচনার ব্যাপারে আমি মাহমুদ ভাইয়ের সাথে একমত।এ ধরণের সমালোচনা কাউকে উৎসাহ যোগাবে না আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে। কারণ আমরা সবাই সব বিষয়ে সমান জানিনা।আবার অনেকে যা জানি তা লিখে প্রকাশ করতে পারি না।এ ব্যাপারটা মনে হয় একটু বিবেচনা করে দেখলে ভাল হয়।

          জবাব দিন
      • জিহাদ (৯৯-০৫)
        অনবরত একে অপরের প্রসংসা করে ব্লগের পর ব্লগ সময়ের পর সময় ভরিয়ে ফেলার মধ্যে।

        ভাইয়া, আমি যা বলতে চাইসি সেটা মনে হয় আমি বুঝাইতে পারিনাই। আমি মোটেও বলিনাই কোন একটা ভুল চোখে পড়লে সেটা সিনিয়রিটির খাতিরে স্কিপ করে যাওয়ার কিংবা ভুলটা দেখেশুনেও অহেতুক প্রশংসা করে যাওয়ার। কোন ভুল তথ্য পেলে অবশ্যই সেটা ধরিয়ে দেবেন কিন্তু তা' করার প্রকাশ ভঙ্গীটা যেন সহনশীল হয়।

        সেরকমটি মেনে চলা হলে আমরা যারা তৃতীয়পক্ষ আছি তারা দুই পক্ষের আলোচনায় নগণ্য হলেও আলোচনাটুকু উপভোগ করার ইচ্ছাটুকু বোধহয় তাহলে ষোলআনায় বজায় থাকবে । ব্লগ যেহেতু একটা ওপেন প্ল্যাটফর্ম কাজেই তৃতীয় পক্ষকে গণনার মধ্যে না আনতে চাইলেও একেবারে তো অস্বীকার করা যায়না, তাইনা?

        ভাল থাকবেন।


        সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

        জবাব দিন
        • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
          ব্লগ যেহেতু একটা ওপেন প্ল্যাটফর্ম কাজেই তৃতীয় পক্ষকে গণনার মধ্যে না আনতে চাইলেও একেবারে তো অস্বীকার করা যায়না, তাইনা?

          আমি দুঃখিত যে তুমি যা বুঝলে আমি একেবারেই সেটা বুঝাতে চাইনি। আমি বলছি না যে তৃতীয় পক্ষ নগন্য বা তাদের অংশগ্রহন করা অনুচিত বা এমন কিছু।

          জবাব দিন
  5. মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

    ওরে এই পোস্ট বুঝতে গিয়ে আমার সব ডিএনএ, আরএনএ গিঠ্ঠু লাইগা গেল দেখি। এখন কি করি , কেমনে গিঠ্ঠু ছাড়াই ??? ~x( ~x( ~x(

    যাইগা একটা ঘুম দেই, গিঠ্ঠু ছাড়ে কিনা দেখি।

    জবাব দিন
  6. জুবায়ের খুব ভাল লাগছে তকে এখানে দেখে।।
    দোস্ত একাডেমিক লেখা যদি গনমানুষের জন্য লিখিস তবে তাদের বধোগম্য করেই তোকে লিখতে হবে। আর একদম একাডেমিক লেখা তো থাকার কথা জার্নালগুলোতে।

    জবাব দিন
  7. আন্দালিব (৯৬-০২)

    প্রতিক্রিয়ামূলক পোস্টে যতোই বলা হোক, যে তা সম্পূর্ণ নৈর্ব্যক্তিক অবস্থান থেকে লিখিত, অবশ্যম্ভাবী নিয়মে সেখানে ব্যক্তিক অনুভূতি চলে আসে। আর সকলেই সেই অনুভূতির বিচারে একটা তুলনা-কর্মে নেমে পড়ে বলে বুঝে ওঠা কঠিন যে সেখানে আদৌ কাজের কথা হচ্ছে কী না।

    অর্ণব, যে তর্ক বা যুক্তিখণ্ডনের উদাহরণ দিলে, তার একটা মূল উদ্দেশ্য এখানে অনুপস্থিত। বোর/আইনস্টাইনের তর্কে কোন অবস্থাতেই এমন বলার অবকাশ নাই যে একটা বিষয়ে একজনের জ্ঞান বা প্রজ্ঞা (নলেজ অর উইজডম) আরেকজনের থেকে বেশি। কিন্তু এখানে ব্লগের মতো মিডিয়াতে সকলের একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান সমান হবে না আর সেটাই স্বাভাবিক। আবার এটাও ঠিক যে জ্ঞান কম হলেও সেই ব্যক্তি প্রজ্ঞার দিক থেকে উঁচুতে অবস্থান করতেই পারেন, সে সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়া যায় না। এরকম নানামুখী সম্ভাবনাগুলো এত বেশি প্রকট যে সবগুলোকে মাথায় রেখে যে কোন বক্তব্য স্থাপন করতে হয়।
    স্মৃতিচারণ বা দিনলিপি ধরনের পোস্টে সে বিষয়ে মাথা না ঘামালেও চলে, যেহেতু সেখানে স্পন্টেনিয়্যাস রিঅ্যাকশন বেশি গুরুত্ব পায়। কিন্তু যখনই তথ্যভিত্তিক আলোচনা, যুক্তি বা বিতর্কের কথা, তখন এই বিষয়টা মুখ্য হয়ে দাঁড়ায় যে সকলে কীভাবে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমার মনে হয় তোমার একটু রিভিউ করা দরকার নিজের কথাগুলোকে।
    ভালো থেক।

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      আমিও এটা নিয়ে ভেবেছি, আমারও মনে হচ্ছে বাংলাদেশ এবং ক্যাডেট কলেজের প্রেক্ষাপটে এই পোস্টটি যথাযথ হয়নি। আমি এটা এডিট করছি এবং আপত্তিকর অংশগুলো মুছে দিচ্ছি।এরপরও আমি দেখব যদি জনমত এই পোস্টটাকে অযথাযথ মনে করে, আমি এটা তুলে নেব।গনতন্ত্রই নির্ধারণ করবে তা।

      জবাব দিন
  8. জুবায়ের আমি তোর লেখা আগের বা এই পোস্ট এর কোনটাই পড়িনাই। আগ্রহ পাইনা। কিন্তূ একটা প্রশ্ন ছিল আমার। এতই যদি অকাট্য হবে প্রমানগুলো তাহলে এতো দিমত কেন এসব মেনে নিতে?

    http://www.dissentfromdarwin.org/
    এখানে দেখলাম লিস্ট আছে কিছু বিজ্ঞাণীর যারা বিবর্তনবাদ নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে।

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      বিবর্তনবাদ যা আজ থেকে দেড়শ বছর আগে প্রথম প্রকাশিত হয়ে এ প্রযন্ত সবচেয়ে বেশী চ্যালেনজের সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বেশী সংখ্যক বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ কাজ করেছে একে মিথ্যা প্রমান করার জন্য, তারপরও কেউ নিয়ে আসতে পারেনি একটি এভিডেন্স যা এর বিবর্তনের বিরোধীতা করে, এজন্যই এখন পর্যন্ত কোন সায়েন্টিফিক জার্নালে এর বিরোধী কোন পেপার নেই।ডি এন এ এর আবিস্কারের পর গ্র্যাভিটি যেমন সত্য বিবর্তনও তেমনি।

      জবাব দিন
  9. "এজন্যই এখন পর্যন্ত কোন সায়েন্টিফিক জার্নালে এর বিরোধী কোন পেপার নেই।"

    তারমানে কি এসব বিজ্ঞাণীরও বিবর্তনবাদবিরধী কোন লেখা সায়েন্টিফিক জার্নালে ছাপানো হয়নি? এটা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে কারণ এদের মাঝে নোবেলজয়ী বিজ্ঞাণীও আছে। আর তারা তো প্রমান ছাড়া কথা বলবেনা। তাদের যদি এত সন্দেহ থাকে তবে তুই এতো সিওর হচ্ছিশ কিভাবে?

    http://www.americanthinker.com/2005/08/the_case_against_darwin.html

    এই লেখাটা পড়িস।

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      একটা পেইপার দেখা কোন পিয়ার রিভিউড জার্নালে।একটা।ক্রিয়েইশনিজম যাদের দাবী কিনা ম্যাজিক ম্যান ডান ইট এই পর্যন্ত দুইটা পেইপার সাবমিট করছে, দুইটারই পিয়ার রিভিউ রিফিউসড্। মাইকেল বিহির যেইসব পেইপার ছাপা হইছে একটা পেইপারে সে ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন বা ক্রিয়েইশনিজম শব্দ দুইটা উচ্চারণ করে নাই বা ইভল্যুশনের বিরোধীতা করে নাই।সে কিছুদিন ডিসকভারি ইনস্টিটিউট যেটা কিনা হাব অফ দা ইন্টেজলজেন্ট ডিজাইন মুভমেন্ট কিন্তু যা ইন্টেজলজেন্ট ডিজাইন ডিফেনড করবে না আন্ডার ওথ্ এ ছিল, পরে ছাইড়া দিছে। এখন সে যেই ইউনিভার্সিটির প্রফেসর সেই ইউনিভার্সিটি ডিসক্লেইমার দিছে যে মাইকেল বিহি ক্লাসরুমে ক্রিয়েইশনিজম পড়ায় না।ডিসকভারি ইনস্টিটিউট যেটা কিনা হাব অফ দা ইন্টেজলজেন্ট ডিজাইন মুভমেন্ট কিন্তু যা ইন্টেজলজেন্ট ডিজাইন ডিফেনড করবে না আন্ডার ওথ্, মামলা করছে স্কুলের পাঠ্যবই এ ক্রিয়েইশনিজম ডোকানোর জন্য, মামলা হারছে। মাইকেল বিহি ছাড়া একটা বায়োলজিস্ট দেখা যে কিনা কোন সময় ক্রিয়েইশনিজমের পক্ষে ছিল। আর নোবেল লরেট বায়োলজিস্ট? নাম কি তার দেখা। ফ্রেড হয়েল কোন বায়োলজিস্ট না, সে অ্যাস্ট্রোফিজিসিস্ট যার স্টেডি স্টেইট ইইউনিভার্স মডেল রিফিউসড হইছে কারণ ইউনিভার্স ইজ ইনফ্যাক্ট এক্সপ্যান্ডিং। ডিসকভারি ইনস্টিটিউট যেটা কিনা হাব অফ দা ইন্টেজলজেন্ট ডিজাইন মুভমেন্ট কিন্তু যা ইন্টেজলজেন্ট ডিজাইন ডিফেনড করবে না আন্ডার ওথ্ যেই তালিকা বানাইছে তার ২% বায়োলজিস্ট বাকীরা বিশিষ্ট নাগরিক লেখক,সাংবাদিক ইত্যাদি। সেই ২% এর ৯২% বলছে যে তাদের ডিসেপ্ট করা হইছে তারা অলরেডি বলছে যে তাদের নাম যেন লিস্ট থেকে তুলে নেয়া হয় যেটা ডিসকভারি ইনস্টিটিউট এখনও করে নাই। ওয়েবসাইট দেইখা ইউরোপের যে কোন ইউনির যে কোন একটা বায়োলজি কোর্স কারিকুলাম দেখা যেখানে ইভল্যুশন নাই। আর পিয়ার রিভিউড পেইপার থাকলে গুগোলে সার্চ দে দ্যাখ পাস কনা বিগত ১৫০ বছরে ইভল্যুশনের বিরুদ্ধে কোন পেইপার।ইভল্যুশন যদি মিথ্যা প্রমানিত করা যাইত তাইলে বিজ্ঞানীরা বইসা থাকত না কেননা ১৫০ বছর ধইরা যেই থিওরি টিকা আছে সেইটা অপ্রমান করার সাথে সাথে নোবেল। আর যা তুই দেখ বায়োলজির যেকোন রান্ডম ১০ টা পেইপার যেইটার অন্তত ৮ টায় ইভল্যুশন শব্দটা নাই পাস কিনা।পাবিনা কারণ ইভল্যুশন ছাড়া বায়োলজি কোন সেন্স মেইক করে না। আর ইনফ্যাক্ট ইভল্যুশন এর বিরুদ্ধে মাইকেল বিহির irreducable complexity(এইইটাও রিফিউটেড)ছাড়া ১টা যুক্তি দেখা যেইটা ১৫০ বছর পুরান না এবং এই ১৫০বছরে ১৫০,০০০ বার রিফিউটে না। যদি পারিস তাইলে তোর কথা মাইনা নিব।

      জবাব দিন
      • দোস্ত এই বিষয় এ আমার জ্ঞান একদম নাই। তাই আমি কিছুই দেখাতে পারবনা।
        সার্চ দিয়া এই ব্যাটারে খুইযা পাইলাম।

        http://www.icr.org/article/4095/

        এরো হ্য়তো কোন উত্তর আছে তোর কাছে। আর এইটা নিয়ে গ্যাজাইতে ইচ্ছা করতেসেনা পারব ও না। এখন জগত এত বেশি পৃথক যে কোন একটা বিষয় ভালভাবে বুঝতে হলে তা নিয়ে রীতিমতো সাধনা করতে হয়। এজন্যই বোধ্ হয় ওই কথাটা আসচে,

        Jack of all deeds, master of none.

        জানি মাস্টার হইতে পারুমনা, কিন্তূ জ্যাকও হইতে ইচ্ছা করেনা। :))

        জবাব দিন
        • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
          সার্চ দিয়া এই ব্যাটারে খুইযা পাইলাম।

          warner arber who is a molecular genetist was sceptic about the darwinian mechanism such as mutation which he was not totally aware of in 1859 and natural selection for evolution. in modern evolutionary synthesis there are quiet a lot more mechanisms other than those.such as genetic drift, gene flow, punctuated equilibrium, convergent evolution and so on and on and on.darwin wasnt aware of these because he happened to be born in 1859 when there was no theory of molecular clock,dna structure,gene,protein and gene expression. mr warner was sceptic that only natural selection as described by darwin could give rise to the bio diversity of the present time, which is in fact true and thats why we see the advent of those new mechanism that came in after the discovery of dna structure. as a genetist its not un-natural for him to think that genetic drift and gene flow is infact important even though not as much as natural selection. and scepticism, the way scientists uses this word is bit of different than the way we use it in out everyday lives. scepticism is necessary for the progression of science, einstein was sceptic about newtonian gravity thats why he managed to discover general relativity which replaced newtonian gravity.in the same manner scepticism over darwinian natural selection gave rise to the modern genetics. warner might be sceptic but do u have any evodence about him refuting that we share a common ancestor and organisms change?no. u have been very badly misguided and misinformed by the website u quoted "institute of creation research"???? !!!!! why dint u just gathered a bit of more information in wikipedia about the site u quoted which is notorious of misquoting real scientist and thus misleading lay-people?

          জানি মাস্টার হইতে পারুমনা, কিন্তূ জ্যাকও হইতে ইচ্ছা করেনা।

          i dont know about bangladesh but in the perspective of europe its demonstrably wronge, thats why we see a university teacher over here having at least two undergrads sometimes even more than one doctorate, and even the bengali people who managed to educate them in the european way like dr awal we saw in college and dr jafar iqbal hv multiple degrees in different fields.they are not master of any of those, they are jacks infact as u said, but u know what? u can never become a master if u dont become a jack at first.

          জবাব দিন
          • " u can never become a master if u dont become a jack at first. "

            this doesnt mean that one has to be jack of all deeds first. Once one become master of one he will definitely be ardent to bridge various subjects to have a birds eye view of the whole universe.

            The problem of dealing with all at once is, no seminal idea can be derived from this process.

            " thats why we see a university teacher over here having at least two undergrads sometimes even more than one doctorate, "
            undergarduation is long four year process to be acquainted with a subject...though its not very fruitful to raise his own voice with confidence, which is rather a long term process.
            As long as I know most of the top world universities (even the Law schools) are in USA. So why are you concerned about only Europe???

            জবাব দিন
            • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
              As long as I know most of the top world universities (even the Law schools) are in USA. So why are you concerned about only Europe???

              i am so concerned about europe because its europe that decides what turn the tide of human civilisation gonna take. since the enlightenment it has been europe and so far there is not really any other conmpetitor. all universities are in america? we dont need to argue about that though. all the great men in the human history most of them are european. some of the great unis are in us because they r the political surepower at the moment.

              জবাব দিন
              • " Its europe that decides what turn the tide of human civilisation gonna take. "

                It decided...as it had top Universities creating Great figures. But try to understand, USA has got only 250yrs and already is has become the most powerful to be touched from any respect.

                Great men?? that depends from which perspective u r defining. Yes Europe had a lot. But think again, Einstein had to leave Europe.

                " some of the great unis are in us "

                SOME??!! its so frivolous even to be argued. Just check out the ranking of top schools and count the number of UK universities as it will need far less time if u count those of US.

                জবাব দিন
  10. @ জুবায়ের ও এহসান ব্যতীত সিসিবি'র বাকি সকলকে:

    আমি বি ফর্মে ছিলাম না বাঁচছি...... এইসব আর্টস পার্টি কি যে করত...... পৃথিবী ধ্বংস হইলেও এদের তর্ক থামবেনা..... এদের তর্কের ক্রসফায়ারে নিহত বি ফর্মের নিরীহ প্রাণগুলোর কথা মনে পড়তিছে..... আগে তর্কের টপিক ছিল ২য় বিশ্বযুদ্ধ এখন হইছে বিবর্তনবাদ...... ~x( ~x( ~x(

    এইবার সিসিবির সকল সদস্য বুঝবে সিসিআরের আর্টস পার্টিগুলা কি জিনিস 😛 😛

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।