ভালোবাসার বন্ধুত্ব-০৪

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩]

১৭।
নীল ঠিক তো করলো মেয়েটাকে খুজে বের করা দরকার। কিন্তু খুজবে কোথায়? শহর তো আর ছোট না। আগে তো জানতে হবে কথায় খুজবে।
প্রথমে ঠিক করলো মেয়েদের কলেজ তো শহরে দুইটাই। ঠিক আছে, ২/১ দিন ওগুলার সামনে দাড়াই। দেখি দেখা যায় কি না।
কিন্তু কাজটা যত সহজ ভেবেছিলো, তত সহজ আসলে না। হাজার হাজার মেয়ে। কয়জনের দিকে চোখ রাখবে। আর ইউনিফর্ম পরা অবস্তায় সবাইকেই এক রকম লাগে।
নাহ, এইভাবে হবে না। আচ্ছা , এক কাজ করি। মেয়েটিকে প্রথম দেখেছিলাম জিলা স্কুলের মোড়ে। নিশ্চ্য় সেখানে কোনো স্যারের বাসা থেকে বের হয়েছিলো।ওখানেই মনে হয় পাওয়া যাবে।
পরবর্তী কয়েকদিন নীলের রুটিন হলো ডেইলী সেই টাইম এ গিয়ে ওই মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকে যেখানে প্রথম দেখেছিলো।
তেমনি একদিন দাঁড়িয়ে আছে, হঠাত পেছন থেকে শুনে কে যেনো ডাকছে।
“আরে নীল ভাই, আপনি এখানে?”
“আরে অনীতা, তুমি এখানে কি করো?”
“আমি তো এখানে স্যারের বাসায় ডেইলী পড়তে আসি। কিন্তু আপনি এখানে কি করছেন? কারো জন্য অপেক্ষা করছেন?”
“আরে না, ইয়ে মানে হ্যা, আমার এক ফ্রেন্ড আসার কথা।”
“গার্লফ্রেন্ড?”
“আরে না।”
“গার্লফ্রেন্ড না হলে চলেন আইস ক্রীম খাই”
“ঠিক আছে চলো।”
আইস ক্রীম খেতে খেতে হঠাত অনীতার প্রশ্নঃ”আচ্ছা, আপনার গার্ল ফ্রেন্ড নাই?”
“নাহ”
“কেনো নাই?”
“আরে এটা কোনো প্রশ্ন হলো, কেনো নাই? এটা তো আর জোর করে হবার জিনিষ না। এম্নিতেই হয়”
“তা আপনার কেমন মেয়ে পছন্দ?”
“জানি না। আসলে আমি এটা কখনো চিন্তা করি নাই। ”
“চিন্তা করে আমাকে জানাবেন।”
“তুমি জেনে কি করবা?”
“কাজ আছে। পরে বলবো”।
“ঠিক আছে, চলো বাসার দিকে যাওয়া যাক”।
১৮।
“কিরে তোর কি কথা ছিলো? ছুটিতে এসে আমাকে হেল্প করবি? কিন্তু তোকে তো আজকাল পাওয়াই যাচ্ছেনা। গোপনে প্রেম শুরু করলি নাকি?” হাসান বেশ বিরক্ত হয়ে বললো।
নীলঃ নারে একটা কাজে একটু ব্যস্ত ছিলাম। শূন, তোর রাজকন্যা কোথাও কোচিং করে?
হাসানঃ হ্যা, করে ।
নীলঃ ঠিক আছে, কালকে ওইখানে যাবো। তারপর তুই সরাস্ রি কথা বলবি।
হাসানঃ কি বলবো?
নীলঃ বলবি ওর বিয়েতে তোকে দাওয়াত দিতে। শালা, তুই যে ওকে পছন্দ করিস সেই কথা বলবি।
হাসানঃ যদি সীন ক্রিয়েট করে?
নীলঃ থাক, আমি শুধু শুধু সময় নষ্ট করতেছি। তোকে দিয়ে এইসব হবে না।
হাসানঃ আরে রাগ করিস কেন? আরে আমি তো ওকে দেখলেই নার্ভাস হয়ে যাই।
নীলঃ তাহলে বিয়ের পর কি করবি?
হাসানঃ সেটা তোকে বলে দিতে হবে না।
নীলঃ চল, সোহেলের বাসায় যাই।দেখি উনি কি করতেছে।
১৯।
পরদিন হাসান, নীল, সোহেম গেলো সেই মেয়ের কোচিং এ। দাড়িয়ে আছে অনেক খন ধরে।
নীলঃ কিরে কখন আসবে?
হাসানঃ কি জানি ডেইলি তো এই সময় আসে।
নীলঃ কই তাহলে।
হাসানঃ দাড়া আসবে।
নীলঃ আর কত খন? ওদের ব্যাচের নাম্বার বা নাম জানোস?
হাসানঃ হ্যা জানি।
নীলঃ তাহলে যা, ভেতর থেকে জেনে আয়।
হাসান ভিতরে যেতেই সোহেল বল্লো “হাসানের কাহিনি কিন্তু আসলেই খারাপ, ওর পড়াশোনা কিচ্ছু হচ্ছে না।”
নীলঃ হুম। তোর কি মনে হয়, এই মেয়ে রাজি হবে?
সোহেলঃ দোস্ত, কঠিন হবে। এই মেয়ে কে শহরের অনেকে অফার করছে। সবাইকে মানা করছে।
নীলঃ কারন কি? ওর কি কারো সাথে কিছু আছে?
সোহেলঃ এখন পর্যন্ত কারো সাথে দেখা যায়নাই।
নীলঃ তাহলে প্রব্লেম কি?
সোহেলঃ কি জানি।
এই টাইমে হাসান ফিরে এলো। নারে আজকে ওদের ক্লাস টা ক্যান্সেল করা হইছে।
নীলঃ ধুর, এতোটা সময় নষ্ট।ঠিক আছে তোরা যা আমি ঘণ্টাখানেক পরে আসতেছি।
হাসানঃ কই যাস?
নীলঃ আছে, একটা কাজ। যা তোরা।
নীলের কাজ তো এখন এক্টাই। সেই মোড়ে গিয়ে দাড়ানো।কিন্তু আজকে মোড়ে যেতেই দেখে অনীতা দাঁড়িয়ে আছে।
অনীতাঃ কি আজকেও এখানে?
নীলঃ আরে না। এদিক দিয়ে যাচ্ছিলাম এক ফ্রেন্ডের বাসায়।
অনীতাঃ ওকে, আপনাকে একটা কথা বলার জন্য এখানে দারিয়েছিলাম। মনে হচ্ছিলো আপনি আসবেন।
নীল; বাহ, তুমি দেখি ট্যালিপ্যাথিও জানো।
অনীতাঃ জানি অনেক কিছুই। আস্তে আস্তে টের পাবেন। বিকাল এ আপনার একটু সময় হবে?
নীলঃ কেনো বলো তো?
অনীতাঃ একটু বই মেলাতে যাবো। আমার দুই টা বই কিনতে হবে । একা যেতে পারবো না। চিন্তা করবেন না। বেশি টাইম নষ্ট করবো না।
নীলঃ উমম, ঠিক আছে। ঠিক ৪ টায় আমি তোমাদের বাসার সামনে থাকবো।
অনীতাঃ ঠিক আছে। গেলাম।

২০।
নীল বেশ বুঝতে পারছে বই কিনা ছিলো একটা বাহানা। কারন মেলায় এসেছে প্রায় দুই ঘন্টা। অনীতা একটি বইও কিনে নাই। খালি ঘুরছে। ওর ও ভালই লাগছে ঘুরতে। আচ্ছা, সে কি অনীতাকে পছন্দ করতে শুরু করেছে? কি জানি। কিন্তু সেই মেয়েটার চেহারাটা ভুলতে পারে না কেনো?
অনীতাঃ চলেন তো ওইদিকে। ফুচকা খাবো।
নীলঃ হ্যা, তোমাদের তো আবার যেকোনো জায়গায় ফুচকা না খেলে চলেই না।
অনীতাঃ জি, চলেন এইবার।
ফুচকার দোকানে ঢুকতে গিয়ে একটা মেয়ের সাথে প্রায় ধাক্কা খেলো নীল।সরি সরি। আমি আসলে ইচ্ছা করে করিনি।
“ইটস ওকে।”। মেয়েটি ওকে প্রায় না দেখে এই কথা বলে বের হয়ে গেলো।
কিন্তু, নীল তো দেখে কি করবে বুঝতে পারতেছে না। সে মেয়েটি। কতো জায়গায় খুজলো কিন্তু এইভাবে দেখা হবে ভাবে নাই।
কয়েক মূহুর্ত নীল কি করবে বুঝতে পারতেছিলো না।
হঠাত সম্বিত ফিরে ফেলো।
“অনীতা, একটু বসো। আমি আসছি।“
অণিতাঃ কই যান?
নীলঃ এক ফ্রেন্ড কে দেখলাম। একটা কথা বলে আসি।
অনীতাঃ তাড়াতাড়ি আসবেন। একা একা ফুচকা খেতে আমার ভালো লাগে না।
নীল ওর কথা শেষ হবার আগেই মেয়েটির পেছনে ছুটলো।
(চলবে…)

৪,৮২৯ বার দেখা হয়েছে

৫৭ টি মন্তব্য : “ভালোবাসার বন্ধুত্ব-০৪”

  1. আরিফ (১৯৯৪-২০০০)

    দোস্ত, সিরিজটা কঠিন জমায়ে দিছস।
    তোর জিপি'র কলিগ (***ফ্রেন্ড) গুলা কেমন আসে?? পোলাপান তোর নামে অনেক "কল্পনাপ্রসুত গুজব" ছড়াইতো, যদিও আমি একদম বিশ্বাস করতামনা.........

    জবাব দিন
    • মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

      গতদিন সারা রাত জাগার কারণে অফিসে এসে খারাপ লাগছিলো। তাই বাসায়//cadetcollegeblog.com/wp-includes/images/smilies/1.gif এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ভাবছি পলিটিক্স করে দুবাই অফিসে ট্রান্সফার হবার চেষ্টা শুরু করব। তাহলে দেশের নিশাচরদের সাথে কথা বলেও আরামে ঘুমানো যাবে।

      খুবই ভালো লাগছে।
      আগ্রহি হয়ে আছি অনীতা কি করে দেখার জন্য। 🙂 🙂 🙂 🙂 🙂

      জবাব দিন
                • মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

                  প্রথমে হাসান। এখনো আমরা হাসান যে মেয়েটাকে পছন্দ করে তার নাম জানতে পারিনি। ধরে নিচ্ছি নীল জানে, কিন্তু কোনো কারনে তুমি এখনো বলছো না। এই জন্য ধরে নেয়া যায় হাসানের পছন্দের মেয়েটা অনীলা নয়। অবশ্য যদি হাসানও না জানে তাহলে আলাদা কথা, তবে সে ক্ষেত্রে সে হবে আমার দেখা সেরা বেকুব্দের মধ্যে একজন। কারন আমার অভিজ্ঞতা যা বলে, কাউকে পছন্দ হলে সে অবশ্যই তার বেসিক কিছু খোজ খবর নেবে, আর সে কম পক্ষে ৪ মাস ধরে মেয়েটাকে পছন্দ করে আসছে, মেয়েটা কোথায় পরে কোথায় কোচিং করে, সব সে জানে। আর সব চেয়ে বড় কথা, নীল এখনো মেয়েটাকে দেখেনি। সুতরাং, হাসান অনীলার প্রেমে পরেনি।

                  আমি খেয়াল করলাম, তুমি গল্পের টাইমলাইন পরিস্কার করনি। আরো একটা ব্যাপার, নীল বা ওর বন্ধুরা মোবাইল ব্যবহার করছে না। তাই আমি ধরে নিচ্ছি, তোমরা যখন ক্লাস ১১-১২ এর দিকে ছিলে, সে সময়ের কাহিনী। সেক্ষেত্রে জাতির মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, এটা কি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা?? জাতি জানতে চায়, নীলের জায়গাতে তুমি ছিলে, নাকি তোমার কোনো বন্ধু ছিলো ??

                  টিন এজ জীবনের কথা যতদূর মনে পরে, আমি নীলের জায়গাতে থাকলে অনীলাকে নিয়ে অবশ্যই, ফ্যান্টাসি না হোক, আরো চিন্তা থাকত। কারন, গোটা একটা টার্ম ও আমাকে চিঠি দিয়েছে (তুমি অনীলার চিঠির বক্তব্যও জানাওনি, ব্যাড!!!!!)। ওই বয়েসে এটা একটা বিশাল ব্যাপার। বিশেষ করে গত পর্বে অনীলা আর নীল (হুমমমম, দুজনের নামেও বেশ মিল আছে), বাসাতে একাকি ছিলো। এবং অনীলা নীলের ঠিকানা নিয়েছে। এই ঘটনা অবশ্যই একজন টিন এজার কে প্রভাবিত করে। যাই হোক, আমি আমাকে দিয়ে বিচার করছি। সে জন্যই হয়তো ওর মতন লাকি না। 🙁 🙁
                  যা হোক, নীলকে আরেকটু ভালো করে জানতে পারলে ভালো হয়। আই মিন, ওর চিন্তাধারাটা।
                  আর, জাতির প্রশ্নদুটোর উত্তর, সরাসরি নাহলেও, গল্পে দিয়ো।

                  জবাব দিন
                  • রবিন (৯৪-০০/ককক)

                    প্রথমেই :boss: :boss: কঠিন লিখছেন। এখন দেখি আপনার (জাতির?) প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি। আগেই বলে নেই, এই গল্পটা আমি অনেকটা উপস্তিত লিখতেছি। প্রতিদিন রাতে বসি তারপর কীবোর্ড টা হাতে নিয়ে যা মাথায় আসি লিখে যাই। এখন এতো বড় লেখা লিখতে পারি তার আরেকটা কারন আমার নতুন কী বোর্ড। এই ফোল্ডিং কী বোর্ডে লিখে বড়ই আরাম।তাই আমার উত্তর গুলা দিচ্ছি এখন পর্যন্ত কাহিনি এর উপর নির্ভর করে।

                    এখনো আমরা হাসান যে মেয়েটাকে পছন্দ করে তার নাম জানতে পারিনি। ধরে নিচ্ছি নীল জানে, কিন্তু কোনো কারনে তুমি এখনো বলছো না।

                    না ভাইয়া নীল জানে না। তবে কেনো সেটা মনে হয় পরে বুঝা যাবে।হাসান অবশ্যই জানে।আর হ্যা হাসান অনীতার প্রেমে পড়ে নাই।

                    আমি খেয়াল করলাম, তুমি গল্পের টাইমলাইন পরিস্কার করনি। আরো একটা ব্যাপার, নীল বা ওর বন্ধুরা মোবাইল ব্যবহার করছে না। তাই আমি ধরে নিচ্ছি, তোমরা যখন ক্লাস ১১-১২ এর দিকে ছিলে, সে সময়ের কাহিনী। সেক্ষেত্রে জাতির মনে প্রশ্ন আসতেই পারে, এটা কি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা?? জাতি জানতে চায়, নীলের জায়গাতে তুমি ছিলে, নাকি তোমার কোনো বন্ধু ছিলো ??

                    আসলে ভাইয়া গল্পটা আমি লিখার সময় চিন্তা করি আমাদের সেই বয়সের অনূভুতি গুলার কথা। তাহলে লিখে আরাম পাই। নাহলে ফিলিংস গুলা ঠিক মতো আসে না (আমার মনে হয়)। তাই লেখার পটভুমি আমাদের সেই সময় এমন কি সেই ছোট শহরের কথা চিন্তা করি। তাই খেয়াম করবেন ওদের আচরন ও কিন্তু মফস্বলের কিছুটা। ঢাকার ছেলেরা মনে হয় না ওইভাবে সাইকেল ব্যবহার করে। জানি না ভুল হতে পারে। কিন্তু আমাদের সেই সময়ে আমাদের সবারই সাইকেল ছিলো এবং আমরা সবাই একসাথে নিয়ে বের হতাম।
                    আর ঘটনা আমার বা আমার কোনো বন্ধুর কিনা? এটা মনে হয় এখন যেটাই বলি কাহিনি এর উপর প্রভাব ফেলবে। ধরেন, আমি যদি বলি এটা আমার বা আমার বন্ধুর কাহিনি, তাহলে সবাই কিন্তু এখন সেই মুড নিয়ে পড়ছে, সেই মুড চেঞ্জ হয়ে যাবে, আবার যদি বলি না এখন বলা যাবে না গল্পের শেষে বলব, তাহলে তো জাতি মনে করবে এটা আমার বা আমার বন্ধুর কাহিনি ~x(

                    (তুমি অনীলার চিঠির বক্তব্যও জানাওনি, ব্যাড!!!!!)।

                    এখানেও আমি একটা জায়গা রেখেছি অন্য কিছু করার জন্য কাহিনি তে। মানে দরকার হলে করবো আর কি।
                    ওরে আমি কতো বাংলা লিখতে পারি রে। দুই মাস আগেও পারতাম না। ইস, আমিও কিন্তু টেনশন এ আছি আসলে কাহিনি কি হবে।
                    আবারো :boss: এতো সুন্দর করে বিশ্লেষন করার জন্য। যেটা আমার মতো লেখক কে খুব ই হেল্প করে।

                    জবাব দিন
  2. সামি হক (৯০-৯৬)

    এতো পুরা প্যাকেজ নাটক হয়ে যাচ্ছে। ভাই আর কতো টানবা এইবার নীলের সাথে কথা বলায়ে দাও প্লাস ওই সময়ে আবার ভিলেনের মতো কাউকে হাজির করো না।

    শুভ কামনা।

    জবাব দিন
  3. মাঝখানে কিছু দিন পড়া হয় নাই, এক্কেবারে ৬ পর্যন্ত পৈড়া ফেলবো এখন। কাহিনীতে সাসপেন্স আসতেছে মনে হচ্চে। আর অনীতা তো পুরা হাবুডুবু খাচ্ছে, ব্যাটা নীল সেটা ফেলে আগাচ্ছে কোন অচেনা মেয়ের দিকে, জিসকি নাম তক মালুম নেহি... কিজানি কি হয়... যাই পরের পর্ব পড়ে আসি।

    রবিন ভাই, বড় হৈতে মুন চায়, তাইলে কত :just: ফ্রেন্ড থাক্তো :dreamy:

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।