মায়ের সাথে ঈদ শেষে বিষণ্ণ মনে ঘরে ফেরার কড়চা… (২)

বাস ছাড়ার পর থেকেই মনে মনে ভয়ে ছিলাম কখন না যেন কোন বড় যটে আটকা পড়ে যাই। আমি দূরপাল্লার বাসে যাতায়াতের সময় সাধারণতঃ সামনের দু’সারির মধ্যেই বসি এবং প্রথমেই একবার বাস চালকের আকৃতি প্রকৃতি নিরীক্ষণ করে নেই। তার বেশভূষা, মেজাজ মর্জি এবং সহকারীদের সাথে কথোপকথন মনযোগের সাথে খেয়াল করি। সবকিছু ইতিবাচক মনে হলে আমি বেশ রিল্যাক্স করে জার্নি করতে পারি,

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (উপাধ্যক্ষ)

দীর্ঘ বিরতির পর আবার কিবোর্ড হাতে নিয়ে বসলাম। খাওয়া-দাওয়া, ঘুমের মত সবচেয়ে জরুরী কাজগুলো আমাকে এতোটাই ব্যস্ত রেখেছে যে সময় করে উঠা যাচ্ছে না। সবার যেমন সময় নির্দিষ্ট, আমারও সময় নির্দিষ্ট। যে চিন্তা থেকে লেখাটা শুরু করেছিলাম তা বোধহয় সময় করে শেষ হবে না। তবুও দেখা যাক, কতদূর যাওয়া যায়। কি জানি একটা ইংরেজি প্রবাদ আছে না, ওই যে পথিক… অনেক দূর… দুত্তোরি, লেখা শুরু করি,

বিস্তারিত»

কালান্তর

কালান্তর

বানরের লাঠি ঝুলতে দেখে
নেইনি যে গাছকে গণনায়
সে না কি সোনালু ফুল!

অফিস টাইম বলে চিনেছি
যে নরম ঘাসপাতা
সে না কি অভিজাত পর্তুলিকা!

গালগল্প করার বৈঠকখানা
এখন না কি ড্রইংরুম
যদিও আঁকার নেই রেওয়াজ!

অনায়াস ভাব প্রকাশে
ব্যবহার করি যে শব্দমালা
তারা না কি গালিগালাজ!

© টিটো মোস্তাফিজ

৩১ জুলাই ২০২১

বিস্তারিত»

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

টিন এজার খুব বেজার
না দিলে খেলতে গেম
শুকিয়ে তোমার আমসত্ত্ব
বাঁধিয়ে রাখে পারলে ফ্রেম

রইবে তায় অপেক্ষায়
জমবে কখন মৌতাতে
বন্ধু নামের গড্ডালিকার
গেমার সবে এক সাথে

ক্লাসের নামে অনলাইনে
ট্যাব খোলা তার গোটা কয়
চ্যাটিং পড়ার বকলমে
হেডফোনে কান ঢাকা রয়

ঘরে বন্দী ভবিষ্যত
ক্লাশ রুমে মাকড়সার জাল
মুখোস গুলো প্রকাশ্য আজ
প্রলম্বিত শঙ্কা কাল।

বিস্তারিত»

জাতিসংঘের ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রধান’ ড. নজরুল ইসলাম কে যেমন দেখেছিঃ একজন সহপাঠীর দৃষ্টিতে

এটি মূলতঃ একটি স্মৃতিচারণমূলক লেখা। ড. নজরুল ইসলাম বর্তমানে জাতিসংঘে সিনিয়র ইকনমিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। অতি সম্প্রতি জাতিসংঘ তাকে ‘উন্নয়ন গবেষণা প্রধান’ (চীফ অভ ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ) হিসেবে নিয়োগ দান করেছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের একটি বিষয়। আমি স্কুল-কলেজ জীবনে তার সহপাঠী ছিলাম। তাকে খুব ঘনিষ্ঠভাবে চিনি। অর্ধ শতাব্দীরও কিছু বেশি সময় আগের স্মৃতির ঝুলি হাতড়িয়ে এসব কথা আজ মনে হলো। নজরুলের সাম্প্রতিক সাফল্যে আমি এতটাই অভিভূত হয়েছি যে আমার মনের ভেতর থেকে তাগিদ অনুভব করেছি,

বিস্তারিত»

মায়ের সাথে ঈদ শেষে বিষণ্ণ মনে ঘরে ফেরার কড়চা… (১)


বিষণ্ণ পথ, বিষণ্ণ পথিক…. (আলস্যভরে আসন থেকে না উঠে পথের ছবি তুলতে গিয়ে এদের মাথাগুলো এড়ানো গেল না!)

এবারের ঈদুল আযহা কাটালাম ছোটভাই উৎপলের বাসায়, রংপুরে। আমাকে কাছে পেয়ে ওরা সবাই উৎফুল্ল ছিল, আমিও ছিলাম। গিয়েছিলাম মূলতঃ অসুস্থ মা’কে কয়েকদিনের জন্য দেখে আসতে, ঈদুল আযহা’র পাঁচ সপ্তাহ আগে, স্ত্রী-পুত্রকে ঢাকায় রেখে। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর আম্মার সাথে থেকে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিল,

বিস্তারিত»

শহরের এক পৌনঃপুনিক দিন

মধ্য আগস্ট-শ্রাবণ শেষের দিনে, শহর জুড়ে সুতীব্র শোকের ছায়ার মাঝে, তৃতীয় বারের মতো উদাসীন-অসাবধানতায় হারিয়ে যায় ফোন। যেহেতু, জীবন নিয়ে আর কোন নীল-নকশা নেই, যা কিছু যায় (ব্যক্তি কিংবা যন্ত্র) তার জন্য কোথাও কোন ক্রন্দন থাকে না। তবুও জিডি করতে যাই হাতিরঝিল থানায়। দেখি, কর্তব্যরত অফিসার রঙ্গ-রসে ব্যস্ত হয়তো শ্যালিকা, বন্ধু, আত্মীয় কিংবা পরিচিতার সঙ্গে। ভাষায় বুঝি একই ডেমোগ্রাফিতে আমাদের বেড়ে ওঠা। আলাপ হয়। খাতির যত্ন করেন (অবশ্য যেটুকু পেলেই তাকে খাতিরের মত মনে হয়)।

বিস্তারিত»

দিনলিপির খসড়াঃ বিক্ষিপ্ত চিন্তামালা

আপডেটঃ শুক্রবার, ১৩ আগস্ট ২০২১

কপিরাইটঃ আহমদ মাহবুব-উল-আলম

খসড়া হিসেবেই এই লেখাঃ বিভিন্ন সময়ের আমার একান্ত কিছু চিন্তা।

পরিবার ও কর্মজীবনঃ Being something is important; not that all the time we need to be the best or extraordinary, but being nothing actually gives nothing. The moral is, being moderate keeps life stable, unless for someone to be really and rarely out of the box.

বিস্তারিত»

ভিন্নচোখে ভিন্নতার মাত্রাজ্ঞান

লেখাটা ১৩ জুলাই ২০২১ তারিখে লিখেছিলাম, কিন্তু টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে ব্লগে পোস্ট হচ্ছিল না।

হালের আলোচিত মাস্টারশেফ অনুষ্ঠান ও তাতে বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা কিশওয়ার সম্পর্কে শুধু ফেসবুকেই পড়ে গেলাম। এত আলোচনা হচ্ছে একবার অন্ততঃ সময় বের করে দেখা উচিত বলেই মনে হলো। কারন এখানে আমাদের ঐতিহ্যের রিপ্রেজেন্টেশন নিয়ে কথা হচ্ছে। এবং আজই প্রথম তার ছোট্ট একটা ভিডিও ক্লিপ দেখলাম, সম্ভবত ফাইনাল ডিশের।

বিস্তারিত»

আমার কলেজের শিক্ষকেরা (অধ্যক্ষ)

আমার শিক্ষক ভাগ্য ছোটবেলা থেকেই ভালো। বরাবরই আমি গুরুজন শিক্ষকদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এ অধ্যায়ে আমি আমার কলেজে পাওয়া শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ/স্মরণ করবো। আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র পেশাগত শিক্ষক নয়, অন্য যারা আমাকে কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে আমার স্মৃতির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এ লেখা লিখছি। কারণ উনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

বিস্তারিত»

কয়েকটি কবিতা


ক্রমশ কেমন একা হয়ে যায় জীবন। মনে হয়, কোথাও যেন নিস্তার নেই আর। একাকীত্ব জোনাকির মতো জ্বলে, নেভে, বুকের ভেতর কামড়ে ধরে। মুখের ওপর মুখোশ চাপিয়ে অনুভূতিহীন এক অবয়ব নিয়ে হাঁটি শহরের রাস্তায়। চারদিকে টের পাই এক ভীত সন্তস্ত্র জনপদ। কেউ কারো নয়। আম খেতে ইচ্ছে হয়। কিনি, কাটি, খাই, দাড়িতে মাখাই। ট্যাপ ছাড়ি, হাত ধুই৷ এ ঘর থেকে ও ঘরে যাই। জিমেইল খুলি,

বিস্তারিত»

সিঁড়ি

সিঁড়ি

আমরা সিঁড়ি তৈরী করি
উন্নয়নের কথা ভেবে
তাদের কিছু জড়
আর কিছু জীবিত।

জীবিত সিঁড়িদের কিছু
সুবিধা দিতে সদা প্রস্তুত
তাদেরি উপর দিয়ে
আমরা উঠে যাই উপরে
এ ভাবে যদি পেয়ে যাই
সৌভাগ্যের লিফট
অবহেলা আর উপেক্ষার
অন্ধকার আবর্জনায়
পড়ে থাকে সেই সিঁড়ি!

কখনো পিছু ফিরে দেখিনা
কিন্তু দুর্যোগ দুর্বিপাকে
ইমার্জেন্সি এক্সিটে
অকৃতজ্ঞের মত
বেরিয়ে আসি
তাদের বুক মাড়িয়ে!

বিস্তারিত»

কুক্কুরুক্ক মিথ্যুক

Rooster LIE

Rooster LIE
Come Closer to me,
Come nearer to me,
So that I can make you fly.

কুক্কুরুক্ক মিথ্যুক

কুক্কুরুক্ক মিথ্যুক-
আমার কাছে আসো,
আমার নিকটে আসো,
যাতে তোমায় মুক্তি দিতে পারি।।

বিস্তারিত»

স্বাভাবিক সৌজন্যের বৈপরীত্য

অনুকূল ভাবনাঃ

আমাদের জীবনের কিছু অদৃশ্য ছাতার কথা ভেবে গত ০৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে একটা কবিতা লিখেছিলাম। সেটা একটি ইংরেজী কবিতার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল। গতকাল একজন আমেরিকান গল্পলেখক আমাকে জানালেন যে তিনি একটি গল্প লিখছেন, সে গল্পের জন্য তিনি একটি ‘ছাতা’ বিষয়ক কবিতা খুঁজছিলেন। সার্চে তিনি আমার ‘An Invisible Umbrella’ শীর্ষক কবিতাটির সন্ধান পেয়েছেন, যেটা তার গল্পের সাথে সম্পূর্ণ সাযুজ্যপূর্ণ (তার ভাষায়, ‘it fits perfectly into my story’)।

বিস্তারিত»

লক্ষন বিত্তান্ত

ভাল্লাগে না মনের দশা
তেতো আমি ঝগড়াটে
ঘেন্না করি নিজের পা
ঘেন্না করি নিজ হাতে
আনচান করে না মন
জমিন কোথায় মনোহর
ভয় জাগায় পৌনঃপুনিক
আলো আনা নিত্য ভোর

রাতের ঘুম ঘেন্না লাগে
বিগাড় লাগে সরল লোক
শোনাও কেন তোমরা সবে
খ্যাত ফালতু ভদ্র জোক
লিখতে কিছু ভাল্লাগে না
শান্তি না পাই আঁকতে
ভূড়িয়াল চতুর্দিকে
পারি নাকো সইতে

হতাশ আমি বুকটা খালি
হলাম বুঝি গ্রেফতার
অসুস্থ নই,

বিস্তারিত»