আমার কলেজের শিক্ষকেরা

আমার শিক্ষক ভাগ্য ছোটবেলা থেকেই ভালো। বরাবরই আমি গুরুজন শিক্ষকদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এ অধ্যায়ে আমি আমার কলেজে পাওয়া শিক্ষকদের স্মৃতিচারণ/স্মরণ করবো। আমি আমার শিক্ষকদের কাছে কৃতজ্ঞ। শুধুমাত্র পেশাগত শিক্ষক নয়, অন্য যারা আমাকে কাজের মাধ্যমে, কথার মাধ্যমে, আচরণের মাধ্যমে আমার স্মৃতির মণিকোঠায় জায়গা করে নিয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা থেকেই এ লেখা লিখছি। কারণ উনাদের ঋণ আমি শোধ করতে পারবো না।

বিস্তারিত»

কয়েকটি কবিতা


ক্রমশ কেমন একা হয়ে যায় জীবন। মনে হয়, কোথাও যেন নিস্তার নেই আর। একাকীত্ব জোনাকির মতো জ্বলে, নেভে, বুকের ভেতর কামড়ে ধরে। মুখের ওপর মুখোশ চাপিয়ে অনুভূতিহীন এক অবয়ব নিয়ে হাঁটি শহরের রাস্তায়। চারদিকে টের পাই এক ভীত সন্তস্ত্র জনপদ। কেউ কারো নয়। আম খেতে ইচ্ছে হয়। কিনি, কাটি, খাই, দাড়িতে মাখাই। ট্যাপ ছাড়ি, হাত ধুই৷ এ ঘর থেকে ও ঘরে যাই। জিমেইল খুলি,

বিস্তারিত»

সিঁড়ি

সিঁড়ি

আমরা সিঁড়ি তৈরী করি
উন্নয়নের কথা ভেবে
তাদের কিছু জড়
আর কিছু জীবিত।

জীবিত সিঁড়িদের কিছু
সুবিধা দিতে সদা প্রস্তুত
তাদেরি উপর দিয়ে
আমরা উঠে যাই উপরে
এ ভাবে যদি পেয়ে যাই
সৌভাগ্যের লিফট
অবহেলা আর উপেক্ষার
অন্ধকার আবর্জনায়
পড়ে থাকে সেই সিঁড়ি!

কখনো পিছু ফিরে দেখিনা
কিন্তু দুর্যোগ দুর্বিপাকে
ইমার্জেন্সি এক্সিটে
অকৃতজ্ঞের মত
বেরিয়ে আসি
তাদের বুক মাড়িয়ে!

বিস্তারিত»

কুক্কুরুক্ক মিথ্যুক

Rooster LIE

Rooster LIE
Come Closer to me,
Come nearer to me,
So that I can make you fly.

কুক্কুরুক্ক মিথ্যুক

কুক্কুরুক্ক মিথ্যুক-
আমার কাছে আসো,
আমার নিকটে আসো,
যাতে তোমায় মুক্তি দিতে পারি।।

বিস্তারিত»

স্বাভাবিক সৌজন্যের বৈপরীত্য

অনুকূল ভাবনাঃ

আমাদের জীবনের কিছু অদৃশ্য ছাতার কথা ভেবে গত ০৯ মার্চ ২০১৯ তারিখে একটা কবিতা লিখেছিলাম। সেটা একটি ইংরেজী কবিতার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছিল। গতকাল একজন আমেরিকান গল্পলেখক আমাকে জানালেন যে তিনি একটি গল্প লিখছেন, সে গল্পের জন্য তিনি একটি ‘ছাতা’ বিষয়ক কবিতা খুঁজছিলেন। সার্চে তিনি আমার ‘An Invisible Umbrella’ শীর্ষক কবিতাটির সন্ধান পেয়েছেন, যেটা তার গল্পের সাথে সম্পূর্ণ সাযুজ্যপূর্ণ (তার ভাষায়, ‘it fits perfectly into my story’)।

বিস্তারিত»

লক্ষন বিত্তান্ত

ভাল্লাগে না মনের দশা
তেতো আমি ঝগড়াটে
ঘেন্না করি নিজের পা
ঘেন্না করি নিজ হাতে
আনচান করে না মন
জমিন কোথায় মনোহর
ভয় জাগায় পৌনঃপুনিক
আলো আনা নিত্য ভোর

রাতের ঘুম ঘেন্না লাগে
বিগাড় লাগে সরল লোক
শোনাও কেন তোমরা সবে
খ্যাত ফালতু ভদ্র জোক
লিখতে কিছু ভাল্লাগে না
শান্তি না পাই আঁকতে
ভূড়িয়াল চতুর্দিকে
পারি নাকো সইতে

হতাশ আমি বুকটা খালি
হলাম বুঝি গ্রেফতার
অসুস্থ নই,

বিস্তারিত»

সমব্যথী

যারা কারো কথা ভেবে নীরবে এখানে ওখানে
দু’এক ফোঁটা অশ্রু ফেলে গোপনে গোপনে,
আবার চকিতে চোখ মুছে মুখে ম্লান হাসি হাসে,
আমি তাদের ব্যথার ভাষাটা বুঝি।

যে নারী রসুইঘরে পঞ্চব্যঞ্জন রাঁধতে রাঁধতে
প্রবাসী সন্তান কিংবা অন্য কারো কথা ভেবে,
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে আবার রান্নায় মনোযোগী হন,
আমি তার দীর্ঘশ্বাসের কারণটার কথা জানি।

যে কিশোরী রাফ খাতায় অঙ্ক কষতে কষতে
হঠাৎ একটি মুখ এঁকে ফেলে,

বিস্তারিত»

নির্মেদ আকাশ

১.
হাসান চিৎ হয়ে শুয়ে আকাশ দেখছে। আজিমপুরের ঝকঝকে নীল এক টুকরো আকাশ। এক কোণায় অল্প কয়েকটা সবুজ পাতা, কী গাছ ঠিক চেনা যাচ্ছে না। তার প্রয়োজনও অবশ্য নেই। ঢাকা শহরে একমাত্র এই জায়গার গাছগুলোর পাতাই সবুজ। আর সব জায়গায় গাছের পাতায় ধুলোর স্তর আছে। পাতা নিয়ে অবশ্য কিছু যায় আসে না। আপাতত আকাশ পরিষ্কার, এতটুকুই স্বস্তি। পিঠের নিচে মাটি কিছুটা স্যাঁতসেতে লাগছে। বুড়ো আসগরকে এজন্য টাকা কম দেয়া লাগবে আজ।

বিস্তারিত»

প্রচন্ড শরৎ

একেবারে গোবেচারা ছেলেটা
একেবারে হতশ্রী-
করুণা যতটা আশা সামাজিকভাবে প্রয়োজন,
ততটাও আসবেনা আপনার!

তবে, ওর চোখ দেখলে…
একদম দুরন্ত মহাসাগরের মত
সহস্র একাদশীর চাঁদেও
চাঁদের বুকে পৌছুতে না পারার বেদনার মত চোখ
আর অল্প, আর অল্প একটু আকর্ষণেই
যে সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে
উন্মাতাল ক্রোধে গ্রহত্যাগ করবে…

অমন দুরন্ত চোখের ছেলেদের
বেছে বুঝে আকর্ষণে জড়াতে হয়,

বিস্তারিত»

সোশ্যাল লোফিং

দ্যা আর্ট অফ থিংকিং ক্লিয়ারলি- ১

একবার এক রাজা সিদ্ধান্ত নিলো সে দুধের পুকুর বানাবে। সব প্রজাদের ইনস্ট্রাকশন দেওয়া হলো সবাই পরদিন সকালে এক কলসি দুধ নিয়ে পুকুরে ঢালবে। রাতে সবাই ভাবলো ” আমি যদি এক কলসি পানি দেই তাতে কোন সমস্যা হবে না, যেহেতু সবাই দুধ নিয়ে যাবে” ফলাফলঃ দুধের বদলে পানির পুকুর হয়ে গেলো।

একটি ট্রাক থেকে একজন মানুষ ১০০টি ইট নামাতে যদি ১০ মিনিট সময় লাগে তাহলে ৮ জন মানুষ ৮০০ ইট নামাতে কতো সময় লাগবে?

বিস্তারিত»

ইসমে আযম

ব্রহ্মাণ্ডের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে
একটি নাম, বিশ্বব্যাপী উচ্চারিত,
আকাশ বাতাস সে নামে মুখরিত।
শুরুতে সে নাম, শেষে সে নাম,
প্রকাশ্যে সে নাম, গোপনে সে নাম,
কর্ণকুহরে সে নাম, অক্ষিতারায় সে নাম,
যে নামটি দিয়ে হৃদস্পন্দন শুরু,
সে নামটি দিয়েই হৃদস্পন্দন শেষ!

সে নামটি স্মরণ করি প্রত্যুষে দিনান্তে।
নিশীথে ডাক দিয়ে যায় সে নাম একান্তে।

বিস্তারিত»

নীলপাখি

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
পালানর উড়ুউড়ু ভাব তার
বানচাল করে দেই বারবার
বলি তাকে এখানেই থাক সোনা
কাউকে তোকে দেখতে দিবো না।

অলিন্দের খাঁচায় আমার
বাস করে নীলপাখি এক
বের হয়ে যেতে চায় বারবার
আমি তার গায়ে হুইস্কি ঢালি
আর সিগারেটের ধোঁয়া মাখাই
আর গণিকা, বারটেন্ডার কিংবা
মুদি দোকানের হিসাব সহকারী
জানতেও পায় না সে এখানে আছে।

বিস্তারিত»

তখন এই ভালো….

তুমি একটা কিছু বললেই,
আমি চুম্বকের মত আকর্ষিত হই,
অভিভূত হই, আলোড়িত হই।
তোমার অদেখা মুখটা খুঁজতে থাকি,
চোখ দুটো খুঁজি, চোখের তারা খুঁজি।
আমার কান দুটো অতন্দ্র প্রহরীর মত
জেগে থাকে, বৃষ্টির শব্দ শোনার মত
তোমার সুরেলা কন্ঠ শোনার জন্য।

কিন্তু এসব কোন কিছুই যখন হবার নয়,
এ দু’চোখ তোমাকে
খুঁজে পাবে না,

বিস্তারিত»

কয়েকটি সাম্প্রতিক কবিতা

কেন ভালোবাসি,কেন নিভে যাই,
কেন ফিরে আসি,শুধু ক্ষতি বাড়াই।

তুমি তো জানো, কেন এ ক্রন্দন,
তুমি তো জানো প্রেম কেন হয়ে যায় ক্লিশে।
আমাদের অনুযোগ
প্রাত্যহিক মিলনে যায় মিশে।

আর যা মেশে না, আর যা অমিল হয়ে রয়,
কিছু তা তোমার মতো,
সত্য কিন্তু অবধারিত নয়।


আত্মবিনাশের পথ পেলে অবশেষে,
ক্ষতি নেই,

বিস্তারিত»

সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবে না…

ব্লগিং তো দূরের কথা, সিসিবিতে যোগ দেয়ার আগে আমি বাংলা টাইপই করতে পারতাম না। সেই আমি আজ বই প্রকাশ করার সাহস দেখাতে পারছি! ভাবা যায়! এর কৃতিত্ব পুরোটাই সিসিবি এবং সিসিবির সকল সদস্যের। আপনাদের অনুপ্রেরণা, প্রশ্রয় এবং ভালবাসা ছাড়া এটি কখনোই সম্ভব হত না। সিসিবি’র এই ঋণ কোনদিন শোধ হবার নয়।

—-

হে সিসিবিবাসী,

আমার উপন্যাস- ‘বলের বদলে গ্রেনেড’

বিস্তারিত»