চারিদিক আলো করে ধীরে ধীরে সূর্য উঠছে, ভোর হওয়ার সময়টা রাধেয়র ভীষণ পছন্দের । আজও প্রাচীন বটগাছটার নীচে বসে সূর্যোদয় দেখছিল সে । কি বিপুল বিক্রমে রাতের অন্ধকারকে দূরে হঠিয়ে সূর্যের আগমন ! প্রতিদিন দেখে তবু মুগ্ধতা কাটেনা । খুব আপন মনে হয়, মনে হয় সূর্যের মতো সেও যদি সব অন্ধকারকে জয় করতে পারত । এসব আবোল-তাবোল ভাবছে আর তার প্রিয় ধনুকটাতে হাত বুলাচ্ছে রাধেয় ।
বিস্তারিত»নতুন রূপে সিসিবি !
সিসিবির থিম পালটে গেছে। দীর্ঘদিন একই রকম সিসিবি দেখতে দেখতে যাতে ক্লান্তি চলে না আসে সেজন্যে নিয়মিত মেক-আপ, গেট-আপ পাল্টানোর কথা বলছিলেন অনেকে। সিসিবিও পরিবর্তনে বিশ্বাসী। তাই ঢেলে সাজানো হলো পুরো সিসিবি। নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর জন্যে সিসিবির ডেভেলপমেন্ট টিমকে সবার পক্ষ থেকে লাল গোলাপের শুভেচ্ছা।
নতুন রূপে দেখতে কেমন লাগছে, মন্তব্যে জানাতে ভুলবেন না। কোন উপদেশ, সমালোচনা থাকলে তাও জানাবেন নির্দ্বিধায়।
আর দেরি কেন !
বিস্তারিত»মীথবাজিঃ সিসিফাস ১
[কামরুল তপু (‘০২) ও রায়হান আবীর (‘০৫) এর দেখাদেখি আমিও! 😀 ]
=====================================
থানাটোসের ঘুম ভেঙেছে সেই ভোরে। সকালে দাঁত মাজতে মাজতে সে দেয়ালে সেঁটে রাখা লিস্টি দেখছিল। মুখ ভর্তি ফেনা থু করে ফেলে দিয়ে কুলি করতে করতে সে শিডিউল মিলিয়ে নেয়। সকালে কয়েকজনের আত্মা তুলে রাখতে হবে। এটা তেমন কোন ব্যাপার না, সকালে সবাই গভীর ঘুমে ডুবে থাকে। খুব সহজেই কাজ সারা যায়।
ফ্ল্যাশব্যাক ০৩
১। আমার ফ্রেণ্ড মাহবুবের ওয়াইফের নাম হাসি। হাসির মামাত ভাই রাজ়ীব মাহবুবকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে ওর এক চাচার সাথে-
চাচা, এইটা হইল হাসির ভাতাড় ।
জামাইকে অনেক জায়গায় ভাতাড় বলা হয়। সম্ভবত ভাতের জোগান দেয়ার পুরস্কার সরূপ এই নাম।
২। আমার মামীর ব্লাড ক্যান্সার। গত মাসে উনি ছিলেন কাকরাইলে ইসলামি ব্যাংক সেন্ট্রাল হাস্পাতালে। ব্লাড দরকার ছিল তাই আমার এক কলিগকে (কৃতজ্ঞতা মাছুম ভাইকে) নিয়ে গেলাম।
বিস্তারিত»সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা: মঞ্জুরের হত্যাকান্ডসহ কিছু অজানা তথ্য ও আমাদের সুশীল সমাজ।
অভ্যুত্থান ঘটে গেছে। নিহত প্রেসিডেন্ট জিয়া। লাশ তখনো পড়ে আছে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে।
মেজর রেজা সকালে ঘুম থেকে উঠে জানলেন সব। প্রথমে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পড়ে থাকা লাশ সরিয়ে নেওয়ার। অন্য কাজ চাইলে দেওয়া হয় চট্টগ্রামের জিওসি মেজর জেনারেল মঞ্জুরের দেহররি দায়িত্ব। শেষ সময় পর্যন্ত এই কাজটি করেছেন।
মেজর রেজা শুরু থেকে পুরোটা বলেছেন প্রমান্য চিত্রটিতে। এটাই তার প্রথম সাক্ষাৎকার। জিয়া হত্যা থেকে শুরু করে দায়ী হিসেবে চিহ্নিত সেনা কর্মকর্তাদের ফাঁসি পর্যন্ত ঘটনা নিয়ে অসংখ্য গল্প চালু আছে।
আমি আরেকটি কবিতা বলবো, আমার কবিতার নাম-
নূপুর ভাইকে খুঁজছিলাম মনে মনে।
সুকান্ত অনেক অনেক আগে গলা ফুলিয়ে বলে গেছিলেন, কবিতা তোমায় দিলেম আজকে ছুটি।
আমার উল্টোটাই হয়, সারাদিন গদ্য নিয়ে থাকি, মাঝে সাঝে তাই গদ্যকে বিশ্রামে পাঠিয়ে কবিতা নিয়ে পড়ি। এই যেমন এখন আবুলহাসানের ভুতে ধরেছে, এবং তারপরে সেই ভুত, সেই পুরনো দিনের তিনগোয়েন্দার ভুত থেকে ভুতে স্টাইলে আরও অনেকগুলো ভুতকে ডেকে আনলো। সেই ভুতেদের নাম যথাক্রমে হেলাল হাফিজ,
রম্য গল্প: বচনামৃত
ডিসক্লেইমার: ঘটনা খুবই খারাপ। আবার একটা গল্প লিখছি। শুধু তাই না, ব্লগে দেওয়ারও সাহস করতাছি। আবারও বলি এইটা কাল্পনিক গল্প।
আজমল হায়দার কথা বলতে ভালবাসেন। ২৭ বছর চাকরি করেছেন। সচিব ছিলেন তিনটি মন্ত্রণালয়ের। তখন কথা শোনার অনেক মানুষ ছিল। আজমল হায়দার কথা বলতেন আর বাকিরা শুনতেন।
কলেজে শিক্ষকতা দিয়ে জীবন শুরু করেছিলেন। ঘড়ি ধরে টানা ৪০ মিনিট কথা বলতে হতো। ক্লান্ত হতেন না আজমল হায়দার।
বিস্তারিত»সাইকি
যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (১)
সিকোয়েন্স- প্রথম দেখা ।
দৃশ্যপটঃ ১
ওপেনিং শট – লং শটে ব্যস্ত রাস্তায় গাড়ীর জ্যাম।
জুম ইন-সারি সারি গাড়ীর ছাদ ছুঁয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল পোস্টে এসে ফ্রেম স্থির হবে।
সাথে সাথেই লাল বাতি হলুদ হয়ে সবুজ হবে।
সেটঃ আউটডোর-মগবাজার আড়ং।
লিংকঃ প্রতীক্ষা
মেইন গেট এর সামনে দাঁড়ানো ছিল আকাশ।
সাদা একটা ফতুয়া আর নীল রং এর জীন্সএ
ও’র পুরা ক্যাজুয়াল লুক।
কৈশোরে চেপে ধরে সুনীল গাঙ্গুলী
(কিছু একটা লেখার জন্য অফুরন্ত সময় হাতের কাছে। হাতের কাছেই লেখা প্রস্তুত করার জন্যে সবকিছু আছে- কী বোর্ড, বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার- মনিটরে নোডপ্যাড।
কিন্তু ‘কিছু একটা’ নেই।
লেখার জন্য বোধহয় সেই ‘কিছু একটা’ প্রয়োজন। তবুও মাঝেমধ্যে দু:সাহস থেকে লিখে ফেলি। আরো মাঝমধ্যে একটা দুইটা লেখায় তৃপ্তি পাই। ভরপেটে বেনসন সিগারেট না হলেও- অন্তত একটা স্টার সিগারেট খাওয়ার তৃপ্তি।
বিরিয়ানি হজম করার পর স্টার সিগারেট টাইপ -কয়েকদিনের পুরনো- সুনীল- নীরা- লেখাটা তাই সিসিবিত দেয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।
একজন স্বপ্নবাজ মানুষের দুইটি স্বপ্ন…
স্বপ্নবাজ মানুষ মাত্রই স্বপ্ন দেখতে আর দেখাতে পারে। আমি স্বপ্নবাজ কিনা জানি না, আমি শুধু স্বপ্নই দেখে যাই, কাউকে কোন স্বপ্ন দেখাতে পারি না। তবুও মাঝে মাঝে নিজেকে স্বপ্নবাজ বলেই মনে হয়। আমি জেগে জেগে… ঘুমের মাঝে সব সময়ই স্বপ্ন দেখি।
একবার স্বপ্ন দেখি- আমি শৈশব এ ফিরে গেছি আবার দেখি আমি মৃত্যু শয্যায়। কিছু স্বপ্ন নষ্টালজিয়ার ভিন্ন রূপ কিনা সেটাও বুঝতে পারি না।
বিস্তারিত»স্মৃতির ঝাঁপি : মুক্তিযুদ্ধোত্তর অস্থিরতা
প্রথম পর্ব
দ্বিতীয় পর্ব
তিন.
স্রোতে স্মৃতির ভেলা ভাসিয়েছি। লগি-বৈঠা কিছু নেই। তাই বাতাস আর স্রোতের টানে কোথা থেকে কোথায় যে যাই, নিজেও জানি না। সময়টা মনে রেখে ঘটনাগুলোকে শুধু সুতোয় গাঁথছি যেন! লিখতে বসেছিলাম ঢাকায় আমার-আমাদের পরিবারের বাড়িগুলোকে নিয়ে। এখন তার সঙ্গে চলে আসছে সমসাময়িক রাজনীতি, ব্যক্তিগত স্মৃতি, ঘটনাক্রম, আশেপাশের মানুষ কত্তো কি! এটা কি আত্মজীবনী? তা তো নয়।
গ্রীক মিথোলজি ০০১ – ( ইকো ও নারসিসাস )
[ডিসক্লেমারঃ পড়ালেখা দরকার আমার বহুত কিন্তু পড়তে বসলে খালি নেট নিয়ে ঘাটাঘাটি করি। আজ চ্যাটিং করার সময় গ্রীক মিথোলজির কথা বলছিলাম বিষয়টা এসেছিল নারসিসাস এর থেকে এর পর ভাবলাম এটা নিয়ে সিসিবিতে লেখা দেই। মিথোলজির গল্প আমার অনেক পছন্দের। কেউ যদি এই ধারাবাহিকতায় লেখতে থাকেন তাহলে বড়ই ভাল লাগত। আর আমার ভুল গুলো ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে। বেশিরভাগ কাহিনীই স্মৃতির উপর ভর করে লেখছি মাঝে মাঝে অবশ্য গুগলিং করেছি আমার আবার গুগলিং করতে একেবারেই ভাল লাগে না।
বিস্তারিত»ফ্ল্যাশব্যাক ০২
১। আমরা ক্লাস নাইনে (১৯৯৫ সাল) হাইকিং এ গিয়েছিলাম। ৩ দিনের আমাদের ফাইনাল ডেস্টিনেশন ছিল ফেনীর ছাগলনাইয়া থানা। প্রথমদিন আমাদের স্টপেজ ছিল সীতাকুন্ড থানায়। আমরা কলেজ থেকে সকালে রেললাইন ধারে হাটতে থাকি।১১ টার দিকে হালকা নাস্তা দেয়া হয় রেললাইনের পাশেই। আমাদের সাথে ছিলেন এডজুটেন্ট মেজর রেজা (আরসিসি এক্স ক্যাডেট) স্যার। বিরতির সময় বললেন আজ রাতে তোমরা যে যা পার পারফর্ম করবা।
আমরা বললাম কি কি হবে স্যার?
ফুটপাত
মেয়ে তোমার মাথার ঠিক ওপরে
ভেসে আছে এক খণ্ড মেঘ;
রোদ্দুরে বিচলিত হওয়া কি
তোমাকে মানায়?
প্রতিদিন বৃষ্টিহীন আমি
ভেতরে ভেতরে
কী ভীষণ তৃষ্ণা পুষে রেখে
তোমার সংগে নিপুণ হাসি,