সিসিবিতে শেষ কবে লেখা দিয়েছিলাম ঠিক জানিনা। আমার দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে সবাই বলতে বলতে এখন অনেকে বলা ছেড়েই দিয়েছে। কি কারণে কিংবা কোন পরিস্থিতিতে আমি লিখিনি, তা বলার মত তেমন কোন সদুত্তর আমার কাছে নেই। আশা করি কেউ আবার এটাকে সিসিবি’র প্রতি আমার রাগ বা অভিমান ধরে নেবেননা। সিসিবি’তে আমি না লিখলেও এমন কোন একটি দিন যায়নি যেদিন আমি সিসিবিতে আসিনি, বা লেখা পড়িনি। শুধু ব্যতিক্রম ছিল,
বিস্তারিত»লারা …
১ …
সেদিন ক্যাফের সামনে বসে বসে আড্ডা পিটাচ্ছি। কথায় কথায় একজন বললো, আমি ইদানিং খুব বই টই পড়তেছি, তারপর কেমন যেন বদলে টদলেও যাচ্ছি, মুখ দিয়ে খ্রাপ কথা বের হয় না তেমন একটা। আমি মিটিমিটি হাসি। সবগুলো সত্য না হলেও প্রথমটা মোটামুটি সত্যি।
কলেজে অনেক বই পড়েছি, কারণ বিনোদনের একমাত্র উৎস ছিল বই। প্রেপে গল্পের বই, একাডেমি টাইমে গল্পের বই,
বিস্তারিত»কিছু কথা…
আজকে ব্লগে এসে নানা জনের প্রিয় পোস্ট পড়ছিলাম। তার মধ্যে এক ছোট ভাইয়ের পোস্ট পড়ে মনটা খুবই খারাপ লাগছে। পোস্টটা হলো শারীরিক অসুস্থতা এবং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারদের অবহেলার…নিজে একজন ডাক্তার বলেই খুব মন খারাপ লাগলো। মনে হচ্ছে এর কিছুটা দায়ভার যেনো আমারও।
যদিও সব ডাক্তার সমান না আর আমাদের দেশেও অনেক ভালো ডাক্তার আছেন যাদের আমি অনেক অনেক শ্রদ্ধা করি, কিন্তু তার পরেও কিছু কথা আমি না বলে পারছিনা।
বিস্তারিত»সিসিবিতে কি চাই
কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও সিরিয়াস কথা বলার জন্য এই পোষ্ট। গত কিছুদিন যাবত কিছু কথা ভাবছি। আর সিসিবিতেও আকারে ইঙ্গিতে কিছু কথা উড়ে বেড়াচ্ছে। সেটা হলো সিসিবির গুণগত মান নিয়ে। আমারো মনে হচ্ছে দেখতে দেখতে যেহেতু আমরা কিছুটা পু্রোনো হয়ে উঠছি, ঠিক তেমনি আমাদের লেখা গুলোতেও একটু পরিপক্কতার ছাপ আসা উচিত। এখন কথা হলো আমার নিজের পোষ্টেরই মান ভালো না। আমি সিসিবির যতটা লেখক তার চেয়েও অনেক বড় পাঠক।
বিস্তারিত»সৃজনাকে ভালোবাসি (নারী বিষয়ক আজাইরা পোস্ট)
*** ইহা একটি নারী বিষয়ক পোস্ট। তবে আমি সাক্ষ্য দিতেসি যে, নিঃসন্দেহে ইহা সুস্থ ধারায় রচিত।
শিরোনামে একজন নারীর নাম ঝুলানোতে পোস্টটা অনেকের কাছে অনেক ভাবে মনে হতে পারে। আমি বরং খুশবন্ত সিং এর কোম্পানি অফ উইম্যানের আদলে কিছু বলার চেষ্টা করি। আমার পড়ালেখা কিন্ডার গার্টেন ছাড়িয়ে হাইস্কুলে পা দেয়ার আগেই আমি আইডিয়ালে চলে যাই। হুজুরভাবাপন্ন স্কুলে এসে স্বভাবতই নারী আমার কাছে নিষিদ্ধ বস্তু হিসাবে ঘোষিত হয়ে যায় তখন থেকেই।
বিস্তারিত»মিসিং ইউ সিসিবি… ; লং লাইভ সিসিবি… (সাময়িক পোষ্ট)
অনেকদিন ধরে সিসিবিকে খুব মিস করছি। কারনটা পুরনো সবাই জানেন নিশ্চয়ই। আমি এমন এক জায়গাতে থাকি যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্কই নাই, আর নেট তো দূরের কথা…। তবে আগামী মাসের মধ্যেই আমার ওখানে নেটওয়ার্ক চালু হবার কথা। তখন মোবাইলেই নেট নিয়ে নিব।
ছুটিতে আসলাম অল্প কয়দিনের জন্য। আজ অনেকদিন পরে সিসিবিতে লিখতে গিয়ে কেমন যেন লাগছে। নতুন অনেককে দেখতে পাচ্ছি। সদস্য সংখ্যাটাও অনেক বেড়েছে। আগে ছিল ৭০০ এর ঘরে,
বিস্তারিত»অভিশপ্ত ২৮ শে জুন – জীবনের ডায়েরীতে একটি চিরস্থায়ী ক্ষত
বিঃদ্রঃ এখানে কোন অভিযোগ নেই, কেউ ভুল বুঝবেন না, নিতান্তই কারিগরি ত্রুটির কারনে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কাউকে দোষারোপ করা হয় নি , বা কারও প্রতি ক্ষোভও নেই। শুধু আপনাদের সাথে শেয়ার করে মনটাকে একটু হালকা করা। আর এখানে যেহেতু ক্যাডেট কলেজের অনেকেই ছিল তাই আপনাদের দোয়া চাওয়া……ব্যাস, আর কিছু না।
——————————————————————————————————-
সেই কবে যে সেভিং প্রাইভেট রায়ান মুভিটা দেখেছিলাম খেয়াল নেই। ছবিটার একটা দৃশ্য মাথায় গেঁথে গিয়েছিল,
বিস্তারিত»মুভি: হিচককের রহস্য জগতে স্বাগতম

বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাস লিখতে হলে স্যার আলফ্রেড জোসেফ হিচককের নামটি চলে আসবে সবার আগে। খুব বেশি পুরস্কার তার ভাগ্যে জোটেনি, সমালোচকরাও শুরুতে তার প্রতি সদয় ছিলেন না। কিন্তু হিচকক এখন সবারই প্রিয় একজন পরিচালক।
রহস্য তাঁর তৈরি চলচ্চিত্রগুলোর মূল সুর। বলা যায় রহস্য সিনেমা জগতের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিচালক তিনি। বহু পরিচালক এখনো তাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন। রোমান পোলানস্কির মতো পরিচালকও ফ্রান্টিক নামের একটি চলচ্চিত্র তৈরি করে হিচকককে অনুসরণের চেষ্টা করেছিলেন।
বাদলা দিনে মনে পড়ে, ছেলেবেলার গান
ঢাকার আকাশে তুমুল, বৃষ্টি। গতকালকে যে prelude শুরু হইসিলো আজকে তা পুরাই Concert এ রূপ নিছে। সারাটা দুপুর মেঘলা করার পর ধুমায়া বৃষ্টি হইতেসে। বারান্দার ফাঁক দিয়া কফির কাপ হাতে বৃষ্টি দেখি, সাথে এক মিনিট করে নিজের আয়ূ কমাই।
বৃষ্টি দেইখা একটা গানের কথা খুব মনে পড়তেসে, ভাবলাম সিসিবিতে শেয়ার করি।
১৯৯৮ সাল এ রিলিজ হওয়া খুব ভূয়া ধরণের একটা ছবি ‘দাহেক’।
||সিরিজবন্দী জীবনঃ হাউস, বিগব্যাং এবং স্মলভীল||
কোন এক ছুটির দিনে এক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত। খাওয়া দাওয়া এবং আড্ডার পরপর যেটা হয়, ডিভিডি কালেকশন নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছে। বন্ধুটির বড়ভাই বেশ উদার এবং কালেক্টিভ মানুষ। আমরা একটা ঢাউস ব্যাগ খুলে থরে থরে সাজিয়ে রাখা ডিভিডি দেখছি। কোনটা দেখা হয়ে গেছে আর কোনটা দেখা লাগবে সেটাও হিসাব করছি। এমন সময় পরপর অনেকগুলো ডিভিডি দেখলাম একই। একজন কে জানি বললো, এটা একটা সিরিজ। আমি আগ্রহের বশে বললাম,
বিস্তারিত»সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট@মাইক্রোসফট – ১
ডিসক্লেইমারঃ প্রযুক্তিগত বিষয়ে বাংলায় লেখাটা খুব মুশকিলের কাজ। কারন খুব কম প্রযুক্তি বিষয়ক শব্দেরই বাংলা প্রতিশব্দ আছে। আবার অনেক বাংলা প্রতিশব্দ আছে যা শুনতে এবং অর্থগতভাবে বেশ হাস্যকর। সুতরাং সেই দিকে যাবার আমার খুব একটা ইচ্ছে বা ক্ষমতা নেই। সুতরাং এই রচনায় প্রচুর ইংরেজি শব্দ থাকার সম্ভাবনা আছে(রোমান অথবা বাংলা হরফে)। আগেই ক্ষমাপ্রার্থি।

মাইক্রোসফট নামটা ইদানীং ইভিল এম্পায়ার এর সমার্থক হিসেবেই বেশি পরিচিত।
বিস্তারিত»ছবি ব্লগ
পারসনাল আউটিং।। আলমাস দিনার
আমাদের ব্যাচ যখন পানি সমস্যার জন্য কলেজে একা ছিলাম তখন বস্তুত ডিসিপ্লীন বলে কিছু ছিলনা । আমরা ইচ্ছামত কলেজের বাইরে যেতাম । শুধু খেয়াল রাখতে হত ডাইনিং হলে কাঊণ্ট করে কিনা । পিটি প্যারেড না থাকায় প্যারেড স্টেটমেণ্টের কোন ঝামেলা ছিলনা । আমি আমার আগের আর্টিকেলে ঊল্লেখ করেছি আমাদের প্রিন্সিপাল ছিলেন মহামান্য বশীরুদ্দীন ভাইয়া । আমাদের কলেজে কোন বাঊণ্ডারী দেয়াল ছিলনা । আমাদের পিছনে সমহিমায় দাড়িয়ে আছে পাহাড় যার গায়ে লেখা আছে ‘কথা নয় কাজ’।এটি আমাদের কলেজ মটো ।
বিস্তারিত»অসমাপ্ত কবিতা
প্রতিটি গল্প, কবিতা কিম্বা উপন্যাসের পিছনে কিছু ঘটনা থাকে। দৈনন্দিন জীবনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভালোলাগা-মন্দলাগাগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে অক্ষরের সুন্দর বিন্যাসে। এই কবিতাটি লিখেছিলাম ২০০৬ সালে, ভার্সিটিতে ১ম বর্ষ ১ম সেমিস্টার পড়াকালীন সময়ে। আমার খুব ক্লোজ এক বন্ধুর হৃদয়ের আর্তিকে অক্ষরের মাধ্যমে জীবন দিতে চেয়েছিলাম। তার ফলশ্রুতিতে এই কবিতার সৃষ্টি। সেই বন্ধুর কাছে ক্ষমা প্রার্থণাপূর্বক কবিতাটি এখানে উপস্থাপন করছি। কবিতাটি “বিশ্ববিদ্যালয় বার্ষিকী, ২০০৮” এ প্রকাশিত হয়।
বিস্তারিত»এসএসবিঃ সর্ষেয় ভূত!!! শেষ পর্ব
৭।
-‘স্যার, নিজাম বলছি।’
-‘বল নিজাম।’
-‘স্যার, লোকটার পিছু নিয়ে আমরা মিরপুর ২ এসেছি। প্রায় মিনিট বিশেক হল সে এক বাড়িতে ঢুকেছে। আশপাশের লোকজনের কাছ থেকে জানতে পারলাম ওটায় এক পরিবার থাকে। অনেক দিন ধরেই নাকি ওরা এখানে আছে।’
-‘তোমরা কতজন ওখানে আছ?’
-‘স্যার, এই মুহুর্তে তিনজন। অবশ্য অফিস থেকে আরো দুইজনকে আসতে বলেছি,