এসএসবিঃ সর্ষেয় ভূত!!! পর্ব-২

প্রথম পর্ব

৪।

জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। অনেকক্ষণ ধরে বসে আছে জামশেদ আলম এবং নাদিয়া ইসলাম। তাদেরকে বলা হয়েছে, কোন এক উচ্চপদস্থঃ কর্মকর্তা তাদের সাথে দেখা করবে। ওরা দুইজনেই যখন ‘আর কতক্ষণ লাগবে’ ভাবছে, এমন সময় দরজায় দেখা দিল কায়সার চৌধুরি।
-‘দুঃখিত, আপনাদেরকে বসিয়ে রাখার জন্য। আমি স্পেশাল এজেন্ট কায়সার চৌধুরি, এসএসবি।’
-‘আপনাকে দেখে খুব খুশি হয়েছি বলতে পারছি না।

বিস্তারিত»

দীর্ঘবিরতি-মার্জনামূলক পোস্টঃ কবিতা

[ডিস্ক্লেইমারঃ এই একটা জিনিশই আমি ভাল পারি! 😉 ]
silhouettes-3
দ্বিচরণ

তোমাকে আমার ভাল লাগে
এই নির্দোষ বাক্যে কারো রাগ বা ক্ষোভ
হওয়ার কথা নয়, যদিও আমার সামনে বসে
তুমি ক্ষেপে ওঠো, ভীষণ সুন্দরভাবে
আমি দ্বিধায় পরিমাপ করি
রাগের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা, মাত্রাসমূহ

বিস্তারিত»

আচার ০২০: পরবাসীর রোজনামচা

১।
মানুষ ভাবে এক, হয় আরেক। এস এস সি-র আগে অথবা ক্যাডেট কলেজে ইনটেক পরীক্ষার সময় এই বাক্যের ট্রান্সলেশান শিখছিলাম। Man proposes, God disposes. গত কয়েকমাস ধইরা আমার সাথে গড এই কামই করতাছে খালি। আমি প্রোপোজ করি, তিনি ডিসপোজ করেন। যা করতে চাই তার কোনকিছুই ঠিকমত হয় না। থিসিস শেষ করার ডেডলাইন মিস করতে করতে এখন ডেডলাইন সেট করাই বাদ দিছি। দাঁত খিচাঁইয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যের রোগীর মত মুখ কইরা পইড়া থাকুম ঠিক করছি,

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট বেলা -৭ (ক্যান্ডিডেটস টাইম)

প্রথম পর্ব থেকে

কি তামাশা! মহান দয়াল আল্লাহ তাআলায় কৃপায়
আরেকটা ক্লাস রইয়াছে ক্লাস টেন-ইলেভেন চিপায়! 😮
উপ্রে যে তার ক্লাস ইলেভেন, ক্লাস টেন ও ঠিক নিচে‍
এই ক্লাসেতেই ইনভিজিবল পুচ্ছ গজায় পিছে! ;;;
দাগেই শেখা, দাগেই মজা – এই কথাখান ভুলে
শিখবো – আশায় এপুলেটের সবগুলা দাগ তুলে
মনটা থাকার চুক্তি ছিল পুস্তকে আর খাতায়
তা’

বিস্তারিত»

ভার্টিগোর ভালো মন্দ

ভার্টিগো আমার পিছু ছাড়তাছে না। সেই কবে হিচককের ভার্টিগো মুভি দেইখা মহামুগ্ধ হইছিলাম। কিন্তু ভার্টিগো অসুখটার প্রতি ঠিক মুগ্ধ হইতে পারতাছি না। যারা ভার্টিগো নামের রোগের নাম কখনো শোনেন নাই, তাদের জন্য আমি এক হাজার ওয়েব সাইটের ঠিকানা দিতে পারি। তারা এই ঠিকানায় যাইয়া একজন ভার্টিগো বিশেষজ্ঞ হইতে পারবেন। আর যাদের ওতো সময় নাই তাদের জন্য বললে বলতে হয় ভার্টিগো আর প্রেগনেন্সি সিমটমের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নাই।

বিস্তারিত»

পোল-ভোল্ট রেকর্ড টা কি ভেংগেছে?

আজ থেকে ১৩-১৪ বছর আগের কথা!! ৯৬ সাল!! ঝিনাইদাহ ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলাম -ইন্টার ক্যাডেট কলেজ এথলেটিক্স মিটে। ক্লাস টেন-এ পড়ি তখন। ভীষণ উত্তেজনা, ভীষণ আনন্দ!! আজো স্মৃতিতে অম্লান।

সবাই জানি কলেজে এথলেটিক্স প্রতিযোগীতার সময় “পোল-ভোল্ট” আইটেম টা নিয়া কেমন ক্যারিক্যাচার হয়!নরমালি এই আইটেমটাতে কেউ ইন্টারেস্টেড হইত না। তখন বছরের শেষের দিক। ইন্টার হাউস ফাইনাল চ্যাম্পিয়নশীপ নির্ভর করছে এই একটা মাত্র আইটেমের উপর। এথলেটিক্স।

বিস্তারিত»

লাইফ বিগিংন্স @ থার্টি ফাইভ

(সংবিধিবদ্ধ সর্তকীকরনঃ ১। এটা পুরুষ জাতির পোষ্ট। নারী জাতি নিজেদের সংগে মিলাতে পারেন, তবে নিজ দায়িত্বে।
২। যারা “কোয়ালিটি পোষ্ট চাই” বলে অনবরত টেবিল চাপড়াচ্ছেন, তাদের পোষ্টে ঢুকতে নিরুৎসাহিত করছি 😀 )

১।
আমি তখন ঢাকায়, গুলশানে-১ নম্বরে অফিস, বনানীতে বোনের বাসায় থাকি, গায়ে মোটামুটি টাইপের হাওয়া লাগিয়ে ঘুরি। আর বনানী গুলশান মানেই তো, মাশ-আল্লাহ, পুরাই সেই রকম জায়গা।

বিস্তারিত»

এসএসবিঃ সর্ষেয় ভূত!!! পর্ব-১

১।
রাত আটটা। বারিধারা ডিওএইচএস এর চার নম্বর রোড থেকে সাদা রঙের টয়োটা প্রিমিও গাড়ি নিয়ে বের হ্ল শামীম আহম্মেদ। কম্পিউটার প্রকৌশলী এই লোকটির বয়স ২৯, অবিবাহিত। বুয়েট থেকে প্রথমে গ্রাজুয়েশন করে পরবর্তীতে আমেরিকা থেকে ডেটাবেইজ তৈরির উপর উচ্চতর ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে ‘ডিভাইন ডট কম’-এ কর্মরত। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশী হলেও বিদেশী ক্লায়েন্টদের জন্যও সফটওয়্যার তৈরি করে থাকে। প্রতিদিনের মতন শামীম এখন অফিস থেকে বের হল।

বিস্তারিত»

কষ্ট

কষ্টরা বারেবারে আমার বুকে আঘাত পেয়ে যায়;
কষ্টরা আমাকে ভালবাসে তাই
আমাকে ছেড়ে যেতে তাদের কষ্ট হয়।
আমিও কষ্টকে ভালবাসি তাই কষ্টকে আমি কষ্ট দেই;
কেন না কষ্টরা আমাকে কষ্ট দেয়,
কষ্টের বদলে তাদেরকে সুখ কি করে আমি দেই!
আমি কষ্টকে ভালবাসি তাই কষ্টকে পেতে চাই,
কষ্ট আমার বুকে আছে তাই সুখকে ঘৃণা করে যাই।

বিস্তারিত»

অবশেষে তাহাকে পাইলাম, জনমের মতো পাইলাম……

:guitar: :guitar: :guitar:

অবশেষে তাহাকে পাইলাম! জনমের মতো আপন করিয়া পাইলাম!! আহ্ কি আনন্দ আকাশে-বাতাসে…………..

কিন্তু কাহাকে আমি পাইলাম! কাহার জন্য আমার এতো অপেক্ষা-প্রতীক্ষা? সে কি রক্তমাংসের মানুষ? সে কি নারী? আরো একজন?

অসম্ভব। একজনকে তো পাইয়াছিলাম ২৪ বছর আগে। আজি হইতে আর একটি দিন পরেই!! প্রায় দুই যুগ পার করিয়া আরো একজন নারীর প্রেমে মাতোয়ারা হওয়ার অবস্থা আমার নাই।

বিস্তারিত»

এনকাউন্টার কেন হৃদয়ে ?


দৃশ্যপটঃ ১ – মাস্তির জলসা ।

ওপেনিং শট – শব্দ করে বিয়ারের ছিপি খোলা হবে।
ঝাঁকুনী খাওয়া বিয়ারের ফেনা বোতলের শরীর বেয়ে গড়গড়িয়ে নেমে আসবে।
ফেনার দিকে তাক করে জুম ইন করে ব্ল্যাক আউট।
জুম আউট- নিঝুম রাতে জংগলের মাঝে ক্যাম্পফায়ার জ্বলছে দাউদাউ করে।
(সেটঃ আউটডোর- গুন্ডাদের আস্তানায় মাস্তির জলসা মঞ্চ। )

ক্যাম্পফায়ার ঘিরে আয়েশী স্টাইলে বসে আছে অঞ্চলের কুখ্যাত গুন্ডারা।

বিস্তারিত»

কবিতা: আগাম বর্ষায় পোকার সাথে বসবাস……..

মশা মারতে গালে চড় দেয়ার আগেই
সাঁই করে হাত চলে আসে পিঠের ‘পরে।
থপাস শব্দ এক, কোন কিছুর স্থাণচ্যূত হবার আওয়াজ
কানে বাজে—সরসর…ফড়ফড়। ঘাড় বাঁকিয়ে
দেখে ফেলার আগেই চঞ্চল হাতটি ধরে আনে সেটা
দামী কিছু নয়—নেহাত ছোট একটা পোকা!!!

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রলাপ ০১১

১।
আজ রুমে ফিরেছি হাসপাতাল থেকে। সোমবারে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম তার দুদিন আগেই রুম থেকে বের হয়ে সাকেব ভাইদের বাসায় ছিলাম। ওনাদের ওখান থেকে হাসপাতালে গেলাম। একদিন পরেই অপারেশন ছিল রাতের বেলায় ঘুম আসল না। অপারেশনের চিন্তায় নয় অবশ্য জেনারেল বেডে ছিলাম সেখানে দুজন মনের সুখে নাক ডাকার কম্পিটিশন দিয়ে গেল আমাকে রেফারি বানিয়ে।

বিস্তারিত»

স্মৃতির ঝাঁপি : নরক ছেড়ে পালালাম

প্রথম পর্ব
দুই.
বাবার একটা পদোন্নতি হলো। মুক্তিযুদ্ধের আগেই আমরা বাসা বদল করে কলোনীর আইডিয়াল স্কুল অঞ্চলে চলে গেলাম। এফ-৪৯ নম্বর ভবনে। এই বাসাটা কমলাপুর রেল স্টেশনের কাছে। ‘৭০-৭১ সালে কলোনীর ভেতরে প্রায় প্রতিদিনই মিছিল-সভা হতো। সন্ধ্যায়-রাতে নিয়মিত ছিল মশাল মিছিল।

‘৭১-এর ২৫ মার্চ সন্ধ্যা থেকেই বাইরে রাস্তায় প্রবল উত্তেজনা দেখছি। তরুণ-যুবক বয়সীরা কেউ বাসায় নেই। সবাই রাজপথে নেমে গেছে।

বিস্তারিত»

একটি সাময়িক পোষ্ট – “নীলা” ও এর “শেষ পর্বে”র প্রাক্কথন

আমার এই পোষ্টটি দেওয়ার পিছনে বেশ ক’টি কারণ আছে। “নীলা” সিরিজটার গ্রহণযোগ্যতা এবং আমার সমসাময়িক সমস্যাগুলোর কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছি।

প্রথমত, আমি গল্প লেখক নই, কবিতা লেখক। আমি সাধারণ ভাষায় যা ব্যাখ্যা করতে পারি না, কবিতার শব্দ ও ছন্দ আমার সে অভাব পূরণ করে দেয়। কবিতার মধ্যেই আমি আমাকে প্রকাশ করতে পারি, তীক্ষ্ণ অনুভূতিগুলো উপলব্ধি করতে পারি। কবিতার কম্প্রেসড কলেবরে বিশাল ভাব প্রকাশ করা আমার জন্য খুব সহজ ও আনন্দের।

বিস্তারিত»