দিন তারিখের হিসেবটা বেশ কিছুদিন হলো সেভাবে রাখা হয় না, যেভাবে রাখতাম ক্লাশ সেভেন-এইটে। আমি আর তওসীফ ডাইরীর পাতায় পুরো টার্মে যতগুলো দিনছিল ততগুলি দাগ কাটতাম। এরপর দিন যায়, আর একটা করে দাগ লাল কালিতে কাটা পড়তো। ছেলেমানুষী করে প্রতিদিন সেই লাল কালিতে কাটা দাগগুলো গুনে গুনে দেখতাম আর কতটুকু সময় বাকী আছে। তওসীফ আবার আরো এক কাঠি সরেস, ওর হিসেব ছিল চুলচেরা ঘন্টার কাটায়।
বিস্তারিত»বাংলা চলচ্চিত্রের দুটি অসাধারণ সুরেলা গান
আমার খুব পছন্দের গান এ দুটি। সত্তুরের দশকের শেষে অথবা আশির দশকের শুরুতে দুটি বাংলা চলচ্চিত্রের এ গান দুটি চরম জনপ্রিয় হয়েছিল। কামরুল আবার বাংলা চলচ্চিত্রের পুরনো গান খুব পছন্দ করে। আমারও ভীষন পছন্দ। রেডিও’তে কাজ করার কারণে আর বাংলা চলচ্চিত্রের গান নিয়ে এবিসির সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান সিনেমাতাল (অনুষ্ঠানটির নামও কামরুলের দেওয়া) থাকায় আমাদের এই বিষয়ক আর্কাইভটা ভালই আগাচ্ছে।
সম্প্রতি মধুমিতা সিনেমা হলের কর্নধার একজনের সঙ্গে কথা চলছে।
বিস্তারিত»পথের পাঁচালীর পঞ্চাশ বছর-১
[ভাগ্য হয়েছিল কলকাতা আর বাংলাদেশের লেখা মিলিযে সত্যজিতের উপর একটি প্রকাশনা সম্পাদনা করার, ২০০৫ এ। তখনকার আমার একটি লেখা হুবহু তুলে দেয়ার চেষ্টা করছি।এটা প্রথম কিস্তি। যারা পথের পাঁচালী দেখেছেন আর দৃশ্যগুলো মনে আছে, আশা করি লেখাটি তাদের ভালো লাগবে। আর যারা দেখেননি তারা দয়া করে দেখে ফেলুন :dreamy: ]
১৯৫৫ সালের ২৬ আগস্ট। বিভূতিভূষণের কালজয়ী উপন্যাস `পথের পাঁচালী’র মুক্তি ঘটে নব রূপে,
বিস্তারিত»চলচ্চিত্রের সীমাবদ্ধতা
লেখক – আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
১
সাহিত্য সঙ্গীত চিত্রকলার মতো শিল্পগুলোর প্রধান নিরাপত্তা এখানে যে, এগুলোকে সময়ের ক্ষুধার্ত থাবা থেকে বাঁচিয়ে রাখার সহজ উপায় আছে। এ-সব শিল্পের মধ্যে মানুষের জীবিত হৃদয়, যৌবনের মত নিটোল রঙিন শরীরে ও শারীরিক সজীবতায় শতাব্দীর সজড় বার্ধক্য অমান্য করে বাঁচে। সাহিত্যকে জীবিত অক্ষরে, সঙ্গীতকে সাংকেতিক চিহ্নে, চিত্রকে আঁক-আঁচরের অমর ঘরে দীর্ঘায়ু দেয়া সম্ভব।
কিন্তু চলচ্চিত্র দীর্ঘায়ুবঞ্চিত,
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন
আজকের আকাশে অনেক তারা
দিন ছিল সূর্য্যে ভরা
আজকের জোছনাটা অনেক সুন্দর
সন্ধ্যেটা আগুন লাগা
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য
ভরে থাকা ভালো লাগায়
মুখরিত হবে দিন গানে গানে
আগামীর সম্ভাবনায়
কবিতারা……..
আধুনিক কবিতা তেমন বুঝি না। উত্তরাধুনিক কবিতা তো নাইই। তারপরেও হঠাৎ হঠাৎ দু’একটা বুঝে ফেলি। যেমন নৃসিংহমুরারি দের এই কবিতা। পশ্চিমবঙ্গে এই নামে যে একজন কামেল কবি আছেন সেটাই তো জানতাম না। কবিতা পাই বুদ্ধিজীবীর নোট বই নামের একটি বইয়ের মূখবন্ধে। আত্মপরিচয়ের সংকট বুঝাতে যেয়ে এই কবিতার এই কটি লাইনের উদাহরণ।
আপনার বাড়িতে ফ্রিজ আছে।
বিদেশী রঙ্গিন টিভি আছে
এবং এন্তার ভিডিও ক্যাসেট আছে।
অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা কতখানি সত্যি
আমাদের বয়সের অথবা আমাদের থেকে একটু যারা বড় আছেন ছোট্ট বেলায় ঝড়-বৃষ্টির রাতে অথবা সন্ধ্যায় দাদা-দাদী,নানা-নানীর কাছে ভুতের গল্প শুনেনি এমন মানুষ মনে হয় নেই।ছোট্টবেলায় আমাদের কল্পনা জগতের একটা বড় অংশ দখল করে ছিল এই রূপকথার দৈত্য-দানব ,ভূত-প্রেত।আমাদের মধ্যে আজও অনেকেই আছেন যারা এই অতিপ্রাকৃতিক ঘটনা গুলো বিশ্বাস করেন।আবার অনেকেই আছেন যারা এই বিষয় গুলো হেসেই উড়িয়ে দিই।আজকে একটু জানার চেষ্টা করা আক আসলে কারা ঠিক বিশ্বাসীরা না অবিশ্বাসীরা।
বিস্তারিত»একদিন ফুটবল মাঠে
সবসময়ই বুঝি আমার মতো দুই-চারটা থাকে যারা কোন খেলাই পারেনা……….(কিন্তু খেলা দেখে)…….
সেভেন-এইটে তো হাঁকাও ভলিবল মাঠে গিয়ে লোক সংখ্যা বৃদ্ধি করতাম………নাইন থেকে পালানোর শুরু……..মাঝে মাঝে পালিয়ে হাউসে লুকিয়ে থাকতাম, মাঝে মাঝে ধরা খেতাম স্টাফদের কাছে…….. :frontroll:
একদিন আমি আর বাশাদ (আমার ৪বছরের রুমমেট) ধরা খাওয়ার পর (স্টাফের নাম ভুলে গেছি) স্টাফ বিরক্ত হয়ে পানিশমেন্ট না দিয়েই ফুটবল খেলতে নামায়ে দিল…….
বিস্তারিত»বনলতা সেন : ফলোআপ
ক্যাডেট কলেজ থেকেই কবিতার প্রেমে আমি পড়েছিলাম। ছাত্রজীবন পর্যন্ত সেই প্রেম অটুট ছিল। সাংবাদিকতা পেশায় ঢুকে তথ্য-পরিসংখ্যান আর খবরের একটা কাটখোট্টা জগতে আটকে পড়েছিলাম। জীবনানন্দকে নিয়ে এসে আমার পুরনো প্রেমটাকে একটু নাড়া দিয়ে গেল আন্দালিব। আবদুল মান্নান সৈয়দের সংকলন ও সম্পাদনায় জীবনানন্দ দাশের প্রকাশিত-অপ্রকাশিত কবিতাসমগ্র ঘাটতে ঘাটতে পেয়ে গেলাম বনলতা সেনের ফলোআপ কবিতাটি। চলো সবাই পড়ে ফেলি।
শেষ হ’ল জীবনের সব লেনদেন
জীবনানন্দ দাশ
শেষ হ’ল জীবনের সব লেনদেন,
বিস্তারিত»হলুদ বরণ স্মৃতি
সিনেমা দেখলে বোঝা যায়, সিরিয়াল কিলার আর সিরিয়াল কিলিং বিষয় দুটো আসলে ভিন্ন। সিরিয়াল কিলার নিয়ে করা সিনেমা মানে রমরমে উত্তেজনা, অযাচিত কাটাছেঁড়া আর অকারণেই হৃদয় ভাঙা। কিন্তু সিরিয়াল কিলিং নিয়ে করা সিনেমা মানে সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক চেতনা, সহিংসতার লুকোচুরি আর ভগ্ন হৃদয়ের শৈল্পিক উপস্থাপন। সিরিয়াল কিলিং বিষয়ক সিনেমার সংজ্ঞা না দিয়ে এতদিন কেবল “দ্য সায়লেন্স অভ দ্য ল্যাম্বস” (১৯৯১) নামটা বলে দিলেই হতো।
বিস্তারিত»আসেন সবাই একটা কবিতা পড়ি
[একসাথে বেশি কাজ করলে সব জট্ পাকিয়ে যায়। আমি মাল্টি-টাস্কিংয়ে যে কত খারাপ সেটা আজকে আবার বুঝলাম। সামনে বেশ কয়েকদিন এই ঝামেলা যাবে। তাই আজকে সব গুটিয়ে কবিতাই পড়ছি। একটা কবিতা সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।]
আজকে রাতে
-জীবনানন্দ দাশ
আজকে রাতে তোমায় আমার কাছে পেলে কথা
বলা যেত; চারি দিকে হিজল শিরীষ নক্ষত্র ঘাস হাওয়ার প্রান্তর।
মীথবাজি: বজ্রের জন্মকথা
** মাঝে কিছুদিন মীথবাজি হলো ব্লগে। সেই সময় আমি ভেবেছিলাম এই পোস্ট টা দিবো। আলসেমির কারণে দিতে দেরি হয়ে গেলো। অনেকদিন আগে ক্ষিতীশচন্দ্র ভট্টাচার্যের একটি ছোট গল্প পড়েছিলাম। তার যতটুকু মনে আছে একরকম মুখস্থ লিখে দিলাম।
অনেকদিন আগে দেবতা আর অসুররা মিলে সমুদ্র মন্থন করেছিলেন। তাতে যা অমৃত পাওয়া গেলো দেবতারা অসুরদের ফাঁকি দিয়ে সব ভাগাভাগি করে নিলেন। অসুরেরা এমনতেই শক্তিশালী তার উপর না আছে কাণ্ডজ্ঞান।
বিস্তারিত»ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা জঞ্জাল – ৭
শুক্রবার (তারিখ লেখা নেই)
রাত বাজে পৌনে বারটা। আগামীকাল থেকে পাক্ষীক পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। সকালে আবার Principal Assembly আছে। ভাবতেই মেজাজটা খিঁচরে গেলো।
১৯ অক্টোবর ২০০৩, রবিবার
দুপুর দু’টা বাজে, তিনটার সময় অডিটরিয়ামে যেতে হবে। Music Club এর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ২৩ তারিখ। যাবার ইচ্ছা ছিলনা। মহসিন নাম ফাঁসিয়ে দিয়েছে। আসলে ICCLMM এর পর সবকিছু ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম কিন্তু দেখছি হলো না।
সভ্যতা
১.
পূবের আকাশ রক্তাভ। সূর্য উঠি উঠি।দূরে প্যারেড পিটির মৃদু আওয়াজ । এটা নবীন অফিসারদের ট্রেনিং এরিয়া। মেজর সাহেব বেড়িয়েছিলেন প্রাতঃভ্রমণে। ইদানিং ভূড়িটা একটু বেড়েই যাচ্ছে বুঝি! সকালের মৃদু হন্ঠনটাকে তাই লঘু দৌড়ে রূপান্তরের চেষ্টায় আছেন।
তবে আজকের দৌড়টা বোধকরি একটু বেশিই হয়ে থাকবে। বেশ ঘাম ঝরেছে। এখন বেশ হাপাচ্ছেনও। আজ নাভর্টা একটু বেশিই সচল। অবচেতন মন আজ বড় উত্তেজিত। চেতন মনের কাছে সে খবর হয়ত নেই।
বিস্তারিত»সাপ্তাহিক…৫
আমার রুমের ঠিক পিছনেই বাচ্চাদের একটা স্কুল, কিন্ডারগার্টেন। ইদানিং হয়তো স্কুলের সময়সূচি পরিবর্তন হয়েছে, কারন এখন সকালে ক্লাসে যাবার জন্য যখন রেডি হই তখন জানলা দিয়ে বাইরে তাকালে দেখি ছোট ছোট বাচ্চারা ঘুম ঘুম চোখে বাবা কিংবা মায়ের হাত ধরে স্কুলে আসছে, আগে দেখিনি। দেখতে বেশ সুইট লাগলেও ওদের বইয়ের ব্যাগের সাইজ দেখে কষ্টই লাগে। আর মনে পড়ে যায় ছোটবেলায় ভোরে ঘুম থেকে উঠে স্কুলে যাবার কষ্টের কথা।
বিস্তারিত»