নিদ্রা যান প্রেম-দেব একদা অঘোরে
শয্যাপাশে প্রেম-শর বহ্নিতপ্তজ্যোতি,
সতীসাধ্বী রূপসীকূল ইত্যবসরে
চলেছে সে পথে, তারি শ্রেষ্ঠ রূপবতী
লহে সেই অগ্নিবাণ অনাঘ্রাত হাতে
তাপ লভিয়াছে যার হৃদয় কতনা;
তপ্ত কামনার প্রভু গভীর নিদ্রাতে
নিরস্ত্রীকৃত, নিকটে কুমারী ললনা
জুড়ায় শীতল কূপে প্রেমাগ্নি-তূণীর,
বারি তার লভে তাপ চির-হুতাশনে,
হয়ে ওঠে ধন্বন্তরি রোগহরা নীর;
একদা গেলেম সেথা, প্রিয়ার শাসনে,
বইয়ের তালিকা খুঁজছি
(শওকত ভাইকে লেখা আমার একটা মেইল, সবার আলোচনার জন্য ভাইয়ার অনুমতি নিয়ে ব্লগে দিলাম)
ভাইয়া,
ভাল আছেন আশাকরি।
১। আমি মুক্তিযুদ্ধর উপর কিছু বই খুঁজছি যে গুলোতে যুদ্ধের ইতিহাস পুরোপুরি এবং যথাযথ ভাবে এসেছে। পুরোপুরি উপন্যাস নয়, কিন্তু গল্পের মত করে বলা। যেমন একাত্তরের দিনগুলি, রাইফেল-রোটি-আওরত, গেরিলা থেকে সম্মুখ যুদ্ধ, এই ধরনের।
এর মাঝে একাত্তরের দিনগুলি আমি পড়েছি, অন্য দূটো পড়িনি।
আমার প্রিয় দুই উপন্যাস
ছুটি হলেই আমাদের যেতে হতো নানা বাড়ী। মনে আছে আমার খালারা রোববার দুপুরের পর সবাই মিলে রেডিওর নাটক শুনতো। আমরাও শুনতাম। আমারা মা-খালা সবারই বই পড়ার অভ্যাস ছিল। তারা সদ্য পড়া বইটি নিয়ে আলোচনাও করতো। সে সময়ই আমি শুনি দৃষ্টিপাতের কথা। চারুদত্ত আধারকার নামটি সে সময়েই আমার মুখস্ত হয়ে যায়।
বইটি আমি হাতে পাই অনেক পড়ে। আমার মায়ের বেশ কিছু বই ছিল। আমার মা বই কিনতো।
শেষ চিঠি

অহনা
কি লিখব ভেবে পাচ্ছিনা,অনেক কথা মনে জমে আছে।অনেক কষ্ট জমে আছে,অনেক অভিমান।জানিস তোর চিঠি গুলো এতবার পড়েছি সব মুখস্ত হয়ে গেছে।জানিস একসময় অনেক স্বপ্ন দেখতাম,আর দেখিনা।স্বপ্ন হারানোর কষ্ট সহ্য করা খুব কঠিন।আমি আর স্বপ্ন দেখিনা কারণ আমি তোর স্বপ্ন গুলো নষ্ট করে দিয়েছি।মনে আছে তুই আমাকে বলতি যদি আমাদের বিয়ে হয় বিয়ের রাতে তুই আমাকে জড়িয়ে ধরে কাদবি,আর আমি চুপচাপ বসে থাকব।সত্যি কথা আমি চুপ করে থাকতাম।তুবও কেন এমন করে চলে গেলি।জানিস তুই তো সবসময় বলতি আমি নাকি তোকে কখনো অনুভব করিনা মন থেকে,
শূণ্য !
কেন্দ্রে সর্বদাই নবীনদের স্থির অবস্থান
বৃত্তের পরিধি ছুঁয়ে ঘুর্নায়মান প্রবীনেরা।
গোলকের ঘনত্ব ভরে ভরে ঘুরতে থাকে
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটি ঘটনা।
আমরা কয়েকজন সারাক্ষন ব্যস্ততায় মগ্ন
জ্যা ব্যাস আর ব্যাসার্ধ এঁকে এঁকে ক্লান্ত!
জীবন বৃত্তের বিশাল ক্ষেত্রফল এর সাথে
‘শূণ্য’ গভীরতা জুড়ে দিতেই কেল্লাফতে!
অদৃশ্য কেউ হঠাৎ – বৃত্তগুলো দেয় থামিয়ে~
যাহ! সব গননা শূণ্য হয়ে যায় অবশেষে।।
নিঃশব্দ কবিতা
মাঝরাতে করোটির জরাজীর্ণ ছোট্ট কুটিরে,
আচম্কা হানা দেয় অশরীরি কবিতার দল;
দৈত্যের ক্ষুধা নিয়ে তারা শুধু শব্দ খেতে চায়।
তাদের আপ্যায়নে মগজ ব্যস্ত হয়ে ওঠে,
আবেগের তেলে ভেজে ক’রে দেবে শব্দের ফ্রাই,
তাই শব্দ হাঁতড়ে মরে স্মৃতির নিঃস্ব ভাঁড়ারে।
বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে জনৈক ক্রিকেট পাগলের বিক্ষিপ্ত ভাবনা
এই পোস্ট টি লিখতে গিয়ে কিছুটা দুঃসাহস আর অনেকটা অনধিকার চর্চা হলেও নিজের ভাবনা প্রকাশ করার তাগিদে লিখতে বসলাম। আমার প্রথম কথাটা শুনে যদি কেউ চমকে উঠেন তার জন্য আমার কথার যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করতে আমি বাধ্য। অতএব প্রথমে বিচ্ছিন্ন কিছু গল্প শোনা যাক।
১.
ঘটনার অকুস্থল বুয়েট মাঠ , আর যাকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন ওপেনার। আমরা বুয়েট মাঠে হকি খেলায় ব্যস্ত আর একপ্রান্তে তিনি নিবিড় অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন স্কয়ার কাটের।
স্মৃতিচারণ
রাত ১১.১৫।
করিডোরের লাইট ছাড়া সব বাতি অফ হয়ে গিয়েছে আগেই।ডিউটি মাষ্টার মনে হয় এখন ঘুম পাড়ানী মাসীর সাথে ব্যস্ত। দরজা দিয়ে পেঙ্গুইনের মত আস্তে মুখটা বের করে চারপাশের পরিস্থিতি যাচাই করে টুক করে ডেস্কটা নিয়ে বের হয়ে পড়লাম।
গন্তব্য বাথরুম…
দৃশ্যমান উদ্দেশ্য পড়ালেখা করা… :-B
পরাজয়
(আজ একটা মৌলিক কবিতা হয়ে যাক…)
পৃথিবীর প্রতিটি পুরুষ
কবিতা লিখেছে কোনো নারীকে নিয়ে;
হয়তো রাফখাতার শেষ পাতায়,
মনের কোনো অযতন কোণে,
মুহূর্তের ভাবালুতায়…
প্রকাশিত কিংবা অপ্রকাশিত।
বিস্তারিত»মধ্যমাস জর্নালঃ
সকলের মত সকাল আসে না আমার
জানালায়
ভোর কিংবা সকালের রোদসকল দানাবাঁধা
সিলুয়েট
ছবিহীন দুপুর আঁকতে থাকে নিরলস শ্রমে।
২.
আমাদের শহরে বছরের মাঝের মাস দু’টা ঘুণপোকার মতো একাগ্রতায় বিঁধে থাকে। কাঠের শরীর কুরে কুরে খাওয়ার সুখ পেতে থাকে মধ্যমাসের ঘন্টাগুলো। তারা শ্লথ এবং নির্বিকার, সেই কারণে অনেকাংশেই নিঃসংশয়ে আমাদের শহরের ইতিহাস থেকে মধ্যমাসের ঘটনাবলি ঝরে যায়। জুন ও জুলাই মধ্যমাসের টানাহ্যাঁচড়ায় পড়ে বাদী-বিবাদী অথবা বাঁদী হয়ে আদালত চৌকাঠে আছড়ে পড়ে।
বাংলাদেশ কি পারবে?
স্নানপর্ব-৪
সে পৌঁছুতেই
শেওলাধরা ভগ্নদশার
প্রাচীন পুকুরঘাটের
মনে পড়ে
কবেকার যুবাদিনের
স্নান-ভীড়, ভিজেশাড়ি
ছলকে ওঠা কলস
প্রাত্যহিক আদিরস
তপ্ত টিটকারি….
ওমর খৈয়ামের একটি রুবাইয়াত
সন্ন্যাসী আর বিজ্ঞানীতে তর্ক চলে যে দরবার
কৌতুহলে সেইস্থলে যাইতাম আগে বারংবার
কত্তোরকম তত্ত্বকথা, তর্ক শেষে দুইজনে
বাহির হতেন একই পথে, যেথায় আমার প্রবেশদ্বার।
বঙ্গানুবাদ: সৌমিত্র চক্রবর্তী
বিস্তারিত»অনুবাদ – সনেট ০২
তিন সত্যি কাটে প্রিয়া প্রায় প্রতিদিন
জানি সবই মিছে, তবু করি বিশ্বাস,
পাছে সে আমায় ভাবে কাণ্ডজ্ঞানহীন,
ছলনা বুঝিনা বলে করে পরিহাস।
বুঝি মোরে যুবা ভাবে, ভাবি অকারণ,
যদিও সে জানে সেই দিন আর নেই,
অসৎ রসনা তার করি আরাধন:
সততা পড়েছে চাপা দুই পাশেতেই।
গাঙচিলের ভীড়ে আমি !
পুরাতন ব্র্যান্ডের কোন মদ নয়
স্রেফ তরঙ্গিত জলজতার নেশায়
তরল হয়ে উঠলো ভ্রমনের সময়।
জাহাজময় ছড়ানো ছিটানো
আলোছায়া মনকাড়া নানা গড়ন
চিত্ত বিনোদন হেতু সকল উপকরন
এক শ্রান্ত অবসরের ক্লান্ত অনুসরন।