বিনীত নিবেদন এই যে এই মাসের শেষের দিকে রোজা শুরু হইতে যাইতেছে। রোজা রাখিতে যাইয়া মাসরুফ সহ সিসিবির কিছু সদস্যের ওজন :just: বিশ তিরিশ কেজি করিয়া কমিয়া যাইতে পারে।
যতই কপাল কুচকাই, বেশ কিছু বাংলা সিনেমার গান আছে অসাধারণ। আবদুল জব্বারের ওরে নীল দরিয়া এখনো যতবার শুনি মুগ্ধ হই। আবিদা সুলতানা যখন গায় বিমূর্ত এই রাত্রি আমার-মনটাই ভরে যায়। আমজাদ হোসেনের লেখা আর সামিনা নবীর গাওয়া একবার যদি কেউ ভালবাসতো বাংলা গান জগতের সেরা একটি গান। শ্যামল মিত্রের গাওয়া চেনা চেনা লাগে তবু অচেনা গানটি কখনো কেউ কি ভুলতে পারবেন? সাবিনার একটা গান আছে অন্তর আমার করলাম নোঙ্গর-কেউ কী শুনেছেন?
আমি ব্লগের একদম নতুন সদস্য। আজকে কমেন্ট দেখতে যেয়ে দেখি আমাদের এক বড় ভাই লিখেছেন ক্যাডেটরা নাকি খুব ভালো স্বামী হতে পারে।আমিতো এখনও স্বামী হতে পারিনি বহুত দেরি :(( :((
যা হোক নিজের অভিঞ্জতা থেকে বলছি যে আমরা আসলে পার্টনার হিসেবে অসাধারণ।কারন আমরা একটা সর্ম্পকের মূল্য খুব ভালো করে বুঝি,সেটা যে ধরনের সর্ম্পকই হোক।আমরা বন্ধু হিসেবে ভালো, ক্যাডেটদের বন্ধুর সংখ্যা বরাবর বেশি। এই নিয়ে মায়েদের অনেক চিন্তা।ওসব কথা থাক আজ দেখি আসলেই কি আমরা প্রেমিক হিসেবে ভালো।
ঢাকা শহরের কথা আপাতত বাদ দেই। এখানে বাস-গাড়ি, অনেক অনেক মানুষ আর সকাল বেলা কাউ কাউ করা কাক ছাড়া আর বিশেষ কিছু দেখতে পাওয়া যায় না। কিন্তু প্রত্যেকেই একবার হলেও গ্রামে গিয়েছেন। সেখানে নিদেনপক্ষে কোন সুপারি বাগানে ঢুকলেও দেখা যায়, কত ধরণের পোকা-মাকড়। বাগান থেকে বের হয়ে চারপাশে তাকালে দেখা যায় নানা ধরণের পাখি,
নিয়ন্ত্রণাতীত বেড়ালগুলো
দিগ্বিদিক লাফিয়ে
পড়েই মিলিয়ে যাচ্ছে
সেই কখন থেকে
ঠেলাগাড়িতে ভর করে
অনিচ্ছুক দুপুর বয়ে
চলেছে দূরে।
রোদ্দুরে কি খোঁজার ভান করে
মেয়েটি জানলা দিয়ে
তাকিয়ে থাকে তুমি জানো
কেবল তুচ্ছ আশায় দিন গোণো :
জানলা থেকে সরে যায় যাক,
অগুণতি এসব বেড়ালদের
একটি অন্ততঃ
ঠিকঠাক পথ চিনে নিয়ে
ওর নরোম কোলে ঠাঁই পাক
আজকাল ক্যাডেট কলেজের পোলাপাইন গুলা খুব খারাপ হয়ে গেছে, বন্ধু বান্ধবদের আর আগের মত তেমন একটা খবর নেয় না। নাইলে এমন হয়, বলেন? কি দিনকাল যে আসছে। আরে আমার অফিসের পাশে অফিস হইল হাসনাইন মিয়ার কিন্তু ব্যাটার সাথে দুই মাস দেখা সাক্ষাত নাই। তাই একদিন ঠিক করলাম ক্ষেতা পুড়ি এইসব বন্ধু বান্ধবের, ঠিক এইসময় ফোন দিল বন্য। হাজার হইলেও ছেলেটা বন্য তাই ফোন না ধরে আর পারলাম না,
মনটা খুব ভাল।একে তো অনেকদিন পর সিসিবিতে লিখছি আবার একটা খুশির খবর পেলাম একটু আগে।কিভাবে শুরু করব বুঝতে পারছি না।
খবর টা খুব সাধারণ।আমি চাচা হচ্ছি। :party: আমার কোনো বড় ভাই নাই তবু চাচা হচ্ছি।চাচা ডাক শুনার খায়েশ আমার মিটছে আমার রুমমেটের জন্য।দোস্তের নাম শাওন।অনেক নাম আছে ওর। :grr: সবচেয়ে ভদ্র নাম টাই দিলাম এইখানে।কাল রাতে ফেইসবুকে দেখলাম লিখছে যে “going to be a F_A_T_H_E_R.”
বিবর্তন তত্ত্বমতে জীবনের সূচনা হয়েছিল একটি অথবা সামান্য কয়েকটি সরল এককোষী জীব থেকে। লক্ষ কোটি বছরে এই ধরণের সরল এককোষী জীবরা বিবর্তিত হয়ে পরিণত হয়েছে ভিন্ন একটি প্রজাতিতে। এভাবে লক্ষ লক্ষ বছর ধরে প্রজাতি থেকে প্রজাতিতে জীবন বিবর্তিত হয়েছে। সময়ের সাথে সাথে প্রজাতির সংখ্যা বেড়েছে, বেড়েছে বৈসাদৃশ্য এবং প্রাণীদের গঠন হয়েছে জটিল থেকে জটিলতর।
আমরা কিছু সময়কে পুরনো কাঁপড়ের ভাঁজে লুকিয়ে রাখি। সেসব সময়ের রং চাররঙা খবরের কাগজের মত জ্বলজ্বলে ছিলো হয়তো একসময়। অনেকদিন কাপড়ের ভাঁজে থাকতে থাকতে সেসব সময়ের গায়ে সেলাইয়ের দাগগুলো স্পষ্ট হয়। সুতোর গন্ধ তীব্র হয়। রংসমূহ ধীরে ধীরে খয়েরি ও বাদামি হয়ে উঠতে থাকে। মনের ভুলে কেউ এসে ড্রয়ার থেকে কাপড়টা বের করে নেয়, আর তখনই তার ভেতর থেকে ভাঁজবিহীন সময়ের পাতাটা ঝুরঝুর করে ঝরে পড়ে যায়।
সিলেট এসেছি প্রায় ৩ মাসের কাছাকাছি, কিন্তু কোথাও যাবার সুযোগ করে উঠতে পারছি না । কোর্সের কঠিন সিডিউলে মাথা খারাপ হয়ে যাবার মত অবস্থা, তারপরও ছুটির দিনগুলোতে এদিক সেদিক চলে যাই…অনেক জায়গাতেই এখনও যাওয়া হয় নি, আশা করছি যে কোর্স শেষে সেগুলোও ঘুরে আসব। আসলেই চমৎকার জায়গা এই সিলেট, অনেক চমৎকার চমৎকার জায়গা আছে ঘুরে বেড়ানোর জন্য, যারা এখনও সিলেট আসেন নি একবার ঘুরে যেতে পারেন……
অনেক দিন ধরে ভাবছি মাঝে মাঝে লিখব। কী লিখব? কোথায় লিখব কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না। কিন্তু আমার লেখার খুব শখ। শুধু শখ থাকলেই তো হবে না। কারন লেখা একটা শিল্প, যা সবাই পারেনা। আমিও পারিনা। তারপরও জোর করে কিছু লিখবো-এরকম একটা জেদ নিয়া বসলাম। জোর করে ভিতর থেকে কিছু বের করতে পারলাম না। পারার কথাও না। আমি তো আর কামরুল না যে চাইলাম আর লিখে ফেললাম।
আমার এই কামলাগিরির সবচেয়ে বড় পাওনা হল দেশবিদেশের বিভিন্ন জাতের মানুষ ও সংস্ক্বৃতি দেখা । সেই সুযোগ পারত:পক্ষে আমি হাতছাড়া করতে চাই না। আজ আমার এক কলিগের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। তাই সেজেগুজে রওনা হলাম ট্রেডিশনাল নাইজেরিয়ান বিয়ের আসরে। নাইজেরিয়ানরা স্বভাবতই খুব প্রানোচ্ছল ও হাসিখুশি। বিয়ের আয়োজনও নাইজেরিয়ানদের মতই বর্নময় ও আনন্দমুখর। আমি নিজে খুব উপভোগ করেছি , এমনকি নাইজেরিয়ান দের মতো অংশগ্রহনও করেছি। তার কিছু কিছু মুহুর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
বিগল যাত্রা থেকে ফিরে আসার প্রায় বাইশ বছর পর, ১৮৫৯ সালে “দ্য অরিজিন অফ স্পেসিজ” বইটি প্রকাশ করেন ডারউইন। দ্যাট বুক রকড দ্য ওয়ার্ল্ড লাইক এ হারিকেন। ৪৯০ পৃষ্ঠার এই বইটিতে ডারউইন মোটা দাগে তিনটি প্রধান দাবির কথা বলেন।
১। জীবনের সৃষ্টি নিকট অতীতে নয়, বরঞ্চ তা এর থেকে অনেক অনেক আগে।
“অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান…” গানটি আমার খুবই প্রিয়।এর পেছনে অবশ্য সাবিনা ইয়াসমিনের কোনো হাত নেই,ক্লাস ফোরে স্কুলের প্রোগ্রামে ক্লাসের একটা মেয়ে গানটি গেয়েছিলো।সেই থেকে গানটি ভুলতে পারি না,যখনই শুনি চোখের সামনে
ওই মেয়েটা ভেসে আসে।আমি কেমন আনমনা হয়ে যাই।
মেয়েটার নাম তাসনিমা।আমার ছোট বেলার নায়িকা।অকালপক্কতার সবচেয়ে সেরা উদাহরণ হয়ে সেই বয়সেই মেয়েটার প্রেমে পড়ে গেলাম।যাকে বলে একেবারে সিরিয়াস টাইপের প্রেম।নীল সাদা স্কুল ড্রেসটাতে ওকেই যেন সবচাইতে বেশি মানাতো।সবার জামার রঙ নীল,ওর টা আকাশী,সবাই হাফ শার্ট পড়তো আর ও ফুল শার্ট ফোল্ড করে আসতো,সবাই কেমন ফালতু বোতলে করে পানি আনতো আর ও আনতো চমৎকার একটা ফ্লাস্কে করে…সবকিছুতেই অন্যরকম।আমি দেখি আর মনে মনে কত কিছু ভাবি।