ভালোবাসা শিখবো বলে
মেয়েটির কাছে গিয়ে
চুম্বন শিখি
ছল শিখি,
সংগম শিখি
ভালোবাসাই বাকী রয়ে যায়…
শৈশব
১.
বাসা থেকে এক দৌড়ে বের হয় সাজিদ। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই অপেক্ষা করছিল কখন আব্বু অফিস যাবে। স্কুলে গ্রীষ্মের ছুটি চলছে। আম্মুকে সে থোড়াই পাত্তা দেয়। শুধু আব্বু যখন বাসায় থাকে তখন একটু বাঁদরামিতে লাগাম থাকে। নইলে সারাদিন খালি টো টো করে ঘোরা। মফস্বলে থাকা বলে ঘোরার যায়গার অভাব নেই। বাসা থেকে দু’পা বেরোলেই অজানার হাতছানি।
আজকে বেশি দূরে যাবার ইচ্ছে নেই।
বিস্তারিত»স্মৃতির ঝাঁপি : পঁচাত্তরের নৈরাজ্য এবং বঙ্গবন্ধু
প্রথম পর্ব ।। দ্বিতীয় পর্ব ।। তৃতীয় পর্ব ।। চতৃর্থ পর্ব
ফৌজদারহাটে গিয়ে আমি সারা দেশ-বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হলাম। বাসা থেকে আসা চিঠি আর মাসে একবার প্যারেন্টস ডে’র সুযোগে বাবা-মা-ভাই-বোন-স্বজনদের কারো কারো সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ ছাড়া বাইরের দুনিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের আর কোনো পথ নেই। এইসব যোগাযোগ নিয়ে যে ওই সময় খুব আগ্রহী ছিলাম এমনও নয়।
বিস্তারিত»ইংলিশ ফুটবল ০৯-১০
ফুটবল মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ শুরু হয়ে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই। অনেক জল্পনা আর কল্পনা সমর্থকদের মনে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ছাড়া পারবে কি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবার; লিভারপুলের ২০ বছরের প্রতীক্ষা কি শেষ হবে; নাকি আগামী বছর মে মাসে নতুন এক চ্যাম্পিওনের দেখা মিলবে। ম্যানচেস্টার সিটি কি পারবে আর্সেনালকে গুঁতো দিয়ে নামিয়ে দিয়ে চ্যাম্পিওন্স লীগে খেলতে। আর কারাই বা রেলিগেটেড হবে। অবশ্য বাংলাদেশে কেউ রেলিগেশন নিয়ে চিন্তিত না!
বিস্তারিত»উদ্বায়ী!
শৃংখলে দায়বদ্ধ সামাজিক বন্ধন-
মোহ-মায়ায় পরাগরেণু বিস্ফোরন
বিবর্তনের আদিতে ছিল নবজন্ম !
চক্রাকারে সাগরের পানি বাষ্প-
আর ঐ বাষ্প ফের জমাটাকার;
অতঃপর বৃষ্টির ফোটায় ফোটায়!
ভোরঃ আমাদের, আমার, তোমাদের একান্ত-
বিষাদের চেহারায় কতগুলো দাগ পড়ে গেছে।
আঁকাবাঁকা, খরখরে দাগগুলো বিষাদের চেহারায় মরা সাপের মত লেগে থাকে। আমার আর বিষণ্ণ লাগে না। আমি অনেক দিন বিষণ্ণ হই না। কতদিন! আরেক জন্মে আমি শেষ বিষণ্ণ হয়েছিলাম কি? নাকি গতকালই, অথচ আমার স্মৃতি সেটাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে রাখে। আমাকে বাঁচাতে নিজের কাছ থেকেই…
বিষাদ গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা মেয়েটির মত অপরাধী। দুঃখবোধের সাথে তার বন্ধুত্ব এবং ভালোবাসার আজকেই শেষ দিন।
বিস্তারিত»রকিব মিয়ার চা’য়ের দোকানের শুভ উদ্বোধন
স্লামডগ মিলিওনিয়ার চায়েওয়ালা রকিব মিয়াকে চেনেনা এমন লোক সিসিবিতে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। হাসিখুশি যে ছেলেটা কানাডাতে পড়াশোনা করার পাশাপাশি এখন সিসিবিতে চা বিলিয়ে বেশ ভালোই টু পাইস কামাচ্ছে। যে কোন নতুন সিসিবিয়ান কে চা দিয়ে স্বাগতম জানানো কিংবা নিজেদের কারো জন্মদিনে ধোঁয়া ওঠা চা এর পাশাপাশি গরম গরম পোস্ট দেয়ার বিজনেজ পলিসি করে তার দিনে দিনে উন্নতির রহস্যও মোটামুটি আমাদের সবার জানা।
তার সাথে আবার যোগ দিয়েছে দিহান ভাবী।
বিস্তারিত»রূপবিলাস (৫,৬)
৫.
জুতোর ভিতরে পায়ের আঙ্গুলগুলো যেন ফুটবল খেলছে। অনেকদিন জুতো পরা হয়নি সৌরভের, তাই কেনার সময় বেখেয়ালে কিভাবে যেন পায়ের মাপের চেয়ে বড় হয়ে গেল জুতোটা। বেশিক্ষণ হাঁটে না সে, বারকয়েক হোঁচটও খেল। সৌরভের টেবিলটা ঠিক দীঘিরটার সামনে। কিন্তু এই পর্যন্ত্য একবারও চোখাচোখি হল না। এই-ই ভাল; কেউ তাকিয়ে থাকলে অস্বস্থি বোধ হয় তার। কিন্তু কিছু একটা করা দরকার।
ঢাকার যানবাহন সমস্যার সহজ এবং সাময়িক সমাধান!
[অলস মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা। সেই কারখানার একটা প্রডাক্ট ছাপছি। কন্সেপ্টটা সাধারণ, কিন্তু কতটুকু বাস্তব? দেখি জ্ঞ্যানী লোকেরা কি বলেন!]
সকাল বেলায় অফিসে, স্কুলে বা নিজের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে যেতে সবাইকে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় পার করতে হয়। মোটামুটি একই, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তার চেয়েও ভয়াবহ অবস্থার সম্মূখীন হতে হয় ফেরার সময়। গুলশানের অফিস পাড়া থেকে মোহাম্মদপুরের আবাসিক এলাকায় পৌঁছাতে, অফিস শেষে তিন ঘন্টা ব্যয় করার ঘটনা এখন বোধহয় অনেকেরই গায়ে সয়ে এসেছে।
বিস্তারিত»অমর্ত্য আঁধার
সন্ধ্যার অন্ধকার, সতর্ক বেড়ালের মত এসে
কেমন বদলে দেয় পরিচিত শহরের ছবি।
গোধুলীর কনে দেখা আলো মিলে গেলে পর,
আকাশে থোকায় থোকায় ফোটা অসংখ্য তারাফুল,
নিশ্চল মেঘের ঢেউ আর ত্রস্তে ঘরে ফেরা পাখী;
ধোঁয়াটে ছাঁয়ার রহস্যে আচ্ছন্ন করে চারিদিক।
খোপের বারান্দায় মূর্তির মত বসে ধ্যানী কবুতর,
আরামকেদারায় কিছু দূরে আমি; যখন মগ্ন হই
আজানের শব্দঘেরা গম্ভীর অমর্ত্য আঁধারে,
আবার ফিরে যেতে ইচ্ছা করে
আজকে রওনা দিলাম মিরপুর । আশফাক আর রাসেল এর সাথে দেখা করতে । যাওয়ার পর গল্প জমে উঠল । প্রথমেই খোজ নিলাম পোলাপাইনের। হাসিব কোথাই রে এখন ? অনেকদিন ওর সাথে যোগাযোগ নাই। শুনলাম নুর নাকি আয়ুব এর সাথে দেখা করতে অর বাসাই গেছিল? শালার প্রেম এখনও কমে নাই । হেসে উঠলাম সবাই । অনেকদিন পর একসাথে বসা আমাদের। এ কথা সে কথার পর আসলো ক্যাডেট কলেজ এর কথা।
বিস্তারিত»উপরওয়ালা এ যাত্রায় ছেড়ে দিল মনে হয়…
ফুলার রোডে এক বন্ধুর বাসায় যাচ্ছিলাম গত পরশুদিন দুপুরে। বনানী থেকে সিএনজি অটো নিলাম। মিটারে যে ভাড়া উঠবে তার থেকে দশ টাকা বেশি দিতে হবে তাকে। অবাক হলাম। সিএনজি অটোর জগতে এরকম হাজী মহসিন টাইপের ড্রাইভার আজকাল পাওয়া যায় না। শবে বরাতের দিন। রাস্তাঘাট খালি। পরীবাগ পার হয়ে বারডেমকে বামে রেখে আমি সোজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে চলে যাব। বারডেমের ওভারব্রিজ পার হয়ে একটু সামনে আমার সিএনজি।
বিস্তারিত»সিসিবি সমাবেশ -২ (শেষ পর্ব)
সাপ্তাহিক…৮
ভয়াবহ এক সপ্তাহ শেষ করলাম। ফায়ারিং এ গিয়েছিলাম, দিন শুরু হতো ভোর(নাকি রাত?) সাড়ে চারটায়, রুমে আসতে আসতে রাত। বৃহঃস্পতিবার পর্যন্ত এই রুটিন চলল, রবিবার আবার পরীক্ষা। ছুটির দুদিন গেল পড়তে পড়তে। আজ পরীক্ষা শেষ করে যেন একটু হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।
এতো কিছুর মাঝেও সিসিবিতে ঢু না মেরে থাকতে পারিনি, সব লেখার উপরেই চোখ বুলিয়ে গিয়েছি। তবে এর মাঝে এহসান ভাইয়ের ফ্যান্টাসি ফুটবলের পোস্ট মাথায় পোকা ঢুকিয়ে দিল।
বিস্তারিত»অদৃষ্টপূর্ব
(এই কবিতাটা বহুদিন আগে লেখা, তবে এতোদিন অপ্রকাশিত ছিল। কবিতাটার পেছনে একটা ঘটনা আছে, সেটা বলি। তখন সবে ক্যাডেট কলেজ থেকে বেরিয়ে কোচিং করার জন্য ঢাকায় এসেছি। মেস করে থাকি। আমরা ঝকক’র সাতজন। এর বাইরে কলেজের পোলাপানের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বিশেষ হয় না। তো বহুদিন পর এক ইনটেক-মেটের সাথে দেখা। ‘সুখের-দুখের কথা’ বলে ‘প্রাণ জুড়া’চ্ছি। একসময় আমার বন্ধুটি বললো যে এক বিয়ের পার্টিতে গিয়ে এক অপরূপ রূপবতী মেয়ের সাথে তার নাকি পরিচয় হয়েছে।
বিস্তারিত»