২০০১ এর ফেব্রুয়ারিতে গ্যালাপ পোল (gallup poll) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক হাজার তরুনের টেলিফোন সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। সাক্ষাৎকারে ৪৫ ভাগের বেশি তরুন মত প্রকাশ করেন যে, একজন ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছিলেন আজ থেকে দশ হাজার বছর আগে। এই দশহাজার বছরে মানুষ হয়তো পরিবর্তীত হয়েছে, তবে সেটা খুব সামান্য এবং পরিবর্তনের কারণ কখনই “বিবর্তন” নয়। ৩৭ ভাগ বিবর্তন এবং ঈশ্বরকে একই কক্ষে স্থান দিয়েছেন। তাদের মতে, বিবর্তন জন্মসৃষ্টির একটি স্বর্গীয় প্রক্রিয়া।
বিস্তারিত»সিসিবি : অনুরোধের আসর
আমার সর্বশেষ বন্ধু দিবসের গানের পোস্টে তিনটা গানের অনুরোধ পেয়েছিলাম। দুটো বাংলা আর একটা হিন্দি। গানগুলো খুঁজে বের করতে একটু সময় লাগলো। বিশেষ করে জাফর ইকবালের গানটা।
আদনান চেয়েছিল, জাফর ইকবালের সুখে থেকো ও আমার নন্দিনী। কামরুল চেয়েছিল, একটাই কথা আছে বাংলাতে, মুখ আর বুক বলে একসাথে, সে হলো বন্ধু, বন্ধু আমার। এটা এন্ড্রু কিশোরের গাওয়া বন্ধু আমার চলচ্চিত্রের গান। আর দিহান চেয়েছিল জনপ্রিয় হিন্দি চলচ্চিত্র শোলে‘র গান ইয়ে দোস্তি।
বিস্তারিত»পলিটিক্স
(বানানগুলো ইচ্ছে করেই অন্যরকম লিখলাম, পরীক্ষামূলক আর কি!)
মঞ্চে উঠে মন্ত্রী যখন শুরু কল্লেন গালি
হয়ে গেলো সামনের সব চেয়ারগুলো খালি
এক্কোণে এক বুড়োটে লোক ঠোঁটে নিয়ে বিড়ি
দেখাচ্ছিল মন্ত্রীকে এক মস্তবড় ছড়ি
মন্ত্রী বলে, ‘মূর্খ ওটা, কচ্ছে ভারত-দালালি’
বুড়ো বলে, ‘একাত্তরে পাকিস্তানে পালালি’
ব্যবধান
আমায় হন্যে হয়ে খুঁজে খুঁজে মানুষের ভীড়ে,
হতাশায় ভেজা চোখ ফিরে আসে শূন্যে তোমার।
অথচ তোমায়, কেবলি যে ছুঁয়ে গেল আর্দ্র বাতাস,
আমারি নিঃশ্বাস তাতে অশ্রুর বাষ্পে ছিল মাখা।
তোমার চোখের পরে উল্টানো আকাশের ফ্রেমে,
এলোমেলো মেঘের ধূসর ক্যান্ভাসে আঁকা,
আমার ছবি তুমি পাও নাই খুঁজে কোনদিন।
তোমাতে আমাতে কোনো বিভেদ-সংঘাত নাই,
সুহৃদ বন্ধুতা তবু, রয়ে যায় এই সুক্ষ আঁড়াল।
সিসিবি’টা গল্প: টোকা।
(মজার জন্য লেখা। ফাজলামি করে লেখা। কেউ সিরিয়াসলি নিবেন না আশা করি।)
এক:
চিত্রনায়িকা কুয়েলিকা তার ছিপছিপে দেহে হাসির ঝলক তুলতে তুলতে বলে, “যাহ, কামরুল ভাই!”
পরিচালক কামরুল হাসান জর্দা দেয়া পান মুখে পুরে দিয়ে বিড়ি ধরান। আয়েশ করে একটা টান দিয়ে বলেন, “আরে চিন্তার কিছু নাই। ছেলে আমার ছোট ভাইয়ের মত। ভেরি গুড বয়। এইএইসসিতে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।”
কুয়েলিকার মুখ লজ্জায় লাল হয়।
বিস্তারিত»ছোটবেলায় লেখা অণুকাব্য
রবীন্দ্রনাথ যে বয়সে জল পড়ে, পাতা নড়ে লিখেছিলেন সে বয়সে আমার কাব্য প্রতিভা রবি ঠাকুরের চাহিতে কিঞ্চিৎ বেশী ছিলো। বছর পরিক্রমায় কবিগুরুর কাব্য প্রতিভা চরমভাবে বিকশিত হইলো, আর আমারটা কালের গর্ভে চিরতরে হারিয়ে গেলো। যাহা হউক, আমার শৈশবের প্রতিভার অল্প কিছু ঝলক একটি খাতায় সংরক্ষিত ছিলো আজ আপনাদের সম্মুখে উপস্হাপন করিতেছি।
বিস্তারিত»উপন্যাস: সবুজ বুড়ি ০১
আমাদের বয়স যখন তেরো থেকে বেশি, চৌদ্দ ছুঁই ছুঁই করছে- তখন একদিন, এক শীতের দিন- দাদীজানের সবুজ রঙের শাড়ীটা চুরি হয়ে গ্যালো।
শীতের ভোরে বেশ আয়েশ করে ঘুমোচ্ছিলাম। লেপমুড়ি দিয়ে, কান ঢেকে, তখনকার ছোট্ট ছোট্ট চুল শুধু লেপের বাইরে রেখে, হয়তোবা জানালার কাছে একেকটা শীতের পাখি এসে ডাকাডাকি করছিল, ঘুম ভাঙানোর জন্য। সে ঘুম ভাঙলো শান্তাতে। লেপ সরিয়ে শান্তা হৈ হৈ করে উঠলো,
বিস্তারিত»ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৩ (কক্সবাজার ট্যুর)
পদ্যাতীত : পুনর্লিখন
(সবার গঠনমূলক মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কবিতাটা আবার লিখলাম…)
পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
হোক সেটা সাদামাটা, কিবা জমকালো;
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার-
‘ইটাবৎ কঠিনেষু’ কিংবা রসালো।
হাতে-পায়ে ধরাধরি, করে সাধাসাধি
দু-চার চরণ ছড়া চলে তবু যদি;
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি,
অতিশয় গুরুপাক চতুর্দশপদী!
সবাই সবাই …
আমাদের এক স্টাফ ছিলেন। কালা রাজ্জাক। তার সব কথার আগে পরে থাকতো “সবাই, সবাই”!! এই যেমন, “সবাই সামনে তাকাও, সবাই সবাই”। আরেকজন ছিলেন জামিল স্টাফ। উনি করতেন ঘেউ ঘেউ। ছুটি শেষে কলেজ প্রত্যাবর্তনের পর প্রথম ফলিন। উনি প্যারেড স্টেট দেওয়ার আগে-“ঘেউ ঘেউউউউ ঘেউউউউউউ, ঘেউউউউউউউউ (তারপর কোমলএবং মেয়েলি স্বরে পড়ুন) ক্যামন আছ সবাই???”
অনেকদিন পর নেট আসলো। নেট কানেক্ট করার পর থেকেই মাথার মধ্যে খালি রাজ্জাক স্টাফ আর জামিল স্টাফের মতো বাজছে,
বিস্তারিত»যখন আমি বাবার মতো হতে চাই না
বাবাকে আমরা চার ভাই বোন ভয় পেতাম। এমনিতেই দেখা হতো কম, অফিস করতেন। বাসায় আসলে আমরা থাকতাম দূরে দূরে। বাবা এই রুমে তো আমরা দ্রুত অন্য রুমে চলে যেতেন। আমাদের সময় বাবাকে ভয় পাওয়াটাই ছিল রীতি।
সে সময়ে বাবারাও কি ভয়ের সম্পর্ক রাখতে চাইতেন? কখনো কখনো সেটাই মনে হয়। বাবা মানেই গুরুগম্ভীর একজন, বাবা বাসায় থাকা মানেই ফিসফাস কথাবার্তা।
আমার মনে আছে আমি তখন এইটে পড়ি,
পড়ছি এক মাইনক্যা চিপায়ঃ উদ্ধার পাবার উপায় আছে কি? (সাময়িক পোষ্ট)
আজ স্বপ্নের দিন
১.
পুরানো কাগজপত্রগুলো গুছাচ্ছিলাম। হঠাৎ কাগজটা চোখে পড়লো, ১২ লাইনের ছোট্ট একখানা কবিতা। আমার খুব প্রিয় একজন মানুষের লেখা। বয়সটা আমার চেয়ে খানিকটা বড়, কিন্তু মনটা বোধহয় বয়সের সাথে পাল্লা দেয়া গাম্ভীর্যের আতিশায্যে আটকা পড়েনি। দেশ ছেড়েছে প্রায় বছর আটেক হলো, আর দেশে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পড়েছিল বলে বাংলার সাথে তার সখ্যতাটা সেভাবে গড়ে উঠেনি। কথা ঝরঝরে বাংলাতেই বলেন, কিন্তু লিখতে গেলেই অশনি সংকেত।
পদ্যাতীত
(আমার ‘বিষাদযোগ’ কবিতায় আদনান ভাইয়ের মন্তব্য হতে অনুপ্রাণিত পঙক্তিমালা…)
পড়েনা কবিতা কেউ আজকাল আর,
কবিতা পড়াটা যেন অহেতুক কাজ।
পাতা ভরানোর দায় আজ কবিতার;
কবি বলতেই লোকে বোঝে ফাঁকিবাজ।
গেলানো যায়না হায় দু’লাইন ছড়া
হাতে-পায়ে ধরাধরি করে সাধাসাধি,
এমন বাজারে চলেনা সনেট পড়া
বড়জোর লিমেরিক, তা-ও আধাআধি!
হারিয়ে খুজি তারে
কলেজ লাইফের কথা আমার খুব মনে পড়ে।মনে পড়ে কলেজ জীবনের প্রথম দিনটির কথা,কয়েকটি মাসের কঠোর পরিশ্রমের সুখময় পরিসমাপ্তি।আসলে ক্যাডেট কলেজে যদি আমি না যেতাম তাহলে হয়ত জীবনে বোঝাই হতনা বন্ধুত্ব কি?আমার ড্রমলিডার ছিল মাহফুজ ভাই একটু কড়া প্রকৃতির ছিল।আর আমাদের মিফতাহ ছিল একটু আদুরে প্রকৃতির।প্রতি রাতে ও বাসার জন্য কাদত,আর আমি ওর সঙ্গী।
কলেজে সেভেনে শান্তির সময় বলতে ছিল ব্লকে যতটুকু সময় থাকতাম।তাও যদি প্রেপ গার্ড ভাল হয়।আমার বরাবরই মুখচোরা অভ্যাস।আর কলেজ আমার এত খারাপ লাগত যে কারোর সাথে কথাও বলতে ইচ্ছা করত না।প্রেপে সবাই একটু কথা বলত কারণ প্রেপ গার্ড আদনান ভাই খুব ভালো ছিল।তখনও আমি চুপচাপ বসে থাকতাম।আর করতাম কি বাথরূমে যেয়ে কান্নাকাটি।একদিনের কথা আমার টেবিলের সিনিয়র ভাই নকীব ভাই আমাকে কি কারণে খুব বকাঝকা করছে,আমি চুপচাপ কাদছি।হঠাৎ কে যেন পিঠে হাত দিল।