(কবিতাটা লেখার পর মনে হলো এটা লেখার সময় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ বুঝি আমার উপর ভর করেছিল…)
আজকে তোমার মনের মাঝে
বাদ্য বাজে
দুঃখ ভরা?
সুখ পাখিটা আজকে কেমন পাগল পারা
মনের মাঝে
আনমনা আজ মনটা তোমার সকল কাজে
(কবিতাটা লেখার পর মনে হলো এটা লেখার সময় কাজী নজরুল ইসলামের ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ বুঝি আমার উপর ভর করেছিল…)
আজকে তোমার মনের মাঝে
বাদ্য বাজে
দুঃখ ভরা?
সুখ পাখিটা আজকে কেমন পাগল পারা
মনের মাঝে
আনমনা আজ মনটা তোমার সকল কাজে
ঝিনাইদা’র পুলাপাইন গুলা যা সব শক্ত শক্ত কোবতে লেখে। পড়তে গিয়ে কতদিন চশমা ভেঙ্গেছি, অনুবাদ করতে গিয়ে ভেঙ্গেছি দাঁত, তার ইয়ত্তা নাই। আজকে সৌমিত্র মশাইয়ের প্যালিন্ড্রোম পড়ে পুরাই গেছি … প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও নাকি একই শোনায়। লেখা তো দুরের কথা, এই ধরনের আইডিয়া মাথায় আসার জন্য যতটুকু মাল মাথায় থাকা দরকার ততটুকু মালও নাই আমার। সৌমিত্র কে অভিনন্দন।
ম্যালা আগে আন্দা’র কোবতে অনুবাদ করে গাইড বই প্রকাশ করে বেশ টুপাইস কামাইছিলাম।
বিস্তারিত»আবীরের একসময় নিজের জন্য অফুরন্ত সময় ছিল।তখন বিকেলে বুড়িগঙ্গার তীরে বেনসনের প্যাকেট নিয়ে বসে যেত। রাত নিঝুম হওয়া
পর্যন্ত চলত সিগারেটে অগ্নি সংযোগ।কখনো বা খালি পায়ে হাটাহাটি করত সংসদের সামনের রাস্তার,কৃষ্ণচূড়ার ফুল ঝরা লাল গালিচায়।তখন জীবনের স্বাদটা সত্যিই অন্যরকম ছিল।এখন আর নিজের করে সময় বের করা হয়ে ওঠেনা।সারাদিন অফিস তারপর সংসারের টুকিটাকি কাজ করতে করেত মধ্যরাত
তারপর পরের দিনের জন্য ঘুমিয়ে পড়া।আবীর একটু পাশ ফিরে শোয়.পুরোন অভ্যাস মত হাতঘড়ি দেখে।রেডিয়ামের জ্বলজ্বলে কাটাটা জানিয়ে দেয় রাত পৌনে চারটা।পুরো বাসা নিঃস্তব্ধ।পাশের বস্তিতে একটা বাচ্চা কেদে ওঠে।ঢাকার অনেক কিছু পরিবর্তন হয়ে গেছে।আবাসিক এলাকায় রঙহীন বাসা আজকাল দেখা যায়না বললেই চলে।কিন্তু এই বস্তিগুলো আর তার ভিতরের মানুষগুলোর জীবন সংগ্রাম একই রকম আছে,আদিম অকৃত্রিম।
রাধা নাচে অচেনা ধারা
রাজণ্যগণ তরঙ্গরত, নগণ্য জরা
কীলক-সঙ্গ নয়নঙ্গ সকল কী?
কীর্তন মঞ্চ পরে পঞ্চম নর্তকী।
(প্রতিটি চরণ উল্টোদিক থেকে পড়লেও একই শোনায়। অবশ্য এখানে পুরোটা মিলিয়ে খুব একটা অর্থবোধক কিছু হয়নি। পাঠক আশাকরি নিজ মেধা ব্যবহার করে কোনো না কোনো অর্থ দাঁড় করিয়ে ফেলবেন, সেটাই ভরসা। আর একটা কথা, চতুর্থ চরণটি সম্ভবত শরৎচন্দ্র পণ্ডিতের কাছ থেকে ধার করা।)
বিস্তারিত»২৪৮ করে অল আউট হয়ে গেলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বাংলাদেশের লক্ষ্য : ২৪৮+১।
সিসিবি লাইভ টেলিকাস্টে আসুন সবাই
দলবেঁধে যোগদান করে
খেলাটাকে জমাই…..
কিভাবে সম্ভব…??? ব্যাপারটা শোনার পর আসল কাহিনি জানতে ইচ্ছা হল, আর আসল কাহিনি জানার পর মনে হল অনেকেই হয়তো আমার মত ব্যাপারটা জানেন না। তাই আমার মত ব্যাপারটা যারা জানেন না তাদের জন্য ঘটনাটা সিসিবিতে শেয়ার করার ইচ্ছা হল।
————————————————————————
২ সেপ্টেম্বর ১৭৫২। এইদিন রাতে স্বাভাবিক নিয়মে সবাই ঘুমাতে গেলেও অনেকটা সরকারী নির্দেশেই সবার ঘুম ভাঙ্গে ১১ দিন পর অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে।
বিস্তারিত»আকাশের বিশালতা কে
বক্ষে ধারন করবে বলে;
পরম মমতায় মনের মাধুরী মিশিয়ে
নিজ হাতে বানিয়েছি আমি
বত্রিশটা ছোট-বড় ঘুড়ি।
সকালের মিষ্টি রোদের মত কিছু ,
অন্য কিছু সুনীল সাগরের মত।
১.
ইঞ্জিনিয়ারিং এ সদ্য ভর্তি হওয়া তিন ছাত্রের তর্কের বিষয়বিস্তু ‘মানবদেহ কে নকশা করতে পারে?’
প্রথমজন বলল, ‘বোধহয় মেকানিক্যাল এঞ্জিনিয়রের কাজ। লিভার, পিভট প্রভ্বতি সবকিছুই তো আছে মানব দেহে। এটা মেকানিক্যাল না হয়ে যায় না’
আমি একজন বান্ধা গরু। আজ ৩১ এ জুলাই এক বছর পূর্ণ হবে, কিন্তু আমি হিসাব করে দেখলাম এই ৩৬৫ দিনের অর্ধেকের ও কম সময় আমি বান্ধা ছিলাম। আমি বান্ধা গরু হয়েও মাঠে চড়ে বেড়াচ্ছিলাম ছাড়া গরু হিসাবে। বউ প্রতিনিয়ত তার শাসন মালা জারী রাখত আটলান্টিকের ওপার থেকে (যারা আমার আগের কথা জানতে চান তারা এখানে ক্লিক করতে পারেন ছাড়া গরু অথবা বউ দূরে থাকার অসুবিধা সমূহ)।
বিস্তারিত»সপ্তাহের শেষে এসে মনে হচ্ছে গত সাত দিনে শুধু দুটো ঘটনা ঘটেছে, একটা হচ্ছে বৃষ্টি আর অন্যটা ক্লাস। বৃষ্টি তো মনে হয় এক মুহুর্তের জন্য থামেনি। এরকম বিরতিহীন ভাবে মুষুলধারে বৃষ্টি এর আগে কখনো দেখেছে বলে মনে পড়ে না। আর এই ঘুমের আবহাওয়াতে দিনে গড়ে ১০ ঘন্টা করে ক্লাস, পুরা পাগল হবার দশা।
এবার আমার তৃতীয়বারের মত চট্টগ্রামে থাকা হচ্ছে। এখানের মোটামোটি সব কিছুই কম বেশি ঘুরে দেখা হয়েছে।
বিস্তারিত»গত এপ্রিলে আমার বন্ধূ মাহবুবের শশুড় বাড়ী রাজশাহী গিয়েছিলাম। তখনি বললো জ়ুনে ‘আম খেতে চাপাই নবাবগঞ্জের ভোলাহাট যাওয়ার প্ল্যান আছে। ব্যাপারটা মাথায় রাখিস। সময়মতো ডেট জানানো হবে’। ভোলাহাট ওর মামা শশুড়ের বাড়ী।
প্ল্যান মাফিক বৃহস্পতিবার ছূটি ম্যানেজ করলাম। এখন যে ল্যাংড়া আমের সিজন। আগামী সপ্তাহে ফজলী। ১৭ জ়ুন বুধবার অফিস করে বাসায় গিয়ে কল্যাণপূর যাওয়ার জন্য বের হই এবং অবধারিত ভাবে ৪০ মিনিট দাড়িয়ে থাকার পর সি এন জ়ি পাই।
বিস্তারিত»এই বিষ্টিতে একলা থুয়ে
‘অলা তার কই চলে গেছে
কে জানে,
সে শুধু হুড তুলে
চুপচাপ বসে আছে
বিমর্ষ মেঘলা প্রাণে।
কাকভেজা কাটে তার
বৃষ্টির একাকী বিকেল
পারেনা বাজাতে আহা
টুংটাং অভিমানী বেল….
(অনুবাদ – সনেট ০৩ এ জিহাদের মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়ে রচিত প্রতিবাদ…)
‘পদ্য লেখা অতি সোজা’, সদ্য কবি বলে,
‘মগজ থাকুক, না-ই বা থাকুক ঘটে;
কাগজ এবং কলম হলেই চলে!’
শুনে এমন কথা, বললো সবে, ‘বটে!
ওহে লেখো দেখি, তাই যদি হয়, তবে
পদ্য এমন মহান, যাতে একসাথে
রইবেন রবি, শেক্সপিয়ারও রবে-
উঠবে ফুটে সমস্ত এক নকশাতে।’
কবি বলে,
বিস্তারিত»স্থানঃ লেকচার হল, ইউনিভার্সিটি অফ হিউস্টন।
তিল ধারনের জায়গা নেই লেকচার হলটিতে, এমনকি লেকচার হলের বাইরেও উপচে পরা ভিড়। স্টেজের উপর দাঁড়িয়ে একজন বক্তা স্পষ্ট আরবী এবং নির্ভূল কুরানিক ভাষায় যে বক্তব্য রাখলেন, তা শুনে বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে যে তাঁর জন্ম মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশে নয়। তিনি হলেন শেখ হামযা ইউসুফ, জন্মসুত্রে আমেরিকান এবং কনভার্টেড মুসলিম। গোটি স্টাইলের দাড়ি ও স্পোর্টস জ্যাকেট পরিহিত হামযা ইউসুফ দেখতে অনেকটা আমেরিকান কলেজ প্রফেসরের মত।
উড়ন্ত চুম্বনে বিশ্বাস নেই আমার,
অধরে অধর না মিলিলে কি চুম্বন হয়?
প্লেটোনিক প্রেম? হাহ্, সে কি হয় কখনো?
আমার প্রেম দেবরাজ জিউসের মতো।
হৃদয় জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি আমার, ধমনীতে তপ্ত লাভা,
প্রেমিকার চোখেমুখে উন্মত্ত কামনা, নেই লাজরাঙা আভা!
হৃদয়ের উত্তাপ দেহের উত্তাপে হিম হয় যখনি,
প্রেম তার সবকটি দ্বার খোলে তখনি।
মুস্তাকিম (৯৪-০০)
২০ তম ইনটেক
রংপুর ক্যাডেট কলেজ
৩০ জুলাই,