ঘুরে এলাম মেঘের বাড়ি- সাজেক!!!

“দুনিয়াটা অনেকের কাছে টেনিস বলের মতো ছোট্ট। একটুখানি। এরা নিত্যদিন নানা কাজে লন্ডন- প্যারিস- নিউইয়র্ক করে বেড়াচ্ছে। আর অনেকের কাছে এই পৃথিবী এক অফুরান তেপান্তরের দেশ; সাতসমুদ্দুর তেরো নদী, ভুত-পেত্নী, রাক্ষস খোক্কসে আকীর্ণ। তাদের অজানা দুনিয়ার শেষ নেই।”
বলাই বাহুল্য আমি পড়ি দ্বিতীয় দলে। ছোটবেলায় বছরে একবার আট-দশজনের দল করে একটা ভ্রমণ হতো বটে। একবার সিলেট, বেশ কয়েকবার চট্টগ্রাম- কক্সবাজার। ক্যাডেট কলেজের আধাসামরিক ভ্রমণগুলো ছিল অন্যরকম,

বিস্তারিত»

দেখে এলাম ভারতবর্ষঃ পর্ব ১

২০০৯ সাল থেকেই শুরু বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া।ক্যাডেট কলেজের বন্ধু,বড় ভাই,ডিপার্টমেন্টের বন্ধু,অন্য কলেজের বন্ধু…সবার সাথে একের পর এক ট্যুরে বেড়িয়েছি।কখনো পাহাড়ে,কখনো চরে,কখনো বা নির্জন দ্বীপ,সমুদ্র সৈকতে।২০১৫তে এসে ঠিক করলাম আমরা কয়েকজন,লেভেলটা এবার বাড়িয়ে নিতে হবে,ট্যুরে যাবো দেশের বাইরে।

সবাই স্টুডেন্ট আমরা,টিউশনি করে চলি।আমাদের পক্ষে থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুর যাওয়া সম্ভব নয়,অবধারিত ভাবেই ডেস্টিনেশান প্রতিবেশী দেশ,ভারতবর্ষ।কাশ্মীর যাওয়া অনেক খরচ,প্ল্যান হোল তাই,ঘুরে আসবো সিমলা-মানালি-দিল্লী-কোলকাতা। প্রায় একবছর ধরে প্ল্যানিং আর স্টেপ বাই স্টেপ আগানোর পর গত ২২ডিসেম্বর পা বাড়াই আমরা ইন্ডিয়ার পথে।সেই ট্যুরের অভিজ্ঞতা নিয়েই এই ব্লগ লেখা।আশা করি কারো হয়ত কাজে আসবে।

বিস্তারিত»

সাংহাইয়ের পথে পথে-১

ইউয়ুন গার্ডেনের সম্মুখ ভাগআপনি যদি ঘুরতে ঘুরতে কখনো সাংহাই চলে আসেন তবে প্রথমে কোথায় যাবেন? চোখবন্ধ করে চলে যান ইউয়ন গার্ডেন (ইউ গার্ডেন)। আধুনিক রমরমা এত আকর্ষণ থাকতে কেন আমি আপনাকে প্রথমেই একটি ক্ল্যাসিকাল বাগানবাড়ির কথা বলছি তার অবশ্য কারণ আছে।
‘ইউ গার্ডেন দ্যা ফরবিডেন সিটি’ ওল্ড সাংহাইয়ের উত্তর-পূর্বের অ্যানরেন ঝিতে অবস্থিত। তদানিন্তন মীং সম্রাজ্যের সরকারী কর্মকর্তা প্যান ইউনডন বৃদ্ধ বয়সে বাবা মায়ের সুখ ও শান্তি নিশ্চিত করতে এটি তৈরি করেন।

বিস্তারিত»

ছবিতে পালো ডুরো ক্যানিয়ন

এই উইকএন্ডে ঘুরে এলাম পালো ডুরো ক্যানিয়ন, অ্যামারিলো টেক্সাস এ। ছবিতে ছবিতে  ঘুরে আসি আমরাও…..

স্টেক আর রেড নেক টেক্সানদের গল্পটা সামনে লিখব ইনশাল্লাহ ………..

বিস্তারিত»

~ প্যারিস থেকে স্ট্রসবার্গের সেই ফ্লাইট ~

[ দ্য টরান্টো ডেইলী স্টার-এ ৮ সেপ্টেম্বর ১৯২২-এ প্রকাশিত আর্ণেস্ট হেমিংওয়ের কলামের অনুবাদ ]

আমরা বসে ছিলাম সস্তারও সস্তা সেই রেস্টুরেন্টে। যেটা কিনা তীব্র কোলাহলময় সামান্য সেই গলিটাকে আরো সস্তা করে তুলেছিলো। প্যারিসের ‘রু দ্য পেটি চ্যাম্পস’ নামের সেই গলিটার কথাই বলছি।

আমরা মানে মিসেস হেমিংওয়ে, উইলিয়াম ই. ন্যাশ, ন্যাশের ছোট্ট এক ভাই আর আমি। লবস্টার আর ফ্রায়েড সোল মুখে চালান করার ব্যস্ততার ভেতর দিয়ে থেমে থেমে কথা বলে যাচ্ছিলেন মি.

বিস্তারিত»

ভবঘুরে আর ইতালিয়ান বৃদ্ধের গপ্পো

বঙ্গসন্তানের ইউরোপ আগমনকে অকাল বৈধব্যের সহিত তুলনা করা যাইতে পারে। কেননা – স্বদেশের নিমিত্তে দীর্ঘশ্বাস ক্ষেপনের কোন ইয়ত্তা থাকে না। যাহাই সামনে আসুক না কেন, স্বদেশের প্রেক্ষাপটে উহা কী রূপে করা যাইত – তাহা ভাবিয়া কালক্ষেপণ করা নিত্যকর্ম হইয়া যায়। নরেন্দ্রর অবস্থা হইয়াছে ঠিক তদ্রুপ। শ্বেত-শুভ্র তুষারের উপর দিয়া হাটিতে যতটা না পুলক অনুভূত হয়, তাহার চাইতে টিনের চালে বৃষ্টির সহিত ব্যাঙের ডাক শুনিবার তৃষ্ণা প্রকট হইয়া মাথায় ঘুরপাক খাইতে থাকে।

বিস্তারিত»

অনেকদিন পর রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে

অনেকদিন পর রাজশাহী গিয়েছিলাম অফিসের কাজে। ভ্রমণ সঙ্গী সহকর্মী Monirul Karim । দু’জনেরই ইচ্ছে কাজের ফাঁকে রাজশাহী ঘুরে দেখা যতদূর সম্ভব, যতটুক সম্ভব। এয়ারপোর্টে গাড়ি নিয়ে এসেছিলো বিপুল। রাজশাহীর ছেলে। আমাদের মতলব শুনে বলল, ‘শার, আগে চলেন পুঠিয়া রাজবাড়ি যাই, ফেরার পথে পদ্মার পাড়, আর কালকেরটা কাল দেখা যাবে’। আমাদের সময় মোটে পরের দিনের বিকেলের ফ্লাইট পর্যন্ত। তার মধ্যে তিনটে অফিসিয়াল মিটিং সেরে, বিকাশের এজেন্টদের দু’একজায়াগায় ঢুঁ মেরে,

বিস্তারিত»

চীনের গ্রাম

অচেনা চীনে ১০
গত একশ’ বছরে ব্যপক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে চীন। রাজতন্ত্রের পতন, গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা, গৃহ যুদ্ধ, সীমান্ত সঙ্ঘাত, সমাজ তন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, সংস্কার, বিশ্বায়নের নামে পুঁজিবাদের বিকাশ, সবকিছুই ছুঁয়ে গেছে চীনা সমাজ। প্রভাবিত করেছে জীবন যাত্রা।

চীনের গ্রাম

হেংগাং পৌছানোর পর বুঝলাম পরিবর্তনটা সবচেবেশি ঘটেছে গ্রামে। চীনের ১০ লক্ষ গ্রাম গত তিরিশ বছরে পুরোপুরি শহর না হোক অবকাঠামোর দিক দিয়ে আমাদের দেশের গঞ্জ ছাড়িয়ে গেছে।

বিস্তারিত»

অচেনা চীনে-সদাই পাতি ২

অচেনা চীনে-সদাই পাতি ১

একদিন ভেনকে বলে আগেই চলে এসেছিলাম হোটেলে, আসলে ডাইজেষ্টার খোলা জোড়া করতে করতে এক ঘেয়েমিতে পেয়ে বসেছিল। কিন্ত হোটেল রুমে পৌছাতে না পৌছাতেই কারেন্ট চলে গেল। কারেন্ট না থাকলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুমে থাকার মত বিড়ম্বনা আর নেই। সকালে অনেক জ্ঞান দিয়েছে ভেন। ‘চীন এখন বিদ্যুতে স্বয়ং সম্পূর্ণ। বাংলাদেশের মত আর যে সব দেশে বিদ্যুৎ সমস্যা প্রকট তাদের জন্যেই পুক্সিন কোম্পানী তৈরি করছে বায়োডাইজেষ্টার’।

বিস্তারিত»

আবার কলকাতা ৯

আবার কলকাতা ৮
আবার কলকাতা ৭
আবার কলকাতা ৬
আবার কলকাতা ৫

এক দুপুরে ছোট মেয়ে বলল, বাবা কস্তুরিতে আর খাবোনা, অন্য কোথাও চল।
– অন্য কোথায়? প্রিন্সে খাবা?
– না প্রিন্স তো ওই একই খাবার।
– একই খাবার মানে,তুমি জানলা কী ভাবে? আমরা তো প্রিন্সে যাইনি

বিস্তারিত»

চীনের মসজিদ ১

এক বৃহষ্পতিবারে ভেনকে যখন জিজ্ঞেস করলাম তাদের এলাকায় মসজিদ আছে কী না, সে প্রথমে আমার প্রশ্নটাই বুঝতে পারল না । অনেক কায়দা কসরত করে তাঁকে বোঝাতে হল মুসলমানরা যেখানে প্রার্থনা করে সেটাকে বলে মসজিদ । সে বিজ্ঞের মত বলল, ‘ওহ আই নিউ ট্যট ইট ইস ইন মেক্কা’। কোন বুদ্ধিমান মুসলমান এরপর তাকে আর কোন প্রশ্ন করা সমীচীন বোধ করতেন কীনা সে বিষয়ে আমার সন্দেহ আছে।

বিস্তারিত»

গার্ডেন্স বাই দ্য বে সিঙ্গাপুর

২০১০ সালে মেরিনা বে স্যান্ডসের ৫৭ তলার ছাদে নারকেল গাছ দেখে আমাকে চমকে যেতে দেখে আমার মেজবান প্যাসিফিক মেরিনের ক্যাপ্টেন শাখাওয়েত বলেছিলেন, আরও কিছু দিন অপেক্ষা কর, সমুদ্রের দিকে নতুন পার্ক হচ্ছে, সারা বিশ্বের গাছ পালা সেখানে দেখতে পাবে।
২০১৩ সালে গিয়ে শুনলাম, সেই পার্ক ২০১২ সালের জুন মাসে দর্শনার্থিদের জন্যে খুলে দেওয়া হয়েছে। গার্ডেন্স বাই দ্য বে এখন সিঙ্গাপুরবাসীদের নতুন গর্ব।ভাবলাম আর কিছু দেখি না দেখি এই বিস্ময় উদ্যান না দেখে ফিরে যাওয়া যাবেনা।

বিস্তারিত»

আবার কলকাতা ৮

আবার কলকাতা ৪

পার্ক সার্কাসের পশ্চিম কোনায় যেখানে পার্কস্ট্রিট আর সার্কাস এভিনিউ মিলে একটি ত্রিভুজ রচনা করেছে সেখান থেকে বেরিয়ে পার্কস্ট্রিট আর আচার্য জগদিশ চন্দ্র বসু (এজেসি) রোডের প্রায় সমান্ত্রাল একটি সড়ক পশ্চিমে জওহার লাল রোড পর্যন্ত গিয়েছে। আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির নাম শেক্সপিয়ার সরণী। এই সড়কেরই পুরনো নাম থিয়েটার রোড। এখন অবশ্য কলামন্দিরের কাছে একটি যাত্রীছাউনি ছাড়া থিয়েটার রোড নামটি আর কোথাও চোখে পড়েনা।

বিস্তারিত»

আবার কলকাতা ৭

ঢাকা থেকে বন্ধুরা বলে দিয়েছিল, জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ি বললে যেকোনো ট্যাক্সিওয়ালা চোখ বুজে নিয়ে যাবে রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। কলকাতায় এসে বুঝলাম এখানকার ট্যাক্সিওয়ালাদের এখন চোখ ফুটেছে। চোখ বুজে ঠাকুর বাড়ি যাবার দিন শেষ। প্রথম যে ট্যাক্সি ধরলাম তার চালক বলল, ‘দাদা, ঠাকুর বাড়িতো বুঝলাম, ঠিকানাটা বলুন’। দুই-তিন জন ক্যাবচালকের কাছে একই রকম জবাব পেয়ে, সোহাগ ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস-এর (জি হ্যাঁ, আমাদের সোহাগ পরিবহনের সাথে সম্পর্কিত) সোনাভাই’র শরণাপন্ন হলাম।

বিস্তারিত»

গুডবাই ইউরোপ

এবছরের মতো বিদায়, ইউরোপ!

মস্কো এয়ারপোর্টে ট্রানজিট লাউঞ্জ থেকে।

[এইটাকে পরবর্তী ব্লগের বিজ্ঞাপণ ধরে নেওয়া যেতে পারে]

বিস্তারিত»