আমাদের যোগ্যতা কি আসলে এতটুকুই?

ধরুন, ক্রিকেটে মাঠে মুখোমুখি দুই পক্ষ। এক পক্ষে আছেন অভিষেকেই সবচেয়ে কম বয়সী শতরান করে ক্রিকেট বিশ্বকে আগমনীবার্তা ঘোষণা করা এক ব্যাটসম্যান, আছেন কিছুদিন আগেও আইসিসি টেস্ট ক্রিকেটারের রেটিং এ শীর্ষ স্থান অধিকার করে থাকা এক অল-রাউন্ডার। অধিনায়কের দ্বায়িত্ব পালন করছেন এমন এক লড়াকু ক্রিকেটার, খেলোয়াড়দের চিরশত্রু ইনজুরিকে যিনি জীবনযুদ্ধে একাধিক বার হারিয়েছেন। টেস্ট ম্যাচে ৭৮ উইকেট নেবার পাশাপাশি তিন হাজারের উপর রান করেছেন তিনি। দলের অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানের চাইতে তার রান বেশী! আর অন্যদিকের, ক্যাপ্টেন শেষ টেস্ট খেলেছেন একযুগ আগে, দলের ১১ জনের মধ্যে মাত্র চারজনের রয়েছে টেস্ট ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা। বাকিদের কেউ স্কুল ক্রিকেট, কেউ বা বয়স ভিত্তিক দলে খেলেন। এমন দুটি দলের মধ্যে যদি পাঁচ দিনের ক্রিকেট হয় তাহলে ফেভারিট কারা? নিশ্চিত ভাবে প্রথম পক্ষ! কিন্তু এখানেই ভুল টা করলেন, কারণ ক্রিকেট গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা, তাই সবসময় এখানে ফেভারিটরা জেতেনা!
ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া বা ভারতের মতো একক কোন দেশ নয়, ক্যারিবীয়ান সাগরের অনেক গুলো দ্বীপদেশের সমষ্টি যারা শুধুমাত্র ক্রিকেট খেলার জন্য এই একটি ছাতার নিচে সমবেত হয়। আধুনিক যুগের ক্রিকেটে যেখানে টাকা পয়সার জন্য খেলোয়াড়রা দেশের সিরিজের বদলে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে খেলতে আগ্রহী, সেখানে ক্যারিবীয়ান খেলোয়াড়দের তো দেশই নেই! তাই টাকা পয়সার বনিবনা না হওয়ায় বেঁকে বসলো ক্রিস গেইলের দল, পেশাদার ক্রিকেটারদের আ্যসোসিয়েসন জানালো দাবী মেনে না নিলে কোন খেলোয়াড়ই খেলবে না। কিন্তু যেমন বুনো ওল তেমনি বাঘা তেঁতুল! একরাতের মধ্যেই জোড়াতালি দিয়ে আরো একটি দল মাঠে নামিয়ে ফেললো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড। ভাগ্যিস , খেলাটা টেস্ট ম্যাচ, খেলোয়াড়দের গায়ের জার্সির পেছনে নাম লেখা নেই, একদিনের ম্যাচ হলে এতো অল্প-সময়ে হয়তো এগারোটা জার্সিই জোগাড় করা যেতনা!
এমনতর এক দলের বিরুদ্ধে বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম দিনে খেলো হলো মাত্র ১৮ ওভার, দুই ওপেনার মাটি কামড়ে থেকে কোন উইকেটের পতন হতে দিলেন না, স্কোরবোর্ডে রান ৪২, অবস্থা বিবেচনায় খারাপ নয়। দ্বিতীয় দিনের ৩৬ ওভারে রান উঠলো ৭৯, উইকেটের পতন ঘটলো ৬টি! ক্রিজে এসে আচমকা কোন অতি জরূরী কাজ মনে পড়ে যাওয়ায় যেন তড়িঘড়ি করে আবার ফিরতি যাত্রা করলেন ব্যাটসম্যান। স্টেইন-জনসন- ফ্লিনটফ নয়, মুরালি- ওয়ার্ন-মেন্ডিস নয় এমন বোলারদের উইকেট দিলেন ব্যাটসম্যানরা, যাতে বোলারের কৃতিত্বের চেয়ে ব্যাটসম্যানের অকৃতিত্বটাই বেশী। ডেভিড বার্নার্ড নিয়েছেন ২ উইকেট, যিনি এর আগের টেস্টম্যাচটি খেলেছেন অর্ধযুগ আগে এবং সেই ম্যাচে ১১ ওভার বল করে ৬১ রান দিয়েছেন, কোন উইকেট পাননি! অর্থাৎ টেস্ট ম্যাচেও গড়ে ওভার প্রতি প্রায় ছয় রান করে দিয়েছেন এই বোলার। তিনি তুলে নিলেন জুনায়েদ সিদ্দিকি ও রকিবুল হাসানের উইকেট! বিদ্রোহী ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লীগে যোগ দেয়া ও হালে ফিরে আসা, ‘দ্যা ওয়াইল্ড থিং’ টিনো বেস্ট নামের সাথে মিল রেখে দলের বেস্ট দুই ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও মোহাম্মদ আশরাফুলের উইকেট দুটি নিয়েছেন। আউট হবার ধরণ, অফ স্ট্যাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে খোঁচা, ধারাভাষ্যকারদের ভাষায় নাথিং শট!
যারা বলেন , দীর্ঘদিন বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটের বাইরে ছিলো বাংলাদেশ তারা এবার ব্যাটিং ব্যর্থতার কি অজুহাত দাঁড় করাবেন? ধারাবাহিক ব্যর্থতাই যে দলের নিশ্চয়তা, তাদের কাছে এর চেয়ে বেশি কিছু প্রত্যাশা করাটাই আসলে ভূল। টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির দীর্ঘ ৯ বছরেও আমরা তরুণ দলই রয়ে গেলাম, খেলার ধারাতেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এলোনা। তাই নির্মম হলেও প্রশ্নটা মাথায় জাগে, আমাদের টেস্ট মর্যাদা কি আমাদের যোগ্যতার পুরষ্কার নাকি ক্রিকেট কূটনীতির ফসল?
( ক্রিকেটটুমরো ডটকম’ এর জন্য লেখা, এখানেও দিয়ে দিলাম)

২,৭০২ বার দেখা হয়েছে

৪১ টি মন্তব্য : “আমাদের যোগ্যতা কি আসলে এতটুকুই?”

  1. সামীউর (৯৭-০৩)

    কি? পইড়া না না পইড়া? আচ্ছা ভাবিপ্পু, সুব্রত ভাই, নাসির ভাই মঈন ভাইদের রুম ক্রিকেট খেলা দলের সাথে বাংলাদেশের বিড়ালশাবকদের একটা খেলা হলে কে জিতবে?

    জবাব দিন
  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    দোস্ত এদের চাইতে তোর ভুলোকে খেলতে নামালেও বোধ হয় এর চেয়ে খারাপ খেলতোনা।আয়ারল্যান্ডের সাথে হারার পর রাগে দুঃখে বাংলাদেশের খেলা দেখবনা বলে ঘোষণা দিলেও বেহায়ার মত টেস্ট ম্যাচ দেখতে বসেছিলাম-আব্বুকে বলেছিলাম যে এইবার বাংলাদেশ হয়তো সিরিজ জিততে পারে।

    দোস্ত এদেরকে বরাহশাবক বললে বরাহশাবকের অপমান হয়।শিয়াল কুকুরদের চাইতেও এরা অধম।

    জবাব দিন
  3. আন্দালিব (৯৬-০২)

    আমি বাংলাদেশের খেলা দেখা বাদ দিয়েছি। অনেকদিন ধরেই এই সিদ্ধান্তটি নেবো নেবো করছিলাম। তারপরে যখন দেখলাম, সাধারণ মানুষের অতিশ্রমে, ঘামে, কষ্টে কামাই করা টাকা দিয়ে পেলে পেলে বড়ো করা, মাসে মাসে লাখ লাখ টাকা বেতন দেয়া অর্বাচীনদের মধ্যে দেশপ্রেম দূরে থাক, ন্যূনতম কর্তব্যবোধও নাই, তখন তাদের লজ্জাজনক প্রদর্শনী দেখা বাদ দিলাম। যতদিন আমি দুই টাকা হলেও ট্যাক্স দিচ্ছি আর সেই টাকায় মৌজমাস্তি করে এরা এমন আবালীয় খেলা দিবে, ততদিন এদের খেলা আমি দেখবো না।

    আমার সমর্থন দেশের জন্য অবলীলায়, কিন্তু এই স্টুপিডদের জন্য আমর কোনই সহমর্মিতা নাই।

    জবাব দিন
  4. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়াটা পুরোপুরি ডালমিয়ার রাজনীতির ফসল, তৎকালীন কোচ গর্ডন গ্রীনিচ এর বিরোধিতা করে চাকরি হারিয়েছিল।টেস্ট ক্রিকেটের স্বার্থেই আইসিসির উচিৎ বাংলাদেশের টেস্ট স্ট্যাটাস স্থগিত করা।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  5. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    সেদিনও জুনায়েদ সিদ্দিকীকে মেসেজ পাঠালাম এই বলে, "দেশের কোটি কোটি মানুষ তোমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। না খেতে পাওয়া গরীব মানুষগুলো তোমাদের কাছে টাকা পয়সা বা খাবার কিছুই চায়না। শুধু তোমাদের একটু ভালো খেলা ওরা দেখতে চায়। তোমাদের একটু ভালো খেলা চীরদুঃখী এই মানুষগুলোর সব দুঃখ ভুলিয়ে দেয়...না খেতে পাওয়া মানুষগুলো খাবার কষ্টও ভুলে যায়... এই দুঃখী মানুষগুলোর জন্য কি তোমাদের একটুও কিছু করতে ইচ্ছে করেনা?" একই মেসেজ মাশরাফি, সাকিব, আশরাফুল,রিয়াদ, মুশফিক ও রাজ্জাককেও দিতে বলেছিলাম (কারণ, ওরা সবাই-ই আমাকে খুব ভালো করেই জানে)। ঠাট্টা করে এটাও বলেছিলাম, "খারাপ খেললে কিন্তু এবার এক মাসের জন্য নিয়ে আসব, আর আরো কঠিন কঠিন সব ইভেন্ট করাবো তোমাদের দিয়ে।"

    কোন মটিভেশনই কাজে দেয়নি। ওরা যেখানে ছিল, ঠিক সেখানটাতেই আছে...। থাকবেনা ই বা কেন? বেতন, ম্যাচ-ফি, অন্যান্য সু্যোগ-সুবিধা কোনটারই তো কমতি হচ্ছেনা কোন...

    সেদিন অফিসে একটা চিঠি দেখলাম। সম্ভবত সাফ গেমসের বিভিন্ন ইভেন্টের প্লেয়াররা আমাদের এখানে ট্রেনিং'র জন্য আসছে। মনে প্রাণে চাইছি, ওদেরকে বাদ দিয়ে এই ক্রিকেট টীমটাকে আবার একটু পাঠাক...একদম মনে-প্রাণে বাংলাদেশী বানিয়ে ছাড়বো ইনশাল্লাহ...:mad:

    জবাব দিন
  6. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    পুরা ডাবল বাটে আছে এখন বিডি টিম 🙁
    জিতলে ক্রেডিট তেমন হবেনা, কিন্তু হারলে খবর আছে। এইরকম ধুনফুন টিমের লগেও যদি সেই আদি অকৃত্রিম খোচা দিয়া কট বিহাইন্ড হইতে হয় তাইলে কেমনটা লাগে 😡
    উইন্ডিজ পার্টি চিরাচরিত স্পিন দূর্বল দল। দেখা যাক বোলিং দিয়া কাইত করতে পারে কিনা আমাদের দল


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  7. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    ২০০ও হয়নাই, এতেই আট পিস গন 🙁
    মাশরাফি আর রাজীবের ইন্ডিয়ারে ভেল্কি লাগানো সেই পার্টনারশীপটার মতন আরেকটা ইনিংস দরকার 🙁


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  8. আরিফ (১৯৯৪-২০০০)

    ওদের ......দেশে একটা রড অর্ধেক......... দিতে হবে। তারপর বাইরের অর্ধেক অংশটা উত্তপ্ত লাল গরম করে দিতে হবে যেন হাত দিয়ে ধরে টেনে বাইর না করতে পারে...... x-( x-( x-(

    জবাব দিন
  9. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    এদের কাছ থেকে আর কিছু আশা না করাই ভালো।
    এদের যোগ্যতা আসলে এতটুকুই!


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  10. মুসতাকীম (২০০২-২০০৮)

    মাত্র ২৩৮ রানে অলআউট x-( x-( x-( x-(


    "আমি খুব ভাল করে জানি, ব্যক্তিগত জীবনে আমার অহংকার করার মত কিছু নেই। কিন্তু আমার ভাষাটা নিয়ে তো আমি অহংকার করতেই পারি।"

    জবাব দিন
  11. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    আমি বড়ই বেহায়া কখনোই কথা রাখতে পারি না। ঈদের দিন যেবার শ্রীলংকা না কানাডা কার সাথে হেরেছিল সেবার অবসর নিয়েছিলাম আর খেলা দেখব না (২০০৩ সালে) এক বছরের মাথায় আবার খেলা দেখেছি, আয়ারল্যান্ডের সাথে হারার পর আবার অবসর নিয়েছিলাম আবার টেস্ট দেখছি নিজেকেই ধিক্কার জানাই।

    জবাব দিন
    • আরিফ (১৯৯৪-২০০০)

      আর বইলোনা ভাই। ল্যাব এ কাজ বাদ দিয়া, প্রফেসর এর চোখ ফাকি দিয়া, কত কাহিনী কইরা নেট এ খেলা দেখি। তারপর এই কুচ্ছিত কুকুরের খোকন গুলার আউট হওয়া আর পাশে বশে থাকা ইন্ডিয়ান স্টুডেন্টগুলার গা জালানো হাসি দেখলে......কেম্নে কি?? ...। x-( x-( x-(

      জবাব দিন
  12. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    টিপিক্যাল রিপোর্ট। অন্য সাংবাদিকরা যেভাবে তুলোধুনো করে খেলোয়ারদের সেরকম। তাই ভালো লাগলো না। অন্য ভাবে বলার চেষ্টা করে দেখতে পার।

    মনে হচ্ছে তুমি "সাংবাদিকতা" পেষা হিসেবে নিতে যাচ্ছ, তাই একটু চাচাছোলা কথা বলে ফেললাম, নিজের জন্য একটা ষ্টাইল বানাতে পার কিনা দেখ, নিজস্ব ষ্টাইল।


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  13. সামীউর (৯৭-০৩)

    ফয়েজ ভাই, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। করলাতে মিষ্টতা আশা করা অর্থহীন। যেখানে ইতিবাচক কিছু নেই সেখানে ইতিবাচকতা খোঁজা উলুবনে মুক্তো খোঁজার মতোই। আমরা বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচ খেলি না, একটা টেস্ট সিরিজ খেলে অনেক দিন বসে থেকে আরেকটা সিরিজ আসে, ইত্যাদি অনেক অজুহাতই বোর্ড বা খেলোয়াড়রা হারের কারণ হিসেবে দাঁড় করায়, কখনো জেতার জন্য অতিরিক্ত চাপ (!), আচ্ছা হারার জন্য কেউ কি মাঠে নামে? অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে যদি জনসনের কাছে ৫ উইকেট হারাতো, পন্টিং, হাসি- রা সেঞ্চুরি করতো এতো খারাপ কিন্তু লাগতো না। এই দলের মাত্র চার জনের আগে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা, আর আশরাফুল খেলেছে ৪৯ তম ম্যাচ, কিন্তু এখনো এই একই ভাবে আউট হওয়া, সেই একই খোঁচা।ক্রমাগত বাংলাদেশের পরাজয়ের খবর লিখতে থাকলে অনেক সময় আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন,আশা করি ব্যপারটা বুঝবেন।

    জবাব দিন
  14. মহিব (৯৯-০৫)

    আমারও লজ্জাশরম নাই। আজকে রাত নয়টা বাজে আবার টিভির সামনে গিয়া বসুম। রাতের চারটা বাজে বলুম- শালা, আর যদি কুনদিন তোদের খেলা দেখছি। তারপর- আবার কালকে রাতে গিয়া বসুম টিভির সামনে- কালকে রাতে চাইরটা বাজে ঘুমাইতে যাওয়ার সময় আবার বলুম, শালা আর যদি কুনদিন তোদের খেলা দেখছি। তারপর x-(

    জবাব দিন
  15. খেলা তো খেলাই । তাই খুব একটা বিচলিত নই দেশের খেলায় ব্যর্থতায়। তবে নিচের মত ঘটনায় বিচলিত।

    ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগের গতকাল শুক্রবার রাতে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে ফাতু বেগম সীমু (২২) নামে এক সেনা সদেস্যর স্ত্রী নিহত হেয়েছন৷ আহত হেয়েছেন ওই সেনা সদস্য নিজে৷ পুলিশ জানায় , সেনা সদস্য রফিকুল গত ৪-৫ দিন আগে ছুটি কাটাতে নবীনগর উপেজলার বিদ্যাকুটে নিজ বাড়িত বেড়াতে আসেন৷ গতকাল তিনি তাঁর শ্বশুর বাড়ি সিলেট থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যাকুটের মহেশপুর এলাকায় ছিনতাইকারীরা তাদের গতি রোধ করে৷ এসময় ছিনতাইকারীরা তাঁদের ওপর উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত চালায়। ছুরিকাহত ফাতু বেগম সীমু ঘটনাস্থলেই মারা যান৷ গুরুতর আহত অবস্থায় রফিকুলকে কুমিল্লা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছ৷

    কবে যে দেশ একটু নিরাপদ হবে গরীবদের জন্য।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।