“তেলাপোকা কেন উল্টে মরে ”

অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ

 

চিঠিটা খুলে বার বার দেখি

আরও একবার-

লেখাগুলোর উপর হাত বুলোই,

নিস্প্রান এই লেখাগুলো এত সজীব কেন?

কি মায়ায় এরা আমাকে ডাকে-
বারেবার;  জানিনা।
মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে
কখনও বা উপদেশ,  আবার হঠাৎ হঠাৎ –
খুচরো কিছু ভালোবাসার আবেশ।

খাটের পাশে রাখা  গিটারটা তুলে নেই
“টুং টাং” কিছু অচেনা সুর –

বিস্তারিত»

তোমার হাতটা ধরতে দেবে তো?

আজ ভোরের সূর্যটা দেখেছিলে নিশ্চয়ই?

শীতবুড়ির কুয়াশার চাদরের আড়াল থেকে বেড়িয়ে কেমন রঙ্গিন হয়ে উঠেছিলো!

কিন্তু সেই রাঙা রোদ নয়, তোমার রাতজাগা চোখের তারায় ঝিকমিকিয়ে উঠা

দেশপ্রেম আর চেতনা আমার ঘুম ভাঙিয়েছে আজ!

ভোরের প্রথম আলোকরশ্মি মেখে মিটমিটিয়ে হাসছিল জড়াজড়ি করে দাঁড়ানো

রংধনু রঙ ডালিয়া, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকারা-

কিন্তু তোমাদের তুলির আঁচড়ে জ্বলজ্বল করতে থাকা প্রাণের বর্ণমালা যখন

ব্যানার,

বিস্তারিত»

অপূর্ণতা ( নামটি কিন্তু হতে পারত রেড কার্ড)

অপূর্ণতা ( নামটি কিন্তু হতে পারত রেড কার্ড)
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ–

না! হলনা।
এবারও হলনা।
ছুটতে ছুটতে এবারও  তার কাছে পৌছেছিলাম-
কিন্তু কি লাভ ?
তাকে তো পাওয়া হলনা।
তাকে দেখলাম, অনুভব করলাম
এমনকি মাড়িয়ে এলাম – তার ছায়াও
কিন্তু সে এবারও হেসে গেল বিদ্রুপের হাসি।
বিদ্রুপ ! উপহাস !
এগুলোই কি কেবল বরাদ্দ আমার জন্যে ?
হয়ত হ্যাঁ ।
ভাগ্যবিধাতা হয়ত আমায় দেখে শুধুই দীর্ঘশ্বাস ফেলেন…

বিস্তারিত»

খেলাঘর

খেলাঘর
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ
(………………………………………… this is dedicated to all cadets of 53rd batch of fcc)

আমি কোন বিতর্ক করতে আসিনি,
আসিনি কোন উপদেশ দিতে
শুধু একটি গল্প বলতে এসেছি,
শুধু একটি গল্প।
নাহ! এ কোন ইতিহাস নয়,
রূপকথা? তাও নয়,
শুধুই গল্প, শুধুই কল্পনা –
“একটা ঘর ছিল, খেলাঘর,
খেলার জন্য কিছু পুতুল, সুতো আরও কত কি!
পুতুলগুলো যেন ঠিক লজ্জাবতীর পাতা,
একে অন্যকে আড়াল করে ফেলত পরম মায়ায়
যেন কেউ ছুঁতে না পারে।

বিস্তারিত»

ডায়রি

ডায়রি
১৫ডিসেম্বার ২০১২
সবাই বলে –আমি না’কি ঠিক আমার বাবার মত।সেই নাক,সেই চোখ,সেই চেহারা।আমি আবার এত কিছু বুঝি না।জমজ ভাইবোনদের ভেতরই আমি মিল পাই না,আর তো বাপ-ছেলে!কিন্তু বাবার সাথে আমার মিল আছে।স্বভাবের মিল,অভ্যাসের মিল; তাও আবার যে-সে অভ্যাস ন্য।ডায়রি লেখার অভ্যাসের মিল।বাবা প্রচুর ডায়রি লিখতেন যেই অভ্যাস পৈতৃক সূত্রে আমার পাওয়া।বাবা সেগুলো রেখেও গেছেন আমার জন্য,কিন্তু সেগুলো পড়া বারন আমার।বাবা না’কি ফুফুকে বলে গিয়েছিলেন ২০ বছর হবার আগে যেন কোনভাবেই সেইগুলো আমাকে পড়তে দেওয়া না হয়।না আমার বাবা কোথাও ঘুরতে যান নি,আমাদের ছেড়ে পালিয়েও যাননি।উনি আর নেই।ঢাকা ভার্সিটির টিচার ছিলেন,

বিস্তারিত»

ইস্তানবুলের ডায়েরি

সময়কে যদি বহমান এক নদীর সাথে তুলনা করি তাহলে জীবনের ওই দুঃখগুলোকে বলতে হবে বহমান ওই নদীতে ভেসে থাকা ছোট ছোট কচুরিপানা। প্রবাসী জীবনের কেটে যাওয়া ৪ টি বছরে পরিকল্পনার ছকে এসেছে নানা রকমের পরিবর্তন আর জীবন পেয়েছে বাস্তবতাকে মুখোমুখি করে দেখার সুযোগ। পরিচিতি লাভ করেছে সেই সব সংগ্রামী মানুষের যারা হয়তবা ছোট ছোট স্বপ্ন বুকে বেঁধে পাড়ি দিয়েছিল মাতৃভূমিকে ছেড়ে হাজার হাজার মাইলের পথ…দেখেছিল রঙিন এক স্বপ্ন আর যাদের বুকের আশায় ছিল মাতৃভূমিতে ফেলে আসা আত্মীয় স্বজন ও মা বাবা…উন্নয়নশীল দেশের কিছু খেটে খাওয়া মানুষজনের সেই স্বপ্নগুলোকে আমি হয়তবা আমার ডায়রিতে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আবদ্ধ করতে পারব না কিন্তু হয়তবা আমি পরিচয় করিয়ে দিতে পারব তাদের আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সেই সংগ্রামকে…

বিস্তারিত»

ঈদের চাঁদের হাসি

অণুগল্প লিখবো বলে অনেক আয়োজন করে বসেও থেমে যেতে হয় শুরুতেই। ট্রেনের হুইসেল শুনে কানপাতি আমি, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে আপনমনেই বলি,” মহানগর এক্সপ্রেস! ট্রেন এসে গেছে!” নৈঃশব্দের রাজ্য ক্যাডেট কলেজের নীরব-নিশ্চুপ বাতাস কেটে ট্রেনের হুইসেল থেকে থেকে কানে আসে অনেকক্ষণ। স্পষ্ট শুনতে পাই, হেলেদুলে যেতে যেতে ট্রেনটা আমাকে বলছে,” ভালো থেকো খেয়াসোনা!” শ’কিলোমিটার দূরে বসে এই ট্রেনের জন্যে যে আরেকজন অপেক্ষা করে থাকে।

বিস্তারিত»

তিন তিতলী

“মেঘ বলেছে যাবো যাবো” বইটি দ্বিতীয় বারের মত পড়া শেষ করেছি। আমি তখন নবম শ্রেনীতে। ফাইনাল পরীক্ষা শেষ। ছুটি আর কয়েক দিন পর। আমাদের ক্যাডেট কলেজে অনেক নিয়ম কানুন। গল্পের বই পড়ার সময় ও সুযোগ সব সময় মেলে না। তবে এই সময়টা সবাই গল্পের বই পড়ে কাটায়। শিক্ষকরাও আমাদের মনের অবস্থা বুঝতে পেরে তেমন কিছু বলেন না। হাতে পড়ার মত কোন বই না থাকায় বন্ধু তৌফিকের কাছ থেকে নিয়ে এই বইটিই আবার পড়লাম।

বিস্তারিত»

স্বয়ম্বর সভা ও কয়েকটি প্রেমের একটি গল্প

হাতের ক্যাপটা ডলে ডলে সমান করতে করতে চতুর্থবারের মতো ঘোষণা করে পারিসা,” আমার ভাল লাগছেনা।“ পাশে বসা তামান্না ওকে ফিসফিস করে বলে,” সারাক্ষন ভালো লাগে ভালো লাগেনা বলতে থাকলে ভালো লাগবেটা কি করে শুনি? আমার তো মজাই লাগছে।“ পারিসা হতাশ হয়ে কাধ ঝাঁকায় একবার, আড়চোখে চারপাশটা আরেকবার দেখে নেয়। অডিটোরিয়ামটা ভালোই লাগে ওর কাছে, এখনো মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়নি বলে চারপাশে একটা মৃদু গুঞ্জন। ICCLMM  এ আসার অভিজ্ঞতাটা পারিসার জন্য নতুন,

বিস্তারিত»

ক্যাডেট জীবনে ঘটনার ঘনঘটা

ঘটনা : ১

আমার ক্যাডেট কলেজের ১ম দিনটা নিয়ে বলতে গেলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের সাহায্য নিয়ে বলতে হবে…… শেষ হইয়াও হইবে না শেষ১টা ব্লগ লিখে ফেললাম অথচ এখনও সব কাহিনী শেষ হয়নি। আরও ১টা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ঘটনাটা ঘটেছিল আমাদের ক্যাডেট লাইফের ১ম ডিনারের পর, যখন আমরা হাউজে আসলাম। হাউজে এসে জানলাম ক্যাডেটদের নাকি রাতে ঘুমানোর সময় শয়ন পোশাক পরিধান করতে হয়।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজে ঘটনাবহুল প্রথম রাত

ঘটনা : ১

বাবা মা চলে যাওয়ার পর যথারীতি আমি সহ আমার ডর্মের বাকি ৩ জন তুমুল কান্নাকাটি শুরু করলাম। কে কাকে থামাবে… কেউ একটু থেমে যেতে গেলেই আরেকজন আরও জোরে শুরু করে দেয়। এমন মুহূর্তে হাউজ বেয়ারা দিদির আগমন।
ডর্মে ঢুকেই বললেন” তোমাদের মধ্যে মীম কার নাম?”
স্বাভাবিক ভাবেই প্রচণ্ড ভয় পেয়ে গেলাম…… “আমি।”  কান্নার জন্য না ভয়েই কেঁপে জবাব দিলাম।

বিস্তারিত»

আমার নতুন পরিচয়: আমি ক্যাডেট

১৫ এপ্রিল, ২০০৬। বাসে উঠলাম সকাল বেলায় আব্বু আম্মুর সাথে…… গন্তব্য ফেনী। বাসে উঠেই আম্মু প্রথমে  আমাকে যা যা বোঝানো শুরু করল তা হল ক্যাডেট কলেজে যেন ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করি,নামাজ পড়ি, ঠিক মতো পড়াশোনা করি,নিজের যত্ন নেই আর…… আর যাই হোক মাথা গরম করে আমি যেন কার সাথে মারামারি না করি। কারণ সেই পিচ্চি বেলায় ক্লাস থ্রি তে থাকতে ঘুষি মেরে ১ টা  ছেলের নাক ফাটিয়ে দিয়েছিলাম।

বিস্তারিত»

লোডশেডিং ও একটি ভূতের গল্প

প্রায় একমাস ছুটি কাটিয়ে কলেজে পৌঁছাবার পর রাতেরবেলা আমাদের গল্প যেন আর ফুরাতেই চাইতোনা! একেজনের পেটে কত কথা! কার চুল কতো সে.মি বড় হলো এই ব্যপারে নিরীক্ষামূলক প্রতিবেদন উপস্থাপন থেকে শুরু করে ছুটিতে টিভিতে দেখে আসা বিজ্ঞাপনের মডেলদের অঙ্গভঙ্গি অনুকরণ- নানারকম আলোচনায় গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত থাকি আমরা। সেবারও ব্যতিক্রম হয়নি, ব্যাগ থেকে জিনিসপত্র বের করে লকারে গুছিয়ে রাখতে রাখতে অনর্গল বকে যাচ্ছি। তখনই মৌসুমি ব্যাগ থেকে একটা কি যেন ক্রিমের টিউব বের করে আমাদের সবাইকে দেখিয়ে সেটার গুণকীর্তন করতে লাগলো,

বিস্তারিত»