“কফি হাউসের সেই আড্ডাটা”

রংপুর ক্যাডেট কলেজের ২৭তম (২০০১-২০০৭) ইনটেকের বানানো “কফি হাউসের সেই আড্ডাটা” ভিডিওটার কপিরাইট অনুমতি নিয়ে ইউটিউবে আপলোড করে দিলাম। কারন, অনেকের হয়ত .mp4 ফাইল থেকে ভিডিওটা দেখতে সমস্যা হয়েছে। তাছাড়া, ইউটিউবে ভিডিওটা থাকলে সবার দেখতে সুবিধা হবে। নিচে ভিডিওটা দিলাম।

বিস্তারিত»

ভিডিও পোস্টঃ কফি হাউসের সেই আড্ডাটা…

প্রায় একবছর আগে সিসিবি’র যাত্রা হয়েছিল শুরু। পুরাটাই নিজস্ব স্বার্থে। আমাদের লেখার কোন জায়গা ছিল না। থাকলেও আমাদের বিষয়বস্তু একটু অন্যরকম হবার কারণে কমিউনিটি ব্লগে দেবার আগে দুই একবার ভাবতে হতো। পাহাড় সমান জমিয়ে রাখা স্মৃতিকথাগুলো আমরা তাই নিজেদের জায়গায় লেখা শুরু করলাম…

হতে পারে স্মৃতিকথা বেশীদিন লাগাতার হজম করা যায়না। লেখক, পাঠক সবারই একঘেয়ে লাগে। তাই আজ-অবদি আমরা অনেককেই পেয়েছি যারা হঠাৎ করে এসেছেন,

বিস্তারিত»

২ = ৪

আমাদের ব্যাচের একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ক্লাস এইটে পড়া অবস্থায় একবার অঙ্কের হাই স্যারকে প্রমান করেছিল যে ২ = ৪। নিম্নে তার প্রমাণ দেয়া হল।( ^ দিয়ে পাওয়ার এবং * দিয়ে গুনন বুঝান হয়ছে।)

মনে করি a=2;

a^2-a^2=(a+a)*(a-a) [ যেহেতু a^2-b^2= (a+b)*(a-b)]

a*(a-a)=(a+a)*(a-a) [উভয় পক্ষে (a-a) কমন]

a=a+a

2=2+2

২ = ৪ (প্রমাণিত)

ক্লাস এইটে এই প্রমান আমাদের মুগ্ধ করেছিল।

বিস্তারিত»

দুটি কবিতা

বছরের বিভিন্ন সময় ইংরেজীর খেতাব স্যারের উতপাত বেড়ে যেত। বিশেষ করে আমাদের রংপুর ক্যাডেট কলেজের ইংরেজী বার্ষিক পত্রিকা sprout প্রকাশের আগে আগে। স্যার যাকে কাছে পেতেন তাকেই ইংরেজী কবিতা অথবা কিছু একটা লিখা দেয়ার জন্য অনুরোধ করতেন। বেশিরভাগ সময় অবশ্য অনুরোধ না করে আদেশ করতেন। বিশেষ করে জুনিয়র ক্লাসের ক্যাডেটদের বেশি আদেশ করতেন লিখা দেয়ার জন্য। স্যার একবার মান্নানকে sprout এর জন্য কবিতা লিখতে বলেছিল।

বিস্তারিত»

ভূমিকম্প

লোকমুখে শুনলাম কাল ইফতারের আগে এবং আজান দেবার পরপরই মোট তিনবার ভূমিকম্প হয়েছে ঢাকাতে। বাংলাদেশে আমার ভূমিকম্পের তেমন কোন স্মৃতি আমার মনে পরে না। অনেক ছোট থাকতে  (১৯৮৮ সালের দিকে) একবার ভূমিকম্পের কথা অস্পস্ট মনে আছে কিছুটা। ২৬ ডিসেম্বর ২০০৪ এর সুনামীর ভূমিকম্প বাংলাদেশে অনুভুত হয় সকাল ৮ টার দিকে। আমার সকাল ৮ তার ঘুমের তীব্রতা ছিল সেবারের ভুমিকম্পের চেয়ে বেশি, তাই সেবারের ভুমিকম্পও আমার টের পাওয়া হয়নি।

বিস্তারিত»

পরাটা ও পুডিং … ডাইনিং হল সমাচার

তৌফিকের পরাটা আর পুডিং এর পোস্ট পড়ে রোজার অবস্থা টাইট। মন আনচান করছে কলেজের সেই শক্ত, চামড়ার মত অসীম স্থিতিস্হাপক পরাটাগুলার জন্য। ভেবেছিলাম পোস্টের কমেন্টে কিছু স্মৃতি যোগ করব। পরে স্মৃতির ভিড় এতই বেশি যে পুরো পোষ্টই অবতারনা করলাম ।

কলেজে ক্লাস সেভেনে এসে পরাটার পুরো মাহাত্ম বুঝতে পারিনি। কলেজে এসেই জানতে পারলাম এমন কিম্ভুত, ঠান্ডা, স্থিতিস্থাপক জিনিসটা যে পরাটার মত সুস্বাদু জিনিসটার নাম ধারন করে বসে আছে ।

বিস্তারিত»

ক্রিকেটারের শাস্তি ……

( আমার হাউসের বন্ধুরা, এদের অনেকেই ক্রিকেট খেলার দায়ে দোষী)

.

.

.

ক্লাস সেভেনের প্রথম কয়েক মাস ছিল বড়ই ভয়ংকর। চারিদিকে সিনিয়র ভায়েরা। সদা সর্তক থাকতে হয়, কখন কি ভুল হয়ে যায় । দিনে ড্রিল আর রাতে বিরক্তিকর প্রেপ । এর মধ্যে মজার সময় হলো একটাই । সারাদিন ড্রিলের কারনে আমাদের নাইট প্রেপে শর্ট করে আধা ঘন্টা আগেই ছুটি দেয়া হতো ।

বিস্তারিত»

ব্যাকগিয়ার……

তখন সম্ভবত আমরা ক্লাস টেন এ। অলরেডী আমি আর আমিন ওমর ফারুক হাউসের ক্লাস টুয়েলভের টার্গেট। এর আগে আবার একদিন হাসান স্যার আমাদের ডেকে নিয়ে থ্রেট দিসেন যে আমরা নাকি হাউসকে ব্যাকগিয়ার দিচ্ছি (ব্যাকগিয়ার হলো : ইচ্ছে করে কম্পিটিশনে খারাপ করা। ক্লাস টুয়েলভের সাথে আমাদের রেশারেশি ছিল বলে ক্লাস টুয়েলভ ধারনা করতো আমরা ইচ্ছে করে হাউস কম্পিটিশনে খারাপ করতাম)। আমাদেরকে উনি হাউস থেকে বের করে দিয়ে হাসপাতালে রাখবেন ।

বিস্তারিত»

একজন সফল প্রিন্সিপালের কথা

আমরা যখন ক্লাস টুয়েলভে পড়ি তখন আমাদের কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন লেঃ কর্নেল মোকাররম আলী স্যার। আমার জীবনের দেখা কয়েকজন ভাল মানুষের মধ্যে তিনি একজন। স্যার আমাদের অনেক আদর করতেন। ক্যাডেট কলেজে সাধারনত প্রিন্সিপালের সাথে ক্যাডেটদের ইন্টারেকসন কম হয়। কিন্তু মোকাররম স্যার ছিলেন একেবারেই আলাদা। সবসময় ক্যাডেটদের সাথে অনেক মেলামেশা করতেন। তিনি আমাদের সাথে গেমস টাইমে ভলিবল খেলতেন, ক্লাসটাইমে প্রায়ই আসতেন আমাদের সাথে গল্প করার জন্য।

বিস্তারিত»

আমার প্রথম ই,ডি,

আমাদের কলেজে ইডি খাওয়ার ঘটনা খুব কম ছিল। খুব গুরুতর অপরাধ করলে ইডি ইসু করা হত। আমাদের ১৯৯৩ ইনটেকের সিলেট ক্যাডেট কলেজের অনেকে নাকি ২৫-৩০ টা ইডি খাইছে। কিন্তু রংপুরে আমাদের ব্যাচের কেউ মনে হয় ৫ টার বেশি ইডি খায়নি ৬ বছরে। অধিকাংশ ক্যাডেট ৬ বছর ইডি না খেয়েই ক্যাডেট কলেজ পার পেয়েছে। যেই সামান্য কয়েকজনের ইডি খাওয়ার সৌভাগ্য হয়, আমি ছিলাম তাদের মধ্যে একজন।

বিস্তারিত»

মহান ১৪ই আগস্ট (পাঙ্গা দিবস)

আগামীকাল ১৪ই আগস্ট। রংপুর ক্যাডেট কলেজের ১৯তম (১৯৯৩-১৯৯৯) ইনটেকের জন্য এই দিনটি ছিল পাঙ্গা দিবস। ঘটনার সুত্রপাত হয় ১৯৯৩ সালের ১৪ই আগস্ট। দিনটি ছিল শনিবার। কলেজ এসেম্বলী ছিল সেই দিল। আমাদের ইনটেক হয়েছিল ২০ মে ১৯৯৩। তখন আমরা ক্লাস ৭ এ পড়ি। কলেজ এসেম্বলী শেষ হবার পর কলেজ প্রিফেক্ট এক এক ক্লাসকে ক্যারি অন করাচ্ছিল। সেই সময় এসেম্বলী রুমে অনেক চিল্লাচিল্লি হয়। সম্ভবত সিনিয়র কোন ব্যাচ এই চিল্লাচিল্লি করে।

বিস্তারিত»

আমার প্রথম পোস্ট

ক্যাডেট কলেজ ব্লগে সবার পোস্ট পড়তে অনেক ভাল লাগে। আমি মাসখানেক আগে এই ব্লগে জয়েন করেছি। লিখার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু লিখার কোন টপিক পাচ্ছিলাম না। তাই আজকে আপনাদের, তোমাদের ও তোদের সবার জন্য ২ টা ভিডিও দিলাম। আমাদের রংপুর ক্যাডেট কলেজের ১৯তম ইনটেকের (১৯৯৩-১৯৯৯) ১৪ বছর এবং ১৫ বছর পুর্তি উপলক্ষে ভিডিও ২ তা বানানো হয়েছিল। আমাদের ইনটেক হয়েছিল ২০ মে ১৯৯৩। তাই ভিডিও ২টা যথাক্রমে ২০ মে ২০০৭ এবং ২০ মে ২০০৮ এ রিলিজ করা হয়।

বিস্তারিত»

জাহেল,আনপড়াহ……

আমাদের ইসলামিয়াতের টিচার আনিস স্যার। সদ্যই ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করেছেন। প্রথম ক্লাস নিতে এসেছেন আমাদের ক্লাসে। স্যার পড়াতে পড়াতে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে যান। স্যার পড়াচ্ছিলেন জিহাদ নিয়ে । “জিহাদ হলো রিপুর সাথে। জিহাদ হলো নিজের নফসের সাথে। (স্যার অলরেডি জিহাদী জোসে উত্তেজিত ও বলার সাথে সাথে নিজের বুকে দুম দুম করে কিল দিতে থাকলেন) “জিহাদ ইন মাই চেস্ট ( দুম করে বুকে কিল) , জিহাদ ইন মাই মাইন্ড (আবার বুকে কিল) “।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট জীবন : বন্দীত্ব না মুক্তি

লেখাটা লিখেছিলাম আমাদের ব্যাচের ব্লগসাইট www.ccr19.com এ আমাদের ক্যাডেট কলেজে ভর্তির 14 তম বার্ষিকী উপলক্ষে । বাইরের সবাই ভাবে ক্যাডেট কলেজ বুঝি একটা জেলখানা । ক্যাডেট কলেজে থাকার সময় আমারও এমনই ধারনা ছিল। কিন্তু যখন কলেজ থেকে বের হলাম দেখলাম আসলে ক্যাডেট কলেজেই বেশি উপভোগ করেছি সময়টা। নিয়মের মধ্যে থেকেও যেন অন্যরকম স্বাধীন ছিলাম। আমার কবিতাটা এ উপলদ্ধি থেকেই লেখা। আপনাদের মতামত জানতে পেলে খুশি হবো।

বিস্তারিত»