প্রসঙ্গ : পরকীয়া – তৃতীয় পর্ব

প্রসঙ্গ : পরকীয়া – প্রথম পর্ব
প্রসঙ্গ : পরকীয়া – দ্বিতীয় পর্ব

ছয়
এত সহজ কারণ (পরকীয়ার)? পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ প্রেমগুলো যে পরকীয়াই। মানসিক সঙ্গের জন্য কি (পরকীয়ায়) জড়ানো সম্ভব নয়?
প্রশ্নটা একজন গুনি লেখক ও কবির।
তাঁর নিজেরও চমৎকার লেখালেখি আছে “সাহিত্যে পরকীয়া” নিয়ে।
আমার উত্তর:
সঠিক সময়ে দুজন সঠিক মানুষের মধ্যে যা ঘটে,

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ : পরকীয়া – দ্বিতীয় পর্ব

প্রসঙ্গ : পরকীয়া – প্রথম পর্ব

চার
যেসকল পুরুষ পরকীয়াই শুধু না, একটিভ পরকীয়ায় জড়ান, তাঁরা প্রধানতঃই হলেন: সফল, দায়িত্ববান, সুখি দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন যাপনকারী।
এদের কেন পরকীয়ার দরকার পড়ে?
প্রচলিত ধারণাগুলো হলো: ১) আসলে লুইচ্চা ছিল, এখন সুযোগ পেয়ে সেটা প্রকাশিত হয়েছে, ২) পুরুষ মাত্রই এরকম, বহু নারীতে আগ্রহী ৩) বউ পুরান হয়ে গেছে, নতুন কিছু চায়।

বিস্তারিত»

রোম্যান্টিক মুভি বিড়ম্বনা

ভারতবর্ষের অধিকাংশ মুভিগুলোই রোম্যান্টিক ভালোবাসাকে সম্বল করে এর পটভূমি তৈরি করে। এখানকার গানের কথাগুলোর ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য। হলিউড বা পাশ্চাত্য কিন্তু এই ব্যাপারে বাতিক্রম। তারা আমাদের পরিচালক অথবা গীতিকারদের মত ভালোবাসা নিয়ে এতটা আচ্ছন্ন নয়। জানিনা আমাদের এরকম প্রবণতা কেন।
মুভিকে যদি একটি দৃষ্টিকোণ থেকে কল্পনা বিলাস বলা যায়,যেখানে অপূর্ণ ইচ্ছাগুলোর বহিঃপ্রকাশ ঘটে তাহলে বলা যেতে পারে এখানকার মানুষগুলো বড়ই ভালোবাসা বঞ্চিত।
মুভি নামক কল্পনার জগতে নিজের অপ্রাপ্তিগুলোকে পূরণ হতে দেখে চাপা পড়া ব্যাথাগুলো কিছুটা উপশম হয় আরকি।

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ : পরকীয়া – প্রথম পর্ব

এক
একজন নারী বা একজন পুরুষ কেন পরকীয়ায় জড়ান, সেটা জানা গেলে এর কোনো প্রতিকার আছে, নাকি নাই তা বোঝা যেতে পারে।
এই সিরিজটা শুরু করলাম নারী পুরুষ উভয়েরই পরকীয়ার স্বরূপ আবিষ্কার করার জন্য।

অনেক পুরাতন ও এখনো প্রচলিত কিছু হাইপোথিসিস আছে নারী বা পুরুষের পরকীয়ার কারন নিয়ে।
এ সম্পর্কিত যে তত্ত্বটা বিবর্তনবাদ কেন্দ্রিক, সেটায় যাবো না কারন এখন আর সেটা প্রমান বা অপ্রমান –

বিস্তারিত»

ওবেসিটির প্রতিকার – প্রথম পর্ব

এক
যারা যারা জীবনে কখনো ওজন কমানোর চেষ্টা করেছেন, তাঁরা খুব ভাল করেই জানেন যে, কাজটা মোটামুটিভাবে পৃথিবীর কঠিনতম কাজগুলার একটা।
কঠিন কেন? কারন:
১) মাসে দেহের ওজনের ১%-এর বেশী কমানোর চেষ্টা করলে সেটা স্ট্যাবল হয় না। অর্থাৎ দেখা যায়, ওজন কমেছে কিন্তু স্বাভাবিক খাদ্যে ফিরে গেলে দ্রুত আবার তার একটা বড় অংশই ফিরে আসছে।
২) শুরুর পর তিন থেকে চার সপ্তাহ ওজন কমেতো না ই,

বিস্তারিত»

ডিপ্রেসিভ ডিজঅর্ডারের প্রতিকার নিয়ে কিছু ভাবনা


ডিপ্রেশনের চিকিৎসায় প্রোফেশনাল হেলপ লাগবেই – এমন একটা প্রায়ই বলে থাকি।
শুরুতেই ব্যাখ্যা করি, কেন তা বলি।
ডিপ্রেশন কথাটা দিয়ে আমরা যা বুঝাই তা হলো কোনো এক ধরনের “ডিপ্রেসিভ ডিজ-অর্ডার”-এ আক্রান্ত হওয়া।
বেশীরভাগ মানসিক সমস্যার মতই ডিপ্রেসিভ ডিজ-অর্ডারে আক্রান্ত হবারও একটা ট্রিগার অনেক সময় থাকে। কিন্তু একবার আক্রান্ত হয়ে গেলে ট্রিগারের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায় সেটা থেকে মস্তিষ্কে ঘটে যাওয়া পরিবর্তনগুলি ও এর কারনে ঘটা শারীরিক উপসর্গগুলি।

বিস্তারিত»

আনট্রিটেড ডিপ্রেশন ও তা মোকাবেলা করা নিয়ে আরও কিছু কথা…

এক : “হাউ টু ডিল উইথ ডিপ্রেসিভ ডিজ-অর্ডার” – শুরু করা নিয়ে কিছু আশাবাদ
প্রথমেই একটা ব্যাড নিউজ : ডিপ্রেশন হলো ওয়ান অব দ্যা মোস্ট কমন মেন্টাল ডিজ-অর্ডার। প্রতি ১০ জন পুরুষের মধ্যে একজন এবং প্রতি ৫ জন নারীর মধ্যে একজন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়।
তবে গুড নিউজ হলো – এটাই আবার ওয়ান অব দ্যা মোস্ট ট্রিটেবল মেন্টাল ডিজ-অর্ডার। যাদের ট্রিটমেন্টের আওতায় আনা যায়,

বিস্তারিত»

বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা : কিছু ভাবনা

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খুব সাধারণ একটা অভিযোগ হল, এখানে যা শেখান হয়, বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগে খুবি কম। আর বাস্তব জীবনে যা কাজে লাগে, সেগুলো সবাই শেখে ঠেলায় পড়ে। কথারটার মধ্যে সত্যতা আছে বলেই মনে করি। আমার মতে এই ব্যাপারগুলো আমাদের স্কুল সিলেবাসে থাকা উচিত যেগুলো বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে-

রান্না ও পুষ্টি: সাধারণ রান্নার নিয়ম-কানুন জানা ও অভিজ্ঞতা থাকা সবারই দরকার।

বিস্তারিত»

ডিভোর্স এণ্ড সোশ্যাল মিডিয়া

কিছু বিষয়ের অহেতুক সমালোচনা আমি একেবারেই মেনে নিতে পারি না। বিশাল এই সমাজের নিতান্তই একটা ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে আমার ধারণা, কিছু-কিছু সমালোচনা, হাসি-তামাসা বা তিরস্কার, ব্যাক্তি এবং সমাজ উভয়ের দৃষ্টিতেই অগ্রহনযোগ্য। হাসি-তামাসা টাইপের সমালোচনা বা কটাক্ষ, যা ইদানিং “ট্রল” নামে ব্যপকভাবে পরিচিত, এসবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু প্রকৃতার্থে নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং রুচিজ্ঞানকেই জনসম্মুখে নিয়ে আসি। অনেকেই হয়ত মুখে কিছু বলে আমাদের এই অসুস্থ মানসিকতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন না,

বিস্তারিত»

ডিপ্রেশন সম্পর্কে কম জানা ১০টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ডিপ্রেশন সম্পর্কিত যে ব্যাপারগুলো আমরা খুব একটা গুরুত্ব দেই না, তা হলো:

১) ডিপ্রেশন আমাদের ভাবনা-চিন্তার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে, চিন্তা-ভাবনায় বিক্ষিপ্ততা নিয়ে আসে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দূরে ঠেলে রেখে অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কালক্ষেপণ করায়। ডিপ্রেশন কালে যে আত্মবিধ্বংসি ভাবনাগুলো আসে, সেটা এই বিক্ষিপ্ততার কারনেই।

২) ডিপ্রেশনের কারনে অন্যের প্রতি সহানুভুতি, এমপ্যাথি, ইত্যাদি হ্রাস পায়। আর তা হবেইবা না কেন? নিজেকে সারাক্ষণ দুঃখের চাদরে মুড়ে রাখলে অন্যকে দেয়ার মত সময় পাওয়া যাবে কিভাবে?

বিস্তারিত»

বিয়ে বিচ্ছেদ, বিশেষজ্ঞ মতামত ও আমাদের সমাজবিজ্ঞানীরা-১

সম্প্রতি বাংলাদেশে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বিয়ে বিচ্ছেদ মহামারী আকার ধারণ করেছে যা কয়েকমাস আগে মিডিয়াতে এসেছিল। অনেকগুলো পত্রিকা এবিষয়ে সাম্প্রতিক তথ্য ও উপাত্তের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেইসব প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আমি এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, বিয়ে বিচ্ছেদকে রোধ করার জন্য বাংলাদেশকে তালেবানী আফগানিস্তান বানাতে হবে। পাশাপাশি, সমাজবিজ্ঞান এমন একটি বিষয়, যেখানে বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য সামজবিজ্ঞান না পড়লেও চলে। কিভাবে এইসব অনুসিদ্ধান্তে আসলাম,

বিস্তারিত»

রেপ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে ভাবনা (শেষ পর্ব)

রেপ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে ভাবনা (প্রথম পর্ব)

তৃতীয় অংশ
এডাল্ট ভিক্টিমের ক্ষেত্রে এখনো রেপের সবচেয়ে প্রচলিত সংজ্ঞা হলো “the carnal knowledge of a woman when achieved by force and against her will by a man who was not her husband”.
জানা যায়, এই সংজ্ঞার অরিজিন হলো প্রাচিন ইংলিশ আইন।
আর সেই আইনের বেসিস ছিল ততকালিন বৃটিশ সমাজ ব্যবস্থা যেখানে নারীকে পরিবারের সম্পত্তি জ্ঞান করা হতো।

বিস্তারিত»

রেপ ও এর প্রতিকার সম্পর্কে ভাবনা (প্রথম পর্ব)

প্রথম অংশ
এক
সারা পৃথিবীতেই রেইপ সম্পর্কিত আইনগুলো দাবী করে, একজন এডাল্টের সাথে রেইপ সংঘটনের জন্য নীচের দুইটা শর্ত পুরন করা হয়েছে কিনা:
১) পেনিট্রেশন
২) আর সেটা হয়েছে, হয় বিনা সম্মতিতে অথবা সম্মতিতে তবে সেই সম্মতিটা নেয়া হয়েছে বলপূর্বক কিংবা ভুল বুঝিয়ে (বাই ফ্রড)।
যাকে বিনা সম্মতিতে পেনিট্রেট করা হলো, আইনের চোখে সে একজন বিচারপ্রার্থি হলেও বাস্তবে সে কিন্তু একজন ভিক্টিমও!!!

বিস্তারিত»

প্রয়াত শিক্ষক, পরবর্তীতে সহকর্মী মীর ওয়ালীউজ্জামান স্মরণেঃ

এম সি সি তে (Momenshahi Cadet College-MCC) আমার কিছুদিনের শিক্ষক ছিলেন মীর ওয়ালীউজ্জামান, ইংরেজীর প্রভাষক। আমরা তখন একাদশ কিংবা দ্বাদশ শ্রেণীতে, উনি ঢাবি থেকে সদ্য মাস্টার্স করা টগবগে তরুণ শিক্ষক, অত্যন্ত সুদর্শন, নায়কোচিত চেহারা। বয়সের ব্যবধান তেমন ছিলনা (গুরু শিষ্যের মত), তদুপরি ওনার সারল্য এবং আন্তরিকতার কারণে আমরা বন্ধুর মত ছিলাম। আমাদের চোখে উনি তখন ভীষণ একজন স্মার্ট টীচার। এ রকম সুদর্শন একজন ব্যক্তিত্বকে আমরা প্রভাষক নয়,

বিস্তারিত»

বিষন্নতা ও পিঠব্যাথা নিয়ে একটি অনুসন্ধান

গতবছর এমন একজনের সাথে আলাপ হচ্ছিলো একই সাথে যিনি বিষন্নতা ও পিঠব্যাথায় আক্তান্ত।
তা শুনে জানতে উদ্যোগী হলাম, বিষন্নতার কারনে এই পিঠব্যাথা নাকি পিঠব্যাথা থেকে ঐ বিষন্নতা?
তখন যা যা জেনেছিলাম, এই হলো তা:


পিঠব্যাথার যারা ভোগেন, তা থেকে তাদের মধ্যে বিষন্নতায় আক্রান্ত হবার কোনো কারন আছে কিনা, আর সেটা হলে কি করনিয়, দেখতে বসেছিলাম।
কিন্তু কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে পড়লো।

বিস্তারিত»