শ্রীমঙ্গল ভ্রমণ, সাথে আরোও অনেক কিছু

কয়েক দিন আগে শ্রীমঙ্গল ঘুরতে গিয়েছিলাম। এর সাথে মৌলভীবাজার এর বেশ কয়েকটি ট্যুরিস্ট স্পটে ঘুরার সুযোগ হয়েছে। আজকে আমি সেই সব যায়গার যাওয়ার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করবো।

যদি কেউ দু’দিনের একটি শর্ট ট্যুর দিতে চান, এবং আপনি ইতিমধ্যে সিলেট এবং এর আশেপাশেও ভ্রমণ করে ফেলেছেন; চিন্তা করবেন না, আপনার মতো ভ্রমণকারীদের জন্য আরো অনেক ঘুরবার  জায়গা অপেক্ষা করছে।

ইউটিউবে আমার ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

তার আগে আমি নিচে আমার ঘুরতে যাওয়া যায়গা গুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকা

১।

বিস্তারিত»

তাহারা

মাঝরাতের একান্ত গহীনে ঘুমন্ত নগরী

ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা অভুক্ত শিশু,

পড়ে আছে তার পাশে তারই মত কিছু

‘পাপের শিশুর’ গলিত নাড়িভুঁড়ি।

 

তারই পাশ দিয়ে পাজেরো হাঁকিয়ে চলা,

ভদ্র মানুষেরা মুখ ঢেকে ঢুকে যায় অভদ্র পাড়ায়

তাদের হাতে বিয়ারের ক্যান, চোখ মত্ত নেশায়।

তারা দেখবে কেন রাতের আঁধারে দুর্ভাগ্যের খেলা।

বিস্তারিত»

নেশা – শেষ পর্ব

নেশা ২

সকালে টুকটাক কিছু জিনিষ পত্তর নিয়ে কাউকে কিছু না বলেই কমল অফিসে চলে গেলো । কান্ট্রি ম্যানেজারের সাথে দেখা হল লাঞ্চের আগে। তিনি বললেন, ভাবীর সাথে কথা হয়েছে?

– হ্যা, ওর দিক থেকে কোন সমস্যা নেই, আমি রেডি হয়েই এসেছি। আপনি বললে লাস্ট ফ্লাইটেই চলে যেতে পারি।

হক সাহেবকে খুব আন্তরিক মনে হল। ‘বড় একটা দুশ্চিন্তা থেকে বাঁচালেন।

বিস্তারিত»

পাহাড়ের কান্না

ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছিলাম, হিল ট্র্যাক্টস থেকে, রাতের বাসে, বৃষ্টি পড়ছিল টিপটিপ করে। ভোররাতের দিকে বাস থামল এলেঙ্গা। নেমে গেলাম, আমাকে এখান থেকে বাস চেঞ্জ করতে হবে। সমস্যা হল সকালের আগে আর বাস নেই। অগত্যা এক চায়ের দোকানে বসে গেলাম। চায়ের অর্ডার দিয়ে এসে টেবিলে বসলাম, খানিক পরে এক ভদ্রলোক এসে বললেন, ‘বসতে পারি?’
-শিয়োর।
চা খেতে বললে বললেন , ‘আমি অর্ডার দিয়েই এসেছি’।

বিস্তারিত»

দখিন দিকে সূর্য নাকি?

কেমন আজব সকাল দেখি
দখিন দিকে সূর্য নাকি?
বিড়াল বসা গাছের ডালে,
ফিশ বোলে কি চড়ুই নাকি?

কচলে দুচোখ কিচেন রুমে
গিয়ে দেখি বিশাল ঘুমে
শুয়ে আছে সাপের ছানা!
নেউল তাকে জড়িয়ে ধরে
শুয়ে আছে কেমন করে?

কি হল আজ ভাবছি যখন,
ঠিক তখনি ‘ক্রিং’ টেলিফোন
ধরে শুনি আমার নাকি
বউ ভেগেছে দিয়ে ফাকি!

বিস্তারিত»

ছড়া

১ দ্যাশরে বালা পাই,

আও পোয়ারা আও পুরিরা দ্যাশরে বালা পাই,
দ্যাশরে লইয়া দুই চোখ ভরিয়া স্বপ্ন দেখিয়া যাই।
দ্যাশটা আমরার অনেক আপন কিতা যে তার দাম,
পাইলাম তুকায়া পরানের দামে বাংলাদেশের নাম।
এ দ্যাশ আমরার অনেক প্রিয় প্রিয় মাদানের রোদ,
বাংলায় মাতি আও রাখি মনো চেতনাবোধ।

২ বাংলাদেশের মাডি মোগো

বেইন্না কালে নিশির ঢোলে কাডাল পাতার গায়,

বিস্তারিত»

তবুও…

ইদানিং কি সব কিছু ভুলে যাচ্ছি? তাই হবে হয়তো। এটা যে আমার নিজের বাসা সেটা বুঝতেই বেশ সময় লেগে গেল। আমাকে অফিসে যেতে হবে, দেরি হয়ে যাচ্ছে। ইশশ… কোন টাইটা পরব বুঝতে পারছিনা। আমার কালার কম্বিনেশন এর ধারনা খুবই খারাপ। শার্ট এর সাথে টাই এর ম্যাচিং করতে পারিনা। ওই তো নিতু ডাকছে “খেতে এসো, দেরি হয়ে যাবে তো!” আমি আর দেরি করলামনা। টেবিলে চলে গেলাম।

বিস্তারিত»

চলুন একটি ঝরে যাওয়ার গল্প বদলে দেই

সেই মেয়েটির গল্প বলি। রাশনা। বাবা মা ডাকে রাশু বলে,আমরা কখনো রাশনা কখনো ওর নামটা একটু পরিবর্তন করে বাসনা। আমাদের কথা শুনেই ওর হাসির বেগ বেড়ে যায়। বন্ধুত্বের দাবী নিয়ে বন্ধুকে অনেক কিছুই বলতে পারি বলা যায়। অনেক সন্ধ্যাবেলা জানালা দিয়ে রাশনা আকাশ দেখতো। ক্যাডেট কলেজের চারদেয়ালের মধ্যে বন্দী হয়ে সীমাহীন মুক্ত আকাশ। কখনো সখনো ওর খুব কাছে চলে যেতাম। পেছন থেকে চোখ চেপে বলতাম,রাশনা একটু তুই হাসনা।

বিস্তারিত»

টুশকি…মোস্ট জুনিয়র!

সায়েদ ভাই এর টুশকি সিসিবিতে একটা ক্যাটাগরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন উনাকে হারিকেন, মোমবাতি, হ্যাজাকবাতি কিছু দিয়েই আর খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমাদের সবারই ছয় বছরের ক্যাডেট জীবন টুশকিতে টুশকিময়। তাই কিছু টুশকি…মোস্ট জুনিয়র!
সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরনঃ নিজ দায়িত্বে পড়িবেন!

১। এক স্যার এর টিজ নেম ছিল “ট্যাপা”। স্যার এই নাম শুনলে খুব ক্ষেপে যেতেন। তো এক দিন এই নাম শোনার পরঃ “ওই…

বিস্তারিত»

ভয়

 

পহেলা বৈশাখের বিকেল বেলা ।রোদ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে । বন্ধুদের সাথে বেরিয়েছে তিয়ানা । স্থানীয় স্কুল মাঠে বসেছে বৈশাখী মেলা। মেলার ভেতর ঢুকতেই নজরে এল নাগরদোলা । হৈ হৈ করে ছুটল সবাই সেদিকে।দু’টো নাগরদোলা বনবন করে ঘুরছে।বন্ধুরা ভিড় ঠেলে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দিল সিরিয়াল ভেঙে সামনে যাওয়ার জন্য।

‘আমি উঠব না।’ গোমড়া মুখে বলল তিয়ানা।

‘কেন !’ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে প্রিয়ম।

বিস্তারিত»

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনঃ আসুন ক্বাফী ভাইকে সমর্থন করি

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, আমাদের সিলেট ক্যাডেট কলেজের ৪র্থ ব্যাচের (৭৯ -৮৫) ক্বাফী ভাই (বর্তমান সভাপতি, ওকাস) আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ঢাকা উত্তর এর মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তিনি বাংলাদেশে ক্রীয়াশীল সকল বামদল সমূহের সমর্থিত একক প্রার্থী হিসেবে এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।
বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী কাফী ভাইকে আসলে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। তারপরও যে কথাটুকু না বললেই নয় সেটি হল- আমরা যারা বাংলাদেশের প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই,

বিস্তারিত»

যা হবার…

 

বশির কাকার সাথে গুটিগুটি পায় একটা পুরনো দোতলা বাড়ির গেটে এসে দাঁড়ায় লাচি।ওর হাতের স্বচ্ছ পলিথিনের ব্যাগে একটা ফ্রক আর একটা প্যান্টের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।কাকা কলবেল বাজায়।কারও সাড়াশব্দ মেলে না।৪-৫ বার অনবরত বাজিয়ে যাওয়ার পর লাচির বয়সী একটা মেয়ে গেট খুলে দেয়।লাচির দিকে তাকিয়ে তার মুখে হাসি ফোটে।

‘বশির আংকেল,কাজের মেয়ে পেয়ে গেছেন ! বাঁচলাম ! গেট খুলতে খুলতে আমার অবস্থা শেষ !’

এক ভদ্রমহিলা ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন।

বিস্তারিত»

নিখুঁত ছবিটি আমার

ক্লাস শেষে নায়লাকে ঘিরে একটা ছোটখাট জটলা হল । আমাদের ক্লাসেরই একটি ছেলে ওকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে ।নায়লা রসিয়ে রসিয়ে সে গল্প শোনাচ্ছে।এরকম জটলা প্রায়ই হয়।ক্লাসের বেশির ভাগ মেয়েই বেশ সুন্দর।একেকজন ইতোমধ্যে গড়ে ৬-৭ টা প্রস্তাব পেয়ে গেছে! আমি এধরণের জটলার নিয়মিত শ্রোতা।মন দিয়ে গল্পগুলো শুনি।ওদের মধ্যে আমিই বোধহয় একমাত্র ব্যাতিক্রম।কখনো প্রস্তাব পাইনি।ভবিষ্যতে পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখিনা।আমি দেখতে ভাল নই।গায়ের রংটি কাল।চোখে-মুখে সুশ্রীতা আছে কি না জানি না,তবে লোকে আমাকে সুন্দর বলে না।একবার একটা ছেলে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ‘কালী’ বলে মন্তব্য করেছিল।আমি স্রষ্টার দানকে মেনে নিয়েছি।তবে ইদানীং একটা দানা বাঁধতে যাওয়া অশোভন অনুভূতিকে কিছুতেই তাড়াতে পারছিনা।আমাদের দু’বছরের সিনিয়র এক ভাইকে মনে গেঁথে ফেলেছি।অনুভূতিটা অশোভন এ জন্য যে তাকে চাওয়াটা আমার মোটেই সাজে না।অসাধারণ সুদর্শন একটা মানুষ ফয়সাল ভাই।এমন সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে খুব কমই দেখা যায়।নিজেই নিজেকে বকাঝাকা করি,তাকে তুমি সেভাবে চেনো না।মানুষ কেমন তা জানো না।শুধুমাত্র রূপ দেখে পাগল হলে হবে?

বিস্তারিত»

উল্টোমুখী

শীতের নরম রোদ্দুর । উঠোনে পাটি পেতে লাল রঙা লেপটা শুকোতে দিয়েছেন মা । সোনালী রোদ ছলকে যাওয়া মোটাসোটা লাল লেপটা দেখে খুশির ঝিলিক খেলে গেল নিশির মনে। গুটিসুটি মেরে বসে পড়ল লেপের ওপর।হাতে সুনীলের ‘প্রথম আলো।’ মা ওকে এ অবস্থায় দেখলে চিলচিৎকার জুড়ে দেবেন,এত বড় ধিঙ্গি মেয়ে কাজকর্ম বাদ দিয়ে রোদ পোহাচ্ছে বলে। কিছুক্ষণ আগে মা-মেয়ের এক দফা যুদ্ধ হয়ে গেছে।সকাল থেকে মা নিশিকে ঘরের কাজে হাত লাগাতে বলছেন।কিন্তু নিশি মার কথা গায়ে মাখছেই না।সে বরাবরই অলস স্বভাবের।তার ওপর এখন কলেজে শীতের ছুটি চলছে।

বিস্তারিত»