বৃষ্টিবীক্ষা

(ভাই ও বোনেরা, আমার এখন এমবিবিএস ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। পরের পরীক্ষা ১৭.০৮.২০১০ তারিখে। মাথা পুরাই আউলা হয়ে গেছে। মনে হচ্ছে পরীক্ষায় কিছুই উত্তর দিতে পারবো না! এর মধ্যে একটু আগে ঝাক্কাস একটা বৃষ্টি হয়ে মাথাটা আরো আউলাইয়া দিছে। তারই ফলাফল এই কবিতা…)

বৃষ্টি নিয়ে কাব্য করার সময় এটা নয়
কিন্তু আমার কী আর করা বলো?
বৃষ্টি যখন এসেই গেছে, চলো
একটুখানি ভিজি, সেকী তাতেও তোমার ভয়!
নিশ্চয় নিশ্চয়
বলছো, যদি অসুখ করে শেষে?
একটুখানি আদর দিও একটু ভালোবেসে।
আর যদি হয় তোমার অসুখ, তবে?
দিব্যি করে বলছি দেখো
এই কথাটা জেনে রেখো
করলে অসুখ তোমার মনে হবে –
অসুখ তো নয়, আদর পাওয়ার চাবি
অসুখ রে তুই আর ক’টা দিন থেকেই না হয় যাবি।

ধূসর-রাঙা আকাশ-জোড়া মায়া
বর্ষা-প্রাচীর ঝাপসা চতুর্দিক
সবুজ মাঠের ঘাসগুলো নির্ভীক
দিগন্তময় ইন্দ্রজালের প্রশান্তিময় ছায়া;
আকাশ-জোড়া মায়া
দেখবে এসো, ভিজতে তোমায় বলছি না কো আর
এমন দৃশ্য আসে না বারবার,
অন্তর্জাল আড্ডা তোমার জমছে আজকে বেশ
(তবু) বৃষ্টিমাখা বিকেলটা হায় কোরোনা নিঃশেষ –
এই অভিরাম উপহার নয় একাকী দেখবার।

৮৫০ বার দেখা হয়েছে

৮ টি মন্তব্য : “বৃষ্টিবীক্ষা”

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।