একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৬

02-12-09
আজ দুই দিন পর ডাইরি লেখার জন্য একটু টাইম পেলাম। বেইস ক্যাম্পের জীবনটা সব মৌলিক চাহিদায় এসে আটকে গেছে, তেমন কোন চাওয়া পাওয়া নেই যেন আপাতত শুধু আদেশ পালন করা ছাড়া। কিছুটা যম্বি টাইপের ভাব চলে এসেছে আমার মধ্যে হটাত হটাত মনে হয়। তবে, বিকালের লেকচার ক্লাস শেষ হওয়ার পরে ফ্রি টাইম ঘোষণা করা হলে মনের মধ্যে এক অন্য ধরণের আনন্দ অনুভব করি ,

বিস্তারিত»

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনালঃ ইন্টার vs বায়ার্ন

বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে সবাই মেতে আছে। তবে বিশ্বকাপ শুরু হবার আগে ইউরোপিয়ান ফুটবলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ রাতে। ইন্টার মিনাল বনাম বায়ার্ন মিউনিখ। ২০০৪ সালের পর প্রথম বারের মত কোন ইংলিশ দল না থাকা, সে সাথে বার্সিলোনা বা রিয়াল মাদ্রিদ এদের অনুপস্থিতির কারনে এবারের ফাইনাল নিয়া মিডিয়া হাইপ কিছুটা কম। তারপর ও চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফাইনাল বলে কথা। তাই যারা টিভি সেটের সামনে বসে খেলা দেখার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ( বিশেষ করে আমার মত একা…

বিস্তারিত»

মডারেট মুসলিম

[সন্মানিত পাঠকদের প্রতি বিনীত অনুরোধঃ এ বেলা ব্যস্ততা থাকলে নিবন্ধটা পড়া শুরু না করার জন্যে বিশেষ অনুরোধ রইলো। নিবন্ধটা অনেক বড়। বিশ্লেষনগুলোও কিছুটা সুক্ষ্ণ। কাজেই হাতে খানিকটা সময় নিয়েই নিবন্ধটা পড়া শুরু করার জন্যে সবিশেষ অনুরোধ রইলো।]

প্রথমেই পাঠকদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আমার ইচ্ছাকৃত কিঞ্চিত অসততার জন্যে। কেননা, এই নিবন্ধটার আরও যথার্থ শিরোনাম হওয়া উচিত ছিল, ‘মডারেট ধার্মিক’। তবে আজ-কালকের বাজারে প্রচার মাধ্যমগুলোর বানিজ্যিক সফলতায় ‘মুসলিম’ শব্দটার গন্ধ থাকাটা এতটাই জরুরী ও অপরিহার্য হয়ে পড়েছে যে,

বিস্তারিত»

নস্টালজিক

মনের ভাবটুকু ভাষাতে প্রকাশ করতে যে সব মানুষ বরাবরই দুর্বল, আমি তাদের দলে। তবুও অনেকদিন পর দুঃসাহসটুকু করে ফেললাম। সারাদিন অবিশ্রাম বর্ষন যে কাকে বলে তা কখনোই বুঝতে পারতাম না যদি না সিলেট আসা হতো। সারাক্ষন বৃষ্টির একটানা রিমঝিম ছন্দে আজ মনটা যে কোথায় হারিয়ে ফেলেছিলাম জানি না। বাইরে এখন রাতের নিঃশব্দতা, হঠাত করে নিজেকে অনেক একা মনে হচ্ছে। রোমান্টিক আমি ছিলাম না কখনই। তাই কখনই কবিতা আমাকে সেইভাবে টানে নি।

বিস্তারিত»

অপরিচিতা (৪র্থ পর্ব)

খুব সকাল বেলা সবার চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। আমার আরো ঘুমের দরকার ছিল। পাশ ফিরে শুয়ে পড়লাম। না, ঘুম ধরে না আর। এত সোরগোলের মাঝে কি আর ঘুমানো যায় শান্তি মত!

সবার কথা হল- সূর্যডোবা দেখতে পারি নাই তো কি হয়েছে, সূর্যোদয় দেখবে। আমি বললাম যে আমি দেখব না। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আমাকে যেতেই হবে তাদের সাথে।

“আমি যাব” বলে বালিশ মাথার উপর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ি।

বিস্তারিত»

নতুনের আগমন

দিন আসে দিন যায়। সময়ের ঘোড়সওয়ার আমরা পুরাতন হতে হতে নতুনদের দেখি। আবার আশান্বিত হই। উদ্বেলিত হই। নিজের এক হাতের জায়গায় দশ হাতের অস্তিত্ব অনুভব করি। একতাই বল – সেই ছোটবেলায় শেখা বাণীটার মর্ম অনুধাবন করি। স্বপ্ন শাণিত করি। ভাবনায় ভেসে উঠে – হবে। যা হওয়ার কথা ছিল, হয়নি – তা হবে। যা হওয়ার কথা – তাও হবে। নতুন প্রাণ, নতুন আশা। আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখা।

বিস্তারিত»

স্মৃতির বিশ্বকাপ-১

আর মাত্র ২৩ দিন। শুরু হয়ে যাচ্ছে আরেকটি বিশ্বকাপ, দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। সবাই আবারো মেতে উঠবে ফুটবল উৎসবে। ব্যক্তিগতভাবে আমার এই বাকি দিনগুলো অনেক লম্বা মনে হচ্ছে। কবে যে ১১ তারিখ আসবে। গত কয়েকদিন বেশ ব্যস্ত ছিলাম, রাতদিন দম ফেলার সময় পাইনি। আজকে একটু ফ্রি হয়ে আগের বিশ্বকাপগুলো নিয়ে একটু গুগল করলাম। দারুন দারুন সব স্মৃতি মনে পড়ে গেল। সেগুলো সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।

বিস্তারিত»

শহীদলিপির ইতিহাস-২

শহীদলিপির ইতিহাস-১

১৯৮৩ সালের শেষের দিক তখন। জাপান থেকে দেশে ফিরে জোরে সোরে কাজে লেগে গেলাম। প্রিন্টিং প্রেস থেকে ১৬X১৬ ঘরের ব্লাঙ্ক টেমপ্লেট ছাপিয়ে নিলাম। আমার সহকর্মী গ্রাফিস আর্টিষ্ট আশরাফকে লাগিয়ে দিলাম বিভিন্ন অক্ষরের আকার অনুসারে প্রতিটি অক্ষরের জন্যে একটি করে ঘরের গ্রিড পূরণ করতে। দুই টাকা দিয়ে কেনা প্রথম শ্রেনীর পাঠ্য বিদ্যাসাগরের বর্ণমালা বই অনুসরণ করে সব স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জন বর্ণ আমরা মেট্রিক্সে লিপিবদ্ধ করতে লাগলাম।

বিস্তারিত»

একাত্তরের একলব্য

মহাভারতের একলব্যের গল্প আমরা অনেকেই জানি।তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ অস্ত্রগুরু ছিলেন দ্রোণাচার্য যিনি কেবল উচ্চবংশীয় রাজপুত্রদের যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষা দিতেন।দুর্যোধন থেকে অর্জুন-মহাভারতের শ্রেষ্ঠ বীরগণ অধিকাংশই এঁর শিষ্য।শূদ্র বংশীয় রাজপুত্র একলব্য দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা করতে চাইলে নিম্নবর্ণের অজুহাতে তিনি তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।

ভগ্নহৃদয় একলব্য পরবর্তীতে গভীর জঙ্গলে দ্রোণাচার্যের মূর্তি গড়ে সেটিকে গুরুর সম্মানে পূজা করে নিজে নিজেই কঠোর প্রশিক্ষণে আত্মনিয়োগ করেন।এভাবে বহুদিন কেটে যায়-ঘটনাক্রমে একদিন দ্রোণাচার্য তাঁর শ্রেষ্ঠ ছাত্র অর্জুনসহ বাকিদের নিয়ে সেই বনে হরিণ শিকার করতে আসেন।তাঁর পোষা কুকুরটি হরিণের পিছু পিছু বনের ভিতরে ছুটে যেতে যেতে একসময় হারিয়ে যায়।কুকুরের কান্নার শব্দ শুনে দ্রোণাচার্য এবং তাঁর শিষ্যরা বনের ভেতরে একটি কুটীরের কাছে উপস্থিত হয়ে দেখেন-সাতটি তীরের মাধ্যমে কুকুরটিকে পাশের অশ্বথ গাছের সাথে এমনভাবে গেঁথে ফেলা হয়েছে যে তার গায়ে বিন্দুমাত্র আঁচড় লাগেনি কিন্তু সেটি কোনভাবেই নড়াচড়া করতে পারছেনা।

বিস্তারিত»

লেটস বি ইউনাইটেড এগেইন…

আমাদের কলেজের খুব মেধাবী এবং প্রিয় একজন আপা আইভি আপা (৯৪-০০)।

তিনি আমাদের কলেজ প্রিফেক্ট ছিলেন। আপার হাজব্যান্ড খুবই রেয়ার একধরনের ক্যান্সারে ভুগছেন। মেডিকেলের ভাষায় বলে Biphenotypic Leukemia. এই রোগের চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন, যার সঙ্কুলান করা আপার পুরা পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য।

মাত্র ৩ বছর হল তাদের বিয়ে হয়েছে এবং ১ বছরের একটি মেয়েও আছে।

মুর্তজা ভাই এখন মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালে আছেন।

বিস্তারিত»

সাময়িক পোস্টঃ মন্তব্য মডারেশন

আপডেট -০১

সাময়িকভাবে সদস্যদের জন্য সমস্যাটির সমাধান করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন সরাসরি মন্তব্য পাবলিশ করার জন্য লগইন করে মন্তব্য করতে হবে। অতিথি বা লগইন ছাড়া সদস্যদের মন্তব্য করার সুবিধাটি আপাততঃ কাজ করবেনা। এটি খুব তাড়াতাড়িই সারিয়ে তোলা হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

ওয়ার্ডপ্রেসের কারিগরী সমস্যায় ব্লগের অনেক সদস্যের মন্তব্য মডারেশনে চলে যাচ্ছে। আশা করছি এই ব্যাপারটি সাময়িক।

জাতির এই ক্রান্তিকালে সিসিবির সঙ্গেই থাকুন।

বিস্তারিত»

অপরিচিতা(৩য় পর্ব)

অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্র স্নান করে আমরা ফিরে আসি আমাদের রুমে।গোসল সেরে রেডী হই সবাই।উদ্দেশ্য দুপুরের খাবার,তারপর যাব হিমছড়ি।
বৈশাখী রেস্তোরায় ব্যাপক একটা খাওয়া দিলাম সবাই।রুপচাদা আর ভাত।জোশ খাবার।সবাই গলা পর্যন্ত খেলাম মনে হয়।তারপর সেখানে চা খেয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম।এই সুযোগে আমি পুনমের কথা তুললাম।বললাম যে সে যা বলেছে তা সত্য।

তাতেও কোন কাজ হল না।কেউ তাকে রাখতে রাজি হল না।আমি আর কোন কথা বলতে চাইলাম না।চুপ মেরে গেলাম।

বিস্তারিত»

ঊনত্রিশ-‘দ্যা টুয়েন্টি নাইন’: কার্ডের একটি খেলা!!

(ডিসক্লেইমারঃ যারা টুয়েন্টি নাইন খেলার নিয়ম জানেন না, তাদের কাছে এই পোষ্ট বিরক্তিকর লাগতে পারে। আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।)

-‘ট্যাঁ ট্যাঁ ট্যাঁ…’
-‘কিরে হালা, অমন করস ক্যান?’
-‘সানাই বাজাই…খিকজ…’
-‘শিট্‌, তোর কাছে ম্যারেজ আছে?’
-‘আবার জিগায়…খেলা তাইলে তেইশে এ গেল গা…’
-‘কোন ব্যাপার না, এমন টেকনিক্যাল খেলা দিমু…’
-‘মামা, এই খেলা তুলতে টেকনিক্যাল না এক্কেবারে গাবতলী টাইপ খেলা দিতে হইব…মু হা হা…’

আমি শুভর দিকে বোঝার চেষ্টা করলাম ওর হাতের কি অবস্থা,

বিস্তারিত»

রাজনৈতিক ছড়া- ‘ছাত্রনেতা’

এক চুমুকে চা শেষ করে, কষে দেবো বক্তৃতা
হাত-পা খিঁচে, ঝাড়বো কেশে- রাজনীতির ঐ ছককথা।
ডিম-পরোটা, ডাল-ভাজি, সাথে কলিজা আর লটপটি
সকাল বেলার নাস্তা আমার, মিষ্টি-ঝালে চটপটি।
পেটটি আমার খালি গেলে- হারিয়ে ফেলি কথার খেঁই
কথার ঝাঁঝে আগুন জ্বালাই- পড়লো পেটে খাবার যেই।
‘আগুন জ্বালো’, ‘আগুন জ্বালো’- জ্বালাই আগুন চারিধার
দিচ্ছে আলো প্রদীপখানা, গোড়ায় কিন্তু অন্ধকার।
মাস পেরিয়ে বছর গেলো,

বিস্তারিত»

শেখ আলীমের হাইকু ৬

জীবনের চোরা গলিতে হাইকু খুঁজি
শব্দের জুয়া সারা দিনমান ছন্দ ধরেছি বাজী
হরতনের বিবির ফাঁদে রুহিতনের গোলাম।
———————————————–

সংসার করি সন্যাসে দিন গুনি
গীতা বাইবেল ত্রিপিটক পড়ি কোরানের বাণী শুনি
আদি ও অন্ত মানুষের ইতিহাস।
———————————————–
জোছনা মাতাল শ্যাম পীরিতি রাত
বিষের বাঁশী নোঙর কাটে কূল হারালো রাই
অথই গাঙের জলে নায়ের ছলাৎ।
———————————————–

বিস্তারিত»