ভার্টিগো

ডাক্তার যখন বললো আমার রোগের নাম ভার্টিগো, আমি একটু চমকাইয়া গেছিলাম। আমি তো জানতাম ভার্টিগো একটা সিনেমার নাম। হিচককের সেরা ছবির একটা ভার্টিগো। ভাবলাম এতো বেশি মুভি দেখি বলে রোগটাও বাধাইলাম শেষ পর্যন্ত একটা মুভির নামে।
বিছানায় শুয়ে শুয়ে মোবাইলে ইন্টারনেট ঘাটা শুরু করলাম। প্রথম লাইনটা পড়ে আবার চমকাইলাম। লেখা আছে এটা একধরণের ‘স্পিনিং মুভমেন্ট’। আসলেই চার দিন আমার মাথাটাকে শেন ওয়ার্নের হাতের বলের মতো মনে হইছে। মনে হইতেছিল শেন ওয়ার্ন যেমন ইচ্ছা তেমন কইরা আমার মাথাটারে বল মনে কইরা ঘুরাইতেছে। মনে পড়লো বাসিত আলীর দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে শেন ওয়ার্নের বলটা কেমনে ঢুইকা তারে বোল্ড করছিল। বেচারা বাসিত আলীর ক্যারিয়ারই বলতে গেলে শেষ কইরা দিছিলো ঐ বলটা। বাসিত আলী বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়া এক সময় বহু উল্টা পাল্টা কথা কইছিল।
রোগের নাম শুইনা পছন্দ হইছে। অভিজাত অভিজাত রোগ বইলা মনে হইতেছিল। তবে ওষুধ কিনে আনার পর মনটাই খারাপ হইয়া গেলো। ২০টা ওষুধ আনাইলাম, দাম নিল ২৬ টাকা। বুঝলাম রোগটা এমন কোনো অভিজাত রোগ না। তা না হইলে ওষুধের দাম এতা কম হয়। ডাক্তার একটা টেস্ট পর্যন্ত করতে দিলো না। বড়ই আফসুস।
মন খারাপ হইলো এক বন্ধুর কাছ থেইকা একটা ই-মেইল পাইয়া। সেই মেয়ে বিশাল এক অবাক হওয়ার ভাব ধইরা আমারে কয়, এইটা তো ‘প্রেগনেন্সি সিমটম’। আমারে ধরলো কেমনে? বিকালে আমার এক অফিস কলিগ ফোন কইরা কয় গাইনির ডাক্তার দেখাবো কিনা?
একটা বড়দের গল্প কই তাইলে।
এক লোক ভুলে ইউরিন টেস্ট করতে নিজেরটার বদলে বউয়েরটা নিয়া গেল। পাশাপাশি দুই বোতল ছিলো বুঝতে পারে নাই আরকি। পরের দিন রিপোর্ট পাইয়া মাথায় হাত। রিপোর্ট অনুযায়ী সে প্রেগনেন্ট। এক দৌঁড়ে চইলা আসলো বাসায়। বউয়ের চুলের মুঠি ধইরা কইলো, ‘……তোরে তহনই কইছিলাম উপরে উঠিস না’।
(এই অংশ টুকু পুলাপানের পড়া নিষেধ)
২.
এই রোগ হইয়া একটা লাভ হইছে। হিচকক যে ভুল করছিলো সেইটা জানতে পারলাম। ছবি হিসেবে ভার্টিগো জিপি-৫ বা জিপি গোল্ড পাওয়ার মতো। এইখানে সে দেখাইছে যে উঁচুতে উঠলে মাথা ঘুড়ায়। আর এরই নাম ভার্টিগো। কথাটা ঠিক না। উঁচুতে উঠলে মাথা ঘুরাইলে সেইটার নাম আসলে এক্রোফোবিয়া। ভার্টিগো হইলে যে কোনো স্থানেই মাথা ঘুড়ায়।
vertigo1-movie
ভার্টিগো ছবিটা মুক্তি পাইছিল ১৯৫৮ সালে। ছবির নায়ক জেমস স্টুয়ার্ট উচুঁতে উঠলে এই রোগ পেয়ে বসতো। ছবিতে আরো আছে কিম নোভাক। ছবিটি প্রথমে সমালোচক বা দর্শকদের আনুকূল্য পায়নাই। কিন্তু এখন এই ছবিটাকেই ধরা হয় এখন পর্যন্ত সেরা ছবির একটি হিসাবে। ১৯৮৩ সালে ছবিটাকে নতুন করে মুক্তি দেওয়া হয়। তারপরই সারা বিশ্বে হৈ চৈ পড়ে যায়।
যারা দেখেন নাই, দ্রুত দেইখ্যা ফালান।
৩.
ভার্টিগো নামে বিখ্যাত একটা গানও আছে। আমার অতি প্রিয় ব্যান্ড ইউ-টুর গাওয়া। ২০০৪ সালের গান। অতি বিখ্যাত গান। তারা ঐ সময় ওয়ার্ল্ড টুরে বাইর হইছিল, সেই টুরটার নামও ভার্টিগো টুর। আবার ভার্টিগো নামে জার্মান লেখক ডব্লিউ জি সিবাল্ড-এর একখানা বিখ্যাত বইও আছে।
u2-vertigo-tour-1
একদিক দিয়া ভালই হইছে। আমি প্রচুর মুভি দেখি, প্রচুর গান শুনি, প্রচুর বইও পড়ি। ভার্টিগো নামে রোগ আছে (আমার আছে), সিনেমা আছে, গান আছে, বইও আছে।
গানটা পাবেন এখানে: vertigo
৪. আমার ছেলের ৩ বছর হবে আগামিকাল, ২০ এপ্রিল। আমি শুয়ে আছি। আমার পাশে আমার ছেলে আর বউ। বেশি আদর করতে যাইয়া আমার বউরে কোলে নিয়া শুনি বলতাছে, ‘এইটা আমার রাজপুত্র, এই রাজপুত্রটারে কৈ পাইলাম, কে দিল আমারে?’ (এই সময় কন্ঠস্বরটা বাচ্চাদের মতো করে ন্যাকা ন্যাকা থাকতে হবে)।
dsc00787
আমার ছেলে তাঁর মায়ের তাকাইয়া উত্তর দিল, ‘বাবা দিছে’। আমার বউয়ের মনে হইল সে ভুল শুনছে, আবারো একই প্রশ্ন করলো। আমার ছেলের একই উত্তর।
উত্তর শুইনা আমার বউয়েরও মনে হইলো ভার্টিগোতে ধরছে। আমার ভার্টিগো ভালো হইছে। বউয়ের মাথা নাকি এখনো ঘৃরতাছে।
(অন্য কিছু মনে কইরেন না কেউ আবার। তারে শিখানো হইছিল বলতে হবে যে আল্লাহ দিছে)

৬,১৩০ বার দেখা হয়েছে

৬০ টি মন্তব্য : “ভার্টিগো”

  1. রায়হান আবীর (৯৯-০৫)

    টেবিল বারি দিয়া আগে হাইসা লই :khekz: :khekz: :khekz:

    ১...

    লাবলু ভাইয়ের কাছে শুনছিলাম আপনার রোগটার কথা। আমারও প্রথমে সিনামার নামটা মাথায় আসছিল। যাই হোক। নিজের রোগের কথাও আপনি যেমতে কইলেন আমি ভর দুপুরে পাঁচ তলা পইড়া গেলাম হাসতে হাসতে।

    ২...

    ভার্টিগো আমার দেখে অন্যতম সেরা সিনেমা। মাস্টারপিস। মৃত্যুর আগে যেইসব সিনেমা অবশ্যই দেইখা মরা দরকার তার লিস্টে এই সিনামাটা থাকব।

    ৩...

    বই পড়িনাই। গান শুনিনাই। তবে নামাইতেছি। এখন শুনবো।

    ৪...

    পিচ্চিটা খুবি সুইট আছে। ক্যাডেট কলেজে দিলে পাবনা লিস্ট থেকে বাদ্দিয়া দিয়েন ;;; ;;;

    জবাব দিন
  2. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    তরমুজ খাইতেছিলাম আর আপনার লেখা পড়তেছিলাম। বড়দের গল্পটা পইড়া আর সামলানো গেলো না, হাসতে গিয়া মুখের তরমুজ বের হইয়া কি-বোর্ডে গিয়া পরলো। :gulti: :khekz:

    'ভার্টিগো' আমারো খুব পছন্দের ছবি। হিচককের সব সিনেমার ভক্ত আমি, যে কয়টা বেশি স্পেশাল 'ভার্টিগো' তার মধ্যে একটা। আমারো ধারনা ছিলো উপরে উঠলে মাথা ঘুড়ানোর নাম ভার্টিগো। কিন্তু এখন দেখি ব্যাটা ছোট্ট একটা ভুল করে রাখছে। তথ্যটা কাজে লাগবে। ধন্যবাদ।

    গানটা শোনা হয় নাই, রাতের বেলায় ডাউনলোড করে শুনুম। এখন কারেন্ট খলি যায় আর আসে 🙁

    আপনার পিচ্চিটারে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। ওর কোনদিন অভিনয়ের শখ হইলে আমার কাছে পাঠাইয়া দিয়েন। চাচ্চু মাশাল্লাহ নায়ক হওইয়ার সমস্ত গুনাবলী নিয়া জন্মাইছে। বুদ্ধি-শুদ্ধিও ব্যাপক মনে হইতেছে। আরেকটু বড় হইলে এই পোলার আগে পিছে কমপক্ষে ডজনখানেক মেয়ে ঘুরবে 😀


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
  3. তানভীর (৯৪-০০)

    ওরে আল্লাহ রে! হাসতে হাসতে পিরা গিয়া মিরা যাইতেছি! :khekz: :khekz: :khekz:
    দারুন লাগল, স্পেশালি ২ আর ৫। 😀
    ভার্টিগো দেখিনাই। দেখতে হবে মনে হচ্ছে!
    ভাতিজাকে অগ্রিম শুভ জন্মদিন। মাশাল্লাহ, দেখতে তো খুবই সুন্দর। আর যেইরকম স্মার্ট, স্কুলে ভর্তি করায়ে দিলে দেখবেন ক্লাসের মেয়েরা ওর পিছনে ঘুরতেছে! 😀

    জবাব দিন
  4. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    পোলার জনমদিনের শুভেচ্ছা, পোলার ভাগ্য মোটামুটি ভালো মনে হয়, আপনার মত বাপ পাইছে।

    ভার্টিগো নিয়া পুরা জমায় ফেলছেন 😀 দোয়া করি আপনার ঠ্যাঙ্গে ব্যাথা হউক, দেখি ক্যামনে জমান তখন।

    ভাবীরে সালাম দিয়েন, তার জন্য মাঝে মাঝে একটু দুঃখ দুঃখ লাগে, আপনার মত পাগলা জামাই, ক্যামনে সংসার করে আল্লায় জানে। 🙂

    অফঃ মাথা ঘুরা তাড়াতাড়ি ভাল হউক, এই দোয়া করি আর কি


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  5. এহসান (৮৯-৯৫)

    শওকত ভাইইয়ের পলা বইলা কথা। বাপের সামর্থ ভালোই জানে। 😛

    জোকটা দারুন হইসে। উপরে উঠতে সাবধান... ভার্টিগো কিংবা এক্রোফোবিয়াতে আক্রান্ত হোয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়।

    জবাব দিন
  6. ক্যাডেট কলেজে যেয়ে আমার হাউস একতলায় দেখে বিশাল করে আলহামদুলিল্লাহ পড়ছিলাম কারণ আমার অ্যাক্রোফোবিয়া প্রচন্ড...... আজও সেই ভয় একফোঁটা কমে নাই......নিজের বাসা, হল ২জায়গাতেই দুইতলায় থাকি কিন্তু তাও ৩ তলায় গেলেই ভয় লাগা শুরু করে........

    পিচ্চি'র (নাম লিখেন নাই তাই পিচ্চি বলে সম্বোধন করলাম) জন্মদিন ও সামনের দিন সবগুলো দিনই শুভ হোক..... 🙂

    জবাব দিন
  7. জিহাদ (৯৯-০৫)

    অনেকদিন পর পুরা টেবিলে দাঁত খুইলা রাইখা হাসলাম :khekz: :khekz:

    এবিসি গেট টুগেদারের দিন রেজওয়ান মুহাম্মদরে জিগাইতেসিল শওকত ভাই আসতেসে না ক্যান। মুহাম্মদ বললো তারে নাকি ভার্টিগোতে ধরসে। রেজওয়ান কয় - ভার্টিগো কি। মুহাম্মদ কয় - এইটা হইলো উচ্চতা ভীতি। আমি মুহাম্মদের চাপা ধইরা ফেললাম। বললাম - এইটারে তো এক্রোফোবিয়া কয়। তখন মুহাম্মদ বললো-- ভার্টিগো এক্রোফোবিয়া একই জিনিস। আমি আর কথা বাড়াইলাম না। মুহাম্মদ যখন বলসে তাইলে মনে হয় ঠিকই আসে।

    আজকে বুঝলাম চাপাটা আসলে মারসিলো হিচকক। আর মুহাম্মদ শিখসে তার কাছ থিকা।


    সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

    জবাব দিন
    • জিহাদ (৯৯-০৫)

      ওহ পিচ্চি চাচ্চুকে হ্যাপি বাড্ডে।

      এইবার বাপ হিসেবে শওকত ভাই দাওয়াতটা দিয়া ফালান। 😀 সানা ভাইয়ের আইসক্রিম খাইয়াও এখনো শখ মিটেনাই 😀


      সাতেও নাই, পাঁচেও নাই

      জবাব দিন
    • চির হরিৎ (৯৫-০১)
      এইখানে সে দেখাইছে যে উঁচুতে উঠলে মাথা ঘুড়ায়। আর এরই নাম ভার্টিগো। কথাটা ঠিক না। উঁচুতে উঠলে মাথা ঘুরাইলে সেইটার নাম আসলে এক্রোফোবিয়া। ভার্টিগো হইলে যে কোনো স্থানেই মাথা ঘুড়ায়।

      "ভার্টিগো"এর সোজা বাংলা এক প্রকার "মাথা ঘুরানো", এটা মাটি থেকে মহাকাশ যেকোনো যায়গায় হতে পারে। আর "এক্রোফোবিয়া"হল : উঁচু (এক্রো) তে উঠলে ভয় (ফোবিয়া)। দুইটা আসলে আলাদা জিনিস, আবার এক্রোফোবিয়া হবার ফলে ভার্টিগো (মাথা ঘুরানো) হতে পারে (যেমন জ্বর হলে মাথা ব্যথা করতে পারে এ ক্ষেত্রে একটার সাথে আর একটা হচেছ কিনতু দুটোই আলাদা।) আবার বেশি উচুতে (>১০,০০০ ফিট) উঠলে hypoxia (যেকোনো কারনে) (lack of oxygen in body tissue) অথবা spatial disorientation এর ফলেও ভার্টিগো হতে পারে। এটা স্বাভাবিক physiological reaction/symptom. আমার মনে হয় হিচকক বুঝাতে চেয়েছে বেশী উচচতায় লোকটির ভার্টিগো (এক্রোফোবিয়া হবার ফলে অথবা অন্য কারনে) এবং তার ফলাফল......
      :thumbup:
      (পুন: খুব বেশী দেরীতে লিখলাম কি?????)

      জবাব দিন
  8. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    বস অনেক দিন পর :pira:

    পিচ্চিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  9. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    হাসতেই আছি হাসতেই আছি হাসতেই আছি।
    ভাতিজা কে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আরেকটু বড় হইলে ওরে সিসিবির যোগ্য কইরা ফালান। ও ও মনে হয় প্রচুর হাসাইব আমাদের।
    আর ভাইয়া জোকস করলেও নিশ্চয়ই অসুখ ভালই ভুগাচ্ছে, তাড়াতাড়ি ভাল হয়ে উঠুন।

    জবাব দিন
  10. রকিব (০১-০৭)

    ভাইস্তার নামে কি প্রান্ত?? শুভ জন্মদিন ভাইস্তা, যেই গিফট চাও খালি তোমার আব্বুকে বইলো। আমার তরফ থেকে উনিই কিনা দিবো। পোলাটা মাশাল্লা চো চুইট।

    এইটা তো ‘প্রেগনেন্সি সিমটম’। আমারে ধরলো কেমনে? বিকালে আমার এক অফিস কলিগ ফোন কইরা কয় গাইনির ডাক্তার দেখাবো কিনা?

    শওকতা ভাই, এই সময় নিজের প্রতি একটু যত্ন নি্যেন :grr: , ভারী কিছু করবেন না. আর বেশি কইর পুষ্টকর খাবার খাওয়া নাকি শুনছি ভালো 😛 😛 ।
    অনটপিকঃ ভাইয়া ভালো থাকবেন।


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  11. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    হাসতে হাসতে শেষ। সেইরকম পোস্ট।
    ভার্টিগো আমার দেখা সেরা হিচকক সিনেমা। হিচককের যে দুইটা সিনেমা দেইখা সত্যিকার অর্থেই বাকশূন্য হইছিলাম সেই দুইটা হল ভার্টিগো আর সাইকো।
    হিচককের ভুলটা বুঝলাম। অবশ্য তারে দোষ দেই না। নাম অ্যাক্রোফোবিয়া দিলে নিশ্চয়ই ক্রিটিক-দর্শক নির্বিশেষে সবাই সিনেমাটা বর্জন করতো। 😀

    জবাব দিন
  12. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    তুমার আকর্ষনীয়া বিরাট পুরস্কার পাইছে দেখলাম।

    চিন্তা করতাছি একদিন এবিসিতে আইন্যা তিনঘণ্টা আমার সামনে বসাইয়া রাখমু!! 😀 😀 😀


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  13. রাশেদ (৯৯-০৫)

    ০১।
    বস ভাল আছেন? ( যে অসুখের ওষুধের দাম মাত্র ২৬ সেইটা কোন ব্যাপারস না 😀 )
    ০২।
    আপনার ছেলের উত্তর শুনে খালি হাস্তাছি :khekz:
    ০৩।
    পিচ্চির যেহেতু ডাবল নাম তাই ডাবল শুভেচ্ছা 🙂

    অফটপিকঃ যারা সব সময় সব অবস্থা নিয়ে মজা করতে পারে তাদের আমি ভাল পাই তাই :hatsoff:


    মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

    জবাব দিন
  14. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    মাসুম ভাই, উপ্রে উইঠা মাথা ঘুরাইলে যুদি ভার্টিগো হয়, তাইলে তলে পিরা ঘুরাইলেরে কি কমু, বিকজ আপ্নের পোস্ট টা পইড়া ঠাশ কইরা বিছনার তলে পিরা গেছি আর পিরা অবস্থাতেই আমার মাথা ঘুরাইতাছে 😀

    আমাদের ভাতিজাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  15. ওবায়দুল্লাহ (১৯৮৮-১৯৯৪)

    শওকত ভাই,
    দেরী হয়ে গেল পড়তে।
    তাতে আপনার লেখার গুনাগুন কিঞ্চিৎ পরিমাণেও ছাড় পায় নি।

    আপনার ছেলের জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইলো।

    সেদিন আড্ডায় দেখা হয়ে অনেক ভাল লেগেছে ভাইয়া।
    আপনার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি।
    চক্করে থাকার কথা গ্রহ নক্ষত্রের - সে কাজ থেকে আমাদের সবার মুক্তি মিলুক।

    শুভেচ্ছা নিন সব সময়।


    সৈয়দ সাফী

    জবাব দিন
  16. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)
    এইটা তো ‘প্রেগনেন্সি সিমটম’।
    আমার ছেলের ৩ বছর হবে আগামিকাল, ২০ এপ্রিল।
    আমার ছেলে তাঁর মায়ের তাকাইয়া উত্তর দিল, ‘বাবা দিছে’।

    শওকত ভাই, ভার্টিগো কি চার বছর আগে ধরা পড়সিলো?
    এখন কি আবার ভার্টিগো বোধ করতেসেন ( বাবা হতে যাচ্ছেন)?
    😀 😀 😀 😀 😀 😀

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।