দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

রাজবাড়ি

প্রায় ৪০০ বছরের অধিক সময় ধরে গড়ে তোলা দিনাজপুর রাজবাড়ি নির্মাণে রাজ-পরিবারের প্রায় সকল নৃপতিরই কোন না কোন অবদান রয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের ধারাবাহিকতা এখানে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তাই রাজবাড়িতে যেমন আছে ইউরোপীয় ধাচের গড়ে ওঠা হর্ম্যরাশি তেমনি দেখা যায় মুঘল ও হিন্দুয়ানী স্থাপত্যকলার সম্বন্নয়। ১৭৬৫ খ্রীঃ বৃটিশ অধিকৃত দিনাজপুর শহর আরো তিন দশক পর ১৭৮৬ খ্রীঃ বৃটিশ কালেক্টর এইচ জে হ্যাচের হাত ধরে আধুনিকরূপে বিস্তৃতি লাভের সুযোগ পায়।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

দিনাজপুরের প্রাচীনতম নাগরিক এলাকায় ৪০০ বছরের অধিক কাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম একটি রাজবাড়ি সকল প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে অত্যন্ত জীর্ণাবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। জায়গাটির নামই আজ রাজবাড়ি। রাজবাড়িকে ঘিরেই দিনাজপুর শহরের গোড়া পত্তন। সেই কবে প্রাচীন অখন্ড বাংলার উত্তর রাঢ়ীয় এক কায়স্থ বংশের রায় উপাধিধারী পরিবার দ্বারা সূচিত হয়েছিল এ রাজবংশ তা আজ কিংবদন্তী। কে ছিল এ রাজবংশের আদি পুরুষ?

বিস্তারিত»

দিনাজপুর

হিমালয়ের পাদদেশ থেকে উতপন্ন হয়ে নানা চড়াই – উতরাই ঠেলে প্রায় ১৬০ কি.মি. দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, প্রাচীন জনপদের নানা ইতিহাস রচনার মাধ্যমে; প্রাকৃতিক কারণে উrসমুখ হারিয়ে নির্জীব-ক্ষীন স্রোতধারায় আজও বহমান যে পুর্নভবা নদী, তারই তীর ঘেঁষে পৌরানিক কালে গড়ে উঠা এক সম্মৃদ্ধ জনপদ – দিনাজপুর। ‘পরশুরাম’ যিনি ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার হিসাবে স্বীকৃত তার রাজ্যের অধীন ছিল দিনাজপুর। মৌর্য্য যুগে বগুড়ার পুন্ড্রবর্ধনে ছিল রাজা পরশুরামের রাজধানী।

বিস্তারিত»

~ আমার দেশ আমার ভাষা আমার কৃষ্টি আমার ঐতিহ্য – ভালবাসা ও যতনে আমারই মাতা আমারই আত্মজার মতো ~

ঈদ, পূজা, বড়দিন, এসব আমাদের ধর্মীয় উৎসব। পহেলা ফাগুন বা পহেলা বৈশাখ, অগ্রানের উদযাপন কি বর্ষা বরণ বা ধরুন পিঠা উৎসব। বলি এমন সব দিনগুলো কি? এমন কি ১১ জৈষ্ঠ বা ২৫ বৈশাখ? আমাদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের অংশ এবং উদযাপনের উৎস নয় কি? ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর? রক্ত ঝরা অর্জনের উদযাপন নয় কি?

একটা জাতির, একটা দেশের, একটা স্বাধীন ভূখন্ডের জনগোষ্ঠীর (সকল ধর্ম বর্ণের সব্বাইকে মিলিয়ে যে সমষ্টি) উৎসবের উদযাপনের স্মরণের একটা ঐতিহ্য ও কৃষ্টির ধারাবাহিকতায় আমার আপনার রক্ত প্রবাহের মতোই আমাদের ত্বকের নীচে শোণিতের সাথে মিশে আছে এই দিনগুলো।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-৪

১ম পর্ব
২য় পর্ব
৩য় পর্ব

পারভেজ ভাইয়ের (১৯৭৮-৮৪) মন্তব্যের সূত্র ধরে এই পর্বের আলোচনা শুরু করছি এই অনুমান থেকে যে, পূর্ববাংলায়, তথা বাংলাদেশের ৭০%-৮০% ভাগ জনসংখ্যার মুসলমান হওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে ‘ইন্টার্নালি এবং গ্র্যাজুয়েলি’। বাংলার বাইরে থেকে এতো অধিক সংখ্যক মুসলমান মাইগ্রেট করার কোন তথ্য না-থাকায় এই অনুমান সঠিক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – শিবরামপুরের জোড়া মন্দির

উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে দিনাজপুর জেলায় দিনাজপুর রাজবংশের কীর্তিকলাপ সর্বজনবিদিত। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে প্রাচীন সভ্য জনপদ প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে কালের পরিক্রমায় গড়ে উঠেছিল সে ধারাবাহিকতায় ঈতিহাসে দিনাজপুর রাজবংশের একটি আলাদা স্বকীয়তা রয়েছে। শিবরামপুর গ্রামে পাশাপাশি অবস্থিত শিব মন্দিরদ্বয় তারঈ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

জেলা সদর থেকে উত্তরমুখী যে সড়কটি দিনাজপুর – পঞ্চগড় বরাবর চলে গেছে সে রাস্তা ধরে এগোলে চেহেলগাজীর মাযার হতে প্রায় ১ কি.মি.

বিস্তারিত»

পিএমএস নিয়ে লিখা একটি অপ-এড

পিএমএস নিয়ে সেভাবে প্রথম জানা বছর দুয়েক আগে।
আমার এক ফেবু বন্ধুর কাছে।
শুনে বিষয়টা নিয়ে তখন কিছুটা ঘাটাঘাটি করলাম, কিন্তু সার্বিক জনগোষ্ঠির উপর কষ্টের গুরুত্ব নাবুঝেই তাঁর কষ্টের বোঝা লাঘবে জন্য কোনো উপায় বের করা যায় কিনা, সেটা বাতলানোর চেষ্টা করলাম।
কিন্তু এক পর্যায়ে এই ব্যাপারে তাঁর আর কোনো অংশগ্রহনে অনিহা দেখে এবোর্ট করা ছাড়া আর কোনো গতি থাকলো না।
দ্বিতীয় কেইসটাও আরেক ফেবু বন্ধুর।

বিস্তারিত»

বিস্মৃত নক্ষত্রের আলোয়

কবিগুরু যে বছর জন্মগ্রহণ করেন সে বছরই খুলনার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার বংশে জন্ম হয় আরেক মনীষীর। তিনি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়। ‘প্রাণে প্রাণে মুখরিত হন রবীন্দ্রনাথ। তিনি থেকে যান কেমন যেন অজ্ঞাত অন্ধকারে।’ (১) অথচ, আচার্য পি সি রায় ভারতবর্ষে রসায়নের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রথম সার্থক চরিত্র। ইন্ডিয়ান স্কুল অব কেমিস্ট্রি ও ইন্ডিয়ান কেমিক্যাল সোসাইটি গঠনের উদ্যোগ নিয়ে এই উপমহাদেশে আধুনিক রসায়নচর্চাকে তিনি শক্ত বুনিয়াদের ওপর প্রতিষ্ঠিত করেন।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-৩

পর্ব-১

পর্ব-২

প্রথম পর্বে পর্যালোচনা করে দেখেছি যে, বাইরে থেকে মুসলমানদের ভারতবর্ষে মাইগ্রেশন, মুসলিম শাসকদের তলোয়ারের মাধ্যমে জোরপূর্বক হিন্দুদেরকে ইসলামে ধর্মান্তর অথবা সুফিদের মাধ্যমে সাম্যবাদী ইসলামে হিন্দুদের স্বেচ্ছায় ধর্মান্তর কোন তত্ত্বই ঐতিহাসিক তথ্য এবং যুক্তির বিচারে টেকেনা, বিশেষ করে যখন আমরা ভারতবর্ষের কেন্দ্রে নয়, বরং প্রান্তিক অঞ্চলে মুসলমানদের সংখ্যাধিক্য দেখি, যেমন পূর্ববঙ্গ তথা আজকের বাংলাদেশ।

বিস্তারিত»

~ বোহেমিয়ান সেই কবির জীবন মন্তাজ : যোদ্ধা, প্রেমিক, দ্রোহী এক স্বপ্নবাজ ~

কোথায় আলো জ্বেলে অপেক্ষায় বসে আছে আমার বিদায় উৎসব তোরণ! কে জানে কোন ক্ষণে আমি পৌঁছে যাবো সেইখানে। আমার প্রস্থান লগ্নটিকে ছুঁয়ে দিতেই বুঝিবা নিভে যাবে তার সমস্ত আলোকসজ্জা।
টিকিটের গায়ে অদৃশ্য গন্তব্য স্টেশনের নামটি ঠিক ঠিক বুঝি তখনই দৃশ্যমান হয়ে উঠবে – আমার যাত্রাশেষের ইংগিত আলোকবর্তিকার মতোন। অদৃশ্য ট্রাফিক হাতের ইশারা বলবে যখন, থামো। এটাই শেষ স্টেশন। নামো।
ভালোবেসে যা কিছু প্লাবন এনেছো মাটির গায়ে পাললিক আহলাদে,

বিস্তারিত»

চিন্তা খেলা করে ৩

সম্পর্কের রসায়ন

কি জটিল প্রক্রিয়ায় নারী ও পুরুষের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে জানা নেই। জানি না এই শহরে কেমন করে প্রেম হয়। গড়ে ওঠে সম্পর্কের বীজ। চারদিকে অজস্র সম্পর্ক গড়ে ওঠার মিছিল দেখে মাঝেমাঝে ইচ্ছে হয় ভীড়ের মাঝে আমিও ঢুকে পড়ি। কিন্তু এইসব মিছিলে নিজেকে ‘ফিশ আউট অফ ওয়াটার’ মনে হয়। ভাবি, গড়পরতা এইসব সম্পর্কের শেষটা আসলে কোথায়?

কলাভবনের সামনে তেঁতুলের আচার চাটতে দেখে যে নারীকে অপার্থিব সৌন্দর্যের দেবী মনে হয়েছিল,

বিস্তারিত»

পরিবারের ভবিষ্যত

এমন না যে আমি নতুন কোন কথা বলছি। কিন্তু বাংলা ব্ললগস্ফিয়ারে এই নিয়ে তেমন কোন কথাবার্তা আমার চোখে পড়েনি, তাই এই ব্যাপারে সবার মতামত জানার আগ্রহ থেকেই এই লেখা। আশা করবো সবাই খোলামেলা মত দিয়ে বিষয়টার আরো বিভিন্ন দৃষ্টিকোণকে সামনে তুলে আনবেন।

মানুষের ইতিহাসকে যারাই বস্তুবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যখ্যা করতে যান, সেটা বৈজ্ঞানিকই হোক আর মার্কসবাদী হোক অথবা মেইনস্ট্রিম সমাজ গবেষণাই হোক, সব গবেষণার মুল সুরটা থাকে সমাজের পরিবর্তনের একটা সাধারণ প্যাটার্ন বের করা যেন তার আলোকে ভবিষ্যৎকে আরো নিখুঁতভাবে ব্যখ্যা করা যায়।

বিস্তারিত»

স্বাধীনতার মাসে স্বাধীনতা নিয়ে কিছু কথা

গতকাল দেখলাম আমার ভাই মুরশেদ (জেসিসি, ৭৯-৮৫) ফেসবুকে কয়েকখানা স্ট্যাটাস দিয়েছে স্বাধীনতা সম্পর্কিত।
প্রথমটাই গান্ধিজিীর সেই ভুল করার স্বাধীনতা সম্পর্কিত উক্তিটি নিয়ে।
উনি বলেছিলেন “Freedom is not worth having if it does not connote freedom to err.”
ভেবে দেখলাম, আসলেই তো তাই। স্বাধীনতার মানে তো মূলত চিন্তা, চেতনার ও মননের স্বাধীনতা। অন্যভাবে বললে, সিদ্ধান্ত গ্রহনের স্বাধীনতা। আর সেজন্য যেটা দরকার তা হলো কিছু বলা বা করার জন্য অন্যের মুখপেক্ষি হয়ে না থাকা।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-২

পর্ব-১

বৃটিশদের সময় ১৮৭২ সালে সর্বপ্রথম সরকারিভাবে বাংলার জনসংখ্যা গণনা করা হয়। তৎকালীন বাংলার রাজনীতি, শিক্ষাদীক্ষা, ব্যবসাবাণিজ্য ছিল কলকাতাকেন্দ্রিক এবং সেখানে ছিল হিন্দুদের প্রধান্য; অপরদিকে মুসলমানরা ইংরেজপূর্ব শাসনকেন্দ্র মুর্শিদাবাদ এবং উত্তরবঙ্গে কিছুটা প্রভাবশালী। তুলনামূলকভাবে অনুন্নত দক্ষিনবঙ্গ এবং পূর্ববঙ্গকে কলিকাতাকেন্দ্রিক বাংলার পশ্চাতভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এসব এলাকার জনগোষ্ঠী সম্পর্কেও খুব একটা আগ্রহ দেখা যেতো না। এদেরকে ধরে নেওয়া হতো নিম্নবর্ণের হিন্দু এবং অন্যান্য স্থানীয় আদিবাসী হিসেবে।

বিস্তারিত»

শেকড়ের সন্ধানেঃ বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়-১

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটির কিছু উপরে, যার মধ্যে শতকরা ৮৭ ভাগই মুসলমান। এই হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম মুসলিম দেশ। আমরা জানি, ভারতবর্ষ ঐতিহাসিকভাবে সিন্ধু ও গঙ্গা নদীর তীরবর্তী দ্রাবিড় এবং আর্য সভ্যতার আবাসভূমি। এরা ছিল মূলতঃ বৈদিক বা হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। এদের মধ্যে এতোগুলো মুসলমানরা এলো কিভাবে? তাও আবার প্রতি দশজনে নয়জনই মুসলমান? উপরন্তু ভারতবর্ষের একেবারে পূর্বপ্রান্তে যা কিনা মুসলমানদের শাসনকেন্দ্র থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী অঞ্চল?

বিস্তারিত»