[আলোচিত বিষয়ঃ লইয়্যার, বেতনভোগী ইমাম, গৃহকত্রী]
১
স্বর্গের দেয়ালে হলো যে এক ছিদ্র
মাসটা স্বর্গে তখন আশ্বিন, কি ভাদ্র।
স্বর্গের হাওয়া ঢোকে সেটা দিয়ে নরকে
নরকবাসীরা সে হাওয়া খায় দমকে।
তা দেখে স্বর্গবাসী বসালো সালিশ
ভগবানের কাছে দিল কঠিন নালিশ।
[আলোচিত বিষয়ঃ লইয়্যার, বেতনভোগী ইমাম, গৃহকত্রী]
১
স্বর্গের দেয়ালে হলো যে এক ছিদ্র
মাসটা স্বর্গে তখন আশ্বিন, কি ভাদ্র।
স্বর্গের হাওয়া ঢোকে সেটা দিয়ে নরকে
নরকবাসীরা সে হাওয়া খায় দমকে।
তা দেখে স্বর্গবাসী বসালো সালিশ
ভগবানের কাছে দিল কঠিন নালিশ।
ক’দিন থেকেই মন ও তার কারখানার যাচ্ছেতাই অবস্থা। কিছুই ভাল লাগে না। সেমিষ্টার শেষ হইয়াও হইল না শেষ – ধরনের একটা অবস্থায় ঝুলছে। স্কুলে এখন সেমিষ্টার ফাইনাল। গমগম করা ল্যোব বিল্ডিং, ইউনিসেন্টার, অট্রিয়াম অনেকটাই ফাঁকা গড়ের মাঠ। টিমহর্টনস কিংবা ষ্টারবাকস কফিশপে লম্বা সেই একপ্রস্থ লাইন আর নেই। ফিল্ড হাউস, অ্যালামনাই হলসহ যেসব জায়গায় পরীক্ষা চলে, সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে চিন্তাক্লিষ্ট মুখ। কেউ কেউ নোটে বা বইয়ে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে শেষবারের মতো।
বিস্তারিত» আমি ধরিনি তোমার হাত
কিংবা ছুয়ে দেখিনি তোমার চুল,
আমি বসিও নি তোমার পাশে
ও চোখে চোখ রাখার সাহস আমার নেই ।
কখোনো হবেও বলে মনে হয় না !
পরীক্ষা চলছে, তাই ব্লগেও উৎপাত করা হয় না সেভাবে। এরই মধ্যে খবর পেলাম বুয়েট ক্যান্টিনে নাকি আজকে বিশাল পার্টি হইছে। আয়োজকঃ জনাব পিন্টু ভাই। যদিও বহু গণ্যমান্যের উপস্থিতির কথা থাকলেও কেবল মাত্র ছোট্টবন্ধুদের ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। 😡 😡
বেশি কিছু লেখার সময় বের করতে পারছি না। তাই ক্ষুদ্র পোষ্টে একটা ঝটিকা শুভেচ্ছা জানিয়ে যাই, না হলে ঘন্টা চারেক পরেই এপোষ্টের টাইমিং নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
বিস্তারিত»মুহাম্মদ ইট হ্যাপেনড ওয়ান নাইট লেখার অনেক আগেই আমাকে জানান দিয়েছিলো তার জ্যোতির্বিদ হবার স্বপ্নের কথা। আইইউটির বোরিং বোরিং রাতগুলোর একটিতে আমি আর ও ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোর নীচে বসে জীবন নিয়ে চিন্তা করছিলাম- ঠিক তখনই। প্রকৌশলী থেকে কেউ পদার্থবিজ্ঞানী হতে চাইবে এটা আমার মতো প্রকৌশলীর ভাবনার অতীত কিন্তু মুহাম্মদ ভেবেছিল এবং আমরা সবাই জানতাম একবার যখন ভেবে ফেলেছে তখন ব্যাটা হয়েই যাবে।
ফোর্থ ইয়ারে আমরা প্রজেক্ট নিলাম জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞানের উপর।
বিস্তারিত»অন্যান্য দিনের মত সকালের দৌড়-ঝাপ শেষে বাসায় ফেরত এসে নাস্তা খেয়ে একটু ঝিমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি এমন সময় শাহরিয়ার (১৯৪৪ – মকক) এর ফোন। ধরার পরেই বলল,”অই কিবরিয়ারে স্ট্যাব করসে গাজীপুর স্টেশানে শুনছিস নাকি?! এখন ঢাকা সি,এম,এইচ এ আসে??!” বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠতে গিয়ে ব্যালান্স হারিয়ে পরে গেলাম। আরোও বলল প্রথম আলো দেখতে। বাসায় ছিল ডেইলি স্টার। চোখ বুলাতেই দেখি “গাজীপুর স্টেশানে ৪ বুয়েট ছাত্র ছুরিকাহত”।
বিস্তারিত»
দুপুর নিয়ে আমার প্রবল উন্মাদনা আছে। উন্মাদনা, অর্থাৎ সাধারণ্যের সমাজ ও প্রথানিয়ন্ত্রিত আচরণের বাইরে আচরণ। আমি এমন করি, জেনেশুনেই বুক-পকেটে উন্মাদনাসমূহ লালন করি বিবিধ বিষয়ে। জাগতিক তাড়না দিয়ে যেগুলো ইস্যু আমার হিস্যা নিয়ে নেয়- অর্থ, চাকরি, খাওন-দাওন এগুলো আমাকে উন্মাদ করে না। আমি হিসেবি ও খেয়াল করে দেখি এটিএম বুথের ভেতরে ছক ছক নম্বরের জোরে আমার প্রাপ্য খটাখট আমার করতলে চলে আসে। পাতলা হয়ে থাকা ওয়ালেটের ভেতরে শৌখিন রোলার স্কেটিং করে নোটগুলো জমা পড়ে।
লিখেছেন – বিপ্লব পাল, ভিন্নমত নিউজ নেটওয়ার্ক
লেখকের অনুমতিক্রমে ভিএনএন এর ওয়েবসাইট থেকে এখানে প্রকাশিত
অনেকেই ভাবছেন আই টিউনে বাংলা সিনেমা “দ্বন্দ” রেন্টে বা ডাউনলোড হিসাবে পাওয়া যাচ্ছে– এই ঘটনাকে কেন আমি ঐতিহাসিক বলছি? টরেন্ট সহ নানান ডাউনলোড সাইটে অমন শত শত বাংলা সিনেমা বেআইনি ভাবে ডাউনলোড করা যায়!

এতে নতুনত্বটা কি?
বিস্তারিত»
[আগের আধ্যায় – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা]
[আগের আধ্যায় – অজানা যাত্রা – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-২]
চরণ দ্বীপে আমরা আশ্রয় নিলাম মিলের এ্যাসিস্টান্ট লেবার অফিসার রহমান সাহেবের বাড়ীতে। যে বিষয়টি আমার বেশী চোখে পড়ল সেটি হচ্ছে, গ্রামের সাধারণ মানুষের সহজে বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করা দেখে। আমি আগে কখনো গ্রামে বাস করিনি, এমনকি গ্রামের মানুষদের নিয়ে কখনো বেশী চিন্তাও করিনি।
বিস্তারিত»করিম সিদ্ধান্ত নিছে জীবনেও সে বিয়ে করবে না। একদিন সবাই গিয়া ধরলো, কেন বিয়া করবা না। করিমের জবাব, ভয়ে। বিবাহে তার ভয় নাই, ভয় বৌকে। যে জীবনেও বিবাহ করে নাই তার আবার বৌকে ভয়? কেমনে কী?
করিম বললো, অনেক আগে একবার বন্ধুর বিয়ে খাইতে গেছিলাম। ভীড়ের মধ্যে হঠাৎ এক মহিলার শাড়ীর আঁচলে পা পইরা গেলো। সেই মহিলা ঘুইরাই কইলো, চোখের মাথা খাইছো? দেইখ্যা হাঁটতে পারো না?
প্রতিদিন একটু একটু করে অনেকটুকু ঘুমাই
স্বপ্ন দেখিনা…
সারাখন বসে কেবলি ভাবনা বিলাস; কাব্য করিনা
প্রতিবার ভাবি ছেড়ে দেব, বদঅভ্যাস যত্তসব
ছেড়েও ছাড়িনা
একছুটে ঘর পেরিয়ে বারান্দায়, পালাতে চাই
গ্রিলের খাচায় আটকে রই…পথ যে অজানা
প্রতিদিন একটু একটু করে মুটিয়ে যাই,
হাটতে চাইনা
বড় হতে চাই, বুড়ো হতে চাই না ।
সিগারেট ছাইদানি ছেড়ে দেব সব…তবু ধোয়া বাড়ে
মৃত্যুঝুকি কমেনা
পথ পেরিয়ে পথে যাব ভাবি,
ঠিক দুই বছর আগে শেষ চৈত্রের এই দিনেই বিদায় নিয়েছিল অনুপ…
কত অভিমানি বিদায় এই প্রাণের বন্ধুটার…কত এলো মেলো বিদায়…
বুঝিনি সে সবাইকে আর কতটা অবাক করতে চেয়েছিল
আজ শূণ্য কোলে কেমন আছে তার মমতাময়ী মা, গম্ভীর সরল বাবা বা
ছোট ভাইটার জ্বালাতনের অভাবে কেমন আছে দিদি আর
তার প্রিয় আশিশ পাগলা (বড় ভাইকে এমনই সম্বোধনে ডাকত সে)
জানা হয়নি।
বিকেলের আলোমাখা টেবিলে আমরা দুজনে বসে
তোমার খয়েরি চোখের গাঢ় কাজল দেখলাম
চোখের পাঁপড়িগুলো নেই
(কেউ এসে তুলে নিয়ে গেছে)
ডান চোখের কিনার থেকে লাল ঠোঁটের প্রান্ত অবধি ছুরি দিয়ে চিরে দিয়েছে কেউ
ঠোঁট থেকে হাসির কিছু টুকরো কণা চোখের দিকে সিঁড়ি ভেঙে উঠে যাচ্ছে
তোমার কষ্ট লাগছে। তোমার ব্যথা লাগছে। তুমি হাসছো না। তুমি কাঁদছো না।
আসো আমরা এদিক-ওদিক তাকাই।
বিস্তারিত»কত যে মজার স্মৃতি কলেজে ঘটেছিল, তা লিখতে বসলেই কোনটা ছেড়ে কোনটা লিখব ভেবে উঠতে পারি না। তাই আজকে মনে করলাম, যেহেতু কলেজ পালানোর স্মৃতিচারণ চলছে সেহেতু এই পর্বও কলেজ পালানো কে উৎসর্গ করি।
তখন আমরা একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেট। শিক্ষাসফর শেষ করে এসেছি মাসখানেক হয়েছে। সিগারেট ফুরিয়ে গেছে। অতএব কলেজ পালিয়ে সিগারেট আনতে হবে। তখন পালানোর ব্যাপারে কিছুটা কড়াকড়ি হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না যাওয়া উচিত হবে কিনা।
বিস্তারিত»আমাদের স্কুলে যখন ক্লাশ থ্রীতে পরতাম তখনকার কথা।আমাদের বাংলা ক্লাশ নিতেন মামুন স্যার।তিনি বাংলা ব্যকরণ পরানোর দিনে এই জোকস টা বলেছিলেন।আমরা বেশ মজা পেয়েছিলাম।দেখি আপনারা মজা পান কিনা??(না পাইলে আমার কিছু করার নাই)
এক স্যার তার ক্লাশের ছাত্রদেরকে ক্রিয়ার কাল পরাবেন।তার আগে তিনি দেখতে চাইলেন কেউ এ বিষয়ে কিছু জানে কিনা।তাই তিনি জিজ্ঞেস করলেন , “কেউ কি বলতে পারবে কাল কত প্রকার?”
১ম ছাত্রঃস্যার কাল তিন প্রকার।