জলকিশোরীর চুল
ফিনফিনে ঠিক ফিঙের মতন কালো
খোঁপায় জবা ফুল
অন্ধকারে ছড়ায় রাঙা আলো!
জলকিশোরীর হাত
মোমের মতন ফরসা,আদর ভরা
নরোম,রেখাপাত
আর্দ্র,যেন উষ্ণ শিশির ঝরা!
জলকিশোরীর চুল
ফিনফিনে ঠিক ফিঙের মতন কালো
খোঁপায় জবা ফুল
অন্ধকারে ছড়ায় রাঙা আলো!
জলকিশোরীর হাত
মোমের মতন ফরসা,আদর ভরা
নরোম,রেখাপাত
আর্দ্র,যেন উষ্ণ শিশির ঝরা!
[পাদটিকাঃ দীর্ঘদিন এই ব্লগে (যথেষ্ট সময় দিতে না পারার কারণে) ইনএ্যাকটিভ মেম্বার হয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ হঠাৎ …অনেক কাজের ভীড়ে সুযোগ করে আসলেও…, লেখালেখি করার মতন সময় নিয়ে আসতে পারতাম না। একই সাথে বেশ কয়েকটি (অফিসিয়াল) দায়িত্ব পড়ে যাওয়ায় এবং বিশেষ একটি কোর্সে স্টুডেন্ট হিসাবে যথেষ্ট চাপে থাকায়ই সিসিবিতে আমার এই অনিয়মিত আসা-যাওয়া।
বঙ্গোপসাগরে দায়িত্বরত থাকা অবস্থায় আমাদের (বাংলাদেশের) জাহাজ কর্তৃক একটি শ্রীলংকান ফিশিং বোট উদ্ধারের বিষয়ে নিশ্চয়ই এই ব্লগের সবাই জানেন।
বিস্তারিত»সিসিবি চালু হওয়ার পর থেকে বিগত বছর খানেক ধরে একটা রোগ আমাকে খুব পেয়ে বসেছে।রোগটা অবশ্য খুব অপরিচিত কিছু না-এইটাকে বলা যায় “ক্যাডেট সিমিলারাইজেশন সিনড্রোম”। গালভরা নামটার সাদামাটা ব্যাখ্যা অনেকটা এরকম-দৈনন্দিন জীবনে দুনিয়াতে যা কিছু আছে তার সব কিছুর সাথে নিজের ক্যাডেট জীবনের কোন না কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া।এই সেদিন ভার্সিটিতে সার্টিফিকেট তোলার সময় ভিসি স্যারের দিকে এক ঝলক তাকিয়েই মনে হল,”আরে,আমাদের ভিসি স্যার তো হুবহু ক্লাস সেভেনে পাওয়া ভিপি স্যারের মত দেখতে!খালি চুলটা সাদা,গায়ের রঙ আরেকটু কালো,উচ্চতাটা একটু বেশি আর কথা বলেন কিছুটা ভিন্ন স্টাইলে”।বুঝুন অবস্থা!হাতের কাছে পড়ে থাকা বিখ্যাত ব্যক্তিদের একটা জীবনী পড়তে পড়তে তাই আমার মাথায় যে এঁরা ক্যাডেত হলে কেমন হত এই চিন্তা আসবে-তা আর বেশি কথা কি?
বিস্তারিত»মনে হলো দেখতে দেখতে বছর ঘুরে গেলো। সেই সেদিন রোজা শুরু হলো, শেষ হয়ে ” রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ ” ও। আর এক পক্ষান্তরে আবারো এলো বলে সিয়াম সাধনার মাস – রমজান। প্রতি বছর রোজার মাসে মনে কিছু ভাবনা এসে জড়ো হয় , হয়তো সংযমের কারনে তখন সেসব জোর দিয়ে বলতে পারিনা। আর আমি যে বলবো, সেটা নিয়ে ও দ্বিধায় থাকি। কারন আমার জ্ঞানের স্বল্পতা।
বিস্তারিত»অনেক দিন আগে ব্লগ দিয়েছিলাম সিলেটে বিসিসি’র ইফতার পার্টির। ছবিগুলো দুষ্টু ছেলে রেজওয়ানের আপলোড করার কথা থাকলেও ব্যটা বাইন মাছের মত পিছলে যাচ্ছিলো। যাইহোক, অবশষে গতকাল বেচারা পেন ড্রাইভে করে আমাকে ছবিগুলো দিয়ে গেছে। হয়তো এরমধ্যেই আপনারা শফিউল্লাহ ভাই (পক্ষান্তরে স্যার) এর ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি দেখে ফেলেছেন (যদিও হুবুহু এই ছবিগুলো নয়), তার পরেও ওয়াদা রক্ষা করার জন্য ছবিগুলো আপলোড করলাম…
কুশলাদি পর্ব









উপস্থিত একমাত্র নেক্সট জেনারেশন

প্রস্তুতি পর্ব





বন্টন পর্ব
শফিউল্লাহ ভাই আর তার পেছনের ব্যক্তির মুখটা খেয়াল করুন…
কাঁচামরিচ ওরফে কাঁচা লংকা। শুনেচি আকাশদার দেশের দাদারা নাকি নংকা বলে ডাকেন! শোনা কথা মিছেও হতে পারে, সে যাই হোক । বছর ঘুরে সংযমের মাস রমজান এলেই আমাদের দ্রব্যমুল্যের পাগলাঘোড়াটি যেন আরো অসংযমী হয়ে ওঠে। ফলে কাঁচামরিচ হয়ে ওঠে রমজানের সুপারস্টার! লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে তার দাম, কারণ বিপুল চাহিদা! ইফতারে মুড়িমাখা খাবেন ছোলা দিয়ে, সাথে কুঁচানো কাঁচামরিচ না হলে যে মুখে রুচবে না। পেঁয়াজু খাবেন ,
বিস্তারিত»সন্ধ্যা যায় তারপর যায় রাত
তবু আজকাল আর অকারণে দেখা হয় না
রাতের আকাশ।
কখনও পূর্ণিমাতে চাঁদের ফোকলা হাসি দেখা,
আবার ক্ষয় হওয়া পূর্ণিমা যেন মনে হত
তার মাথায় হাত,
আর অমাবস্যাটা ছিল নিকষ আধাঁরে
(৭)
কলেজে মাঝে মাঝেই স্যানিটারি ইন্সপেকশন হোত । এর উদ্দেশ্য ছিল ক্যাডেটদের হাইজেনিক কন্ডিশন ঠিক আছে কিনা তা চেক করা । এই ইন্সপেকশনে মূলত মেডিক্যাল অফিসার স্যারকে মূল দায়িত্ন দিয়ে পাঠানো হত । তিনি ক্যাডেটদের রুমগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন আছে কিনা তা দেখতেন । পাশাপাশি হাউস এবং একাডেমির টয়লেট বাথরুমগুলো হাইজেনিক কিনা তাও চেক করতেন । আর এই চেকিংগুলো ছিল ঝটিকা চেক । কাউকে না জানিয়েই হঠাৎ করেই চেক করা হত ।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ ব্লগ আগামী বইমেলাকে উপলক্ষ্য করে ই-বইএর গন্ডী ছেড়ে কাগজে ছাপা সংকলন প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। চার সদস্যের একটি সম্পাদক প্যানেল ইতিমধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। আমাদের আপাতত পরিকল্পনা হচ্ছে বই নয়, বরং ম্যাগাজিন আকৃতির একটি মোটাতাজা সংকলন বের করা।
সিসিবি-র সকল সদস্যদের কাছে অনুরোধ করা যাচ্ছে, আপনারা আরও বেশি যত্ন নিয়ে আপনাদের লেখা ব্লগে প্রকাশ করুন, যেন আমরা সেরা লেখাটা সহজেই বেছে নিতে পারি।
বিস্তারিত»