পলেন

আমাদের ব্যাচকে কেউ খুব একটা ঘাটায় না। আমরা খুবই ইনডিসিপ্লিনড্‌। ইচ্ছা হলো নামলাম, না ইচ্ছা হলো নামলাম না, তবে অবশ্যই ডিএম-এনডিএম দেখে। ও নামে নাই, সেকেন্ড হাই টেবিলে বারোটা চেয়ার, এক জন না নামলেই ফার্স্ট হাই টেবিল থেকে স্যার ধরে ফেলবে। আমরা ওর চেয়ারটা উল্টায় রাখলাম, যেন স্যার না দেখে। হাউসে ফিরে কমন রুমের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি, নিচ থেকে খুব চিল্লাচিল্লির শব্দ। আমি আপন মনেই হাসলাম, আবার কিছু করছে বান্দর গুলা। কয়েকদিন ধরে ট্রেন্ড হয়েছে যে কোনো একজনকে ধরে ব্লকে বেন্ধে রেখে দেয়, এমনেই। সে চিল্লাচিল্লি করে, তার সাথে অন্য সবাই চেঁচায়। আবার এরকম কিছু করছে নিশ্চয়ই।

ব্যাপারটা আসলে এমন ছিলো না। রাখি যাওয়ার সময় দেখে গিয়েছে দরজা বন্ধ। এসেও দেখে দরজা বন্ধ। পলেন নামে নাই মিল্ক ব্রেকে। এত ইন্ডিসিপ্লিন মেয়েটা! ও দরজা ধাক্কায়। ধাক্কাতেই থাকে। কেউ দরজা খোলে না। ভেতর থেকে কেউ কথাও বলেনা।

পলেন এমনই। এমন এমন কাজ করবে…

কিন্তু হঠাৎ ব্যাপারটা পালটায় যায়। ও নাহয় মজা করছে, তাই বলে এতক্ষণ?? ওর কিছু হলো না তো? অজ্ঞান টজ্ঞান হয়ে যায় নাই তো?

তখন পর্যন্ত মাথায় অন্য কিছু আসেনা কারও। আমাদের বাথরুমের দেয়াল সিলিং পর্যন্ত না, সিলিং থেকে এক ফিট মত ফাঁকা। সুমি টেবিল নিয়ে ওপরে ওঠে। তার পর দেখে।

ও গলায় ওড়না পেঁচায় শাওয়ারের সাথে ঝুলে আছে। অনেক লম্বা ছিলো, ওড়না বেশিক্ষণ ওর ভার নিতে পারেনি, পা দুইটা ছড়ায় সামনে দেয়ালে আটকে গেছে।

উপর দিয়ে ছিটকিনি খুলে ওকে নামায়। ওকে কোনো মতে ধরে ডর্মে আনা হয়।

কেউ ওর মুখে পানি দিচ্ছে, হাসিবা ব্যস্ত হয়ে একটা কাঁচি খুজছে, ওড়নাটা এতই শক্ত হয়ে পেঁচিয়েছে যে না কেটে খোলা যাচ্ছে না। কে যেন, সম্ভবত অর্চি, ওর মাথাটা কোলের কাছে ধরে রেখেছে। আমি কিছু দেখতে পাই না। মুনমুন পাশে দাঁড়ানো, ওকে জিজ্ঞাস করি, কি হইসে?

ও বলতে পারেনা। শুধু বলে, মিল্ক ব্রেকের আগে সম্ভবত বাথরুমে ঢুকেছিলো, আর এখন…

বিপদের সময় আমার মাথাটা কেন জানি খুব ঠান্ডা হয়ে যায়, খুব সিকোয়েন্সিয়ালি চিন্তা করতে পারি। এখন ওকে হসপিটালে নিতে হবে। তার জন্য স্ট্রেচার লাগবে, ডক্টর ম্যাডাম, এডজুটেন্ট আর প্রিন্সিপালকে খবর দিতে হবে।

খবর দিতে আগেই কে যেন চলে গেছে, আমি পিংকিকে নিয়ে দৌড়ে যাই হসপিটালে। স্ট্রেচার নিয়ে আসি। ওকে তোলা হয়। তারপর হসপিটাল।

এডজুটেন্ট স্যার কার নিয়ে রেখেছিলেন হসপিটালের সামনে। ওখানে ওকে তোলা হয়। তারপর স্যার, ডক্টর ম্যাডাম আর কে জানি ওকে নিয়ে যায় সিএমএইচে। গাড়িতে ওকে ধরে রাখে তাসনীম আর… সম্ভবত হাসিবা।

এইটুকু এখানেই শেষ। পুরা ব্যাপারটা খুব বেশি হলে দুই বা তিন মিনিটের মাঝে ঘটে গেলো।

আমরা আসলে অত তাড়াহুড়া না করলেও পারতাম, আমরা বুঝি নাই তখন আমরা আসলে পলেনকে গাড়িতে তুলি নাই। পলেন তখন মৃতই ছিলো।

সারাদিন আমরা চুপচাপ একে অন্যকে শক্ত করে ধরে কাটায় দেই। কেউ চিৎকার করে কাঁদে না। কেউ বুঝতেই পারে না আসলে ব্যাপারটা কি হলো। আমরা পিঙ্কি, সুমি, রাখিকে প্রশ্ন করে অস্থির করি। ওরা ওর রুমমেট, ডর্মমেট। ও ব্রেকফাস্টেও নরমাল ছিলো, মিল্ক ব্রেকের আগেও ফান করেছে রাখিদের সাথে, কারও সাথে ঝগড়াও হয়নাই, কয়েকদিনের মাঝে এমন কিছু ঘটেও যায় নাই।

সারাদিন কোনো খবর আসেনা। সব টীচাররা হাউসে এসে বসে থাকেন আমাদের নিয়ে। ম্যাডামরা রাউন্ড দেন আমাদের রুমে রুমে।আমরা টীচারদের কে বলি খোঁজ নিতে, সিএমএইচ থেকে এখনো খবর আসেনা কেন?

সন্ধ্যা বেলায় প্রিন্সিপাল স্যার অডিটোরিয়ামে কল করেন কলেজকে। আমরা বুঝে যাই, বুঝতে চাই না। তারপর স্যার বলেন।

এই হলো পলেন মারা যাওয়ার কাহিনী। এর পরের কিছু রিএকশন আছে।

ওর মৃত্যুটা ছিল অস্বাভাবিক। এটা নিয়ে কলেজে আমাদের হেনস্তার শেষ হতে হয়। বহুদিন ধরে চলে তদন্ত। এমনকি এইচএসসির ফিজিক্স পরীক্ষার ঠিক আগে মন্ত্রনালয় থেকে আসে এক তদন্ত কমিটি। কিছু ক্লাসমেটকে সেটাও ফেইস করতে হয়। এসময় নানান বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু শুধু মাত্র ওর মৃত্যুর কারণটা জানার জন্য আমরা সব করতে রাজী ছিলাম। যা কিনা সবার আগে আমাদেরই জানার কথা ছিলো, ওর ক্লাসমেট হিসেবে।

ওর আত্মহত্যার মোটিভ কি ছিলো জানা যায় নি। আত্মহত্যা কিনা-এ নিয়েও অনেকের মাঝে অনেক ধরনের সন্দেহ গড়ে উঠতে থাকে। কিন্তু গার্লস ক্যাডেট সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র যার ধারণা আছে সে এই সন্দেহ কে নিঃসন্দেহে উড়ায় দেবে। আমাদের হাউসের এন্ট্রি খুব রেস্ট্রিকটেড। হাউসটা অনেকটা ইঁদুরের খাঁচা হিসাবে ধরা যায়, যে কারণে বাইরে থেকে প্রবেশ আর ভেতর থেকে কারও চোখের আড়াল হয়ে বের হওয়াটা অসম্ভব। সুতরাং বাইরে থেকে কেউ এসে কিছু করে যাবে? খুব ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে- ইম্পসিবল।

পলেন আমাদের ক্লাসমেটদের চোখের সামনে দিয়ে বাথরুমে ঢুকেছিলো, ওকে আমরা নিজের হাতে বের করে এনেছি। এর মাঝে অন্য কেউ ঢুকে খুন করে গেছে? আরও অস্বাভাবিক।

একটা ঘটনা যখন ঘটে তখন তাকে ঘিরে কিভাবে যেন আরও অনেক ঘটনার জন্ম হয়-এ সময়ও হয়েছিল। পলেনের মৃত্যুর সময় আমাদের দুটো দিক সামলাতে হয়েছিলো, এক আমাদের নিজেদের, আর দুই, বাইরের মানুষদের। বাইরের মানুষ ক্যাডেট কলেজ সম্বন্ধে এমনিতেই অনেক বিরূপ, যদিও সবাই নিজ ছেলেমেয়েকে এখানে দিতে চান। এই ইস্যুটা পেয়ে তারা হাতে তুরুপের তাস পেয়েছিলেন। মিডিয়াতে কতটুকু কালার হয়েছিলো তা সবাই মনে হয় কম বেশি দেখেছে। এডজুটেন্ট স্যার কে নিয়ে এসময় কিছু কথা উঠে আসে, যেটা অত্যন্ত আনএক্সপেকটেড ছিলো।

ওইসময়টায় কেউ আমাদের বিশ্বাস করতে চায়নি-যে আমরা আসলেই কিছু জানিনা। আমি এমনও ঘটনা জানি যে, নিজের বাসার মানুষ, কিংবা আত্মীয় স্বজনও ধরে নিয়েছে যে কলেজ অথরিটি আমাদের বাধ্য করেছে আমরা যেন বাইরে বলি আমরা কিছু জানিনা। সে সময় আমাদের সবচেয়ে বড় সাপোর্ট ছিলো টিচারেরা, ওনারা নিজেদের পরিবার ফেলে যেভাবে রাতদিন আমাদের সাথে থাকতেন-এক কথায় বলা যাবে না। ওনাদের নিয়েও কথা ছড়াল।

কলেজ অথরিটি কি বাধ্য করবে-আমরাই তো জানি না এখন পর্যন্ত। এইটাই কেউ বিশ্বাস করতে পারে না এখনো।

পলেনের বাবামাও কথাটা বিশ্বাস করতে পারেননি, আমরা যতবার ওনাদের কাছে যাই ততবার জিজ্ঞেস করেন। ওনারা মোটামুটি পাগলের মত হয়ে গেছেন। ওনারা মেনে নিতে পারেননা, ওনারা মামলা করেছিলেন, যেই মামলা এখনো চলছেই। ওনার বাসায় যখন যাই তখন বুঝতে পারি, এডজুটেন্ট স্যারের বিরুদ্ধে এসব কথা কেন উঠেছিল। আঙ্কেল একটি চিঠি দেখালেন, ওখানে স্যারের নামে যাচ্ছেতাই কথাবার্তা লেখা ছিলো। চিঠিটা বেনামীতে পাঠানো। আমরা আঙ্কেল কে কিছু বলিনি, ওনার মানসিক যে অবস্থা তাতে কিছু বলা সম্ভব ছিলো না।

 

অনেকেরই অভিযোগ, এই বিষয়টা নিয়ে গার্লস ক্যাডেটরা সব সময় মুখে তালা দিয়ে রাখে…ধরুন আপনার বাবা বা মা, কিংবা ধরুন ছোট বোনটাই মারা গেলো, আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম মারা গেলো কিভাবে? আপনি কি কিছু বলবেন? নাকি আপনার চোখ ফেটে বেরিয়ে আসা পানিকে সামলাতে ব্যাস্ত হয়ে যাবেন? ক্লাসমেটের লাশ হাতের ওপর দিয়ে যাওয়াটা খুব একটা সুখের বিষয় নয়, এটা নিয়ে কথা বলতেও কেউ যায় না।

 এই লেখাটা আমি বাধ্য হয়ে লিখেছি, শুধুমাত্র এইজন্য যে কেউ যেন ভুল ধারণা নিয়ে বসে না থাকে। যদি কারনটা কেউ জানতো তাহলে সবচেয়ে আগে আমরাই জানতাম। আমরা ওর ক্লাসমেট, ৬টা বছর একসাথে কাটায় দিয়েছি, হঠাৎ কি হবে যেটা আমরা কেউ জানবো না? প্রশ্নের কোনো উত্তর নাই, এখানে রহস্যের কোনো গন্ধ নাই, গন্ধটা যদি কেউ পেত তাহলে দেখত গন্ধটা হলো কষ্টের।

ওর মারা যাওয়াটা এমনই ছিলো যে সেটাকে আত্মহত্যা ছাড়া আর কিছু বলা সম্ভব না, কিন্তু ও মানুষটা এমনই ছিলো যে ওর পক্ষে আত্মহত্যা করাটাও সম্ভব না। কোনটা মেনে নেবো?

আমি তখনো ভাবতাম ও আসলে মারা যায় নাই, আমি রাতে একা একা কমন রুমে বসে থাকতাম, মনে হত আগের মত দুম করে ঢুকে পড়ে চমকায় দিবে আমাকে। আমার বিশ্বাস হত না ও নাই।

আমি জানি আমার মত আরও অনেকেই বসে থাকতো এভাবে, যাদের একা একা বসে থাকার সাহস নাই তারাও কিন্তু একে অন্যকে ধরে অপেক্ষা করতো ওর জন্য। কথাগুলা শুনতে খুব সাহিত্য সাহিত্য লাগে, পলেন মারা যাবার আগে আমিও তাই ভাবতাম, ও যাওয়ার পর- “বিশ্বাস হতে না চাওয়া”, “অপেক্ষা করা”- এই শব্দ গুলার আসল মানে বুঝতে পেরেছি।
ও যেখানেই থাকুক, ভালো থাকুক। ওর জন্য আপনার সকলে একটুকু প্রার্থণা করবেন।

৮,৬২২ বার দেখা হয়েছে

৬৬ টি মন্তব্য : “পলেন”

  1. কুচ্ছিত হাঁসের ছানা

    sorry আমি এই ব্যাপার গুলো জানতাম না। আমি কাউকে আঘাত করার জন্য কিছু বলতে চাইনি। i feel sorry for all of you and Polen also.

    আমি হয়তো তোমাদের মত করে তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারব না। কিন্তু আমি যে সব কথা বার্তা শুনেছিলাম তখন, সেগুলো আমাকে এরকম ভাবে ভাবতে বাধ্য করেছিল।

    আর এই হঠাৎ তোমাদের সবার একসাথে এই নীরবতাও কিছুটা অস্বাভাবিক ছিল বলে আমার মনে হয়েছে।

    যাই হোক, এই ব্যাপারটা clear করে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

    জবাব দিন
  2. কুচ্ছিত হাঁসের ছানা

    আর আজকে তুমি যেই কথাগুলো আমাদের জানালে এই কথাটুকুও তো কেউ এতদিন বলে নি।

    যদি সবাই এভাবে মুখে তালা না দিয়ে, তুমি যতটুকু বললে আজ, ঠিক ততটুকুও বলত, তবুও এত প্রশ্নের উৎপত্তি হত না।

    যাই হোক, i am emphasizing on that particular point that, i didnt mean to hurt anyone of you. I just wanted to know the fact regarding your (তোমাদের) stragne silence about the matter of POLEN.

    আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি ব্যাক্তিগতভাবে sorry বলছি।

    জবাব দিন
  3. সামিয়াকে ধন্যবাদ অনেক অজানা কিন্তু কষ্টের কথা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
    তুহিনের মত আমারও এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক প্রশ্ন ছিল এবং থাকাটাই স্বাভাবিক।
    আমি শুধু এইটুকু ভাবি নিখাদ ৫০টা ফ্রেন্ড পেয়েও ও কেননিজের কষ্টগুলো শেয়ার করল না......না জানি কি অজানা কষ্ট নিয়েই না সে চলে গেল।
    খুবই খারাপ লাগছে এই রকম মনখারাপ করা
    টপিক নিয়ে কথা বলতে।ওর পরকালীন শান্তি কামনা করি....

    জবাব দিন
  4. samjhang,

    তোমার কি মনে আছে মেকা উইকি সাইট এ জাহিদ রেজা ভাইকে নিয়ে আমার লেখাটা দেবার পর আমাকে কমেন্টস এ কি বলেছিলে??সেই কথা তোমাকেও বলি... যা হয়ে গেছে তা তো আর ফিরে আসবেনা।জানি এই বলায় কোন লাভ নাই,কিচু কিছু কষ্ট লাভ ক্ষতির চিন্তা করে মনের ভেতর বাসা বাঁধেনা।কেউই কষ্ট পেতে চায়না।তবু প্রিয়জনের উষ্ণতা কষ্টগুলোকে এত সহজে মরে যেতে দেয়না।হয়তো সময়ের ঢেউয়ে কিছুটা ফিকে হয়ে আসে।আমরা ভালবাসতে জানি।তাই ভালবাসার মানুষটাকে ভেবে কষ্ট পেতেও দ্বিধা করিনা কখনো।কম বেশি আমরা সবাই কষ্ট পেতে ভালবাসি,আমাদের ভালবাসার জন্য,ভালবাসার মানুষটার জন্য।

    সামিয়া,তোমাকে অনেক ধন্যবাদ এতদিন ঘোলাটে হয়ে থাকা একটা বিষয়কে সবার সামনে স্বচ্ছ করে দেবার জন্য।

    পলেন ভাল থাকুক।ভাল থাকুক একসময় পলেনের চারপাশ আলো করে থাকা ভালবাসার মানুষগুলোও।

    জবাব দিন
  5. হু যায়।
    এডজুটেন্ট স্যার খুব কড়া ছিলেন। গার্লস ক্যাডেট কলেজের রেগুলেশন এত কড়া না বয়েজদের যতটা। কড়া, তবে অন্য দিক দিয়ে। স্যার একটু বেশিই স্ট্রিক্ট ছিলেন, তাই ওনার সম্বন্ধে নেগেটিভ কথা বলার লোকেরও অভাব ছিলো না।

    ঠিক সেই সময়টাতেই কলেজে উনার আরোপিত নিয়ম কানুন অনেকের বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়।

    আমরা ধারণা করেছিলাম এরকম কেউই এই ঘটনার সুযোগ নিয়ে আঙ্কেলকে চিঠিটা পাঠিয়েছিল। তাতে পলেনের নামের বানান ভুল, আর কিছু কিছু পয়েন্ট দেখে বোঝা যায়, সে ক্যাডেটদের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত না।
    স্যারকে আমরাই গালাইতাম, স্টাফরা তো আরও খেপা ছিলো।
    কিন্তু এই ঘটনাটা ঘটার পর, সত্যি বলতে কি, স্যার পুরো ব্যাপারটা যে ভাবে সামাল দিয়েছিলেন, আমরা ওনার প্রতি কৃতজ্ঞ। একটা ক্যান্ডিডেট ব্যাচ এই অবস্থার মাঝে থেকেও পরীক্ষা দিয়ে বের হয়ে এসেছে, তার অনেকখানিই ওনার কৃতিত্ব।

    জবাব দিন
  6. বাপরে, একটু বেশিই বুঝে গেসো অবশ্য। যাই হোক, ওখানে লিখা ছিল, এডজুটেন্ট স্যার আর ভিপি ম্যাডাম ওকে এত পানিশমেন্ট দিয়েছে যে ও তাতে কষ্ট পেয়ে এই পথ বেছে নিয়েছে, এডজুটেন্ট সব সময় ওকে পানিশমেন্ট দিত -ব্লা ব্লা।
    কিন্তু যেই সময়ের কথা লেখা ছিলো (সম্ভবত বৃহঃ রেস্ট টাইম, আমার ঠিক মনে পড়ছে না), সেই সময় আমরা সবাই একসাথে স্যারের কাছে পানিশমেন্ট খাচ্ছি।
    তাছাড়া, ক্যাডেট কলেজে কেউ কখনো পানিশমেন্ট খেয়ে ফ্রাস্ট্রেটেড হয়?

    জবাব দিন
  7. সামিয়া,
    লেখাটা পড়ে আবারো খারাপ লাগল। মন খারাপ করোনা আপু। আমি মনে হয় ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছি। একটা কিছু হয়ে গেলে তখন সব স্বাভাবিক ব্যাপারগুলাই কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যায়। ক্যাডেট কলেজের পানিশমেন্ট এর ও একই অবস্থা। আমার লেখাটায় আমি বলেছিলাম ইকবাল রেজাকে কেউ মেরে ফেলতে চায়নি। ওটা যা ছিল অদূরদর্শিতা আর একগুয়েমি। আমার একটা ভাগনী ও ঐ একই সময়ে একই কাজ করেছিল। অসম্ভব খারাপ লেগেছিল আমার। চলে গেলে তো সবই শেষ। আর নিজের থেকে ছোট কেউ চলে গেলে আমার কেমন যেন অপরাধবোধ কাজ করে।

    জবাব দিন
  8. ব্লগে শুধু মজার মজার পোস্ট থাকলেই তো চলবে না। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ক্যাডেট কলেজকে নেটে নিয়ে আসা। তাই কলেজের সবগুলো বিষয়ই আসতে হবে। ধন্যবাদ এই পোস্টটা লেখার জন্য।

    বিষয়টা অবশেষে পরিষ্কার হলো।

    জবাব দিন
  9. @স্যাম,
    আমি পলেনের কথা একজনকেই জিজ্ঞাসা করেছিলাম... সে উত্তর দিয়েছিল, she better knows..আবেগের পরিবর্তে গোপনীয় কিছুই মনে হয়েছিল ব্যাপারটা...এরপর থেকে আমি কাউকে জিজ্ঞেস করিনাই...
    ঘটনাটা তোদের কাছে তীব্র আবেগের একটা বিষয় ছিল...এমন না যে সেটা আমরা বুঝতে পারতাম না...আমরা বুঝিনাই কারণ কেউ আমাদের কিছু বলে নাই...
    লেখাটা পড়ে তোদের আবেগটা আমরা ধরতে পেরেছি...ধন্যবাদ...

    জবাব দিন
  10. আমি পলেনকে চিনতাম না, কখনই দেখি নাই, নাম জানতাম না দুঃখজনক ঘটনাটা ঘটার আগ পর্যন্ত। তারপরেও আমার মনে হয়েছিল আমার কোন কেও চলে গেছে, কলেজে ফ্রেন্ডদের reaction দেখেও তাই মনে হয়েছিল। MGCC-র কারও সাথে আমার পরিচয় ছিল না তাই যা শুনেছিলাম সব আমার আশেপাশের ফ্রেণ্ডদের কাছ থেকে, যা বিশ্বাস করা ঠিক ছিল না, আমিও করি নাই। এই ব্লগটার জন্ম হয়েছে আমাদের feelings গুলা ভাগাভাগির জন্য। কাঊকে না কাউকে এগিয়ে আসতে হত। এই কাজটা করেছে জিহাদ আর মোহাম্মদ মিলে। তাদের ধন্যবাদ দিয়ে তাদের তৃপ্তি পাবার chance দিতে চাই না কারণ তোদের আরও আনেক কিছু করতে হবে। সামিয়ার লেখাটা আনেক জরুরী ছিল। জানি আনেক কষ্ট এমন লেখা লিখতে। তাও কষ্টটা করার জন্য সামিয়াকে আনেক thanku। আমরা কাঊকে হারাতে দিব না, সবাই থাকবে, এই না হলে কিসের বন্ধুত্ব, কিসের ক্যাডেট।

    জবাব দিন
  11. কুচ্ছিত হাঁসের ছানা

    Ishtiaque, on মার্চ 5th, 2008 Project Management 11:14 am Said:

    আমাদের ৯৯ ব্যাচের ৪ জন আজ নেই। সবার পরকালীন শান্তি কামনা করছি।

    --------

    ৯৯ ব্যাচে চারজন না, পাঁচজন।

    ইকবাল, রেজা (সিলেট)
    রেজা (মির্জাপুর)
    মুমিত (ফৌজদারহাট)
    পলেন (ময়মনসিংহ)

    জবাব দিন
  12. @রায়হান, আসলেই she better knows, নাইলে বাকি ৪৯টা মেয়ে আছি আমরা, কেন কেউ জানবো না আমরা ওর কি হয়েছিলো? কেন কাজটা করলো? জানার তো কেউ কম চেষ্টা করি নাই।
    @হাসনাইন, thanx. "যা বিশ্বাস করা ঠিক ছিল না, আমিও করি নাই"- এই একটা মাত্র সাপোর্টই আমরা চেয়েছিলাম, আজেবাজে কথা যেগুলা ছড়াচ্ছিলো সেগুলা যেন কেউ বিশ্বাস না করে।

    জবাব দিন
  13. Cadet der safolle hingsha koira bairer manush chance pailei aje baje kotha bole....for example.....amader SSC er somoy prothom grading policy chalu hoilo....seibar Jessore Board e keu GPA 5 pay nai.....the highest was 4.88 and we got that......kintu paper e likha hoilo eibhabe...."E bochor Cadet College er bhoradubi.....JCC theke keu GPA 5 paynai...." tara jei khobor ta jotner sathe chepe gesilo seita holo sei bochor sara deshe Maximum GPA 5 paisili MGCC ar MCC....76 er moddhe almost 50 ta....

    Let me rephare Sharat Chandra....."Cadetder kolonko obissash kore thoki seo bhalo,bissash kore paaper bhagi hote ami raji noi".....

    May the soul of Polen rest in peace....someday she will answer us all I hope.....when all of us will meet her....may be to set up an afterlife cadet college....

    জবাব দিন
    • আছিব (২০০০-২০০৬)

      ভাই,আমাদের রেজাল্ট বের হওয়ার পর দৈনিক যুগান্তরে এরকম একটা খবর আসল পরের দিন,''শিরোনামঃরাজশাহী ক্যাডেট কলেজে বাণিজ্য বিভাগে পাসের হা ০%''...আর ডিটেলস লিখল অনেকটা এইরকম,''.........বাণিজ্য বিভাগে কেউ পাস করতে পারেনি...বিজ্ঞান বিভাগে ৪২ জন জিপিএ-৫ পেলেও মানবিকে পেয়েছে মাত্র ৪ জন......কলেজের অধ্যক্ষ বাণিজ্য বিভাগের ভরাডুবির কারণ জিজ্ঞেস করলে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান..........."
      বলেন ভাই,হাসব নাকি রাগে ভাংচুর করব????

      জবাব দিন
  14. মাশরুফ এর কথা শুনে একটা কথা মনে পড়ে গেল। একবার রেজাল্টের পর এক পেপার এর ডায়লগ।
    প্রতিবছরের মত এবারো সায়েন্স এবং আর্টস এ ক্যাডেটরা একক আধিপত্য বিস্তার করলেও কমার্সে তারা একটি প্লেস ও পায়নি।

    জবাব দিন
  15. পলেনের কথাটা আমি আভছা ভাবে রায়হান এর কাছ থেকে শুনেছিলাম... ধন্যবাদ সামিয়াকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেয়ার জন্য... আমরা যখন সেভেন এর প্রথম সাতদিন কাটাতে আসি, আমাদেরই এক ব্যাচমেট আত্নহত্যা করার হুমকি দিয়েছিল, ও এতটাই সিরি‌য়াস ছিল যে কোথথেকে একটা ছুরিও যোগাড় করেছিল... যাইহোক, আল্লাহর রহ‌মতে ও ছয়বছর শেষ করেই বের হয়েছে।

    যে কোন ম্রৃত্যুই দুঃখজনক.. সেটা যদি এ রকম tragedy'র হয়, দুঃখটা আরো বেড়ে যায়.. সকল বিদেহী আত্নার জন্য আমার প্রার্থনা রইল।

    জবাব দিন
  16. sorry I am too late on this issue. But নাক গলাবার ইচ্ছাটা রুখতে পারলাম না।
    সামিয়া লিখেছেন,"আপন মনেই হাসলাম, আবার কিছু করছে বান্দর গুলা। কয়েকদিন ধরে ট্রেন্ড হয়েছে যে কোনো একজনকে ধরে ব্লকে বেন্ধে রেখে দেয়, এমনেই। সে চিল্লাচিল্লি করে, তার সাথে অন্য সবাই চেঁচায়। আবার এরকম কিছু করছে নিশ্চয়ই।"
    এর ভেতর কোনো রহস্য নেইতো? বাক্যটা কেমন যেন শোনায়!

    Plz dont mind, aapo.

    জবাব দিন
  17. বাঁধন!!!! ওই কেমন আছ???? আমি এই কমেন্ট টা মিস করলাম কেমনে?? তাড়াতাড়ি লিখা শুরু কর।
    বাঁধন তুমিও জান আমিও জানি কথাগুলা গুছানো না, আমাদের কোনো কথাই আমি লিখতে পারিনাই আসলে, তাইনা?

    জবাব দিন
  18. আসাধারন একটা লিখা, বেশ কয়েক বার পড়লাম, যতবার পড়ি বুকের ভিতর টা কেমন জানি হু হু করে উঠে। পলেন কে হয়তো কোন দিনই জানা হতো না যদি না সে মারা যেত। নাই বা চিনলাম, নাই বা জানতাম পলেন নামে কেউ আছে, তবুও সে বেঁচে থাকত।
    পত্রিকা খুললেই কত শত মানুষের মৃত্যুর কথা দেখি, পলেন কে তো আমি চিনি না, জানি না কিন্তু ওর মৃত্যু টা আমাকে কেন জানি খুব কষ্ট দিচ্ছে। এই কষ্টের নাম কি?
    আমার খুব ঘনিষ্ঠ এক বন্ধুর মৃত্যু আমি খুব কাছ থাকে দেখেছি। ২০০২ সালে রোড এক্সিডেন্টে মারা গিয়েছিল। আমি জানি কতটা কষ্টে সেই দিন গুলো পার করতে হয় বন্ধুদের। সময় কেমন জানি স্তব্ধ হয়ে যায়। জীবন যেন আটকে যায় ঘড়ির কাটায়।
    তোমরা আজ যারা পরবাসী, তোমাদের সবাইকে আল্লাহ্‌ কবুল করূক।

    জবাব দিন
  19. আত্মহত্যা কারা করে ?
    যারা করে তাদেরকে আমার personally কাপুরুষ & অত্যন্ত দূর্বল প্রকৃ্তির মনে হয়।আর যারা করে তার পেছনে definitely কোন কারন থাকে । কারন টা বিভিন্ন রকম হতে পারে ।

    পলেন কে আমি সামান্য চিনতাম । তাকে আমার কোনোভাবে ই দূর্বল মনে হয় নি । বরং সাধারন ৫ জনের চেয়ে অনেক বেশি strong মনে হয়েছিল ।

    যাই হোক, এসব কথায় এখন কিছুই যায় আসে না । তবে যদি কেঊ যদি দায়ী থাকে তায়লে তার শাস্তি কাম্য । May Allah bless her soul.

    জবাব দিন
  20. নওরীন (৯৪-০০)

    Samia,
    কেমন আছ? (bangla likha ta ekhono shekha hoyni amar.tai shuru koreo continiue korte parlam na.Sorry!)
    ami college theke ber hoisi besh ko bochor hoye gese. bojhoi to ex-cadet hoye gele ja hoy.papers magazines e cdt college niye kichu likhle paper ta k khure khure pori. r jodi t ahoy MGCC. ta hole to mone hoy k jani amar atta k niye paper e likhse! mGCC'r mrittu shongbad,ei headline ta dekhe pc'r dike golla golla kore takay chilam!mane ki!!! cadet mara gese??? amader college e?? kobe??kivabe???....you know...to pora shuru korsi... 3-4 line er ki shob vua khobor. kono details kichu na. j report ta likhsilo shey nije to college er kichu janeina. even journalist ta cadet college ki, er shomporke kono khojkhobor na niyei nijer vahsay report ta likhse dekhe aro birokto lagsilo.khali jante ichha kortesilo. kon house er picchi eta?(picchi ei sense e j, hisheb kore ber korlam amra tokhon eleven e jokhon tomra college e dhukso.)pichhi tar ki eto koshto chilo mone. kono classmate er stahei ki share korte parlona? ki eto obhiman chilo?? r classmate gula tokhon koi chilo...kingba ahare erokom ghotonar pore or classmate gula ekhon kmn ache..kivabe din katachhe....egula mone hocchilo khali! bisshash korba kina janina school'r computer lab e boshe paper ta portesilam. shobar theke mukh aral kore kanna chepe boshechilam screen er dike takaye!! tarpor por e deshe phone korsilam. ontoto deshe amar classmate ra hoyto ektu holeo details tuku janbe comparing to this bugging prothom alo's report. kintu na. keo e kichu bolte parlona. shudhu bollo:"shanti house er chilo.chinta kor...meye ta kno mara gelo.amar oi friend abar shanti house er. o boltesilo mone hocche amar kono roommate or dormate mara gese. etto kharap lagtese janish?"...kintu keo er theke details ar kichu bolt epareni. r amader classmate rao ei paper er report gulor upor khu birkto chilo. main khobor na diye jhapsha jhapsha shob news,ultapalta news..shobar e khub birokto lagto.
    jai hok aaj tomar polen lekha ta pore. ekhon...ettto gula bochor por jante parlam aj k j ota Polen chilo!! arey ore chini. khub cute ekta picchi chilo.kno janina onek junior der face mon enei..thakeo na behsi ekta..khub beshi junior hole. kintu polen er naam shoho face ta mone ache.ahare! ki jani hoisilo amar chhoto bon tar. ki emon mon kharap chilo,ki dukkho chilo j kono friend er sathei share korte pareni..kao k kichu bujhteo dilona...chole jawar por o keo jant eparlona or oviman ta ashole ki niye chilo.Khub ..khub kharap hoye gelo mon ta abar notun kore Polen er jonno. tomader batch tar jonno.jodi deshe kokhono ashi. or gorosthane amar jawar khub iccha.tomar email add ta amake dio. ami mail kore jene nibo thikana ta gorosthaner.jodi na tomar kon oshubidha thake.jotne theko, thik ache. r pOlen nishchoi valo ache. o kharap thaktei parena. jekhanei ache ager motoi hasha hashi kore berachhey..amar bisshash!-apu

    জবাব দিন
    • সামিয়া (৯৯-০৫)

      নওরীন আপা বিশাল সালাম নিয়েন। আপনি কেমন আছেন? আমাদের ব্যাচকে মনে না থাকারই কথা, আমরা একদম নাদান বাচ্চা ছিলাম, যখন আপনারা টুয়েলভ। আপনার কমেন্টটা পড়ে খুব ভালো লাগলো, এই কথাগুলোই কাউকে বোঝানো যায়নি তখন, বানোয়াট আর মনগড়া কথা লিখে লিখে পেপারগুলো খুব দ্রুত ব্যাপারটাকে দারুণ জনপ্রিয় করে ফেলেছিলো। তাদের কাছে ঘটনাটা একটা 'খবরের মতন খবর' ছিলো, আমাদের কাছে ছিলো অনেক কিছু। ওই কয়েকটা দিন, আমরা কাউকে বোঝাতে পারবো না আপা কেমন করে কাটিয়েছি। ছয় বছরে যতটা না কাছাকাছি এসেছি, ওই কয়েকটা দিন এক ধাক্কায় আমাদের তার চেয়েও বেশি কাছে এনে দিয়েছিলো। এখন মনে হয় আমরা এক জন আরেকজনকে ধরে রেখেই জীবনটা হয়ত কাটায় দিতে পারবো, আর কিছু লাগবে না।

      পলেন নিশ্চুই ভালো আছে আপা। আপনার সাথে আমিও একমত।

      জবাব দিন
  21. আহ্সান (৮৮-৯৪)

    সামিয়া,
    অদ্ভুত সুন্দর তোমার লেখা। কলেজ পার করে এসেছি অনেক আগে,কিন্তু মনে হচ্ছে নাড়ি টা এখনো কলেজে পুতে রেখেছি। পলেনের ব্যাপারটা পরে মনে হচ্ছে জেন নিজের বোনকে হারিয়েছি। তোমার লেখা পরে আমার নিজের ও একটি লেখা লিখতে ইচ্ছে করছে। তোমার মতো সুন্দর করে হয়তো লিখতে পারবোনা, কিন্তু তবুও চেস্টা করবো।
    আল্লাহ পলেন কে জান্নাত নসীব করুক এবং তোমাদের ব্যাচের সবাইকে ভালো রাখুক। আমিন।

    জবাব দিন
  22. সামিন (২০০২-২০০৮)

    সামিয়া আপু লেখা তা অসাধারন।আমার পরার পর কান্না আসছিল। অই সময় আমরা কলেজ এ ছিলাম।তাই ভাসা ভাসা সুন্সিলাম।কিন্তু জাই হক আতদিনে আসল ঘতনা জানলাম। আল্লাহ পলেন কে ভাল রাখুক। thanks for clearing the matter.

    জবাব দিন
  23. রেজওয়ান (৯৯-০৫)

    ময়মনসিংহের প্রথম যে একজনের নাম শুনেছিলেম সে হল পলেন । আমাদের দর্পণ এর কল্যানে । বেচারা অকে নিএ পুরো একটা ডাইরি লিখে ভরে ফেলেছিল । বেচারার ইচ্ছা ছিল অইটা পলেন কে দিবে । এখন মনে পরে সেইদিন আর্টস গ্যালারিতে বসে ছিলাম আর হঠাত খবর টা আস্ল । দর্পণের কান্না আর আমাদের ... ...একটি ক্লাসমেটের হারিএ যাওয়া । i feel sorry for u all. thanx 4 da writtin

    জবাব দিন
  24. মুহিব (৯৬-০২)

    During that time I heard some bad comments about cadet college. Most shocking part was that they were knowledgeable persons. I did not know the inner story but I did not believe that an adjutant or a college staff can do that. But I could not make them(people made interesting stories) understand fully. So painful moment for an ex-cdt.

    May ALLAH keep her soul in peace.

    জবাব দিন
  25. Office theke likhchi, so bangla lekha kibhabe likhte hobe ber kore likha possible holo na bole sorry shobaike. Goto kalke hut korei ei site ta peye gesilam accidently. tarpor theke ekhanei....

    jai hok, ei lekhata pore comment na kore parlam na. samia apu, tomaderke shantona deowa amar pokhkhe possible na. eirokom ekta ghotona shamlano, tao abar hsc'r ag diye, shotti tomader proti amar shrodhdhabodh bere gese bohugune. ek dike friend ke haranor kokshto, arek dike ashepasher shomosto manusher proshno ar shondeho, ami jani na ami nijeo eto khani strong kina e shomosto kisu shamlai abar porashona or hsc exam dite partam kina. doa kori polen jeno beheste jai. ar doa kori tomra shobai jate nijeder koshto ta ke shamlai nite paro.

    জবাব দিন
  26. শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)

    আমি অনেক দেরিতে পড়লাম লেখাটা। আমি ঘটনাটা আগেই শুনেছিলা অন্যদের কাছ থেকে। আমি সমবেদনা জ্ঞাপন করতে পারি না তাই শুধুই দোয়া করি পলেনের জন্য।

    জবাব দিন
  27. আছিব (২০০০-২০০৬)

    আপু,আপনাকে ধন্যবাদ।কনফিউশন্টা দূর হয়ে গেল।
    আপনারা ভাল থাকবেন।
    পলেন আপুর পরকালীন মুক্তি ও শান্তি কামনা করছি।
    আমাদেরকে এত ঘোর অমানিশা আর এত কষ্ট দিয়ে না গেলেও পারত!
    আবারো বলছি,বিজ্ঞানের যুক্তি তর্কে দ্বিধান্বিত হয়ে পড়েছিলাম।বিশ্বাস বদ্ধমূল হতে দেইনি।আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। :boss:

    জবাব দিন
  28. এই ব্যাপারটা নিয়ে আমার তীব্র প্রতিবাদ আছে। পলেন এর ঘটনার পর বেশ কিছু ক্লাশমেটকে কারন নিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কেউ কোন উত্তরতো দেয়নি বরঙ তাদের রেস্পন্স ছিল খুব সন্দেহজনক। তারপর ইন্টারনেট ঘেটে যখন পলেন এর বাবার চালান ওয়েবসাইটটা পেলাম, তা নিয়ে একটা লেখা দিলাম সিসিবিতে, যে দেখি কেও কিছু জানে কিনা? বিচিত্র কারনে এডমিন লেখা এপ্রুভ করলো না। আমি আমার ক্লাসমেট এর মৃত্যু নিয়ে ক্লাসমেটদের এমন আচরনে অত্যন্ত দুঃখিত হয়েছিলাম এবং বিশ্বাস করেছিলাম এর পিছনে নিঃসচয় কিছু আছে। পৃথিবীর সব কথা হয়ত জানতে নেই।সামিয়াকে ধন্যবাদ দেরিতে হলেও আমার ভুল ভাঙ্গানোর জন্য। (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
  29. সালেহ (০৩-০৯)

    সামিয়া আপু আমরা তো ঘটনার সময় কলেজে ছিলাম।
    আমার দুইটা ক্লাসমেটের বড় আপুরা MGCC তে immediate senior ছিলেন।
    তো আমাদের মধ্যে যে গুজবটা ছড়িয়েছিল তা হচ্ছে, পলেন আপুরে সবাই পলিথিন বলে ডাকত। তাই উনি suicide এর পথ বেছে নিয়েছেন।


    Saleh

    জবাব দিন
  30. ...Thank u samia apa beparta shobaike etto shundor kre janie dear jonno....oi time ta amra jara silam shobar jnno dusshopno silo....amader college karo upor blame kora kotota impossible eta kaoke bjhno possble.amrao eto oshohae hoe giesilam.apnara amader keo support diesilen....r eta ekhane shundor kre likhae shobi clear holo.eta mukhe bole bole bjhano jetona....POLLEN APA jekhnei thakun na keno valo jno shbshmy thken.etotukui doa amader

    জবাব দিন
  31. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    "ওর মারা যাওয়াটা এমনই ছিলো যে সেটাকে আত্মহত্যা ছাড়া আর কিছু বলা সম্ভব না,
    কিন্তু ও মানুষটা এমনই ছিলো যে ওর পক্ষে আত্মহত্যা করাটাও সম্ভব না।"

    খুব অসম্ভব কোন কিছু যখন ঘটেই যায়, আমরা সেটাকে তখন দুর্ঘটনা বলে ডাকি।
    আত্মহত্যার ঘটনাগুলো কখনো কখনো দুর্ঘটনাও হতে পারে, এটা আমরা অনেক সময় মানতে চাই না।
    ঘটনাটা দুঃখজনক তবে সেটা নিয়ে বাড়াবাড়িটাও কম দুঃখজনক না!


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।