বশির মিয়ার একদিন

পেশায় ভিক্ষুক হলেও মানুষের কাছে হাত পাততে একদমই ভালো লাগে না বশির মিয়ার। অবর্ণনীয় অসহ্য লাগে। তবুও যত অবর্ণনীয় অসহ্য কিংবা বিরক্তই লাগুক না কেন অবশেষে পেটের যন্ত্রনায় নাক মুখ খিঁচিয়ে, দাঁত কিড়মিড় করে হাত কিন্তু পাততেই হয় পথচারীর সামনে গিয়ে। কখনো ডাক্তার, কখনো উকিল, কখনো শিক্ষক- কখনো বা স্কুলছাত্রের সামনেও।

বাম হাতে একটা থালা নিয়ে হঠাৎ করেই গিয়ে হাজির হয় ফার্মগেটের মোড়ের কোন এক পথচারীর সামনে।

বিস্তারিত»

হাত বাড়িয়ে দাও

মুক্তিযোদ্ধা এসএম খালেদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করার ব্যাপারে সচলায়তনে দৃশা আপা একটি মন্তব্য করেন।

এই সব বড় মানুষ টানুশ কবে দয়া কইরা টাইম দিব ওইটার লাইজ্ঞা বইসা না থাইকা, তাদের সময় বাইর হইতে হইতে আমরা আমাদের মধ্য থেইকা কাজ শুরু করি না কেন। সচলের সদস্য যদি ১৩০ জন হয়, আর অন্যান্য পাঠক আর আধা অতিথি মিলায়ে যদি সংখ্যা ২৫০ হয়, আর প্রত্যকে যদি ৫০০০ টাকা কইরা কন্ট্রিবিউট করি তাইলে দাঁড়ায় ১২,৫০,০০০ টাকা।

বিস্তারিত»

স্টোলেন কিস: একটি হাইকু

কিছুদিন ধরেই ওয়েট করছিলাম এফসিসির ৯৯তম পোস্ট এর জন্য, সানা ভাই এর চোখে না পড়লে ১০০তম পোস্টটা আমারই হতে যাচ্ছে। :awesome:

এই হাইকুটা পরে কখনো শেয়ার করব ভেবেছিলাম, কিন্তু এর থেকে ভালো সময় মনে হয় হবে না। ইন্ডিয়ান হাইকু সোসাইটির আমন্রণে আমি গত বছর ব্যাংালোরে ৯ম বিশ্ব হাইকু উতসবে যোগ দেই। সকল হাইকু লেখক তিনটি করে হাইকু জমা দেন এবং সেখান থেকে সেরা দশ হাইকুকে পুরস্কার দেয়া হয়।

বিস্তারিত»

একটা হওয়া না হওয়া নিয়ে খানিক বাচালতা কিংবা আজীবন ভেবে আমি যা ভেবে পেয়েছি

sleepingmuse
অ.তুমি শুরু করলেই হয়?
এভাবে হবে না কিছুই – যেমন টের পাই
আমার ভেতরে শব্দগুলো হতাশ হয়ে তাকায়
মাথা নেড়ে তারা খুব ম্রিয়মাণ হয়
ধুস্‌শালা! নষ্টমানুষ একটা!
স্ফটিক-বিম্বে বন্দী করছে আমাদের।

আ.কী নিরালম্ব আমাদের ঘুম!
ওভাবেও হবে না- তারা বলে, যখনই আমি সুঁই সুতো দিয়ে বাঁধতে গ্যাছি
“শুয়োরের ছাও,

বিস্তারিত»

সাংবাদিক জীবন ও কয়েকটা গল্প

১.
শাহ এ এম এস কিবরিয়া তখন অর্থমন্ত্রী। সেবারই প্রথম ঢাকায় অনুষ্ঠিত হল দাতাগোষ্ঠীর বৈঠক। এর আগে এসব বৈঠক হতো প্যারিসে। গত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভাল না। বিএনপি সংসদ বয়কট করছে। প্রায়ই হরতাল হচ্ছে। বলা যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল।
সেবার বৈঠকটা হলো হোটেল সোনারগাঁও-এ। আমরা সারাদিন লবিতে বসে থাকতাম সংবাদের আশায়। দুপুর থেকেই গুঞ্জন শুনছিলাম যে দাতাদেশগুলো রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একটা যৌথ বিবৃতি দিতে পারে।

বিস্তারিত»

পড়ে ছিড়ে ফেলুন………

প্রথম লেখাটা ছিলো কবিতা। এরপর ভাবলাম কবিতা থাক অন্য কিছু লিখি। ২ টি লেখা লিখলাম কিন্তু একটাও আমার এডিটর সাহেব ছাপলেন না। তাই মনে হচ্ছে কবিতা ছাড়া আমি আর কিছু লিখতে পারি না। তাই আবার কবিতা লিখলাম। এটা কলেজ লাইফের শেষের দিকে লেখা। দিন তারিখ দিয়ে আমার কবিতা লেখা হয়না। যাই হোক এবার কবিতায় আসা যাক……

হাতের মুঠোয় এক টুকরো বরফ
হাতের উষ্ণতায় বরফ জল হয়ে গলে
বরফ এর শীতল ছোয়ায় একি ভূতুড়ে
হাত অবশ হয়ে আসে
কিছু সময় পরে মুঠো খুলে,

বিস্তারিত»

ম.গ.ক.ক. অধ্যায়ঃ বয়েজ ক্যাডেটদের মাঝে আমার কুখ্যাতি

আমার ডায়েরীর একটা মূল বিষয় ছিল ‘’বয়েজ ক্যাডেটস’’। আমাদের সেইসময়কার মতে, বয়েজ ক্যাডেটরা অনভিজ্ঞতার কারনে মেয়েদের সাথে কথা বলার কৌশলে একদম কাঁচা ছিল। বেশির ভাগ ক্যাডেটরা ছিল নাক-উঁচা, লাজুক অথবা চরম নার্ড টাইপের (মেয়েরাসহ)। বিপরীত লিংগের সাথে পূর্বে অতি সীমিত মিলামিশার অভিজ্ঞতার কারনে ক্লাস নাইন-টেনে আমাদের ব্যাচের বয়েজ এবং গার্লস ক্যাডেটদের মাঝে অনেক ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল।

আমাদের ব্যাচের বয়েজ ক্যাডেটদের সঙ্গে আমাদের (ম.গ.ক.ক.

বিস্তারিত»

আমার কথা

পান্থ(অতিথি লেখক)

ডিসক্লেমারঃ আমি ক্যাডেট নই। আমার ছোট দুই ভাই এখানকার পরিচিত মুখ। একজন কামরুলতপু আরেকজন হল কনক রায়হান। আমি ওদের বড়ভাই। সবসময় পড়ি কিন্তু তপুর বাবা কতদিন দেখি না তোমায় পড়ে লেখা দিতে ইচ্ছা করল।
****************************************************************
তপু তোর লেখা পড়ে আজ মনে হল বাবাকে নিয়ে লিখি। লেখালেখি আমাকে দিয়ে হবেনা এটুকু জানি। আমাকে দিয়ে যে কি হয় তা আজও জানতে পারলাম না।

বিস্তারিত»

১৪বছরের স্মৃতি!!!

আব্বু-আম্মু দেখে বেশ খুশি মনে হচ্ছে। আমিও যে খুশি না তা নয়। মাথার ভেতর ঘুর পাক খাচ্ছে কি হয়? কি হতে পারে? এই সব প্রশ্ন। প্রশ্ন গুলো আসাই স্বাভাবিক। জীবনে প্রথম বারের মত আব্বু-আম্মু কে ছেড়ে থাকতে যাচ্ছি। তাও বাসার ধারে কাছে না, সেই সুদূর বরিশালের রহমতপুর গ্রামে ‘বরিশাল ক্যাডেট কলেজ’ নামে এক উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
নির্ধারিত দিন দুপুর ২টার দিকে আমাদের জন্য কলেজের গেট খোলা হবে।

বিস্তারিত»