ম.গ.ক.ক. অধ্যায়ঃ বয়েজ ক্যাডেটদের মাঝে আমার কুখ্যাতি

আমার ডায়েরীর একটা মূল বিষয় ছিল ‘’বয়েজ ক্যাডেটস’’। আমাদের সেইসময়কার মতে, বয়েজ ক্যাডেটরা অনভিজ্ঞতার কারনে মেয়েদের সাথে কথা বলার কৌশলে একদম কাঁচা ছিল। বেশির ভাগ ক্যাডেটরা ছিল নাক-উঁচা, লাজুক অথবা চরম নার্ড টাইপের (মেয়েরাসহ)। বিপরীত লিংগের সাথে পূর্বে অতি সীমিত মিলামিশার অভিজ্ঞতার কারনে ক্লাস নাইন-টেনে আমাদের ব্যাচের বয়েজ এবং গার্লস ক্যাডেটদের মাঝে অনেক ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল।

আমাদের ব্যাচের বয়েজ ক্যাডেটদের সঙ্গে আমাদের (ম.গ.ক.ক. ১৮তম ইনটেক) প্রথম পরিচয় হয় MABS কোচিং সেন্টারে। অবশ্যই MGCC মেয়েদের একমাত্র ক্যাডেট কলেজ হওয়াতে আমাদের বেইল বয়েজ ক্যাডেটদের কাছে যত না হওয়া উচিত তার চাইতে একটু বেশি ছিল। বয়েজ ক্যাডেটরাও আমরা ক্যাডেট হওয়াতে আমাদের সাথে অনেক কলেজের গল্প share করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করত। (আসলে অন্য মেয়েরা ওদের জোকসগুলো কম বুঝত। :D) মেয়েরা কি পানিশমেন্ট খায়, গেমস পিরিওডে কি পরে ইত্যাদি নিয়ে তাদের কৌতুহলের সীমা ছিলনা। আমাদেরও অনেক কৌতুহল ছিল কিন্তু ওদের ১০টা ক্যাডেট কলেজ হওয়াতে ওদের সবাইকে চিনা মুশকিল হয়ে যেত।

ডায়েরীর কিছু excerpt তুলে দিচ্ছি।

২৬শে অক্টোবর ১৯৯৮

” MABS এ কোচিং করলাম। অতি ভাল একটা কোচিং সেন্টার, তুলনা হয়না। অনেক বয়েজ ক্যাডেটদের সাথে পরিচিত হলাম।
M.C.C. – আলম/রুশো, মোস্তফা/সুমিত, মাশরুর, আল-রাজী
J.C.C. – ফারাবী, আন্দালীব, হাসনাইন, তাজ
F.C.C.- তাশফিক
বাকি নামগুলো মনে আসছেনা।” “

১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯

“”এবারের ছুটিতেও MABS এ কোচিং করলাম। কোচিং এ অনেক গোলমাল হত কারন মডেল টেস্টের জন্য টিচারের ঘাটতি ছিল। তাই আমরা ২৯জন একসাথে ক্লাস করেছি। এবার অনেক নতুন ছেলে ছিল। ওরা এসে গতবারের সুন্দর friendship-টার ১২টা বাজিয়ে দিয়েছে। সবচেয়ে বড় idiot ছিল শিশির। একবার আমারা দেখি আমাদের পিছনদিকের ডেস্কে লিখা – Pushon I love you. এইসব ফালতুমি দেখে খুব খারাপ লাগল।
ওদের মধ্যে আমার সবচেয়ে ভাল এবং matured মনে হয়েছে মোস্তফাকে (MCC)।ওর attitudeও খুব friendly, তাই আমরা ঠিক করলাম যে ওকে অ্যাপ্রোচ করব। আমি ওকে আমাদের পক্ষ থেকে ফোন করে বুঝালাম যে ওরা এইসব করলে আমাদের মাঝের friendly relation টা নষ্ট হয়ে যাবে। তার পরের দিন ওরা সবাই মিলে পুষনকে একসাথে সরি বলেছে। আমরা যে কি খুশি হয়েছিলাম!
কোচিং এর লাস্ট দিনে ইফতার পার্টিতে অনেক হৈ চৈ হল। আমি ছেলেদের থেকে ৭ টা কমলা আর ৩ টা আপেল পেয়েছিলাম!””

(শিশির যেখানেই থাক এই লিখা পড়ে আমারে গালি দিওনা। মাফ করে দিও। আশা করি ভাল আছ।)

এই ঘটনার পর আমি মোটামোটি বয়েজ ক্যাডেটদের মাঝে কুখ্যাতি লাভ করি। হিরো হয়ে ফোন করতে গিয়ে সব দোষ পড়ল আমার ঘাড়ে। আমার ক্লাসমেটরাও পরে ওদের প্রেমে পড়ে ওদের দলে ভিড়ল, আর মধ্যে দিয়ে আমি সবার villain হয়ে গেলাম।
আমরা যে কত বোকা ছিলাম চিন্তা করলেই হাসি পায়। সামান্য I love you লিখা নিয়ে আমরাও কত ড্রামা করলাম আর ওরাও কত পলিটিক্স করে ‘একসাথে’ সরি বলল! (আমরা তো জানতামই শিশির পুষনকে পছন্দ করত আর ওইটা ও ছাড়া আর কেউই লিখে নাই। শিশিরকে একটা চুম্মা দিলেই ত চুকে যেত। 😀 )

আরেকটা ঘটনাও আমার কুখ্যাতির পিছনে অবদান রেখেছে। চাকমা সমাজে পরিবার পরিজনেরা সাধারনত চাকমা মেয়েদের সাথে বাঙ্গালি ছেলেদের মেলামিশা পছন্দ করেনা। আমরা ঈদও তেমনভাবে উদযাপন করিনা। একবার ঈদে শিশির, আল-রাজী, রুশো আর ইমরান হঠাত আমাদের বাসায় উপস্থিত। চারজন আবার চারটা গোলাপ ফুলও আনসে। ওরা নাস্তা-পানি খেয়ে আমার বাস্কেট বলের বেস্ট প্লেয়াশিপের ক্রেস্টা ড্রইং রুমে আবিষ্কার করে খুব মজা পাইসিল। আমি মাত্র (!!) ৯টা score করে ওটা পাইসি শুনে ওরা হাসতে হাসতে লুটপুটি দিল। ওরা আসাতে বেশ মজাই হইসিল। কিন্তু ওরা চলে যাওয়ার পর আব্বু-আম্মু আমাকে অনেক জেরা করসিলো আর ওয়ার্নিং দিসিল! আর তার পরের দিনই আবার হাসনাইন একটা friendship কার্ড নিয়ে হাজির! (হাসু তোকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আর ওইজন্যই তুই এখনও আমার জিগরি দোস্ত।)

বয়েজদের জন্য মা-বাবার কাছে প্যাদানি খাওয়ার কথা আমি আমার ক্লাসমেটদের বলি। কোচিং এর সুত্র ধরে অনেকে তখন প্রেম-প্রেম খেলতেসিল, আমার মতে ব্যাপারটা অনেক silly অবস্থায় পরিণত হইসিলো। (আমি আবার তখন ‘প্রকৃত’ ভালবাসায় বিশ্বাসী ছিলাম এবং ওদের প্রেমের ধরনটা সাপোর্ট করতে পারতাম না। Maybe I was wrong.) যাইহোক, আমার ক্লাস-মেটগুলোই সুন্দরমত আমার কথাগুলো তাদের ক্যাডেট প্রেমিকদের কাছে পাস করে দেয়। (একে বলে মেয়েদের পলিটিক্স।) তিল তাল হয়। বয়েজ ক্যাডেটদের তাদের ধারনা হয় আমি তাদের অপছন্দ করি এবং আমার কুখ্যাতির আরো বিস্তার ঘটে। তখন আমার নাক-উঁচা আর নার্ড স্বভাবের কারনে আমিও ব্যাপারটাকে বেশি গুরুত্ব দেইনি, পরে বয়েজ ক্যাডেটদের কাছ থেকেই এইসব জানতে পারি।

আমরাও ধিরে ধিরে বড় হয়ে উঠি আর আমাদের সবার মাঝে আরও matured সম্পর্ক গড়ে উঠে। আমরা অনেকেই কলেজ থেকে বেরিয়ে ক্যাডেট বন্ধুদের প্রেমেই পড়ি। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সেই দলে ironically আমিও ছিলাম!

ডায়েরীর একটা হাস্যকর অংশ share না করে পারছিনা:

১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৯৯

“”…ছেলেরা আসলে বন্ধুত্বই করতে জানেনা। এইযে এতগুলা ছেলেদের সাথে কোচিং করলাম সবচেয়ে পছন্দ আমার আন্দালিবকে। কারন সে মেয়েদের পিছনে ঘুরেনা, অনেক ভদ্র আর ঠিকমত পড়াশুনা করে। আর অনেকের সাথে তো ভালমত কথাই হয়নি, নামও জানিনা। ও আচ্ছা লিখতে ভুলে গিয়েছিলাম, আলম না দেখতে একদম আর্নল্ড সোয়ার্জেনেগারের মত!””
(আন্দালিব sorry মিয়া, এইটা পড়ে আমি এখনও জোরে জোরে হাসতেসি!)

১৩ ই ডিসেম্বর ১৯৯৯

““এই টার্মে একটা মজার ব্যাপার ঘটেছে। আমারদের MABS এর কোচিং-মেট রুশো হঠাত করে শাখরুনাকে চিঠি লিখে ফেলল ‘রুশি আপু’ হিসেবে।আর কি মজা ক্লাসরুমে! আমরাও ওদের চিঠি লিখে ফেললাম। কল্পনাও করিনি এত তাড়াতাড়ি উত্তর পাব। মোস্তফার ডাকনাম সুমিত, তাই সে নাম দিয়েছে সুমি আপু আর আলম ওরফে রুশো দিয়েছে রুশি!””

MCC-র আলম aka রুশোর কথা মনে পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল। রুশো আমারদের প্রাণের কাছের বন্ধুতে, আর আমাদের সবচেয়ে আদুরে ক্লাস-মেটটার soulmate-এ পরিণত হয়েছিল। কতগুলা লোভী গুন্ডা-সন্ত্রাসী একদিন কিছু টাকার জন্য ওর মাথায় গুলি করল আর আমাদের প্রানপ্রিয় রুশো এ পৃথিবীর বুক থেকে হঠাত চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেল – আমাদের সবচেয়ে আলহাদি ক্লাসমেট-টার আত্মাটাকে বিধবা করে দিয়ে। আমাদের আদরের শাকু আর স্বাভাবিক হতে পারেনি, আজও সে রুশোর জন্য রোজ দোয়া করে আর ঈদের দিন কবরে ফুল দিতে যায়।

Once a cadet, always a cadet. ক্যাডেট কলেজ যতই অপছন্দ করিনা কেন, আর ক্যাডেটদের যতই পঁচাইনা কেন, আসল ঘটনা হচ্ছে – ক্যাডেট জীবনের কিছু ব্যাপার আমাদের রক্তের সাথে মিশে গেছে আর সেই ব্যাপারগুলো শুধু ক্যাডেটরাই বুঝে। সেইজন্যই মনে হয় বয়েজ ক্যাডেটদের সাথে এত কাহিনী করেও শেষমেষ আমি একটা বয়েজ ক্যাডেটকেই জীবনসাথী হিসেবে বেছে নিলাম, তাও আবার নাক উঁচা একটা ফৌজিয়ানকে!

৭,৭০০ বার দেখা হয়েছে

১১৫ টি মন্তব্য : “ম.গ.ক.ক. অধ্যায়ঃ বয়েজ ক্যাডেটদের মাঝে আমার কুখ্যাতি”

  1. আহসান আকাশ (৯৬-০২)
    অনেকের গোমর ফাঁস কইরা দিলা।

    অনেক কথাই মনে আসছিল... থাক, এই খানে না বলি :grr:


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  2. কামরুলতপু (৯৬-০২)

    ইশশ ম্যাবস এ যাওয়া দরকার ছিল। মিসটেক হইয়া গেছে।
    প্রথম গার্লস ক্যাডেট দেখছিলাম তোমাদের কলেজে যেয়েই। আমরা গিয়েছিলাম তখন তোমাদের সে কি ভাব। আর কলেজে সবাই মিলে বিসমিল্লাহ বলাটাকে সবাই মিলে পঁচানোর ট্রাই নিছিলাম।

    জবাব দিন
  3. রকিব (০১-০৭)
    এইযে এতগুলা ছেলেদের সাথে কোচিং করলাম সবচেয়ে পছন্দ আমার আন্দালিবকে। কারন সে মেয়েদের পিছনে ঘুরেনা, অনেক ভদ্র আর ঠিকমত পড়াশুনা করে।

    এইবার আর আন্দালিব ভাইকে পায় কে!!!!!!!!
    সার্টিফাইড ভালো মানুষ হয়ে গেলেন তো 😛 😛 ।


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  4. সেইজন্যই মনে হয় বয়েজ ক্যাডেটদের সাথে এত কাহিনী করেও শেষমেষ আমি একটা বয়েজ ক্যাডেটকেই জীবনসাথী হিসেবে বেছে নিলাম, তাও আবার নাক উঁচা একটা ফৌজিয়ানকে!

    :-B :-B :-B

    জবাব দিন
  5. ইযে এতগুলা ছেলেদের সাথে কোচিং করলাম সবচেয়ে পছন্দ আমার আন্দালিবকে। কারন সে মেয়েদের পিছনে ঘুরেনা, অনেক ভদ্র আর ঠিকমত পড়াশুনা করে।

    ahem ahem kisu shunlam mone hoy.. 😀

    জবাব দিন
  6. আমিন (১৯৯৬-২০০২)

    পড়লাম পুরো লেখাটা মনযোগ দিয়ে। ম্যাবসের সময়কার কথাগুলো মনে পড়ে গেল। আমি এমন ধরণের মানুষ যারা কোন সব ঘটনায় এমন নিস্ক্রিয় থাকে তাদের উপস্থিতি তারা নিজেরাও ভুলে যায়। সো আমাকে চেনার চান্স নাই। তবে ঘটনা গুলো বেশ পরিচিত লাগলো। প্রিয় বন্ধু আলমকে উৎসর্গ করে আমি এই ব্লগে বেশ কিছু লেখা লিখেছিলাম। সেখানে ম্যাবসের এই গল্পগুলো অনেক ছোট পরিসরে তুলে এনেছি।
    চিঠি নিয়ে মজার কথাগুলো খুব মনে পড়ল। ভালো কথা তোমরা শুধু আমাদের পোলাপানের মেয়ে নাম গুলো বললা। তোমরা যে ছেলে নাম দিয়া লিখতা শাহরুখ শান্ত এগুলো গোপন কেন??
    এই জন্য ত্রিমিতার ব্যাঞ্চাই।
    যা হোক, শেষের তথ্যটা আসলেই চমকপ্রদ। অভিনন্দন তোমাদের। 🙂 🙂

    জবাব দিন
  7. আন্দালিব (৯৬-০২)

    ত্রিমিতা, ব্লগে স্বাগতম। তুমি লেখা শুরু করছো দেখে খুব ভাল লাগতেছে। ম্যাবস-এর অনেক পুরনো কথা মনে করিয়ে দিলা। আহা! দারুণ একটা সময়। তোমাদের এই ফীডব্যাকটা জানতাম না। আমাদের কাছেও তোমরা মহা ভীতিকর পাবলিক ছিলা। আমি খুব সমঝে কথা বলতাম, একে মেয়ে তার উপরে ক্যাডেট! 😕

    আলম, শাখরুনা- আমরা কতই না মজা করতাম, ম্যাবসের পরেও বলতাম আলমকে দেখা হইলেই। শাখরুনার কি জানি একটা নিকনেইম দেয়া হইছিলো আমাদের তরফ থেকে, ভুলে গেছি!

    গোমর ফাঁস করলা, কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা দেখাইছো, নিজের কলেজের কাহিনী বলো নাই। আমিও ঐ রকম চিঠি একটা পাইছিলাম। কার কাছ থেকে সেটা না হয় উহ্য থাকুক। ;;; এইটা একবার ক্লাসে কবিতা লেখার কম্পিটিশন এর পরের কথা। কী একখান লিখছিলাম, পইড়া সবাই আহা! কী সুন্দর! বললো। (আমার লাইফে প্রথম কবিতালেখার ফীডব্যাক ছিল ঐটা) তার পরের টার্মেই কলেজে গিয়ে দেখি চিঠি! :))

    তোমার লেখা আরও আসুক। :thumbup:

    জবাব দিন
    • ত্রিমিতা (৯৬-০০)

      ধন্যবাদ আন্দালিব।

      আরে ক্লাস-মেটদের কথা বাদই দাও, আমি নিজে কাকে লিখসিলাম সেইটাই তো মনে নাই। আমার ডায়েরীতে শায়েদের নাম আছে, কিন্তু চেহারা মনে পড়তেসেনা। সত্যি একদম মনে নাই আমি কি নামে লিখতাম। কলেজে ওই বয়সে ওইটাই আমাদের একটা বড় entertainment ছিল।

      😮 তোমাকে কে চিঠি লিখসিলো? প্লিজ একটা হিন্ট দাও! আর প্লিজ থাকলে ঐ কবিতাটাও দাও।

      নিজের কলেজের কাহিনী বলি নাই কারন ক্যাডেট কলেজ থেকে আমি একবুক অভিমান আর একরাশ ভুল বুঝা্বুঝি নিয়ে বিদায় নিই এবং পরে সব স্মৃতি মুছে ফেলে নতুন জীবন গড়ার চেষ্টা করি। সেই কাহিনী না হয় আরেকদিন লিখব।

      ভাল থেকো।

      জবাব দিন
  8. আহসান আকাশ (৯৬-০২)
    আমি খুব সমঝে কথা বলতাম, একে মেয়ে তার উপরে ক্যাডেট! 😕

    :thumbup: :)) :))


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  9. সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০)

    ফৌজিয়ানরে বিয়া করছো। বড় ভাই তো! খুশিতে তাই তোমাকে ১০টা লাল গোলাপ দিলাম। (গোলাপের ইমো কই এডু? 😡 ) ভালো থেকো।


    "মানুষে বিশ্বাস হারানো পাপ"

    জবাব দিন
  10. মেহবুবা (৯৯-০৫)

    ত্রিমিতা আপা,
    ম্যাবসে আমাদের বেসির ভাগ কেডেটের বয়েস দের সাথে দেখা হয়।আমাদের আনেক কথা আসে।
    বড় হয়ে গেছি তাই সেইসব কথা ভাব লে সত্ত্য মজা লাগে।
    এখন যারা বহুত বড় বড় কথা বলতাসে তদের কিন্তু অন্নক কথা আসে।হিহিহিইই 😀

    জবাব দিন
  11. সাজিদ (২০০২-২০০৮)

    আমাদের সময় মাবস্‌ এর বদলে শুরু হইসিল 'ক্যাডেটস্‌' কোচিং সেন্টার। মির্জাপুরের মাসুদ ভাই (কোন ব্যাছ ভুলে গেসি) শুরু করসিল। টিচারো ছিল সব ক্যাডেট। ভাইয়ারা অনেক চেস্টা করসিল কিন্তু পোলাপান না পড়ে খালি টাংকি মারত আর উপরের তালায় পুল খেলত। ১০ ক্যাডেট কলেজ মিলায় প্রায় ৫০ জন ছিলাম, খুব মজা হইত।

    জবাব দিন
  12. হাসান (১৯৯৬-২০০২)
    FCC-র ৪২তম ব্যাচের কুখ্যাত সৌরভ aka টিনটিন। অনেকের চিনার কথা না।

    কেমন আছো ত্রিমিতা? সৌরভ ভাই কেমন আছেন? কোথায় আছো তোমরা এখন? ম্যাবসে আমিও ছিলাম, আমার কথা মনে হয় মনে নাই তোমার। শাখরুনা কি করছে এখন?

    জবাব দিন
  13. আসাদুজ্জামান (১৯৯৬-২০০২)

    শিশিরের প্রিফিক্স বা সাফিক্স থাকলে ভাল হত। গুরুতো মনে হয় এখানে ভোল পালটেছেন।মানে নামটা আমার দখলে কিনা। আর কেউ কি রাজীর কোনো তথ্য দিতে পার ?

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।