ফাইট হ্যাবিট – বাংলা মোটিভেশোনাল ভিডিও

কখন ঘুম থেকে উঠো? কখন ঘুমাতে যাও? কয়টা লাইন ব্রেক করো? কতো জনের গুষ্ঠি উদ্ধার করো? কতক্ষণ আজাইরা গিবত গাও? কতো সময় ঝিমায়া নস্ট করো? কতক্ষণ টিভি তে বালছাল জিনিশ দেখো? কতক্ষণ ফেসবুকিং করো?

আবার সাকিব, মাশরাফি হতে চাও? আবার নেক্সট প্রফ ইউনুস হতে চাও? আবার ড জাফর ইকবাল, হুমায়ুন আহমেদ হতে চাও? জহির রায়হান, মুনীর চৌধুরী হতে চাও? নিজের আইডল কে ছুতে চাও?

বিস্তারিত»

কিভাবে মেডিটেট করবো – বাংলা – সিম্পল সাইন্টিফিক উপায়ে মেডিটেশন

প্রথম পোস্ট তাই খুবই আশঙ্কায় আছি।

এই ভিডিও ব্লগ এ চেষ্টা করেছি কোন ব্যাপার গুলো আমাদের ক্রনিক স্ট্রেস জন্ম দেয়, কেন মেডিটেশন করা দরকার এবং খুব এ সিম্পল ওয়ে তে কিভাবে মেডিটেশন করা যায়।

আপনাদের মতামত জানাবেন।

ধন্যবাদ।

বিস্তারিত»

অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (শেষ পর্ব)

অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (প্রথম পর্ব)
অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (দ্বিতীয় পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বে বলেছিলাম, শেষ পর্বে চিকিতসা নিয়ে আরও কিছু কথা বলবো।
তবে জানিয়ে রাখা দরকার যে। “চিকিৎসা” কথাটা বললেই যেমন তা অসুস্থ্যকে সুস্থ্য করে তোলার একটা প্রক্রিয়া কথা মাথায় ঢোকায়, বাইপোলার ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা কিন্তু আক্ষরিক অর্থে ব্যাপারটাকে সেই ভাবে কাজ করায় না।

বিস্তারিত»

অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (দ্বিতীয় পর্ব)

অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (প্রথম পর্ব)

“মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কোন কিছু লিখার বড় রিস্ক হলো, যেই তা পড়ে তারই মনেহয়, সমস্যাটা বোধহয় তারও আছে।
মন ভাল হওয়া মন খারাপ হওয়া, সবার জীবনের অতি স্বাভাবিক ও দৈনন্দিন একটি ব্যাপার।
আবার বাইপোলার ডিজঅর্ডার-এ আক্রান্তগণ যে হাই (ম্যানিক স্টেজ) ও লো (ডিপ্রেসিভ স্টেজ) এর মধ্য দিয়ে যান,

বিস্তারিত»

অদ্ভুত এক মানসিক অবস্থা, নাম তার “বাই পোলার ডিজঅর্ডার” – (প্রথম পর্ব)

আমাদের আশেপাশে এমন অনেককেই দেখি, যারা সময় সময় কি যে উৎসাহের সাথে নানান উদ্যোগে ঝাঁপিয়ে পড়েন, উচ্ছাসে উল্লাসে ভরপুর হয়ে ওঠেন, আবার হঠাৎ করেই তেমন কোন কারন ছাড়াই নিজেদের গুটিয়ে নেন সব কিছু থেকে। আর তা এতটাই যে আমরা গভীর ভাবনায় পড়ি, “হলোটা কি ওর? এই না সেদিন দেখলাম, কি দারুন প্রানোচ্ছাসে ভরপুর? আর আজ………?”

অনেক সময়েই এঁদের এইসব অচরনকে আমরা “খামখেয়ালিপনা” ভেবে তাদেরকে “খেয়ালি মানুষ”

বিস্তারিত»

জোনাথন সুইফট কি ডিমোস আর ফোবস এর মূল আবিষ্কারক?

অ্যামেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী আসফ হল ১৮৭৭ সালের ১১ আগষ্ট রাতে  মঙ্গল গ্রহের ছোট চাঁদ ডিমোস আবিষ্কার করেন। তার ছয় রাত পর ১৭ আগষ্ট আবিষ্কার করেন বড় চাঁদ ফোবস। কিন্তু ১৭২৬ সালে প্রকাশিত গালিভার্স ট্রাভেলস এর ৩য় খণ্ডের ভয়েজ টু লাপুটায় মঙ্গল এবং তার উপগ্রহ দুইটির বর্ণনা আছে। তা হলে জোনাথন সুইফট কি ডিমোস আর ফোবস এর মূল আবিষ্কারক ?

Travels into Several Remote Nations of the World.

বিস্তারিত»

প্রযুক্তি,টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ

development-and-nature

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ফরিয়াদ

-মোস্তাফিজুর রহমান

আধা বর্বর থুড়ি আধা পরিবাহী
তড়িচ্চুম্বকীয় আবু গারিবের ফরিয়াদ
কানে তোলো কিচিরমিচির
এত কষ্ট দিও না নিউরন রেটিনাকে
ক্যাথোড গামা কাপড় খুলে
এলইডি পরালেই চলবে না
অবরোধ তুলে নিতে হবে
ঘাস ফুল মৌমাছি থেকে
নির্বাসন থেকে ফিরিয়ে আন
ফড়িং আর সব প্রজাপতি।

বিস্তারিত»

দর্শন ও বিজ্ঞান

এক সময় বিজ্ঞান আর দর্শন আলাদা কিছু ছিল না। স্কুলে পড়েছি, মহামতি অ্যারিস্টোটল বিজ্ঞানের অনেকগুলো শাখার জন্ম দিয়েছিলেন। কিন্তু আদতে তিনি ছিলেন একজন দার্শনিক। এই যে দর্শন থেকে বিজ্ঞানের আলাদা হয়ে যাওয়াটা, এটা কিন্তু খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। এর আগ পর্যন্ত যিনি বিজ্ঞানী ছিলেন, মোটামুটি ধরে নেয়া যায় তিনি দার্শনিকও ছিলেন। তবে আমি ইতিহাসের দিকে যাচ্ছি না এখানে।

এখন কথা হল, বিজ্ঞান দর্শন থেকে কীসের ভিত্তিতে আলাদা হল?

বিস্তারিত»

যুক্তির নিরিখে বিজ্ঞানমনস্কতা, সত্যজ্ঞান ও প্রগতিশীলতার বিষয়ে আমার ভাবনা

বিজ্ঞানমনস্কতা আজকাল ভার্চুয়াল বাংলা জগতে স্মার্টনেসের নির্দেশ করার সাথে সাথে বিজ্ঞানমনস্কতার দাবিদার ব্যক্তিকে অন্যান্য সকলের থেকে আলাদা এবং প্রাগ্রসর হিসেবে চিহ্নিত করার অন্যতম পরিমাপক হয়ে উঠেছে। ব্লগে, ফেসবুকে, এমনকি টিভির টকশো’তেও কেউ কেউ নিজেদের বিজ্ঞানমনস্কতার দাবি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটা বিশেষ ধারার জ্ঞানচর্চাকে প্রগতিশীল আর বাদবাকিগুলোকে প্রতিক্রিয়াশীল/পশ্চাৎমুখী/গোড়া ইত্যাদি বর্গে ফেলছে। মানুষ হিসেবে অগ্রগতি আমরা সকলেই চাই। আর এ’ পথের পাথেয় হিসেবে বিজ্ঞানমনস্কতাও একটা অতি প্রয়োজনীয়,

বিস্তারিত»

শর্টকাট ভাইরাস মোকাবিলার তিন তরিকা

পেন ড্রাইভ কিংবা স্থানান্তরযোগ্য ফ্ল্যাশ ড্রাইভের বহুগামীতার ফলে আগত ভাইরাস এর জালাযন্ত্রণা কোন সংক্রামক রোগজীবানুর চেয়ে কোন অংশেই কম নয়। খুব দরকারের সময় দেখতে পেলেন আপনার দরকারী ফাইল কিংবা ছবি বা ভিডিও নাই। এক গাদা শর্টকাট তৈরী হয়ে আছে। সেখানে টোকা দিয়ে কিছুই পাবেন না।মেজাজ খারাপ করে শাপ-শাপান্ত করবেন কাউকে । রাগে চান্দি গরম করে অন্য সমস্যা হওয়াটাও অসম্ভব নয়। ২০১৫ সালে এসে এই শর্টকাট ভাইরাসের জ্বালায় বড্ড মুশকিলে পড়েছি।

বিস্তারিত»

কোন জ্ঞান বিজ্ঞান? সেই জ্ঞান পাঠ করা এতো জরুরী কেন?

কোন জ্ঞান বিজ্ঞান? সেই জ্ঞান পাঠ করা এতো জরুরী কেন?
——————————————————————————— ড. রমিত আজাদ

প্রাচীন পৃথিবীর বিখ্যাত এক জ্ঞানী মানুষ — এরিস্টোটল তাঁর নাম— তিনি বলেছিলেন যে, “বিশুদ্ধ চিন্তা থেকে তত্ত্ব তৈরী করা যায়”, অর্থাৎ যা কিছু বলেছিলেন তা কেবল যুক্তিতর্কের সাহায্যে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এইভাবে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, উপর থেকে দুটি বস্তু ছেড়ে দিলে ভারী বস্তুটি সর্বদা হালকা বস্তুর চেয়ে আগে মাটিতে পড়বে।

বিস্তারিত»

আদি প্রাণ

বিজ্ঞানীদের মতে, মোটামুটি চারশ কোটি বছর আগে এই পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের উৎপত্তি। আর সেই আদি প্রাণ থেকেই এসেছে আমাদের চারপাশের সমস্ত উদ্ভিদ এবং প্রাণীকুল। সেই আদি প্রাণের উৎপত্তি কীভাবে ঘটল, সেটা নিয়ে এখনও পর্যন্ত তাঁরা কোন একটি নির্দিষ্ট ব্যাখ্যায় একমত হতে পারেননি। ব্যাপারটা এমনই গোলমেলে যে, উল্কাপাতের মাধ্যমে বহির্জগৎ থেকে আমাদের পৃথিবীতে প্রথম প্রাণের আগমন ঘটেছিল, এটাও বিজ্ঞানের সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম।

আমার আজকের লেখাটা অবশ্য আদি প্রাণের উৎপত্তি নিয়ে নয়,

বিস্তারিত»

বিগ ক্রাঞ্চ ও মহাবিশ্বের অজানা অন্ধকার

“বিগ ক্রাঞ্চ”(Big Crunch)-এর নাম শুনেছেন? একে “বিগ ব্যাং(Big Bang)”-এর প্রতিবিম্ব বলা যেতে পারে। বিগ ব্যাং-এর কথা আমরা মোটামুটি সবাই জানি- একটা বিস্ফোরণ, যা থেকে আমাদের মহাবিশ্বের শুরু হয়েছিল। এমনকি শুধু মহাবিশ্ব না, আমরা যেই সময়ের মধ্যে আছি সেই সময়ও শুরু হয়েছে বিগ ব্যাং থেকে। যাহোক। বিগ ব্যাং বিস্ফোরণ, আর এর উল্টা বিগ ক্রাঞ্চ হল, সবকিছু আবার এক বিন্দুতে মিলিত হওয়া। মাত্র কয়েক বছর আগেও, এই বিগ ক্রাঞ্চ বিজ্ঞানে মোটামুটি গ্রহণযোগ্য একটি ধারণা ছিল।

বিস্তারিত»

অবিশ্বাসের দর্শনের তৃতীয় প্রকাশ হাতে পেয়ে

অবিশ্বাসের দর্শন‘ বইটা যখন প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১১ সালে তখন আমার ছোটভাই আহমেদ রেদওয়ান জান্না ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ে। ইন্টারনেট, মোবাইল, কম্পিউটারবিহীন ওর জীবনের একমাত্র সঙ্গী ছিলো ‘আউট বই’। কিন্তু সে বয়সের জন্য অবিশ্বাসের দর্শন একটু বেশিই ‘আউট’ হয়ে যায় তাই আমি তখন পড়ে দেখতে বলি নি। তাছাড়া ধর্মান্ধদের মতো আগ বাড়িয়ে ওকে নির্ধর্ম নিয়ে কখনও মোটিভেশন দিতে ইচ্ছা করতো না, কাউকেই করে না।

বিস্তারিত»

হাঁচি! এটা স্বাভাবিক

শুরুতেই বলি, আমি নিজেই একজন ঘনঘন সিরিজ হাঁচির কষ্টে ভোগা মানুষ। নিজে বাঁচার জন্যে জ্ঞান নিতে যেয়ে এই লেখাটা তৈরি হয়ে গেল। অনেক সময় ব্যয় করে, ঘাঁটা-ঘাঁটি করে অবশেষে লেখাটাকে যখন দাঁড় করালাম তখন দেখি এটা হাঁচির রচনা হয়ে গেছে। এটাকে ছোট করতে গেলেই মনে হচ্ছে নিজের জন্যই কিছু একটা তথ্য বাদ পড়ে যাচ্ছে। অবশ্য জ্ঞানটা নিয়ে উপকার পেয়েছি বটে। কিন্তু তারপরও মাঝেমধ্যে ফেক্সোফেনাড্রিন জাতীয় ওষুধ খাই।

বিস্তারিত»