১। এই গল্পটা প্রেস ক্লাবে খুব চালু। পুরোনো সাংবাদিকরা প্রায়ই উদাহরণ দিয়ে বলেন। গল্পটা সন্তোষ দাকে নিয়ে। সন্তোষ গুপ্ত তখন সংবাদে। উনি একটু দেরিতে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর প্রথম গেলেন প্রেস ক্লাবে। বন্ধুরা জানতে চাইলেন কেমন লাগছে নতুন জীবন, অভিজ্ঞতাই বা কি।
স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে সন্তোষদা বললেন, এমনিতে ঠিকই আছে, কিন্তু প্রাইভেসি বলতে আর কিছু রইলো না।
২। এটাও সন্তোষ দা কে নিয়ে। একদিন তিনি সংবাদ অফিসে বসে কাজ করছেন।
অস্কার প্রেডিকশন
অনেকেই বলেন, ডিরেক্টর্স গিল্ড অফ অ্যামেরিকা অ্যাওয়ার্ড যে পায় অস্কারও সে পায়। গত বেশ কয় বছর ধরেই এই নিয়ম খাটছে। গত বছর “নো কান্ট্রি ফর ওল্ড মেন” সিনেমার জন্য জোল কোয়েন এবং ইথান কোয়েনকে সেরা পরিচালকের পুরস্কার দেয়া হয়েছিল। অস্কারও এই দুই ভাই পেয়েছিলেন। আসলে ১৯৪৮ সালে এই পুরস্কার প্রদান শুরু হওয়ার পরে মাত্র ৬ বার এই পুরস্কারের সাথে “সেরা পরিচালক হিসেবে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড” মিলেনি।
বিস্তারিত»শূন্য থেকে যার শুরু (সংকলন)
সবাই চেয়েছেন, সিসিবি-র ১০০০তম পোস্টটি হোক ইতিহাস বিষয়ে, জগৎ ও জীবনের ইতিহাস না, এই সিসিবি-র ইতিহাস। সিসিবির সূচনা এবং যাত্রাপথ সম্পর্কে একটি সাধারণ ধারণা দেয়াই এর উদ্দেশ্য। অনেক কিছুই হয়ত বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে না, নৈর্বক্তিক পোস্টে খুব বেশী কিছু আশাও করা যায় না। ইতিহাসের চেয়ে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকা মানুষগুলোই গুরুত্বপূর্ণ, সেদিক দিয়ে সিসিবি-র সবাই সিসিবি-র ইতিহাস। নিজেদের এই ইতিহাসকেই কিছুটা নৈর্বক্তিক করে তোলার কাজ তাহলে শুরু করে দেয়া যাক:
* শুরুটা ইংরেজি উইকিপিডিয়া থেকে।
বিস্তারিত»বৃষ্টির ঘ্রাণ
…কাল রাতে অনেক দিন পর বৃষ্টি দেখছিলাম, আক্ষরিক অর্থে বেশ আগ্রহ নিয়েই দেখছিলাম। কেন জানি বৃষ্টির ছন্দটা অন্যরকম লাগছিল। কোথাও যেন কিছু একটা খাপছাড়া, কিছু একটা থেকেও নেই মনে হচ্ছিল…। কেমন যেন অপরিচিতের এক মোহ ছেয়ে আছে। বৃষ্টির ফোটাগুলো কী আজ একটু বেশি ভারী … না মনে হয়… তবে এতো বিস্মৃত কেন লাগছিল। বোধহয় বুঝতে পেরেছি। তবুও নিশ্চিত না হয়ে নিজের ক্লান্ত ধারনাকে প্রশয় দিতে ইচ্ছে করছিল নাহ।
বিস্তারিত»“বরিশাল ক্যাডেট কলেজ, বরিশাল-৮২১৬”

**********01
বাবা আজ অনেক খুশি। বাবার অনেক দিনের স্বপ্ন আজ পূরন হয়েছে, ছেলে ক্যাডেট কলেজে চান্স পেয়েছে। আমিও খুশি, অনেক খুশি। ছোটবেলা থেকেই বাসার বাইরে থাকাই আমার অভ্যাস। সকাল ৭ টায় গন্তব্য জিলা স্কুল; স্কুল , কোচিং সবকিছু শেষ করে আমি ফিরতাম একেবারে সন্ধ্যায়। বাবা মা দুজনেই চাকরিজীবী, তাই সন্ধ্যায় সবাই একত্রে বাসায় ফিরতাম। আবার পরদিন সকাল হলেই গন্তব্য: জিলা স্কুল…।
সিসিবি আর আমি
১০০০তম পোস্ট উপলক্ষে কিছু লিখব ভেবেছিলাম। ব্যাস্ততার কারণে (এবং কিঞ্চিত আইলসামি) লেখা হয়ে ওঠেনি। বসতে বসতে দেখি পোস্টের সংখ্যা এর মধ্যে ১০৩০+ হয়ে গেছে। বাসি জন্মদিনের মতই হয়ে যাচ্ছে লেখাটা। কিন্তু তারপরও নিজের অস্তিত্ত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ভাব্লাম লেখাটা উচিৎ। নইলে কবে আবার মাসখানেক সিক রিপোর্ট মারার কারণে এডু সাহেব না আবার আমারে ব্যান কইরা দ্যান।
সিসিবিতে আসা আর আমার বাংলা টাইপ করাটা প্রায় একসাথেই হয়েছিল।
বিস্তারিত»ঘানা ভ্রমন -৩ কাকুম ন্যাশনাল পার্ক (দ্বিতীয় পর্ব)

‘কাকুম ন্যাশনাল পার্ক’এ একটি বিকেল থেকে সন্ধ্যা – ২
আমরা ক্যানোপী ওয়াকের কাছে গেলাম।
প্রথমে দেখে সত্যি অভিভূত হয়ে গেলাম। গহীন জঙ্গলের মাঝে উঁচু উঁচু গাছে ক্যানোপী সংযোগ করে ঝুলন্ত সেতু বানিয়েছে বেশ কায়দা করে। গাছে গাছে অ্যাংকরেজ গুলো বেশ মজবুত করে করা হয়েছে। আর তাই আমরা সবাই প্রায় একসঙ্গেই হেঁটে আসলাম পুরা পথ টুকু। মাঝে মাঝে গাছের সাথে অ্যাংকরেজ এর প্ল্যাটফর্মগুলোতে একটু অপেক্ষা।
ঘানা ভ্রমন -২ কাকুম ন্যাশনাল পার্ক (প্রথম পর্ব)

‘কাকুম ন্যাশনাল পার্ক’এ একটি বিকেল থেকে সন্ধ্যা -১
কেপ কোস্ট ক্যাসেল নিয়ে লেখার সময় ভাবছিলাম; ঘানার অপর পর্যটক কেন্দ্র -কাকুম এ অবস্থিত ‘ন্যাশনাল পার্ক’ সম্পর্কে দুচারটে কথা না লিখলে ঘানা ভ্রমন এর স্মৃতি রোমন্থনটা অসম্পূর্ণ রয়ে যাবে। তাই এটাকে প্রচলিত ভ্রমন কাহিনীর রূপ দেয়া আমার পক্ষে একটু কঠিনই ঠেকছে। তাই সে চেষ্ঠা না করে আমি বরং লিখে যাই-আমার মত করে।
বিজ্ঞ পাঠকের প্রতি তাই অনুরোধ রাখছি এই বলে যে –
বিস্তারিত»ঘানা ভ্রমন – ১ কেপকোস্ট ক্যাসেল !
মুক্তি চাই…
অবকাশ যাপনের ফুসরতে প্রিয় বন্ধুর অনুরোধে
ঘুরে এলাম ঘানা’র কেপ কোস্ট।
পর্যটক কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত এই স্থানে প্রসিদ্ধ
এখানকার কেপ কোস্ট ক্যাসেল।