দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

হীরাবাগ

ঠাকুরবাড়ির কালীয়াকান্তের মন্দিরের উত্তরে, মন্দির ও রানীমহল সংলগ্ন রাজ পরিবারের একটি রাজকীয় বাগান আছে। রাজার আমল থেকেই চারিদিকে সু-উঁচ্চ প্রাচীর ঘেরা বাগানটি হীরাবাগ নামে পরিচিত। দেশী-বিদেশী হরেক রকম বাহারি গাছ-গাছালিতে ভরপুর ছিল রাজাদের এ বাগান। কালের পরিক্রমায় আজ সে সব কেবলই ইতিহাস। চিত্ত বিনোদনের জন্য রাজ পরিবারের সদস্যরা এখানে অবসরে ঘুরে-বেড়াতেন। হীরাবাগে প্রবেশের জন্য রাণী মহল থেকে একটি প্রবেশপথ থাকার কথা জানতে পারলাম।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

ঠাকুরবাড়ি

আয়না ও রাণী মহলের পশ্চিমে মহলদ্বয় সংলগ্ন রাজবাড়ির ঠাকুরবাড়ি অবস্থিত। ঠাকুরবাড়িতে মোট তিনটি মন্দির। উত্তরে কৃষ্ণ মন্দির (কালিয়াকান্ত মন্দির নামে অধিক পরিচিত) ও দক্ষিণে দূর্গা মন্দির। দূর্গা মন্দিরের প্রধান ফটক সংলগ্ন পূর্বপাশে সন্ন্যাসী মন্দির অবস্থিত, যা মূলতঃ কাশী ঠাকুরের (মতান্তরে শ্রীমন্তের) সমাধি মন্দির। সুউচ্চ পাঁচিল দ্বারা পরিবেষ্টিত মন্দিরগুলোতে প্রবেশের জন্য সিংহ দেউড়ী ব্যবহার করতে হয়।

কালিয়াকান্তের মন্দির

কালিয়াকান্তের মন্দিরটি ১৭৬৩ খ্রীঃ বাংলার সনাতনি চৌচালা নকশায় হিন্দু ও মুঘল স্থাপত্যরীতিতে ছোট আকারে মহারাজ বৈদ্যনাথ কর্তৃক নির্মাণ করা হয়।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

রাজবাড়ি

প্রায় ৪০০ বছরের অধিক সময় ধরে গড়ে তোলা দিনাজপুর রাজবাড়ি নির্মাণে রাজ-পরিবারের প্রায় সকল নৃপতিরই কোন না কোন অবদান রয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যের ধারাবাহিকতা এখানে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তাই রাজবাড়িতে যেমন আছে ইউরোপীয় ধাচের গড়ে ওঠা হর্ম্যরাশি তেমনি দেখা যায় মুঘল ও হিন্দুয়ানী স্থাপত্যকলার সম্বন্নয়। ১৭৬৫ খ্রীঃ বৃটিশ অধিকৃত দিনাজপুর শহর আরো তিন দশক পর ১৭৮৬ খ্রীঃ বৃটিশ কালেক্টর এইচ জে হ্যাচের হাত ধরে আধুনিকরূপে বিস্তৃতি লাভের সুযোগ পায়।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – দিনাজপুর রাজবাড়ি

দিনাজপুরের প্রাচীনতম নাগরিক এলাকায় ৪০০ বছরের অধিক কাল ধরে বাংলাদেশের অন্যতম একটি রাজবাড়ি সকল প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে অত্যন্ত জীর্ণাবস্থায় কালের স্বাক্ষী হয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে আছে। জায়গাটির নামই আজ রাজবাড়ি। রাজবাড়িকে ঘিরেই দিনাজপুর শহরের গোড়া পত্তন। সেই কবে প্রাচীন অখন্ড বাংলার উত্তর রাঢ়ীয় এক কায়স্থ বংশের রায় উপাধিধারী পরিবার দ্বারা সূচিত হয়েছিল এ রাজবংশ তা আজ কিংবদন্তী। কে ছিল এ রাজবংশের আদি পুরুষ?

বিস্তারিত»

দিনাজপুর

হিমালয়ের পাদদেশ থেকে উতপন্ন হয়ে নানা চড়াই – উতরাই ঠেলে প্রায় ১৬০ কি.মি. দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে, প্রাচীন জনপদের নানা ইতিহাস রচনার মাধ্যমে; প্রাকৃতিক কারণে উrসমুখ হারিয়ে নির্জীব-ক্ষীন স্রোতধারায় আজও বহমান যে পুর্নভবা নদী, তারই তীর ঘেঁষে পৌরানিক কালে গড়ে উঠা এক সম্মৃদ্ধ জনপদ – দিনাজপুর। ‘পরশুরাম’ যিনি ভগবান বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার হিসাবে স্বীকৃত তার রাজ্যের অধীন ছিল দিনাজপুর। মৌর্য্য যুগে বগুড়ার পুন্ড্রবর্ধনে ছিল রাজা পরশুরামের রাজধানী।

বিস্তারিত»

দিনাজপুর – শিবরামপুরের জোড়া মন্দির

উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে দিনাজপুর জেলায় দিনাজপুর রাজবংশের কীর্তিকলাপ সর্বজনবিদিত। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে প্রাচীন সভ্য জনপদ প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে কালের পরিক্রমায় গড়ে উঠেছিল সে ধারাবাহিকতায় ঈতিহাসে দিনাজপুর রাজবংশের একটি আলাদা স্বকীয়তা রয়েছে। শিবরামপুর গ্রামে পাশাপাশি অবস্থিত শিব মন্দিরদ্বয় তারঈ এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

জেলা সদর থেকে উত্তরমুখী যে সড়কটি দিনাজপুর – পঞ্চগড় বরাবর চলে গেছে সে রাস্তা ধরে এগোলে চেহেলগাজীর মাযার হতে প্রায় ১ কি.মি.

বিস্তারিত»