আমার প্রাণের ‘পরে চলে গেল কে

আমার কৃষ্ণকায় নির্ঘুম রাতগুলোতে জালালুদ্দিন রুমি এলেন খানিক আলোর দিশা হয়ে। প্রভাতের ঝরে পড়া শিউলির মত সবার অলক্ষে নিজের অসামান্য সুর আর সুরভিটুকু বিলিয়ে রুমি আমার ঠাকুরের মতই বলতে চাইলেন, তোমারে দাও আশা পুরাও তুমি এসো কাছে। আমি সেই সময়ের কথা বলছি যখন বেনে জ্যোৎস্নার আলো আমায় ভাসিয়ে নেবার বদলে নিমজ্জিত করেছে অপার অন্ধকারে। কাঁচের জানালার ফোঁকর গলে যে এক টুকরো আকাশ আমার ঘরে ঢুকে পড়তো তার সাথেই আমার নিত্যদিনের যোগাযোগ ছিল শুধু। ঘুমন্ত তারাকে পাশে রেখে ঐ আকাশে নির্নিমেষ তাকিয়ে উজ্জ্বলতম নক্ষত্রটির সন্ধান করতাম গভীর বিশ্বাসে, আজ তার দেখা পাবোই

শোবার ঘরের দেয়াল জুড়ে শ্রীপুরের নিসর্গের মাঝে তরুণতর দুটি প্রাণ, পথের ধারের বাহুল্যবর্জিত একটি বিপনিবিতান থেকে কৃষ্ণনীলের জমিনে কেনা শাড়িটি আনাড়িহাতে সে’ই পরিয়ে দিয়েছিল আরেক জন্মে! নীলাম্বরীর পাশেই সদা হাস্যমুখ এক যুবক যার উচ্ছল হাসিতে স্বচ্ছতোয়া ঝর্ণার জলের সঙ্গীত ম্রিয়মান হয়ে গিয়েছিল। ঐ তো ছুটে গেল আলফা সেন্টরি, অনিকেতের ঘরে সাইপও কিসের সন্ধানে কে জানে! এতোসব তারার মালায় আমার উজ্জ্বলতম তারাটি কোথায় কেন জানে! কোন সে মন্ত্রবলে নিলীমায় নীল হয়ে রইলে তুমি চিরকালের মত! আকাশজোড়া নক্ষত্রের অলক্ষেই বড় বড় ফোঁটার অশ্রুবিন্দু এসে ঝাপসা করে দিয়েছে বালিকার ডেইসী ফুয়েন্টেসের মেরুন চশমার কাঁচ!

জোনাকীর বাতি নিভে যাবার পর ক্ষয়ে যাওয়া যেটুকু আলো থাকে; ততোটুকু আলোও আর অবশিষ্ট রইলনা তার জীবনে!

কিছু করার নেই বলে বার্নস এন্ড নোবেলসের এক কোণে বসে বই পড়ি। পড়া মানে পাঠ্য পুস্তকের পড়া নয় ঠিক, বাছবিচারহীন ছাপার অক্ষরে লেখা যে কোন কিছু পড়া। পিপলস ম্যাগাজিন থেকে ঠাকুর, এসেনশিয়াল কোরান থেকে হাফিজ, কী পড়িনি তখন! এইসব পাঠ আমাদের নিত্য পুঁজিবাদী জীবনের জন্য অপ্রয়োজনীয় বটে কিন্তু টিপটিপ করে যে প্রাণটি তখনো জীবনকে ধারণ করে আছে তার সেই আত্মার খোরাকের জন্য ‘অপ্রয়োজনীয়’ এই পাঠের প্রয়োজন ছিল বৈকি!

ঈদ ছুঁই ছুঁই এমনি এক রামাদানে ক্যারল রোডে আমাদের ‘স্বপ্নবিলাস’ নামের বাড়িটিতে শোকের মাতম চললেও বাইরের পৃথিবী আগের মতোই রইল; ম্যাকডোনাল্ডসের উনিশ সেকেন্ডের হ্যাপী মীল, প্রিয় বন্ধুর শিশুটির জন্মদিনে উচ্চকিত ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ’ অথবা পাশের ওয়াকিং ট্রেইলে চুম্বনরত যুগলের আলিঙ্গন! জীবনের বারোয়ারী উৎসবে শোক দুঃখ জরা কেবলমাত্র ব্যক্তিগত অনুষঙ্গ বৈ আর কিছু নয়।

নভেম্বরের ঘুমঘুম প্রভাতে অ্যারাবিকার মগ পাশে রেখে পায়ে মোজা পরাবার জন্য আর কেউ রইল না! নিচতলার হেঁশেলে পা পরেনি কতকাল, জেসমিন আপার কড়কড়ে ভাজা ইলিশ গলায় এসে দলা পাকিয়েছে, আধ খাওয়া চিকেন পপকর্ণের পাশে মায়ের অবহেলায় ঘুমিয়ে পড়েছে চার বছরের শিশুটি। তেষট্টি ইঞ্চির টেলিভিশনের বড় পর্দা জুড়ে কোবি ব্রায়ান্টের একচ্ছত্র আধিপত্য, সব আছে আগের মত। ইস্রাফিলের শিঙ্গার ফুঁৎকারে দু’জন মানুষের জীবন কেবল বদলে গেল চিরকালের জন্য

শোক থেকে ঠিক শক্তি দেবার অভিপ্রায়ে না হলেও আমার জীবনে জালালুদ্দিন রুমি এলেন তাঁর সহজাত আধ্যাত্মিকতা নিয়ে। তাঁর সামান্য কিছু লেখা পাঠ করেছি আগে কিন্তু অপরিণত বয়েস কিংবা অপরিণত মানসিক গঠনের কারণে তাঁকে পড়লেও রুমিকে ধারণ করবার মত শক্তি বা সাহস হয়নি।

হলিউডের ডাকসাইটে তারকারা রুমির কবিতা পাঠ করছেন এমন কথা শুনিনি তো আগে। সঙ্গীত, দর্শন অথবা অভিনয়ের বাইরের ডেমি মুর, ম্যাডোনা অথবা দীপক চোপড়ার কন্ঠের পাঠ শুনবার সুযোগ এলো তখন। কন্ঠের যাদু কাকে বলে সেটি বুঝবার মত অবকাশ এলো তখন প্রথমবারের মত। ফক্স থিয়েটারের তারাজ্বলা রাতে মহাকাশের ওপার হতে মৌলানা রুমি কোন সান্ত্বনার বাণী না নিয়ে এলেও ভোরের স্নিগ্ধ হাওয়া হয়ে এলেন অস্থির প্রাণে।

তুমি চলে যাবার পর
সন্ধ্যা নেমেছে আমার শহর জুড়ে;
জোনাকের লেজে আগুন জ্বলা অন্ধকারে
ধোঁয়াটে, কৃষ্ণকায় রাত!
আমি আজ রুমিতেই দিব ডুব
নিঝুম নিমগ্ন সুরে,
টুনাইট দা মুন কিসেস দা স্টারস

৩,০০২ বার দেখা হয়েছে

৩০ টি মন্তব্য : “আমার প্রাণের ‘পরে চলে গেল কে”

  1. রেজা শাওন (০১-০৭)

    রুমি লোকটি একজন প্রকৃত খালেক। রুমিতে প্রচুর হাইনেস। এমনিতে কবিতা, দর্শন এসব বুঝি কম। অল্প বিদ্যা হলে যা হয় আরকি। কিন্তু রুমির একটা লাইন সম্ভবত দেখার চোখ বদলে দিয়েছে- 'তোমার সাথে মিলবো আমি ঠিক বেঠিকের বাইরে।'

    সুন্দর লেখা আপু। গানের আবহ খুঁজে পাওয়া যায় আপনার লেখায়।

    জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      🙂 🙂 🙂 🙂

      রুমির গভীর জীবনবোধ অথবা আধ্যাত্মিকতার মন্ত্রটুকু ধারণ করা সহজ নয় মোটে। রুমি, সাদি, হাফিজ অথবা কবির আমাদের জীবনে ফিরে ফিরে আসেন নানান রঙ্গে কিন্তু খানিক পরিণত মন না হলে তাঁদেরকে কী করে বুঝবো বলো!

      তোমার জন্য সাদির কবিতাংশঃ
      Have you ever heard of
      The story of the one who is
      Present and absent at the same time?
      I am in the middle of the crowd
      And my heart is somewhere else।

      ভাল থেকো, শাওন!

      জবাব দিন
  2. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    ইফতারের দাওয়াতে যাচ্ছি।
    তাড়াহুড়োয় একবার চোখ বুলিয়ে গেলাম।
    ফিরে এসে আরেকবার লিংক খুলে খুলে ডিটেইল রিডিং দেয়া লাগব, বুঝলাম।
    বড়ই গভীর কিছু লিখেছ মনে হচ্ছে...


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      🙂 🙂 🙂 🙂

      হোপ ইউ এঞ্জয়েড দা ফার্স্ট ডে অব রামাদান, ভাইয়া! 😀

      গতকাল একশো এক ডিগ্রী ফারেনহাইটে রোজা রেখে বিকেল থেকেই কথাবার্তা প্রায় বন্ধ হবার জোগাড় হলো। সন্ধ্যেয় শিলা বৃষ্টি এসে কী যে প্রশান্তি নিয়ে এলো নগরজীবনে!

      গভীর কিছু লিখতে চাই মাঝেমধ্যে ঠিক, কিন্তু অই যে ভেতরের সেকেন্ড গ্রেডার লেখকসত্ত্বাটি বিচিত্র কারণে প্রবল প্রতিরোধ তৈরি করে।

      জবাব দিন
      • খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

        "সন্ধ্যেয় শিলা বৃষ্টি এসে কী যে প্রশান্তি নিয়ে এলো নগরজীবনে!" - এখানেও সকাল সন্ধ্যা শুধু বৃষ্টি হচ্ছে কয়েকদিন ধরে, শিলাবৃষ্টি নয়। তবে তাতে প্রশান্তির চেয়ে ভ্যাপসা গরম বেড়ে যাওয়াতে একটু অসুবিধাই হচ্ছে রোজাদারদের।

        জবাব দিন
  3. লুৎফুল (৭৮-৮৪)

    তারা খসা রাতগুলো ...
    কখনো শোকের কখনো সুখের
    আগ্রাসনে ভাসায় জীবন
    সুদূর অনাগত দিনের
    পরতে পরতে আঁকা
    যাপনের মৌতাতে
    যখন ফিরে ফিরে আসে
    সেই রাত সেই আধো চাঁদ
    যেভাবে মাখামাখি করে
    ধরে ছিলো এ ধরায়
    কারো আগমন কিংবা
    প্রত্যাগমনের মতোন
    জগতের নৈমিত্তিক কিন্তু
    অধ্যায় নির্মাণে আমার ...

    লিংকগুলো জমা থাকলো শোনার জন্য
    আজ শুধু পাঠেই মন হলো বড্ড ভার ...... (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
  4. সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

    🙂 🙂 🙂 🙂

    এন্ড্রোমেডার ওপারে যিনি বসবাস করেন খসে পরা তারাদের পথ ধরেই তো তাকে দেখবার আকুল প্রয়াশ!

    আমি জানি লিঙ্কগুলো খানিক ভারাক্রান্ত করেছে এই লেখাটিকে কিন্তু এই লিঙ্কগুলো ছাড়া আমার ভাবনা গুলো অপূর্ণই থেকে যাচ্ছিল। রুমি আর ঠাকুরের লেখা আর কবিতা এর সাথে পাঠ না করলে পাঠকের সাথে যেন যোগসূত্র স্থাপন করতে পারছিলাম না।

    অনেক ধন্যবাদ আপনার অসাধারণ লেখাটির জন্য। মুগ্ধতা বাড়ছে নিয়তই, ভাইয়া! :clap: :clap:

    জবাব দিন
  5. সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

    🙂 🙂 🙂 🙂

    তোর মত বন্ধুর কাজই হলো মুগ্ধ হওয়া, লুবনা! তুই
    সিসিবিতে চুরি করে এসে পড়ে যাস আমি জানি, একটু কি লেখা যায়না আমাদের জন্য? অপেক্ষা করছি তোর জন্য।

    জবাব দিন
  6. পারভেজ (৭৮-৮৪)

    শুনতে শুনতে ভিন্ন এক জগতে চলে গেলাম মনে হলো।
    এটা কোন "মামুলি ব্লগ" না। এটা দেখি অসাধারন এক প্রযোজনা।
    আর এমনভাবে তা গেথেছো, তা থেকে ফিনিক্স পাখির উঠে দাড়ানর প্রক্রিয়াটা বেশ ধারন করতে পারলাম।
    খুবই সফল একটা এটেম্পট।
    প্রিয়তে না নিয়ে কোন উপায় থাকছে না যে!!!
    :boss: :boss: :boss:


    Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

    জবাব দিন
  7. সাইদুল (৭৬-৮২)

    এটিকে কবিতা বলে চালিয়ে দেওয়া যেত।এ পোয়েম উইথ আধা ডজন ডিস্ট্র্যাকশন্স।

    দিব্যি একটা কবিতার আমেজ চলে এসেছিলো। ভেতরের লিঙ্ক গুলো সব গোলমাল করে দিলো। তোমার লেখায় যে ছবিটা আঁকছো, তার সব কিছু চাক্ষুষ করানোর দরকার আছে কী? পাঠক মনের আনন্দে তরতরিয়ে পড়ে যাবে।ছবি গুলি ভেসে ঊঠবে তাঁর মনের জানালায়। সেই ছবিতে ভুল থাকতে পারে। তা থাকুক।
    আমার মনে হয় ইতিহাস, বিজ্ঞান, ক্ষেত্র বিশেষে ভ্রমণ ছাড়া বাকি সব কিছুতে লেখকের ভূমিকা সূত্রধরের। এত বেশি লিংক লেখার ক্ষতি করে। লেখার চেয়ে সূত্রের দিকে ছুটোছুটি করে মন

    যদিও সব কটি'ই ডাউনলোড করেছি। একসময় শুনেও ফেলবো। তবে আমার মনে হয়েছে লেখার একেবারে মূল অংশে না থাকলে কী ক্ষতি হত?


    যে কথা কখনও বাজেনা হৃদয়ে গান হয়ে কোন, সে কথা ব্যর্থ , ম্লান

    জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      🙂 🙂 🙂 🙂

      সত্যি তো লেখকের কাজ হলো পাঠকের কল্পনার দুয়ারকে উন্মোচিত করা, তাকে ডিস্ট্রাক্ট করা নয়। লেখক তো আর নিজের উদ্দেশে কিছু লেখেন না, লেখেন অপরের জন্য, তার পাঠকের জন্য। যে পুঁজিবাদী দেশটিতে আমি বসবাস করি সেখানে বিশ্বাস করা হয়, কাস্টোমার ইজ অলওয়েজ রাইট। একই সূত্র ধরে আমি বলতে পারি আমার পাঠক ইজ অলওয়েজ রাইট।

      রবি ঠাকুরের লেখা চিঠিপত্তর পড়েছিলাম এক সময়ে অশেষ মনোযোগের সাথে। পড়তে পড়তে মনে হয়েছে, এটি কেবলমাত্র একজনের উদ্দেশে লেখা হয়নি, সবার জন্য লেখা হয়েছে। লেখা হয়েছে তার পাঠকের জন্য।

      সবশেষে, লেখকের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ আছে বলে বলছি, এটি একটি শোকগাঁথা বৈ অন্য কিছু নয়। যে সময়টিতে জাগতিক সব কোলাহল থেমে গিয়েছিল, সেই সময়টিতে লেখকের জীবনে রুমি আর রবি এলেন তাঁদের আধ্যাত্মিকতা আর দর্শন নিয়ে। অইটুকু বয়েসে এই দুই মহামানবের জীবনদর্শন অথবা স্পিরিচুয়ালিটি ধারণ করবার মত শক্তি ছিলনা বললেই চলে। তবুও অন্ধের লাঠির মত তাঁরাই এলেন আলোর দিশারী হয়ে, সান্ত্বনা হয়ে। লেখকের সেই মানসিক ভ্রমণের সাথে পাঠককে সম্পৃক্ত করতেই আমার এতোসব ডিস্ট্রাকশন।

      আপনার মতামত আমায় বরাবরের মতই সম্মানিত করে, ভাইয়া!

      জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      আমি কিন্তু এই ব্লগটাকে আর দশটা লিখা বা সাহিত্য না ভেবে একজন ব্লগারের মনের কথা জানানোর জন্য মিক্সড মিডিয়ার করা একটা প্রযোজনা হিসেবে দেখেছি।
      আবার আমার কাছে এই জিনিষটাও দারুন লেগেছে যে লেখক কেবল পাঠে আগ্রহী পাঠকের কথাও ভেবেছেন।
      কোন মিডিয়া ওপেন না করেও গোটা লিখাটা যেন দ্রুত পঠন করা যায়, সেই সুযোগও আছে।

      ধরা যাক, লিংক না থেকে যদি ভিডিওগুলো এমবেডেড থাকতো (আমার আড্ডার ভিডিও ব্লগের মত), কি হতো তাহলে অবস্থাটা?
      পাঠক ডেসট্রাকটেড হতে বাধ্য হতেন।
      এখানে লেখক ঐ পাঠকদের সেই ঝামেলায় পড়তে দেন নাই। মাঝে মাঝে খানিকটা নীল শব্দ দেখা কিন্তু সেই ডেস্ট্রাকশনে তুলনায় কিছুই না।

      আমি প্রথম রান-এ কেবলই লিখাটা পড়েছি। সিকোয়রন্সগুলো মনে গেঁথে নিয়েছি।
      পরে সেকেন্ড রানে গিয়ে, একটু পড়েছি, একটু দেখেছি, একটু ভেবেছি।

      পুরো ব্যাপারটা আমার কাছে প্রিভিউ পড়ে চলচ্চিত্র দেখার মত মনে হয়েছে।
      আর আজকাল তো প্রিভিউ না পড়ে ছবি দেখা খুব একটা হয়ও না, তাই না?

      জমজমাট একটা অভিজ্ঞতা হলো তাই.........
      সাধু সাধু, নতুন একটা টেকনিক শেখানোর জন্য!!!


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  8. মোস্তফা (১৯৮০-১৯৮৬)

    স্তব্ধ হয়ে ছিলাম কিছুক্ষণ। তারপর যখন ঘোর কেটে গেল, বুঝলাম 'রুমি', 'রবি', 'তাবরেজি' নয়, আমি 'সাবিনা'-তে ডুবে ছিলাম!


    দেখেছি সবুজ পাতা অঘ্রানের অন্ধকারে হতেছে হলুদ

    জবাব দিন
  9. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    :hatsoff: :hatsoff: :hatsoff:

    লিঙ্ক গুলোয় ক্লিক না করেই মোহবিষ্ট হয়ে পুরোটা পড়লাম। শেষ করে কেমন একটা ঘোর লাগা অনুভব হচ্ছে।

    লিঙ্কগুলো তুলে রাখলাম অন্য কোন সময়ের জন্য


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • সাবিনা চৌধুরী (৮৩-৮৮)

      🙂 🙂 🙂 🙂

      আমি জানি, আকাশের মন পাওয়া সহজ কথা নয়কো মোটে :D! দুলকি চালে নয় ঠিক একটু সাবেকী বাংলায় লেখা এটি। একজন নিরব সিসিবিয়ান এটি পড়ে আমায় নিরলে জানালেন, এই লেখাটি পড়তে গিয়ে তার দুটি দাঁত খুলে পড়ে গেছে। অন্য কিছু না শুনলেও ম্যাডোনা আর দীপক চোপরার পাঠ শুনলে তুমি আমায় গালি দেবেনা আমি নিশ্চিত!

      জবাব দিন
  10. খায়রুল আহসান (৬৭-৭৩)

    আকর্ষণীয় শিরোনামে একটি চমৎকার আত্মকথন। পাঠককে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বেঁধে রাখে। আর লিঙ্কগুলো তো আমার কাছে মনে হয়েছে এ্যাটেনশন এ্যারেস্টার।
    পাঠকের মন্তব্যের উত্তরে লেখকের জবাবগুলোও বেশ চমৎকার ও কাব্যময়।
    এ ব্রীলিয়ান্ট পীস! ডীপলি টাচিং, থারোলি এ্যাবজর্বিং!

    জবাব দিন
  11. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    লেখাটা তো প্রথম দিনেই পড়ে নিতে এসেছিলাম। কিন্তু একটানে শেষ করা হল কই। বারবার অন্যমনষ্ক হয়ে পড়ছিলাম।
    বিষাদের এত ভার বহন করতে পারছিলাম না।
    এবারে লিঙ্কগুলো দেখছি একে একে।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।