বিদেশে (ইউরোপে) বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা

বেশ কিছুদিন পরে সিসিবি’তে আসলাম। অনেকগুলো নতুন লেখা চোখে পড়ল। নতুন কিছু ব্লগারও (নতুন বলতে আমি শুধু রমিত ভাইকে বুঝিয়েছি)। মাঝে কিছুদিন ব্যক্তিগত+পারিবারিক শোক সামলাতে চলে গেলো। নিজের কিছু পড়াশোনা জমে আছে। তারপরেও এই লেখাটা লিখতে বসলাম নেটে হঠাৎ করেই একটা লিঙ্ক চোখে পড়ায়।

সকালে ঘুম থেকে উঠে মেইল চেক করতে গিয়ে একেবারে অকস্মাৎ চোখ আটকে গেলো একটা লিঙ্কে- ইউরোপে ইসারমাস বৃত্তির বিষয়ে। ভাবলাম সিসিবি’র লোকজনের সাথে শেয়ার করি। অনেকেই ত’ সদ্য আন্ডারগ্র্যাড শেষ করেছে। তাদের কারো উপকার হলেও হতে পারে।

//eacea.ec.europa.eu/erasmus_mundus/results_compendia/selected_projects_action_1_master_courses_en.php
উপরের লিঙ্কটা ইরাসমাস বৃত্তির আওতাধীন মাষ্টারস পর্যায়ের সব কোর্সের তালিকা। প্রতি বছর এই বৃত্তিটা ইউরোপীয় ইউনিয়ন স্পন্সর করে। এর মাধ্যমে সাধারণতঃ তিনটা ইউরোপীয় ইউনিভার্সিটি দুই বছর সময়ের একেকটা কোর্সে মাষ্টারস ডিগ্রী দেয়।

আন্ডারগ্র্যাড শেষ করা যে কেউই এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারে। আবেদনের যোগ্যতা এবং সাফল্যের সম্ভাবনা বিচারে এই বৃত্তিটা বেশ লোভনীয় মনে হইছে আমার কাছে। একটু ট্যাকটিক্যাল হলে আমাদের অনেকেই অল্প আয়াসে সাফল্য পেতে পারে। আমার বিবেচনায় সেইসব দিকে কিছু কথা বলছি এখনঃ

১। প্রথমে উপরের লিষ্ট থেকে নিজের বিষয়ের সাথে সবথেকে বেশি সম্পর্কিত তিনটা (৩) কোর্স বাছাই করতে হবে (একজন সর্বোচ্চ তিনটা কোর্সে আবেদন করতে পারে)। এরপর সেইসব কোর্সের ওয়েব সাইটে (উপরের তালিকায় কোর্সের নামের ডানদিকে) গিয়ে দেখতে হবে কোন বিশ্ববিদ্যালয় কো-অর্ডিনেট করছে আর সেখানে ভর্তির যোগ্যতা কি কি।

২। আইইএলটিএস স্কোরের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। বেশিরভাগ ইউনিভার্সিটিতে ৬/৬.৫ চাইলেও কোথাও আবার ৭ চায়। আমার জানা মতে, বাংলাদেশে এখন ৭ স্কোর করা কঠিন কিছু না। দরকার শুধু মাস দুয়েকের মনোযোগী প্রস্তুতি। এটা জুলাইয়ের মধ্যেই সেরে ফেলতে হবে।

৩। একাডেমিক রেজাল্ট আর আইইএলটিএস স্কোর দরকারী, এবং সকল আবেদনকারীরই এসব থাকে। কাজেই, নিজের সিভি’তে আরো কিছু অতিরিক্ত যোগ্যতা যোগ করতে হবে, যেমনঃ পাবলিকেশন। প্রায় সবারই কোন না কোন প্রজেক্ট বা থিসিস থাকে। সেখান থেকে একাডেমিক জার্নালে ছাপার যোগ্য মোটামুটি মানের পেপার রেডি করা খুব কঠিন কাজ নয়। আর আমার জানা মতে দেশেই কিছু জার্নাল আছে যেখানে নবীশ লেখকরা তাদের গবেষণা/রিপোর্ট ছাপাতে পারে যা’ একাডেমিক পেপার হিসেবে গ্রহনযোগ্য [আগ্রহীরা ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগে ‘ওয়েলকাম’]।

৪। কাজের অভিজ্ঞতাও প্রার্থীতায় প্রভাব রাখে। ইতোমধ্যেই কোন চাকুরীতে যোগ দিয়ে থাকলে ত’ খুবই ভালো। আর বেকার থাকলেও হতাশ হবার কিছু নেই। পরিচিতদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের প্রাইভেট ফার্ম বা কোন এনজিওতে একটা স্বেচ্চাসেবির অস্থায়ী পদ বাগিয়ে নিতে হবে যা’ বৃত্তির আবেদনের সময় সিভি’তে যোগ করে দিতে হবে। [মনে রাখতে হবে, অকর্মাদের কোথাও বেইল নাই]।

৫। কো-অর্ডিনেটিং ইউনিভার্সিটির কোন প্রফেসরের সাথে আগে থেকেই ই-মেইলে যোগাযোগ করে কোন ফায়দা আছে কি না তা’ আমার জানা নেই। থাকলে এটাও ট্রাই দিতে হবে।

-আইইএলটিএস, পেপার আর কাজের যোগ্যতা- সবকিছু রেডি করে ফেলতে হবে আগষ্ট মাসের মধ্যেই। সেপ্টেম্বরে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু, চলবে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত। তবে আগে আবেদন করাই ভালো এবং ভয়ের কোন কারণও নেই, কেননা ইউরোপে কোনদিন বাঘ থাকেনি 🙂 ।

২০০৬ সালে দেশ থেকে বের হয়েছি। জাপান হয়ে এখন আমেরিকায়। হয়তো শীঘ্রই অন্যান্য মহাদেশে যাতায়াত শুরু হবে। পড়াশোনার মধ্যে থেকেই দেশে দেশে ঘোরা+ডিগ্রী অর্জন সম্ভব। এর জন্য নিজের পকেটে টাকা থাকা জরুরী নয়, নামডাক-ওয়ালা মেধাবি হওয়াও আবশ্যক নয়। শুধুমাত্র নিজের ইচ্ছা+বুদ্ধি+লেগেথাকা হলেই মাত্র ৬ মাসের মধ্যে নিজেকে তৈরী করে ফেলা যায়। এরপর আরো ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যেই উড়াল দেওয়ার ডাক আসে। পোলাপাইন, আমার কথা বিশ্বাস করার দরকার নেই, নিজে একবার চেষ্টা দেখো, বিফলে মূল্য ফেরৎ।

পুনশ্চঃ
সিসিবি’র মুহাম্মদ মনে হয় গত বছর এই বৃত্তি নিয়ে গেছে। ওর কাছ থেকে ফিডব্যাক পেলে খুব ভালো হতো।

৩১ টি মন্তব্য : “বিদেশে (ইউরোপে) বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা”

  1. মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

    ভাইয়া আপনার কথা একদম সত্য । ইরাসমাসের একটা বড় সুবিধা হলো একটা মাল্টিকালচারাল পরিবেশে পড়াশোনা। তাছাড়া ভ্রমন, রিসার্চ ও সেমিনারের সুযোগও প্রচুর, প্রকৃতপক্ষে পুরো ইউরোপব্যাপী। আর ইরাসমাসের কোর্সগুলো সাধারনত মাল্টিডিসিপ্লিনারী কোর্স তাই এর পরিসরও অনেক বড় ও লোভনীয়।

    তবে ক্যান্ডিডেট নির্বাচনের পদ্ধতি বেশ জটিল। ছাত্রের একাডেমিক স্কোর, রিসার্চ প্রোপোজাল, পূর্ববর্তী পাবলিকেশন, মোটিভেশন, রেকমেন্ডেশন, ভাষাগত দক্ষতা, প্রফেশনাল অভিজ্ঞতা সব মিলিয়ে সিলেকশন হয়। তাই সবগুলো বিষয়েই নজর দেয়াটা জরুরী। সিলেকশনের আরেকটা বড় সমস্যা হলো এখানে প্রফেসরের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগের কোন মূল্য নেই ( আমেরিকা / কানাডা তে যেমন প্রফেসরের ফান্ড থাকলেই প্রফেসর নিজের ইচ্ছেমত ছাত্র নিতে পারে, সেক্ষেত্রে প্রফেসরের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগটা গুরুত্বপূর্ন) । সিলেকশন হয় কনসোর্টিয়ামের কমিটির মাধ্যমে তাই ক্যান্ডিডেটদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বেশি। আবার অনেক সময় মহাদেশভিত্তিক ও ইউরোপিয়ান ও ননইউরোপিয়ানদের জন্য আলাদা আসন থাকে। তাই বাংলাদেশী ছাত্রদের সরাসরি প্রতিযোগিতা করতে হয় এশিয়ান উইন্ডোতে যেখানে প্রচুর ভারতীয় ও চাইনিজ ছাত্রের সাথে প্রতিযোগিতায় পার হতে হয়। বাংলাদেশী ভার্সিটিগুলোর মানের তারতম্য ও সুস্পষ্ট র‍্যাংকিং না থাকায় ও কিছু সমস্যা হয়।

    তারপরেও বাংলাদেশী ছাত্রদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ। বৃত্তির পরিমানটাও নেহাত খারাপ নয়।

    জবাব দিন
  2. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    আমার ফিডব্যাক:
    কানাডা বা আমেরিকার তুলনায় ইরাসমাসে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেশি। কারণ যা দেখলাম খুব কম কোর্সেই অনেক ছাত্র অ্যাপ্লাই করে। ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু কোর্স ছাড়া বেশিরভাগ কোর্সেই ক্যান্ডিডেট বেশি না। চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। নিজেকে দিয়েই বুচ্ছি এইটা। সাধারণত যেখানে চান্স পাওয়া কঠিন সেখানে টাকার অংকটাও বেশি। কিন্তু ইউরোপিয়ানরা এই চিরায়ত সত্য উল্টে দিয়েছে। চান্স পাওয়া যত সোজা টাকা ঠিক ততটাই বেশি। আমি একটা হিসাব দেই:

    টিউশন ফি ইনস্যুরেন্স মানি সব বাদ দিয়ে একজন ছাত্র যা পায় তা হল:

    - প্রতি বছরের শুরুতে ৪০০০ ইউরো। তার মানে ২ বছরে মোট ৮০০০ ইউরো।
    - প্রতি মাসে ১০০০ ইউরো। ২৪ মাসে মোট ২৪,০০০ ইউরো।

    সর্বমোট টাকার পরিমাণ ৩২,০০০ ইউরো। এর বাইরে ইনস্যুরেন্সের টাকা এবং টিউশন ফি সব ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহন করবে। তার মানে ৩২,০০০ ইউরো কেবলই থাকা-খাওয়া এবং যাতায়াতের জন্য। মেডিকেল কস্ট এবং অ্যাক্সিডেন্টাল যাতায়াতের সব খরচ তো ইনস্যুরেন্স থেকেই আসবে। এখন দেখাই এখান থেকে কি পরিমাণ টাকা খরচ হয়।

    আমি প্রথম সেমিস্টার করলাম অস্ট্রিয়ার ইউনিভার্সিটি অফ ইন্সব্রুক-এ। শহরের নাম ইন্সব্রুক। এই শহরে প্রতি মাসে আমার কত খরচ হয়েছে বলি:

    - এক জনের জন্য একটা রুমের ভাড়া - ২৫০ ইউরো।
    - এক জনের খাবার খরচ - ১৫০ ইউরো (অনেক ভাল খেলে)।
    - যাতায়াত (ছাত্র ভাড়া) - ২০ ইউরো।

    অর্থাঁ মাসে যে ১০০০ ইউরো দিল তা থেকে আমার খরচ হল ৪২০ ইউরো। সত্যই তাই- মাসে বেচে যাবে ৫৮০ ইউরো।

    তবে টাকার পরিমাণ শহরের উপর নির্ভর করে। ইন্সব্রুক ছোট শহর বলে খরচ কম। কিন্তু পরের সেমিস্টারে আমি যাচ্ছি ইতালির রোম এ। রাজধানী বলে খরচটা একটু বেশি। রুম একটা ভাড়া করলাম যার ভাড়া হচ্ছে ৩৬০ ইউরো। অর্থাৎ রোমে ১০০ ইউরো বেশি খরচ হবে। এই।

    টাকার হিসাব তো বললাম। এবার পড়াশোনার কি অবস্থা সেইটা বলছি পরের কমেন্টে।

    জবাব দিন
  3. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    ইরাসমাসে পড়াশোনা:
    আমি জ্যোতি:পদার্থবিজ্ঞান এ মাস্টার্স করছি। এই বিষয়ে ইরাসমাসের একটাই কোর্স (স্পেস টেকনোলজি নিয়ে আরও ২ টা কোর্স আছে) আছে এবং সেই কোর্সের আমরাই প্রথম ব্যাচ, প্রোগ্রামের নাম Astromundus (Erasmus Mundus Masters Course in Astrophysics)। প্রথমে আমাদের প্রোগ্রামের ওয়েবসাইট লিংকটা দিচ্ছি:
    - এস্ট্রোমুন্ডুস অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
    - ইউরোপিয়ান ক্যাম্পাসে এস্ট্রোমুন্ডুস
    - ফেসবুক পেইজ

    পড়াশোনার মান নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। তাছাড়া একটা সুবিধা হল- ইরাসমাসে অনেকেই আসে কেবল মৌজ মাস্তি করতে, পড়াশোনার ব্যাপারে বেশ কয়েকজনকে খুব একটা সিরিয়াস দেখা যায় না। তাই কারও যদি পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকে তাহলে ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার একটা সম্ভাবনাও থাকে। মাস্টার্স শেষে অপোরচুনিটি কেমন সেটা আমি কেবল আমার ফিল্ডের ক্ষেত্রেই বলতে পারব: জ্যোতির্বিজ্ঞানে পিএইচডি এবং পরবর্তী রিসার্চের সুযোগ ইউরোপে খুব ভাল। তাই আমার মাস্টার্স শেষেও ইউরোপের বাইরে যাওয়ার ইচ্ছে নেই। আমি যে ভার্সিটিগুলোতে পড়তে যাচ্ছি সেগুলো হল:

    - University of Innsbruck, Austria; October 2010 - Feb 2011
    - University of Rome Tor Vergata, Italy; March 2011 - Jun 2011
    - University of Gottingen, Germany; October 2011 - Jun 2012 (যদি চান্স পাই)

    যদি চান্স পাই বললাম কারণ, এখানে সবগুলো ইউনিভার্সিটি থেকে যার যার পছন্দ করতে হয়। কিন্তু এক ভার্সিটিতে যদি বেশি যেতে চায় সেক্ষেত্রে মেরিট লিস্টের উপর ভিত্তি করে ঠিক করা হয় কে কোনটাতে যাবে। আমরা ইন্সব্রুকে মোট ২০ জন ছিলাম, এর মধ্যে ১২ জন ইতালির ইউনিভার্সিটি অফ পাদোয়া এবং ৮ জন রোমে যাচ্ছি।

    এখানে আমাদের সেমিস্টার শেষ, ৯ ফেব সব পরীক্ষা শেষ হল। ১০ তারিখ অর্থাৎ গতকালকে একটি বিদায়ী ফটোসেশস ছিল, সেখান থেকেই একটা ছবি দেই:

    ১ (সম্পাদিত)

    জবাব দিন
  4. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    পরিশেষে বলতে চাই: ইউরোপে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চাইলে আহামরী মেধাবী হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। মোটিভেশন আর সদিচ্ছাটাই আসল। মাহমুদ ভাইয়ের সাথে একমত। তবে এটা নিশ্চিত যে একবার এখানে এসে পড়াশোনা শুরু করলে এবং ভাল করার ইচ্ছে থাকলে ভবিষ্যিৎ অনিশ্চিত থাকবে না।

    ইরাসমাস বিষয়ে কারও যেকোন ধরণের প্রশ্ন থাকলে আমার সাথে মেইলে যোগাযোগ করতে পারেন:
    muhammad2017@gmail.com

    জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)
      পরিশেষে বলতে চাই: ইউরোপে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চাইলে আহামরী মেধাবী হওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। মোটিভেশন আর সদিচ্ছাটাই আসল। মাহমুদ ভাইয়ের সাথে একমত। তবে এটা নিশ্চিত যে একবার এখানে এসে পড়াশোনা শুরু করলে এবং ভাল করার ইচ্ছে থাকলে ভবিষ্যিৎ অনিশ্চিত থাকবে না

      - মুহাম্মদকে অসংখ্য ধন্যবাদ ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে খুবই মূল্যবান তথ্য শেয়ার করার জন্য।

      ইরাসমাস বৃত্তি আমার জানা মতে আর যেকোন বৃত্তির থেকে তুলনামূলক ভাবে কম প্রতিযোগীতাপূর্ণ। নানান জাতীয়তা কোটা, কোর্সের স্পেশালাইজেশন আর অংশগ্রহনকারী বিশ্ববিদ্যালয়+দেশ সম্পর্কে তথ্যের অভাবে এইখানে অনেক ছাত্রই আবেদন করতে পারে না। তাছাড়া, খুব ভালো রেজাল্টধারীরা আমেরিকা/কানাডা/অষ্ট্রেলিয়ায় করতে গিয়ে এদিকে নজর দিতে পারে না। সবকিছু মিলিয়ে যা হয়- মোটামুটি মানের রেজাল্ট নিয়েও অনেকেই এই বৃত্তি পেয়ে যায়। [আমার জানা মতে, ইরাসমাসে আর্টস পার্টির সাফল্যের সম্ভাবনা তুলনামূলক ভাবে বেশি]

      আর উচ্চশিক্ষার পর্যায়ে পড়াশোনার মান আসলেই নিজের উপর নির্ভর করেঃ জাপানে দেখেছি, আমেরিকাতেও দেখছি, কেউ চাইলে ফাঁকি মারা আসলে ব্যাপার না। আবার পড়তে চাইলে প্রচুর বই+জার্নাল+নেট ইত্যাদি আছে।

      ইচ্ছে আছে, আমার জানাশোনা আরো কিছু দেশে বৃত্তির তথ্য শেয়ার করার।


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
        • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

          রায়েদ,

          আমার পাঠানো লিঙ্ক ওপেন করলে দেখবে অন্ততঃ ২০টার বেশি কোর্স আছে আর্টস পার্টির জন্য। আর উপরে মান্নানের কথা সত্য ধরে নিলে ইন্ডিয়ান/চাইনীজ ছাত্রদের সাথে এইসব কোর্সে প্রতিযোগীতা সায়েন্সের কোর্সের তুলনায় কম। একারণেই আমি মনে করি, ইরাসমাসে আর্টস পার্টির সাফল্যের সুযোগ বেশি 🙂 ।

          আমার ইমেইল mahmud735এটgmail.com


          There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

          জবাব দিন
          • মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

            আমার জানার সীমাবদ্ধতা শুধু আমার কোর্স ও একই রকম কিছু কোর্সের জন্য । মুহম্মদ যেমন বলেছে আমার অভিজ্ঞতাও তাই বলে। ইন্জ্ঞিয়ারিং রিলেটেড কোর্সগুলোতে প্রতিযোগিতা বেশি। আমারটা (ন্যানো এন্ড বায়ো ফটোনিক্স ফর টেলিকমুনিকেশন এন্ড বায়োটেকনোলজি) এবং তুমুলভাবে চায়নিজ ও ভারতীয় ও তাইওয়ানিজ আধিপত্য ( কারন বোধহয় এসব দেশে এধরনের টেকনোলজির আকাশচুম্বী চাহিদা)।

            তবে ফান্ডামেন্টাল সা্য়েন্স ও সমাজ বিজ্ঞান অনুষদে কিছু প্রতিযোগিতা কম হতে পারে। আর এধরনের কোর্সের সংখ্যাও বেশি। এছাড়া সাধারনভাবে আমার ধারনা ইউরোপের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের গবেষণাগুলোও খুব উন্নত মানের। তাই এসব বিষয়ের ছাত্রদের জন্য খুবই আকর্ষনীয় এই স্কলারশীপ।

            জবাব দিন
    • মাহমুদ (১৯৯০-৯৬)

      পুলাপাইন আইলস্যা হয়া গেছে x-(

      লিঙ্কে খোঁচা দিলেই ত সব গুলো কোর্সের লিষ্ট চলে আসে, সেখান থেকে দেখে নিলেই হয়। আর সেখানে বিজনেস রিলেটেড বেশ কিছু কোর্স আছে।


      There is no royal road to science, and only those who do not dread the fatiguing climb of its steep paths have a chance of gaining its luminous summits.- Karl Marx

      জবাব দিন
  5. সামাউন খালিদ কলিন্স (১৯৯৯-২০০৫)

    পড়ছি এখনও মেডিক্যালে, কিন্তু ক্লিনিক্যাল লাইনে থাকতে মঞ্চায় না... 🙁 ইরাসমাসে পাবলিক হেলথ লাইনে কম্পিটিশন কেমন চান্স কেমন কিছু জানো নি??? 😕

    জবাব দিন
  6. mbbs(ssmc) শেষ হবে এই বছরে। আমাকে একটু পরামর্শ দেন। জাপান, ইউরোপ কান্ট্রি তে যাইতে চাই। ছোয় ভাইকে কেউ একটু পরামর্শ দেন কেমনে স্কলারশিপ নিয়ে যাওয়া যায়।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।