কলেজে সবসময়ই একটা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের গ্রুপ থাকে। আমারো ছিল। তো এইরকম আমার এক দোস্তর লগে আমগো ব্যাচেরই মগকক এর এক ক্যাডেটের :just: ভালো রিলেশন ছিল। তো ওরে এর :just: বান্ধবী একটা গিফট দিছিলো, একটা ফটো ফ্রেম। বলারর দরকার নাই আমার দোস্তে ওই ফেরেমে কার ছবি বান্ধায়ে রাখছিলো 😀
তো আমার দোস্তের বান্ধবী কিঞ্চিত স্থূল হইবার কারণে আমরা ওরে খালাম্মা কইয়া ডাকতাম। 😀 😀 দোস্ত আমার হেব্বি মাইন্ড খাইতো :grr:
কাহিনী শুরু হইলো ইন্সপেকশনের দিন।
আমার কষ্টগুলো ……
পথের পাঁচালীর পঞ্চাশ বছর-২
প্রথম পর্ব
[আগের পর্ব শেষ করেছিলাম ইন্টেলেকচুয়াল মন্তাজ দিয়ে।এটা নিয়ে কিছু কথা বলার প্রয়োজন বোধ করছি।মন্তাজ ব্যাপারটি রাশিয়ান চলচ্চিত্রকার আইজেনস্টাইনের আবিষ্কার। মন্তাজ শব্দটার সাথে যেহেতু ইন্টেলেকচুয়াল শব্দটি যোগ হয়েছে কাজেই এটা অন্তত বোঝা যায়, বুদ্ধিবৃত্তিক দৃশ্য তৈরি জাতীয় কিছু একটা। হ্যা, আসলেই তাই। ইন্টেলেকচুয়াল মন্তাজ সম্পূর্ণ ভিন্নরকম দুটি দৃশ্য পরপর একটি তৃতীয় অর্থকরী দৃশ্য তৈরি করে, যার মাধ্যমে বুদ্ধিবৃত্তিক একটি সিকোয়েন্স দাঁড়িয়ে যায ।
নাটাই
১।
-এই টিপু, তোর তো দেখি নতুন নাটাই। কবে কিনলিরে?
-আমার মামা এসেছিল ঐ যে বিদেশ থাকে উনি কিনে দিয়েছে।
-কত দাম রে?
-১২ টাকা, রাজার দোকানেই পাওয়া যায়।
-একটু দেখতে দিবি?
-তুই ফেলে দিবি দেখিস। তারচেয়ে বরং তুই সুতাটা ধর আমি মাঞ্জা দেই । এবার মাঞ্জায় কাচের গুড়া দিয়েছি আমার ঘুড়ি কাটা এইবার কারো সাধ্য নাই।
কে কারে কি কয়?
[ এই ছড়ার কোন মানে নাই। নেই কাজ তো খই ভাজার বাইপ্রোডাক্ট ]
ফকা বলে সাকারে
ভাল করে তাকারে!
আমি তোর বাবা হই
নই বড় কাকা রে!
সাকা বলে ফকারে
দিয়ে গালে টোকারে!
তোমারইতো এই আমি
বুড়ো ধেড়ে খোকা রে!