তারা যখন আসলো………..

তাঁর নাম Friedrich Gustav Emil Martin Niemöller। জার্মান কবি। প্রথম জীবনে ছিলেন হিটলার সমর্থক। পরে হিটলারের কর্মকান্ডে শঙ্কিত হয়ে হিটলার বিরোধী হলেন। ফলো পেয়েছিলেন। বন্দী থাকতে হয়েছে বন্দীশিবিরে। মুক্তিপান যুদ্ধ শেষে, ১৯৪৫ সালে।

তাঁর একটা বিখ্যাত কবিতা আছে। এই কবিতা এখন কিংবদন্তীতে পরিণত হয়ে আছে। মূল কবিতাটা এরকম-
“In Germany, they came first for the Communists, And I didn’t speak up because I wasn’t a Communist;

বিস্তারিত»

একান্নবর্তী।

এই দেশে মমতাময়ী বোনের অভাব আমাকে বুঝতে হয়না কোনদিন।
মেলার ভীড়ে আমি যখন হারিয়ে যাই, কত নারী আমাকে কোলে তুলে নেয়-
সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় আইসক্রীম কিনে দিয়ে আমার হাতে হাত রাখে!
ভাইয়া, কাঁদে না। বাবাকে এক্ষুণি পেয়ে যাবে।
সম্পূর্ন অকারণে হাসি ছুটে যায় বলে- এই দেশে আমাকে বন্ধুহীন থাকতে হয়না কোনদিন।

বাড়ী ছেড়ে চলে আসবার পথে ট্রেনে বসে বসে-
মাঝে মধ্যে খুব কাঁদতাম যখন।

বিস্তারিত»

ভাবছি খেলা দেখা ছেড়ে দিব!!

ব্লগানো যে কি এটা নেশা তাহা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ভাগ্যিশ এখন ছুটি নইলে মনে হয় ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে এইখানেই ঘুর ঘুর করতাম।আমি মাত্র গতকাল একটা পোষ্ট দিলাম।এখন দেখি তা ২১৪ বার পড়া হইছে!!! আমার ব্লগস্পট এ আমি ছাড়া আর কেউ ঢুকে নাকি আমার সন্দেহ আছে। আর এইখানে এতো ফিডব্যাক!! আসলেই খুব ভাল লাগার মতো বিষয়।

যে জিনিশ নিয়ে লিখতে বসিলাম তা আসলেই খুব মন খারাপ করার।গতকয়েক বছর ধরে আমার সাপোর্ট করা কোনো দলই কিছু পাইতেছে না।

বিস্তারিত»

কেন?

আজ অনেক দিন ধরেই চাচ্ছি ব্লগে লেখার জন্য…কিছুতেই হয়ে উঠছে না।ছুটি চলছিল।২৭ ফেব্রুয়ারিতে বাসা(সিরাজগঞ্জ) থেকে খুলনা(কুয়েট) আসছি।আমার ডাইনোসরটার(মগকক,৯৯) সাথে যেহেতু নিয়মিত ফোনালাপ( আনুমানিক দৈনিক গড়ে ৪ ঘন্টা) হয়,আর এর মধ্যে কলেজের স্মৃতিচারন হয় প্রায় ৫০ ভাগ সময়।

বিস্তারিত»

তোমার অপেক্ষায় আপু…

প্রায় প্রথম থেকেই এই ব্লগের সাথে আছি আমি। প্রথম দিকে ছোট ছোট ভাই বোন গুলা কাজ করে যায় আর আমি পাশে থেকে ওদের কাজগুলা দেখে যাই। আর নিজে টুকটাক কাজ জানি বলে দাবি করে তাদেরকে সাহায্য করব বলে আশা দিয়ে যাই। কিন্তু কোনদিন কোন সাহায্য করিনি। আমার থেকে অনেক ছোট পিচ্চি গুলা যখন এটাকে একেবারে দাঁড় করিয়ে ফেলল তখন আমি ওদের বলি ,” সাব্বাশ পোলাপান ,

বিস্তারিত»

আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জিহাদ , মুহাম্মদ আর ফরিদকে সাথে নিয়ে পিলখানায় বিডিআর গেটে গিয়ে দেখি তখনো কেউ আসেনি।

ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার থেকে রিকশা নিয়েছিলাম। আমাদের আগের রিকশায় ছিলো আমাদের ব্যাচের আজিজ আর রাসেল। জ্যামে পড়ে ওরা সম্ভবত আমাদের চেয়ে পিছিয়ে গিয়েছিলো তাই পৌছলো আমাদের মিনিট দ’শেক পর। কাইয়ূম ভাই আর জুনায়েদ রিকশা পায়নি, তাই হেঁটেই রওনা দিয়েছিলেন। পরে মাঝপথে এসে রিকশা পেয়েছিলেন কিনা আর জিজ্ঞেস করিনি,

বিস্তারিত»