আচার ০১৪: পরবাসীর স্বগতোক্তি

কাঁপতে কাঁপতে বাইরে এসে দাড়াঁই। ভালো লাগে না। এই সাদা বরফ, মেঘলা আকাশ, ছুরির মতো ধারালো বাতাস- এসবের কোন কিছুই আমার নয়। তবু পরিযায়ী পাখির মতো অস্থায়ী নীড় বাঁধার চেষ্টা। ঘেন্না হয়। বিপন্ন বিস্ময়কে অবহেলে ছুটছি অর্থ আর কীর্তির পেছনে। নিজেকে মাঝে মাঝে গদাম করে লাথি দিতে ইচ্ছে হয়, পারি না।

ক্রমশই বেশি করে আসা শীতে কেমন নেশা ধরে, ভুলে যাই। তবু নিজস্ব আকাশ,

বিস্তারিত»

জীবনের গল্প ! (…আছে বাকি অল্প !!)

জীবনের গল্প !
এ্যাই নৌকা এ্যাই।
কোন নড়াচড়া না দেখে রাতুল গলার স্বর উঁচু করে আবার ডাকলো-
অ্যাই… নৌকা অ্যাই…।
এতক্ষণে নৌকাটি নড়তে শুরু করলো। রাতুল আর কিংশুক শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। নৌকাটি কাছে আসতেই ওরা লাফ দিয়ে উঠে পড়লো। নৌকার মাঝি ধীরে ধীরে তার নৌকা ঘুরিয়ে খেয়াপাড়ের দিকে অগ্রসর হলো।
এরা এখন ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে। বিকেলে তারা নারায়নগঞ্জ এর সোনাকান্দায় এসেছিল রেশমার বিয়ের অনুষ্ঠানে।

বিস্তারিত»

একদিন ভোর দেখার রঙ আমাকে মেরে ফেলবে না

গ্রাফিতি-ফুটপাত দিয়ে হাঁটছিলাম,
বিবিধকোণ ছকত্বকী ফুটপাত
সেখানে পদছাপেরা ক্ষণস্থায়ী এবং ধুলিকণার নিবিড় নিবাস;
আমি হাঁটছিলাম অথচ সেখানে আমার ছাপ পড়ছিল না।

প্রসারিত হাতের রেখাগুলো কুঁচকানো,
আমার দিকে তেড়ে আসে, “ভিক্ষা দে”!
চাপা ক্রোধ! “দিবি না কেন”!
আমি কররেখার মতোই কুঁকড়ে যাই। “দে!”
অলৈঙ্গিক শৈথিল্য কামড়ে ধরে তলপেটের চিনচিনে ব্যথায়, “দিবি না?”
ওই হাত অনেক জীবন সয়েছে,

বিস্তারিত»

একলা এক কিশোরের কথা ( ১০০০ ……)

আজকাল প্রায় প্রতিরাতেই স্বপ্ন দেখি। সব স্বপ্ন গুলো ই কেমন যেন আগোছালো, উল্টা পাল্টা। তবে প্রায় সব স্বপ্নের ভেন্যু থাকে ক্যাডেট কলেজ। এই আজকের এই সকাল টায়ও ঘুম ভেংগেছে একটা স্বপ্ন দেখতে দেখতে। সেই পুরানো কলেজ টাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছিলাম। সেই স্বপ্নের মত দিন গুলোকে নিয়ে মজার একটা স্বপ্ন। আর সেজন্য এই ঘুমোট সকালটাতে একটা চনমনে ভাব চলে এসেছে। আমার সেই কলেজটা ছেড়ে এসেছি আজ অনেক দিন,

বিস্তারিত»

অসম্ভব একটা জয়ের স্বপ্ন কি এখন দেখা যায়??

অসম্ভব একটা জয়ের স্বপ্ন কি এখন দেখা যায়??
বুঝতে পারছিনা
বর্তমান অবস্থা ৫ রানে ৪ উইকেট
ফ্রন্টলাইনের চার চারটা ব্যাটসম্যান নেই!!!!!!!!
টেনশনে আমার ক্ষিধা লেগে গেছে।
ভাইয়েরা সবাই দোয়া করতে থাকেন

বিস্তারিত»

তোমার মৃত্যুতে

বৃথা স্বপ্ন দেখে কি লাভ, যদি কোনদিন সে স্বপ্ন না দেখে সূর্যের আলো?
কি হবে মিছে আশা করে, যদি সে আশার না থাকে কোন বাস্তবতা?
আর কখনও কি তোমার ভালবাসায় আমি ধন্য হব! –
কি হবে সেইসব কল্পনায় – যেখানে দুঃখ শুধুই ক্রমবর্ধমান?
আর কখনও কি তোমার স্পর্শ আমি অনুভব করব
গভীর নিশীথে রূপালী চন্দ্রায়?
লাভ কি সেইরাতের কথা ভেবে,

বিস্তারিত»

আমার কাজলাদিদিরা – ১ ( সুমি আপু )

[ঠিক কবে মনে নেই কিন্তু খুব ছোটবেলা থেকেই কেন যেন আমার একটা বড় বোনের শখ হয়ে গেল ( আজো গেল না )।
” মাগো আমার শোলক বলা কাজলা দিদি কই?”
এই প্রশ্নটা আজীবন খুঁজে ফিরছি। একটু একটু যখন বড় হলাম গল্পের বই পড়া শুরু করলাম তখন এই ইচ্ছাটা দিনকে দিন বাড়তে লাগল। শরৎচন্দ্রের বড়দিদি, মেঝদি, পড়তে পড়তে ছোট্ট আমার কত দীর্ঘশ্বাস বের হল তার খবর কেউ রাখেনি।

বিস্তারিত»

ত্রিদেশীয় ভ্রমন -১ ইন্দোনেশিয়া (বালি)

গত অক্টোবরে আমাদের পুরা ফ্যামিলি মিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম – তিনটি দেশ। বাবার শখ ছিল অনেক দিনের। আর আল্লাহ তা’য়ালা যখন সুযোগ করে দিলেন – তা হাতছাড়া করি কোন দুঃসাহসে।
প্রথমেই ছিল ইন্দোনেশিয়া’র বালি দ্বীপ।
সেখানে চোখের সামনে ভলক্যানো দেখে বিশ্বাস হচ্ছিল না যে আসলেই দাঁড়িয়ে আছি -এই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরির সামনে !
আজ তবে আপনাদেরকে বলি সেই দিনটির কথা।

বিস্তারিত»

সিসিবিঃ আমার কিছু নগন্য কথা

সিসিবির হাজারতম পোষ্টে সবাই যার যার কথা বলে ফেলছে। অফিস করি আর লেখা পড়ি।এম্নিতেই ফাকিবাজির অভ্যাস প্রবল। বাংলা লিখতে পারি না অন্যদের মতো। যেই কারনে আমার ব্লগও অনেক কম। খালি সেলোগ্রাফী করি। তার উপর মাঝখানে বেশ কিছুদিন লেখা থেকে দূরে থাকার কারনে লেখতে গেলে আরো ফাকিবাজি মনে পড়ে। আজকে ঠিক করছি এই পোষ্টে লেখার। অফিস থেকে এসে ল্যাপটপ নিয়ে অনেক্ষন বসে আছি। কোথা থেকে শুরু করবো খুজে পাচ্ছিনা।

বিস্তারিত»