অন্তর্ধান

অন্তর্ধান
মুহাম্মদ ওবায়েদুল্লাহ

আজো পাখিরা এসেছিল আগের মত
তোর বাড়ীর বাগানের
বৃক্ষ শাখে বসে কত কথা বলল
আমি কি বুঝি সব,
বুঝি না তোর মত ওদের ভাষা
শুধাল তুই নেই কেন? কেন নেই,
নেই কেন এই সুন্দর সকালে
রাত ভোর করে দাঁড়িয়ে জানালায়।

ভোরের আলোরা বলে , কোথায় তুই?
সোনা রোদ চিক চিক পড়লো না কপোলে,

বিস্তারিত»

তোমার জন্য কান্দি।

তোমার জন্য কান্দি
মুহাম্মদ ওবায়েদুল্লাহ

তোমার জনে্য কান্দি আমি তুমি ধরিলে গো কার হাত
তোমার জনে্য বিবাগী আমি তুমি কার সনে কাটাও রাত,
বল সখি কি হবে আর রাখিয়া এ প্রান ।

আমি যে ভাসালেম নাও উজান গাঙের সো্রতে তুমি কোথা গেলে
নদী কুলে কি গো হবে দেখা প্রিয়ে রাখিব এ দেহ তোমার কোলে,
বলি সখি সে আশায় মোর জীবন করিব দান।

বিস্তারিত»

অভিসার


বাধন ছুড়ে বাইরে এস
জড়িয়ে ধর বুক
মাতাল ঝড়ে ঝরুক পড়ে
স্বপ্ন ধোয়া সুখ।
ছোয়ায় ছোয়ায় কাপবে ধরা
মদির ঢলে নেশা
সতেজ ফুলের মধু বনে
বহ্নি জলে মেশা।


লজ্জা ভুলে বাড়িয়ে দাও
কোমল দুটি ঠোঁট
অণল দোহে ভস্ম হউক
হৃদয় ক্ষত চোট।
চপল চপল চোখের ভাষা
জারি সারি গান
কৃষ্ণ রাধার কুনজ বনে
বষর্া বাদল বান ।

বিস্তারিত»

বাসর

বলবো না কথা আর কারো সাথে এখন গভীর রাত
চামচিকি বাদুর উড়ছে আঁধারে আকাশে বুড়ো চাঁদ ,
চুপচাপ বুকের ভিতরে মুখ সুখে অকাতরে বিভোর
জোছনার লুটোপুটি প্লাবিত জোয়ারে পরান দুয়োর।
শুভ্র কামিনি জেগে সারারাত সোহাগে গন্ধ মাতাল
বাহূডোরে বাঁধা আকসিলতা পোড়া মন মগ্ন উথাল,
জোনাকির আলো নিভে জ্বলে মিটিমিটি তারার হাসি
হাস্নাহেনার সুবাস মদির দখিনা বাজায় মরমি বাঁশি।

বিস্তারিত»