বৃষ্টি ও বিভ্রম

বৃষ্টি ও বিভ্রম

বাস ফেরিতে ওঠার পর পরই লাবন্য আর বাদল ফেরিতে নেমে পড়েছিল । নদীতে তখন বৃষ্টি ঝরছে। কখনও জোরে কখনও থেমে থেমে, বাতাসে একেকবার তেরসা হয়ে ফেরির ভেতর ঢুকে পড়ছে, বৃষ্টির ছাঁট।সেই বৃষ্টির ঝাপ্টা খারাপ লাগছিল না বাদলের। সে বলল, “মনে হচ্ছে ছোট বেলার মত ছোঁয়া ছুঁয়ি খেলি। কত দিন পর এমন বৃষ্টিতে তোকে পেলাম”।

লাবন্য বলল, “বেশি ছুঁতে এসোনা,

বিস্তারিত»

মরিচীকা

মরিচীকা
মো ও খা ও।

উড়তে উড়তে উড়ে গেছি বহুদূর
সুদুর নীলিমা জুড়ে দিকহীন রোদ্দুর
প্রান্তর পাড় হয়ে  দাঁড় ফেলে
কালা পানি সাতারে ঢেঁকুর গিলে।
ঐযে আকাশ সেত কিছু নয়, শুন্য
চাঁদ যে কত সুন্দর খানা খন্দ পূর্ণ
বাতাস বাতাস নয় সে তোলে ঝড়
প্রেম কি সে প্রেম প্রবাহ প্রলয়ঙ্কর।

আছারিল জননী জঠর পিয়াতক
মাতোয়ার মহুয়া রসে ঢেউ পাঁক,

বিস্তারিত»

নিমগ্ন অন্তরীক্ষে

নিমগ্ন অন্তরীক্ষে।
মো ও খা ও

নিমগ্ন যখন অন্তরীক্ষে কিছুই ছোবেনা আর
না প্রেম না পূজা, বয়ে যাক বৈশাখী ঝড় নৈঋতে,
অথবা হউক পুড়ে খাক অধর্ চৈত্রের দাবানলে,
প্রকৃতি উন্মুখ হবে না আর উন্মাদ রোষানলে।

প্রয়োজন যখন পরাহত শুদ্ধ নিয়ন্ত্রনে সকল সত্বা
না লোভ না লালসা, নাচুক নটি কটি দুলে রঙিন রাতে,
অথবা ত্যাজি হউক ঘর সংসার রাজন সন্যাসী,

বিস্তারিত»

নিশাতের গল্প


এক রাশ বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙ্গেছে আজকে নিশাতের। রুমে বড় বড় জানালা দিয়ে আসা রোদে চারিদিক আলোকিত, হাত বাড়িয়ে ফোন অন করতে গিয়ে মনে পড়লো আগের রাতে চার্জশূন্য হয়ে বন্ধ হয়ে গেছিল। কয়টা বাজে জানার উপায় নেই। রুমে কোন ঘড়ি নেই, না না আছে। কিন্তু মেরামতের অভাবে দীর্ঘ দিন যাবৎ বিকল পড়ে আছে। বিছানায় শুয়ে শুয়েই নিশাত ভাবতে শুরু করে ওর রুমে কোন ক্যালেন্ডারও নেই।

বিস্তারিত»

প্রণয়।

সাদা পাতা খাতা ছিল লেখাহীন জীবন
খোলা মন আকাশ ছিল মেঘে ভেজা নীল
উদার ভাবনায়
সহস্র ধারায় ঝরে প্রবাহিল প্রণয়,
ধুলা উড়া মরা গাঙে খা খা ধু ধু বালি
পরানে প্রনয় জ্বালা ডোবে না অতলে।

কালো জল টলমল চোখ ছিল ভাষাহীন
বুকে সুখে সাগর ছিল সূদুরে হরিত
অমল আশায়
সহস্র ধারায় গলে বহিল প্রণয়,
বিজন বন পল্লব পত্রহরিৎ নির্জন সপর্িল
বষর্িত বজ্র ফণা হানে ছোবলে।

বিস্তারিত»

ক্ষনিকের অভিমান

প্রথম যেদিন শ্বেতশুভ্র তুষার,
তোমার কদম চুমে ছিল,
আজও মনে পরে সেই দিনটির কথা!
ছোট্ট শিশুর অকৃত্রিম সরল হাসির মতন,
খিলখিলিয়ে হেসে উঠে বলেছিলে,
“এই দেখো দেখো, কি সুন্দর লাগছে
বরফগুলো দেখতে! যেন সাদা তুলার চাঁদর!”
আমি তখন তুষারপাতের সৌন্দর্য ভুলে
অবাক চোখে তাকিয়ে দেখছিলাম,
তোমার তুষারস্নান!
যেন তুমি ফিরে গিয়েছিলে তোমার শৈশবে,
আপনমনে মাখছিলে তুষার তোমার মুখে!

বিস্তারিত»

ইপসা

যদি বাসবি ভালো গহন ঘন
মেঘ মাখা ঐ চন্দ্র আলো দেনা মেলে দে,
যদি চাইবি চোখে পাপড়ি মেলে
শেওলা জলে ঐ শীতলে নে না কোলে নে।

যদি জোৎস্না ঝরে আকাশ ভেঙে
তিমির রাতের কৃষ্ণ কালো দে না মুছে দে,
যদি তেষ্টা জাগাস এই পরানে
ঝণর্া ঝরা ওষ্ঠ দুটি দে না ছুয়ে দে ।

যদি বষর্া নামে অঝোর ধারায়
চৈত্র খরার নিদাঘ দাহ দে না ভিজে দে,

বিস্তারিত»

এক্স ক্যাডেট লাইফের প্রথম কবিতাঃ বৃষ্টি ও প্রেম ১

সেই পুতঃ প্রেম সাগর দোলায়
সেই পুতঃ প্রেম জানলা খোলায়
গ্রীলে ঠেকে মুখ,সে এসে দাঁড়ায়
বৃষ্টি ছুঁতে সে দু’হাত বাড়ায়
দু’হাত বাড়িয়ে জল ছুঁতে চায়
বৃষ্টিস্নাত প্রেম ছুঁতে চায়
বৃষ্টি জলের ঘূর্ণিমায়ায়
আজ কেন সে নীল ছুঁতে চায়!

জলে ভেজে গাল,কেন সে হাসে
জল চুমু খায় জানালার পাশে
তার ঠোঁটে হাতে জল ছুঁয়ে যায়
বৃষ্টির প্রেমে নীল ধূয়ে যায়
জলে ভিজে যেতে দুহাত বাড়ায়
কী নিবিড় হাসি চোখের তারায়!

বিস্তারিত»

হায়রে পোলাপাইন…হায়রে প্রেম…হায়রে প্রেমিকা (ভ্যালেন্টাইন ডে -আবেগী ভার্সন)

( বন্ধুর মনে যখন ভাইরাস আক্রমন করল,ভালবাসা উথলাইয়া পড়িতে শুরু করল,তখন লেখা শুরু হলো)

টিক…টিক…টিক ঘড়ির কাটা ঘুরে চলেছে।চারপাশে সুনসান নীরবতা।আলতো করে বিছানায় গা এলিয়ে দেয় সুমন,অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে কিছুক্ষন ঘড়িটার দিকে।সময় কতটা দ্রুত কেটে যাচ্ছে।চোখটা বুজে আলতো করে।
আজ সারাদিন কাজ শেষে অনেক ক্লান্ত শরীর।কাজের ফাঁকে এক মুহূর্তের জন্যেও সোনামনির কথা ভুলতে পারেনি সে।এইতো মাত্র কয়েকটা দিন আগেও জীবনের মুহূর্তগুলো এতটা সুখের মনে হতোনা।খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে কাজে যাওয়া,দুপুরে আফিসে বসে একা একা লাঞ্চ করা,সারাদিনের কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে ঘরে ফেরা।তারপর রান্না করা,সাময়িক বিনোদন হিসেবে ইন্টেরনেট এ বসে বসে অনলাইন নাটক বা মুভি দেখা অথবা দেশে থাকা বন্ধুদের সাথে মাসেঞ্জার এ চ্যাট করে আড্ডা জমানো।প্রত্যেকটা দিন এভাবে কেটে যেত।জীবন যেন অনেকটা একঘেয়েমিতে ভরে যাচ্ছিলো।

বিস্তারিত»

হায়রে পোলাপাইন…হায়রে প্রেম…হায়রে প্রেমিকা

২০০৪ এর ঘটনা…জিয়া উদ্যান এর এক কোনায়..এক ঠোঙ্গা বাদাম খেতে খেতে…

মেয়েঃ শোনো !!
ছেলেঃ বল ।
—(বিরতি)
—(বিরতি)
ছেলেঃ কই কিছু শুনছি না তো?
মেয়েঃ শুনবে কী করে? কিছু বলছি নাতো ।
-বলছ না কেন?
-কেন বলব?
– মানে তুমিই ত’ বললে!
-আমি কী বললাম ? কখন?

বিস্তারিত»