ফাঁদ পাতা এই দুনিয়ায় – আরেকটি তথ্য ভাগাভাগিকরন প্রচেষ্টা

দেখতে পাচ্ছি, আমার এই ইনফরমেশন শেয়ারিং বা তথ্য ভাগাভাগিকরন প্রচেষ্টাগুলোতেই আজকাল পাঠকদের আগ্রহ বেশি।
তাই ভাবলাম, এ নিয়েই বরং আরও কিছু লিখালিখি করি।

গত লিখাটায় নারীকে ব্যবহার করে এক ধরনের বিরল প্রতারনার তথ্য দিয়েছিলাম। আজ আর বিরল না, নারীকে – বিশেষ করে বিবাহিত এবং/অথবা মধ্যবয়সী নারীকে টার্গেট করে পাতা একধরনের ফাঁদ নিয়ে আলাপ করবো।

ফেসবুকে মোটামুটি একটিভ নারীরা নানান বয়সী অপরিচিত র‍্যান্ডম পুরুষের কাছ থেকে বন্ধুত্বের রিকোয়েস্ট হর-হামেসাই পেয়ে থাকেন।
অনেক সময়েই এই রিকোয়েস্টকারীরা আবার প্রথমে ইনবক্সে অতি ভদ্রভাবে অনুরোধও জানায় রিকোয়েস্ট পাঠানোর অনুমতি চেয়ে।
এসবই অনেক সময় থাকে এঁদের একটা ট্র্যাপিং মাস্টার প্ল্যানের অংশ…

তাহলে মাস্টার প্ল্যানটা কি?
মাস্টার প্ল্যানটা হলো, একজন মাঝ বা প্রায় মাঝ বয়সী এমন কোনো নারীকে খুজে বের করা যাকে ভার্চুয়াল সঙ্গ দানের বিনিময়ে তাঁর কাছ থেকে কিছু বিবিধ সুবিধা আদায় করা যায়…

প্রসপেক্টিং
প্রথমেই চেষ্টা থাকে একজন বিবাহিত বা রিলেশনে থাকা ত্রিশোর্ধ এমন নারীক খুজে বের করার, যার কিছু না কিছু ক্যারিয়ার আছে। এরপর দেখার চেষ্টা হয়, তিনি কতটা সময় দিচ্ছেন নেটে।

বিবাহিত বা রিলেশনে থাকা নারীরা নিরাপদ। খারাপ কিছু ঘটলে নিজেরাই তা চেপে রাখবেন বেশি বেশি। আর তা লোকলজ্জার ভয়ে।
ত্রিশোর্ধগনের মধ্যে ক্লান্তি দুরিকরনে বা একাকিত্ব থেকে মুক্তি পেতে ইচ্ছুক পাওয়া সহজ।
আর ক্যারিয়ার থাকাটা জরুরী কারন সেক্ষেত্রে খচ্চাপাতিতে তাঁকেও সঙ্গে পাওয়া যাবে।
এরকম নারীদের মধ্যে নেটে যারা বেশি সময় দেন, ধরে নেয়া যায়, তাদের একটা বড় অংশেরই একাকিত্ব হয়তো একটা সমস্যা।

যোগাযোগ স্থাপন
এটা করা হয় অতি ভদ্র ভাবে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে, ও তা গ্রহন করায় ধন্যবাদ জানিয়ে। অথবা গ্রহন না করায় বিরক্তি উদ্রেকের কারনে দুঃখ প্রকাশ করার মাধ্যমে। অনেক সময় এতেও কাজ হয়। নিঃসঙ্গতায় থাকা নারী এই গদ গদ ভাব দেখে বিগলিত হন কখনো কখনো।
ইনিশিয়াল কনটাক্ট এসটাবলিশ হলে পরেই মূল যোগাযোগটা স্থাপন করা হয় ইনবক্সের আলাপ চারিতায়।

ফুট অন দ্যা ডোর
এই পর্যায়ে মূলত ইনবক্সে অথবা অন্যান্য মাধ্যমে এমন ভাবে আলাপচারিতা শুরু করা হয়, যেখানে ট্র্যাপার টার্গেটকে নিজের সম্পর্কে কথা বলতে কন্টিনিউয়াসলি উৎসাহিত করে যায়। এই পর্যন্ত পৌছুতে পারলে ট্র্যাপার ধরে নেয় যে সে এমন একজনকে টোপ খাওয়াতে পেরেছে যার সঙ্গের প্রয়োজন আছে অর্থাৎ যিনি সঙ্গ চাচ্ছেন।
এখন কথা হলো, টার্গেট এই পর্যায়ে আসছেন কিসের ভরসায়?
আসলে শুরু থেকে অতি ভদ্রতা ও নিজ টাইম লাইনে দায়িত্বশিল বিভিন্ন পোস্ট ট্র্যাপারকে সন্দেহের উর্ধে রাখে। উপরন্ত, ট্র্যাপারের সাথে যোগাযোগটা যেহেতু ভার্চুয়াল, এটাও একটা স্বস্তির কারন থাকে যে, “যাক, বেশি খারাপ কিছু হলে দেবো ব্লক করে। সমস্যা কি?”
কিন্তু যেটা নিয়ে উনি হয়তো সচেতন থাকেন না, তা হলো, সুই হয়ে ট্র্যাপারের অনুপ্রবেশটা…
এই পর্যায়ে টার্গেটের নিজের কথা শেষ হলে ট্যাপার উৎসাহ দেখায় তাঁর সঙ্গি (স্বামী বা প্রেমিক) সম্পর্কে জানতে।
নিজের কথা বলতে উৎসাহ দেয়াটা মূলতঃ আইস ব্রেকিং। কিন্তু সঙ্গির সম্পর্কে কথা বলানো অর্থাৎ সেই জানাটা কিন্তু তারচেয়েও বেশি কিছু।

মেকিং এসেসমেন্ট এন্ড সিলেক্টিং কোর্স
এই পর্যায়ে ট্র্যাপার বোঝার চেষ্টা করে, টার্গেট কতটা উচ্ছ্বাস নিয়ে সঙ্গির কথা বলছেন।
উচ্ছাসটা হতে পারে অতি উচ্চ থেকে নুন্যতম পর্যন্ত যেকোনো রকমের।
যদি দেখা যায়, টার্গেটের উচ্ছ্বাস বেশ উচ্চ ধরনের, ট্র্যাপার যেকোন ইমিডিয়েট পদক্ষেপ পিছিয়ে দেয় কিন্তু তা বলে হাল কিন্তু ছাড়ে না। কথা বলানোর পর্যায়ে যখন টার্গেটকে আনা গেছে, কখনো না কখনো অন্য কোনো (আর্থিক বা সামাজিক) সুযোগ তাঁর কাছ থেকে পাওয়া যেন যায়, সেজন্য যতটা যোগাযোগ না রাখলেই নয়, সেটা চালিয়ে যেতে থাকে সে। পাশাপাশি চলে সুযোগের অপেক্ষা।
কি সেই সুযোগ, তা বলার আগে যোগাযোগ চালিয়ে যাবার ধরনটা জানিয়ে রাখি। অতি যত্নে সপ্তাহে বা দু’সপ্তাহে একবার হাই হ্যালোর মধ্য দিয়ে এটা করে যাওয়া হয়। কারন বলাতো যায় না, এসব করতে করতে একসময় সঙ্গির প্রতি উচ্ছ্বাস কমে আসার ঘটনা আবিষ্কার হয়েও তো যেতে পারে। তখন সেটাই করা হবে যা প্রাথমিক অনুসন্ধানে উচ্ছাসহীনতা আবিষ্কার করলে করা হতো।

এবার বলি, ট্র্যাপার কি করে যখন সে টার্গেটকে তাঁর সঙ্গি সম্পর্কে নির্লিপ্ত বা কম উচ্ছ্বাস পূর্ণ পায়।
সমব্যাথি হিসাবে আবির্ভুত হয়। এটার জন্য টার্গেটের মন বুঝে কখনো নিজেকে নারীবাদী কখনো বা ধার্মিক হিসাবে নিজেকে অবতির্ন করে। খুব সতর্ক থাকে সঙ্গির ব্যাপারে যেন কোনো কটুক্তি করা না হয়ে যায় সে দিকটায়। আর বিরল ক্ষেত্র ছাড়া, অপেক্ষা করে যায়, দেখা সাক্ষাতের আহ্ববানটা ঐদিক থেকে যেন আসে, সেই জন্য।

আরও অগ্রগতি
আসলে, এর পরে ঘটনা কোনদিকে গড়াবে, সেটা জানা আমার পক্ষে এই কারনে আর সম্ভব না যে ভার্চুয়াল সম্পর্কটা এখন আর ভার্চুয়াল নাই।
দুজন যখন থেকে দেখা সাক্ষাৎ শুরু করে দিয়েছে, তারা তখন রক্ত মাংশের দুজন মানুষ সামনাসামনি বসে আছেন। এতক্ষন যেসব তত্ত্বকথা নির্ভর এক্টিভিটির বর্ননা দিলাম, তারা এখন সেগুলোর উর্ধে।
কিন্তু সমস্যাটা হলো তাদের শুরুর স্ট্যাটাসে। এঁদের একজন ট্র্যাপার অন্যজন টার্গেট। আর তাই ট্র্যাপার সর্বদাই চেষ্টা করে যাবেন, কিভাবে টার্গেটের সর্বাধিক এক্সপ্লয়েটেশন করা সম্ভব। সুই হয়ে ঢুকে এই ফাল তিনি হয়েছেন সেটা করার জন্যই তো, নাকি?

**********
যাহোক, আমার তথ্যভাগাভাগি প্রচেষ্টা মোটামুটি এখানেই শেষ।
অনলাইন হোক বা অফলাইন, যার সাথে যে ধরনের সম্পর্কে আপনি কমফোর্টেবল বোধ করেন, আপনি অবশ্যই তা স্থাপন করার অধিকার রাখেন। আমার তা নিয়ে বলবার কোনো রাইট নাই।
করুন যা ভাল লাগে তাই, কোনো সমস্যা নাই।
এই নিবন্ধটা লিখার উদ্দেশ্য আপনাকে কেউ এক্সপ্লয়েট করার ডেলিবারেট পদক্ষেপ নিচ্ছে কিনা, সে সম্পর্কে সচেতন করা।
যদি এসব কোনো তথ্য আপনার কাজে লাগে, আমি কৃতার্থ হবো।
আর যদি বাড়াবাড়ি মনে হয়, আমি দুঃখ প্রকাশ করতে রাজি আছি।

ভাল থাকবেন সবাই…
শুভরাত্রি!!!

৩,৭৯২ বার দেখা হয়েছে

৩৩ টি মন্তব্য : “ফাঁদ পাতা এই দুনিয়ায় – আরেকটি তথ্য ভাগাভাগিকরন প্রচেষ্টা”

  1. তানভীর (২০০১-২০০৭)

    পারভেজ ভাই, কথা সত্য ইদানীং আপনার এই তথ্য শেয়ারিং ভালোই লাগছে পড়তে। প্রাণবন্ত উপস্থাপনা একটানে পড়ে শেষ করা যাচ্ছে কিন্ত টপিকস নিয়ে ভাবাচ্ছে ঢের.... পজেটিভ অর্থে।
    ভয় পাচ্ছি এমন মনে করবেন না..... 🙂


    তানভীর আহমেদ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      প্রথমেই ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।
      এরপর ধন্যবাদ, ভাবার ও ভেবে কমেন্ট করার জন্য।
      আমি নিজে যেহেতু গতিময় লিখা পছন্দ করি তাই আজকাল কনশাসলি চেষ্টা করি লিখায় গতিময়তা ঢুকানোর।
      তোমার ফিডব্যাক পেয়ে মনে হচ্ছে, কাজটায় কিছু কিছু সফল হয়তো হতে পেরেছি।
      এই পজেটিভ ভাবনাটাই হলো "কনসার্ন" ফীল করা। আসলেই কিন্তু এধরনের ব্যাপার স্যাপারে কনসার্নড ফীল করার যথেষ্ট সুযোগ আছে।
      তবে আমার ধারনা, ব্যপারগুলো অনেক বেশি নিয়ন্ত্রনাধীন থাকতে পারতো, যদি আমরা এমন একটা পরিবেশ তৈরী করতে পারতাম যেখানে খোলামনে যেকোনো বিষয় নিয়ে আলাপ-সালাপ করা যায়।
      প্রেমে পড়ার বা সম্পর্কে ঢোকার পূর্বে আদান-প্রদানের যে সময়টা চলে, কেন যেন আমরা সে সময়টাতে অতিরিক্ত রাখঢাক করি।
      এই অতিরিক্ত রাখঢাকের কারনে, আমার ধারনা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারীটি।
      আমার মনেহয়, এই পর্যায়ে নারীদের উচিৎ, সম্পর্কের বিল্ড-আপ নিয়ে কাউন্টার-পার্টকে জানিয়েই সহানুভুতি থাকা বন্ধু-পরিজনের সাথে ব্যাপারটা নিয়ে আলাপ করা।
      কোনো কাউন্টার-পার্ট যদি এই আলাপে আপত্তি করে, তাঁর সেই আপত্তির উদ্দেশ্য কতটা জাস্টিফাইড সেটা স্ক্রুটিনি করাটাও দরকার।
      তাছাড়া এসব বিষয় আলাপ করা যায়, সেরকম কমপ্যাশনেট একটা বন্ধু-পরিজনের সার্কেল আগে থেকেই থাকা উচিৎ।
      আমাদের দেশে এই বন্ধু-পরিজনরা আবার বেশি খবরদারি করে, এটাও একটা সমস্যা।
      এঁদের আসলে যেটা করনিয়, তা হলো, সম্পর্কের খারাপ দিক ও ভাল দিক তুলে ধরা, ডিসিশন চাপিয়ে দেয়া না।
      আমি নিজে বন্ধু-পরিজন হিসাবে কখনো কাউকে কোনো সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে বলি না।
      তবে আমার বলা কথাগুলো শুনে কারো যদি বেরিয়ে আসতে মন চায়, তাকে বাঁধা দেই না। আবার সব জেনে বুঝে থাকতে চাইলেও উৎসাহ দেই।

      ধান ভানতে শিবের অনেক গীত করে ফেললাম। 🙂 🙂 🙂


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      পড়ার ও মন্তব্য করার জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
      লিখাগুলো কারো কোনো কাজে এলে প্রচেষ্টাটা সফল বলেই ভাববো। তোমার পছন্দ হয়েছে জেনে খুব ভাল লাগলো।
      "আপনি যাই লিখেন সবই অসাধারণ মনে হয়" - কি যে বলো? এখন থেকে তো তাহলে আর মাটিতে পা পড়বে না। 🙂 :shy: 🙂 :shy:

      যতদুর মনেপড়ে, এটাই বোধহয় আমার কোনো লিখায় তোমার প্রথম কমেন্ট। সম্মানিত বোধ করছি কারন সাবিনার কারনে তুমি অনেক আগে থেকেই আমাদের এই পরিবারে সেভাবে না থেকেও সবসময়েই আছো।
      আর শুধু যে আছো, তাই না। একজন সুপার হিরো, সুপার ফ্রেন্ড, সুপার সিস্টার, সুপার মাম হিসাবে আছো সারাক্ষনই।

      খুব ভাল লাগলো তোমার কমেন্ট পড়ে। হোক না তা গেস্ট হিসাবে, বিনা লগ-ইনে...
      (লগ-ইন করে কমেন্ট করার সুবিধা হলো উত্তরের নটিফিকেশন যায়। গেস্টের মনেহয় না সেটা যায়। গেলেও হয়তো ই-মেইল আকারে। সেক্ষেত্রে স্প্যাম ফিল্টারে আটকে যাওয়াটাও খুবই স্বাভাবিক। সম্ভব হলে লগ-ইন করে কমেন্ট করবা, কেমন?)


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  2. তানভীর (২০০১-২০০৭)

    "আমি নিজে যেহেতু গতিময় লিখা পছন্দ করি তাই আজকাল কনশাসলি চেষ্টা করি লিখায় গতিময়তা ঢুকানোর।"- চালিয়ে যান ভাই। আমি অন্তত আছি পড়ার জন্য..... 🙂
    লুবনা আপুর মন্তব্যের উত্তরে লেখাটা আমার মনেহয় সব সিসিবিয়ানের মনের কথা।


    তানভীর আহমেদ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      প্রথমাংশের উত্তরঃ
      "পড়ারাম পড়ে যা....."
      দ্বিতীয়াংশের উত্তরঃ
      লুবনাকে নিয়ে সাবিনার ঐ লিখাগুলি অন্যদের কতটা কি কাজে এসেছে, জানি না - আমাকে কিন্তু সেগুলো অনেক অনেক হৃদ্ধ করেছে।
      আজকাল যেকোনো ডিফিকাল্ট সিচুয়েশনে পড়লেই আমি লুবনার কথা স্মরন করি আর ভাবি, এ আর এমন কি?
      দুজনকেই অভিবাদন :
      লিখার জন্য, সাবিনাকে আর
      লিখার অনুমতি দেয়ায় লুবনাকে..... (সম্পাদিত)


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  3. আসাদ (৭৭-৮৩)

    " কিন্তু যেটা নিয়ে উনি হয়তো সচেতন থাকেন না, তা হলো, সুই হয়ে ট্র্যাপারের অনুপ্রবেশটা…
    এই পর্যায়ে টার্গেটের নিজের কথা শেষ হলে ট্যাপার উৎসাহ দেখায় তাঁর সঙ্গি (স্বামী বা প্রেমিক) সম্পর্কে জানতে।
    নিজের কথা বলতে উৎসাহ দেয়াটা মূলতঃ আইস ব্রেকিং। কিন্তু সঙ্গির সম্পর্কে কথা বলানো অর্থাৎ সেই জানাটা কিন্তু তারচেয়েও বেশি কিছু।" ---আমার মনে হয় এটা চমৎকার একটা সোশ্যাল রিসার্চ হয়েছে। তোমার এই লেখাটি অনেককেই সচেতন করবে !

    জবাব দিন
  4. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    এসব ক্ষেত্রে শুরুতেই অনুধাবন করতে না পারলে বিপদ। দেখা গেল এক্সপ্লয়েট হচ্ছে এটা জেনেও অনেকে পিছিয়ে আসতে পারেন না, কেননা ততদিনে মানসিকভাবে অনেক বেশি জড়িয়ে পড়েছেন...

    ভাই, আপনি এটাকে সিরিজ হিসেবে চালু রাখুন।
    এরপর ধীরে ধীরে প্রতারণার অন্যান্য পদ্ধতিগুলো (ডিজিট্যাল বা এনালোগ) নিয়েও একে একে আলোচনা হতে পারে। এতে করে অনেকেই উপকৃত হবে বলেন আমার ধারনা।


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      "এসব ক্ষেত্রে শুরুতেই অনুধাবন করতে না পারলে বিপদ।" - এইটা ভাল বলেছো।
      আবার মানসিক ছাড়াও ডকুমেন্টারিলি (যদিও ইলেক্ট্রনিকাল) এত বেশি জট বাঁধা থাকে যে বেরিয়ে আসাটা বেশ কঠিন।
      স্বেচ্ছায় চালিয়ে গেলে তো সমস্যা তেমন ছিল না, কিন্তু দিন-ক্ষন সহ যাবতিয় কথা বার্তা, ছবিটবি লুকাবে কোথায়?
      তখন বাধ্য হয়ে অপছন্দের সম্পর্কটা চালিয়ে যাওয়াটাই হলো সবচেয়ে বাজে ধরনের এক্সপ্লয়েটেশন.........


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  5. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    ওরে বাবা, অনেক ভয়ের ব্যাপার তো।
    পারভেজ ভাই, অনেকদিন পর পর আসা হচ্ছে সিসিবিতে।
    ভাবছি ফেসবুক আমাকেও কাবু করে ফেললো। কিন্তু এ দিকটার কথা তো ভাবিইনি একেবারে!
    সত্যি সত্যি এমন ফাঁদ পেতে বসে থাকে লোকজন?

    জবাব দিন
  6. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    ছোটবেলায় আগে ছেলেধরার ভয় দেখানো হতো। ভার্সিটি লাইফের বদ ছেলেদের পাল্লায় না পড়ার ভয় দেখানো হতো। ভাবছি এই মধ্য বয়সে এসে বুঝি ভয়হীন জীবন কাটাতে পারব। কিন্তু কোথায় কী? এই বয়সেও ফাঁদ!


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
    • পারভেজ (৭৮-৮৪)

      এইটা খুব ভাল বলেছো।
      সুনীলের সেই কবিতার মতো, "নাদের আলী, আমি আর কত বড় হবো..."

      ফাঁদ পাতা মানুষগুলোরও বলিহারি, ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে অন্যের পিছনে লাগার দরকারটা কি?
      নামটা তো "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম"। কারো সাথে স্বেচ্ছায় যোগাযোগ হলে ক্ষতি নাই।
      কিন্তু এভাবে ফাঁদ পেতে তারপরে সুবিধা আদায়ের চেষ্টায় আখেরে কারো কি কোনো রিয়েল লাভ হয়?
      হয় না.........


      Do not argue with an idiot they drag you down to their level and beat you with experience.

      জবাব দিন
  7. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    পুরো বিষয় টিকে পাত্র পাত্রী স্পোর্টিং লি নিলে ভিন্ন কথা।
    তবে এড়াতে চাইলে একটাই উপায় আর তা হচ্ছে নিজ সংগি/সংগিনির প্রতি মনোযোগী হওয়া। এবং সেটা সকল অর্থে।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।