আব্বার হঠাৎ করেই চোখে ছানি পড়লো। ৫৫ বছর বয়সে বার্ধক্য ভর করেনি। এখনো আব্বা অনেক কর্মঠ এবং সার্ভিসে আছেন। কোন অসুখও নেই এবং এমন হয়নি যে কোন অপারেশন বা সিরিয়াস সিকনেসের কারনে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। ছানি আরো বেশি বয়সে হয় সাধারণত। কিন্ত আব্বার হঠাৎ করেই এবছর প্রব্লেম ধরা পড়লো এবং খুব দ্রুত ছানি ম্যাচিউরড হয়ে গেল। সামান্য দূরত্বেও মানুষ আইডেন্টিফাই করতে সমস্যা হয়। অনেকেই হয়ত ভাবে দেখেও কথা বললোনা তাই একটু বিব্রতকর বটে।
বিস্তারিত»শুধু তোকে নিয়ে লেখা
তুই আর আমি,
যত বাঁদরামী
চিরকাল দুজন একসাথে,
যা হবে হোক
তোর আমার ঝোঁক
দুষ্টামী হাত রেখে হাতে।
হাতছানি
যতদূর এই চোখ চলে যায় নীল ,নীল শুধু নীল
দিগন্ত জুড়ে উড়ে চলে যেন এক ঝাঁক গাংচিল
শতযুগ ধরে পথে পথে মোরা করেছি অণ্বেষণ
শপথ নিয়েছি,সাগরের খোঁজ করে যাব আমরণ
আজকে যখন শুনতে পেয়েছি সমুদ্র দিল ডাক
না হয় সবাই ভুলবো বারণ বন্ধণ ছিঁড়ে যাক
আমার দু’চোখ উপড়ে ফেলে অন্ধ করে দিও
আমার দু’চোখ উপড়ে ফেলে অন্ধ করে দিও
হৃদয়টাকে হিঁচড়ে টেনে শূণ্য করে দিও
বোধের ঘরে নষ্ট ঘুণে
পুড়িয়ে দিও নীল আগুনে
জ্বালিয়ে দিও অস্থি-মজ্জা যেটুক থাকে বাকি
পারলে দিও নির্বাসনে একলা যেন থাকি!
কেউ যেন না পায় এ আমার নীরব প্রেমের জল
কেউ যেন না হয় আর অমন হঠাৎ বিহবল
তোমার প্রেমের অনন্তলোক
আমার আকাশ নিবদ্ধ হোক
কেবল যেন তোমায় আমি দেবী বলে মানি,
৩৬ দিনের দেশ- ০১
ইয়ে, যেহেতু সবাই ভুলে গেসে সামিয়া হোসেন কে ছিল, তাই আগের ব্লগটার লিঙ্ক দিয়ে দিলাম।
৩৬ দিনের দেশ
যশোর রোড ধরে আগাতে আগাতে আগাতে আগাতে একসময় আমরা কলিকাতায় পৌছে গেলাম। কলিকাতা, …আমার অঞ্জনের চোখ দিয়ে দেখা কলিকাতা। আপনি যদি কখনো অঞ্জনের ‘নিয়ে যা’ গানটা না শুনে না থাকেন, তবে অতি অবশ্যই শুনে ফেলবেন।
তিনশ বছরের পুরনো শহর এই কলকাতা।
বিস্তারিত»