(সিসিবির বিবাহযোগ্য বড় ভাইদের উৎসর্গ করে ব্লগে আমার প্রথম কবিতা)
হালছাড়া জীবনের ইতি টেনে আজ
হঠাৎ গিয়েছি থেমে ভেংগে ফেলে লাজ ,
বসে আছি আজ তাই কারো মুখোমুখি
দেড় হাত ঘোমটার ফাকে দিয়ে উকি
অবাক বিষ্ময়ে
চেয়ে আছি যুগ যুগ চোখ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ।
(সিসিবির বিবাহযোগ্য বড় ভাইদের উৎসর্গ করে ব্লগে আমার প্রথম কবিতা)
হালছাড়া জীবনের ইতি টেনে আজ
হঠাৎ গিয়েছি থেমে ভেংগে ফেলে লাজ ,
বসে আছি আজ তাই কারো মুখোমুখি
দেড় হাত ঘোমটার ফাকে দিয়ে উকি
অবাক বিষ্ময়ে
চেয়ে আছি যুগ যুগ চোখ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ।
৫।
কেটদের বাড়ি যাবার ট্রেইলটা কিছুটা রুক্ষ হলেও দুই পাড়ের অপরুপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মাইককে মুগ্ধ করল। অনেক দূরের পর্বত শ্রেনী তার বিশালতার মধ্য দিয়ে এই সৌন্দর্যকে শতগুণে বর্ধিত করেছে। ট্রেইলের এক পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সরু জলধারা। পথ থেকে বেশ খানিকটা নিচে। সম্ভবত এটা ফ্লাশ ষ্ট্রিম, বর্ষাকালে বা পাহারী ঢল নামলে মনে হয় পানি অনেক বেড়ে যায়।
বিস্তারিত»জিমেইলে গত কিছুদিন ধরেই মেইল পাচ্ছিলাম ক্যাডেটকলেজ ব্লগ থেকে। আমার না কী এখানে কোন এক ব্যক্তিগত মেসেজ আছে সেজন্যে। যাই হোক, অবশেষে আসা হল এখানে আজ। আমার লেখালেখি পরীক্ষার খাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিছুদিন আগ পর্যন্তও। পিএইচডি করতে এখানে (নেদারল্যান্ড) আসার পর থেকেই একাকীত্বের কাছে আত্মসমর্পণ করেই মনে হয় কী-বোর্ড আর মনিটরকে আপন করে নিয়েছিলাম এখানে কিছু হাবিজাবি লেখে। তবে এটাই বা বাদ যাবে কেন?
বিস্তারিত»আগে একটা জুক্স কই। একবার এক আইনজীবির স্ত্রী মৃত্যুর পর স্বর্গে গিয়েছেন। তো হঠাৎই ঘুরতে ঘুরতে একটা সুবিশাল কক্ষের মাঝে অনেকগুলো ঘড়ির মতো দেখতে যন্ত্র দেখতে পেলেন, তাতে একটা বড়সড় কাঁটা ধীরে ধীরে ঘুরছে। মহিলা কৌতূহলী হয়ে তার গাইড দেবদূতকে জিজ্ঞেস করলেন, “ঐটা কী?” দেবদূত বললো, “ঐটা হইলো গিয়া মিছা-ঘড়ি, কেউ মিছা কথা কইলেই এইটা তাল বেতাল হইয়া চরকির মতন পাক খাইতে থাকে। যে বেশি মিছা কথা কয়,
বিস্তারিত»