দিনলিপি ০৬- ঈদকথন

ক।
প্রতিবার একি কাহিনি হয়। ঈদ এর আগে টেনশন কিভাবে বাসায় যাবো, খুজে খুজে দল ভারী করা কে কে যাবে, তারপর সেই টায়ারিং জার্নি করে অনেক ঝামেলা করে বাসায় ফেরা। ময়মনসিংহে মোটামোটি আমাদের ব্যাচের অনেকেই আছে তাই দল পেতে প্রবলেম হয় না। এইবারো যেমন সবাই আগে চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত কালকে শুমারী করে পাওয়া গেলো আমি, শাহরীয়ার আর মুস্তাকিম (সিসি আর)। কালকে রাতে কনফারেন্স এর মাধ্যমে ঠিক করা হলো সকাল ৭টার মাঝে ওরা বাস স্ট্যান্ডে থাকবে।

বিস্তারিত»

ফটুক

১.
অভির ইচ্ছে ফটোগ্রাফার হবে। যেনতেন নয়; ফ্যাশন ফটোগ্রাফার। ফ্যাশনের লাল-নীল দুনিয়া তাকে মোহে ফেলে,
পাগলের মত টানে। হেইডি ক্লাম, টাইরা ব্যাংস, আদ্রিয়ানা আর কেট মসদের সাথে প্রেম তার সেই কলেজ থেকেই।
লুকিয়ে কত যে পোস্টার জোগাড় করেছে, তখন অবশ্য মায়ের কাছে ধরা পড়ার ভয় ছিল। আর বিশ্ববিদ্যালয় হলে এখন তার ঘরের চার দেয়ালে শুধুই ফ্যাশন দুনিয়ার রানীদের হাট। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার এই এক মজা,

বিস্তারিত»

ইঙ্গমার বারিমানের সাক্ষাৎকার: প্লেবয়

প্রকাশ: জুন, ১৯৬৭; প্লেবয় ম্যাগাজিন

চলুন বারিমানের “দ্য সাইলেন্স” মুক্তি পাওয়ার সেই উত্তাল মাসগুলোতে ফিরে যাই। স্টকহোমের প্রতিটি সিনেমা হলে উৎসুক দর্শকদের ভীড়, তার দেখাদেখি আরও ডজনখানেক দেশে সাইলেন্স নিয়ে একরকম চাপা উত্তেজনা, একেক জনের হলে আসার কারণ একেক রকম- কেউ এসেছে এই সুয়েডীয় চলচ্চিত্রকারের বিশ্বনন্দিত ট্রিলজির (আগের দুটি হল “থ্রু আ গ্লাস ডার্কলি” ও “উইন্টার লাইট”) শেষ পর্ব দেখতে,

বিস্তারিত»

যাই না – বলো আসি…

গত ঈদে বাড়ি ফেরা নিয়ে ওদের হাল্কা কথোপকথন
আকাশঃ
হ্যালো। দেখতে দেখতে অনেকটুকু সময় পেরিয়ে গেল, না!
নীলিমাঃ
হুম্‌ম। ব্যস্ত সময় খুব দ্রুত পেরিয়ে যায়।

– জানো, তোমায় ভেবে ভেবেই পৃথিবীটাকে লাটিমের মত ঘূর্নি খাইয়ে খাইয়ে এই সময়টুকু পার করেছি আমি।

– এই যে, এখন আমাকে খুশী করা হচ্ছে না? শুধু তো আমায় ভেবেই বুঝি দিন যায় তোমার ?

বিস্তারিত»

ঈদগুলো

২০০২ সালে দেশ ছেড়ে আসার পরে আর ঈদ দেশে করা হলো না। এই সাত বছরে কতবার দেশে গেলাম, কিন্তু ঈদের সময় দেশে যাওয়াটা হয়ে উঠল না। দেশে থাকা বাবা, মা, ভাই বন্ধুদের কে প্রচন্ডভাবে মনে পড়ে সব সময়ই, ঈদের দিনে আরো বেশী করে মনে পড়ে আর মন খারাপ হয়।

ছোটবেলায় ঈদের দিন বাবার সাথে হাত ধরে নামাজ পড়তে যেতাম। আমার চাচারা আমাদের পাড়ার মধ্যেই থাকত,

বিস্তারিত»