
[১] [২-৩] [৪]
[৫-৬]
সাত
সে বছর আর পরীক্ষার জন্য তৈরী হওয়া হলো না। ততদিনে কেয়ার সাথেও অতুলের সম্পর্ক ভেঙ্গে গেছে। কেয়াদের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কটাকেও বড় বেশি অন্তসাঃর শুন্য বলে মনে হতে লাগলো। ক্রমশ লাবনী আবার নিঃসঙ্গ হয়ে গেল। অথচ নিজের মনের টানাপোড়ন, অস্থিরতা কারু কাছে প্রকাশ করবার জন্য খুব করে একজন বন্ধুর অভাব বোধ করছিল।
এলাম আমরা কীভাবে?
বিবর্তন সম্পর্কে সাধারণ ধারণার জন্য এই লেখায় ঢুঁ দিতে পারেন।
আমাদের পূর্বপুরুষ এইপ (ape) রা গাছের ডালে ডালে ঘুরে বেড়াতো। যাদের বলা হয়, পুরাতন পৃথিবীর বানর। এই “এইপ” দের থেকেই উদ্ভব হয় Australopith বর্গের (order)। এই বর্গের অন্তগর্ত হলাম আমরা মানুষ, আমাদের সাথে আছে শিল্পাঞ্জি ও গরিলারা। প্রাকৃতিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওনার জন্যই এইপ থেকে Australopith, এবং Australopith থেকে হোমোসেপিয়ান অর্থাৎ আধুনিক মানুষের বিবর্তন ঘটেছে- ফসিল রেকর্ড দেখে এমনটাই বোঝা যায়।
বিস্তারিত»চিকিৎসা – পাঁচ, ছয়

[১] [২-৩] [৪] [৫-৬]
পাঁচ
এদিকে লাবনী প্রাইভেটে ইন্টারমেডিয়েট পরীক্ষা দিবে বলে ঠিক করলো। কোচিং ক্লাসে গিয়ে একদল বন্ধু বান্ধব পেয়ে গেল। ওদের ব্যাপারে বা তাদের সাথে মাঝে মাঝে সময় কাটানোর ব্যাপারে লাবনী আর তখন কোন ভয় নেই। এখানে সবাই ওর মতোই নানা কারণে অনিয়মত ছাত্র ছাত্রী। পড়াশোনার থেকে মুঠোফোনে কথা বলা আর ফেসবুকে নতুন বন্ধু বান্ধবের সাথে যোগাযোগ গড়ে তোলার কাজেই ওদের বেশী উৎসাহ।
পাঠকের ডায়েরীঃ একজন আরজ আলী
আরজ আলী মাতুব্বরের গল্প আমি প্রথম শুনি এক ঈদের দিন সকালে, ক্যাম্পাসে আংকেলদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক জটলায়। ঈদের দিন সকালে একদল মধ্যবয়স্ক মানুষের মাঝে এক কৃষকের গল্প সেরকম মজার কোন বিষয় হওয়ার কথা না কিন্তু তারপরেও আমি দাড়িয়ে দাড়িয়ে শুনে যাই সেই গল্প। কারণ সেটা ছিল আসলে এক অন্যরকম গল্প, সমাজের সাধারণ স্তর থেকে উঠে আসা এক সত্য অনুসন্ধানী মানুষের জ্ঞান পিপাসার বিচিত্র সব গল্প।
বিস্তারিত»অতঃপর ব্লগর ব্লগর – ৬
১
জীবন প্রবাহে জীবিকার ছোবলে আক্রান্ত হতে হয় প্রায়ঃশই। কখনো হোঁচট খাই – কখনো বা পিছলে যাই – কখনো বা আমাদের স্রেফ বসে পড়তে হয়। তারপর আমরা হামাগুড়ি দিয়ে নড়তে শুরু করি। ধীরে ধীরে এরপর হেঁটে চলা আর একসময় দৌড়ে চলা। এহেন জীবন যাপনে আমরা অনেক সময়ই বাস্তবতার সাথে সমঝোতা করে নিই। গত ৪ঠা সেপ্টেম্বরের জমকালো ইফতার সন্ধ্যা মিস্ করার পর নিজেকে সান্তনা দেওয়ার জন্যই বোধকরি এ ভূমিকাটুকুর অবতারনা।
চিকিৎসা – ৪

এক দুই তিন
চার
ফেরার পথে সারা পৃথিবী চষা সুমন লন্ডনে একবার তার পুলিশের হাতে পরে নাস্তানাবুদ হওয়ার গল্প বলছিল।
স্বপ্নাতুর চোখে লাবনী জিজ্ঞেস করলো,
-লন্ডন শহরটা কেমন?
-শহরটা অনেক পুরনো তো তাই একটু ঘিঞ্জি ধরনের। রাস্তাঘাট ছোট ছোট, বাড়িঘর দোকানপাট খুব লাগোয়া। ব্যস্ত মানুষজন পেভমেন্ট দিয়ে হাঁটছে। পথে ঘাটে সব সময় গাড়ি, বাস,
চিকিৎসা – ২, ৩
দুই
লাবনীর আজকে সুমনের সাথে আশুলিয়াতে লং ড্রাইভে যাওয়ার কথা। কথা আছে এগারটার সময় গাড়ির মধ্যে থেকেই সুমন মিস কল দিবে আর সে নীচে নেমে যাবে। এখন প্রায় বারটা বেজে যেতে চললো অথচ সুমনের কোন খবর নেই। এদিকে হাসানকে বলে রেখেছে আজকে সাড়ে এগারটা থেকে তার দুটো কোচিং ক্লাস। হাসান তো ঠিকই তিনটা চারটার দিকে ফোন করে খোঁজ নেবে লাবনী বাসায় ফিরেছে কি না।
দুপুর বেলার পাখি
আমি হব দুপুর বেলার পাখি,
সবার পরে ঘুমের ঘোরে উঠব আমি ডাকি।
সুয্যি মামা জাগার পরে যাব আমি শুতে,
মা বলবে বিছনা ছেড়ে এসো নাশতা খেতে।
বলব আমি আলসে ছেলে ঘুমিয়ে তুমি তাকো,
হয়নি সকাল আমার এখন আমায় কেনো ডাকো?
আমরা যদি চোখ না খুলি কেমনে সকাল হবে?
তোমার ছেলে উঠলে মাগো সকাল তখন হবে।
অপরিচিতা

পুব আকাশে সূর্য এলে,কিংবা আলোর দুপুরে,
দিন ফুরিয়ে শেষ বিকেলে কে যায়?বাজায় নূপুরে-
চৈতালী সুর-ধিনাক ধিনাক;ভাঙা কাঁচের রিনঝিনি-
হাসিতে কে দেয় ভেঙে মোর ভাঙা বুকের অঞ্জনি?
কে ঢালে মোর সুখসাগরে একটু প্রেমের বিষাদজল?
কার প্রেমাদে তরল আবেগ উথলে উঠে অচঞ্চল?
কার আচঁলের আড়াল কোলে লুটপুটি খায় বকুল ফুল?
কে দেয় দোলা নদীর জলে,বুক দোলে মোর দোদুলদোল!
